প্রিন্ট এর তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে তারেক রহমানকে ভারতের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
মোঃ রাজিব হোসেন ||
আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে পাঠানো এ আমন্ত্রণপত্র ইতোমধ্যে ঢাকায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসেছে এবং সেটি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও বিশেষ আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এতে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে।প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনে যোগ দেবেন কি না—এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শামা ওবায়েদ বলেন, বিষয়টি বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের বিবেচনায় রয়েছে। এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারতের চলমান পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্নের জবাব দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারত তাদের জনগণের সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করবে।এ সময় আগামী ৩০ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর সম্ভাব্য ঢাকা সফর নিয়েও কথা বলেন তিনি। শামা ওবায়েদ বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হচ্ছে। আসন্ন এ সফরের মাধ্যমে বিশেষ করে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে বলে সরকার প্রত্যাশা করছে।এ ছাড়া প্রেসিডেন্টকে ঘিরে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোনো তথ্যের সত্যতা প্রমাণিত হলে সরকার প্রয়োজনীয় তদন্ত করবে।পাসপোর্টের মান অবনমনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশের পাসপোর্টের মান কমেনি। বিভিন্ন দেশে ভিসা-সংক্রান্ত যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধানে পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে। পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসন ও জাল কাগজপত্র ব্যবহারের মতো বিষয়গুলোর সমাধানেও উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: মানবজমিন
কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত