প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
দশমিনায় ভূমি জবরদখল ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন
মোঃ জাকারিয়া হোসেন, মোঃ জাকারিয়া হোসেন ||
ডিজিটাল জরিপের নামে প্রতারণার অভিযোগ, ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি; তদন্তের নির্দেশনিজস্ব প্রতিবেদক, পটুয়াখালী:পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত, রেকর্ডভুক্ত ও বন্দোবস্তকৃত কৃষিজমি ডিজিটাল জরিপের নামে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এবং ভূমি জবরদখলের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন ভুক্তভোগীরা।বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহামুদ হাসান মৃধা বরাবর একটি স্মারকলিপি জমা দেন। পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা। এতে বিভিন্ন বয়সী প্রায় দেড় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।মানববন্ধনে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফকরুজ্জামান বাদল, দশমিনা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. রুহুল আমিন মোল্লা, ভুক্তভোগী মো. হেমায়েত গাজী ও মো. জায়েদ সিকদারসহ অন্যরা।বক্তারা অভিযোগ করেন, উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের লোলাইশিং চর-ত্রৈলোক্য মৌজার জমি সরকারিভাবে বিভিন্ন সময়ে বন্দোবস্ত ও দলিলের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকদের নামে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু একটি চক্র জাল কাগজপত্র তৈরি করে প্রকৃত মালিকদের জমি দখলের চেষ্টা করছে। এ কারণে অনেক পরিবার তাদের বৈধ সম্পত্তি নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে বলে দাবি করেন তারা।মানববন্ধন থেকে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগীরা।এ বিষয়ে অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত মো. জিয়া তালুকদার-এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি এখন একটু ব্যস্ত আছি, পরে এ বিষয়ে কথা বলব।”এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহামুদ হাসান মৃধা বলেন, ভুক্তভোগীদের দেওয়া স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য রনগোপালদী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে প্রশাসনিক তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে।
কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত