প্রিন্ট এর তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
ভারি বৃষ্টিতে ভেঙে গেল আতামারী–হাটমাগুড়া সংযোগ সড়কের কালভার্ট
মো: মহরম খান , উপজেলা প্রতিনিধি মাদারগঞ্জ (জামালপুর) ||
দুই গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ; দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীরটানা ভারি বৃষ্টিতে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার আতামারী–হাটমাগুড়া এলাকার একমাত্র সংযোগ সড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ কালভার্ট ভেঙে পড়ায় দুই গ্রামের মানুষের স্বাভাবিক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ কয়েক হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া এবং কৃষিপণ্য পরিবহনেও সৃষ্টি হয়েছে মারাত্মক সংকট।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক কয়েক দিনের টানা বর্ষণে সড়কের ওপর দিয়ে প্রবল স্রোতে পানি প্রবাহিত হতে থাকে। একপর্যায়ে আতামারী–হাটমাগুড়া সংযোগ সড়কের গুরুত্বপূর্ণ কালভার্টটি ধসে পড়ে। এরপর থেকেই ওই সড়ক দিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিকল্প ও কাঁচা পথ ব্যবহার করে চলাচল করছেন। অনেক ক্ষেত্রে কয়েক কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়কটি আতামারী ও হাটমাগুড়া গ্রামের মানুষের একমাত্র প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন শত শত মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ভ্যান, কৃষিপণ্যবাহী যানবাহন এবং হাজারো মানুষ এই পথ ব্যবহার করেন। কালভার্টটি ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম, ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষিকাজ এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় যেতে সমস্যায় পড়ছেন। কৃষকরা উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে পারছেন না। কোনো রোগী অসুস্থ হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কালভার্টটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও যথাসময়ে সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। টানা বর্ষণের চাপেই শেষ পর্যন্ত এটি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। তাদের মতে, সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।এ অবস্থায় এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, দ্রুত ভেঙে যাওয়া কালভার্টটি পুনর্নির্মাণ এবং সড়কটি সংস্কার করা হলে দুই গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে এবং স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরায় চালু হবে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে স্থানীয়দের আশা, জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত