প্রিন্ট এর তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
লামায় বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালন, সচেতনতামূলক র্যালি ও আলোচনা
মোঃ আমির হোসাইন ছাদেকী , স্টাফ রিপোর্টার বান্দরবান ||
"জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান: টেকসই উদ্যোগ করি বেগবান" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানের লামায় বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে সচেতনতামূলক র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার (২ আগস্ট) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, লামার উদ্যোগে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে র্যালিটি বের হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে ডাঃ উইলিয়াম লুসাই মেমোরিয়াল হলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সোলায়মান আহমেদ। প্রধান অতিথি ছিলেন ডা. ফরহাদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সাইফুল ইসলাম, ডা. দীপ্তি ত্রিপুরা, ডা. সাকিবুল ইসলাম, স্যানিটারি ইনস্পেক্টর খুকুমণি বড়ুয়া, স্বাস্থ্য পরিদর্শক (ইনচার্জ) সমীরণ বড়ুয়া, ফখরুল ইসলাম রাসেল, সিনিয়র স্টাফ নার্স নীলিমা রাণী দাশ, জুনিয়র নার্সবৃন্দ, অতিথি হিসেবে সাংবাদিক নজরুল ইসলাম এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।সভাপতির বক্তব্যে ডা. সোলায়মান আহমেদ বলেন, মাতৃদুগ্ধ শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, কর্মজীবী মায়েরা প্রয়োজনে ব্রেস্ট পাম্পের মাধ্যমে দুধ সংগ্রহ করে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে সংরক্ষণ করে পরে শিশুকে খাওয়াতে পারেন। কর্মস্থলে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপন এবং মাতৃদুগ্ধবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, শিশুকে কখনো শুয়ে শুয়ে মাতৃদুগ্ধ পান করানো উচিত নয়। এতে দুধ কানে প্রবেশ করে সংক্রমণ, কান পাকা এবং অন্যান্য জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। তাই শিশুকে সঠিকভাবে কোলে নিয়ে দুধ খাওয়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।ডা. সাকিবুল ইসলাম বলেন, জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শিশুর জন্য শুধু মায়ের দুধই যথেষ্ট। এ সময় অন্য কোনো খাবার বা পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই।ডা. দীপ্তি ত্রিপুরা বলেন, মায়ের দুধের কোনো বিকল্প নেই। শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অপুষ্টি প্রতিরোধে মাতৃদুগ্ধই সবচেয়ে নিরাপদ ও আদর্শ খাদ্য।
কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত