প্রিন্ট এর তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
হেফাজত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাতে ৯ আগস্ট ফটিকছড়ি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
মোঃ রাজিব হোসেন। ||
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির ও প্রবীণ আলেম আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং তাঁর দোয়া নিতে আগামী ৯ আগস্ট চট্টগ্রাম সফরের অংশ হিসেবে ফটিকছড়ি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে তিনি ফটিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় যাবেন।প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের অন্যতম লক্ষ্য আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দোয়া নেওয়া। একই সফরে চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত কয়েকটি এলাকা পরিদর্শনেরও কথা রয়েছে তাঁর।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদের শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আমন্ত্রণে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। ওই সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সরাসরি সাক্ষাৎ না হলেও সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নামাজ আদায়ের সময় আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর প্রধানমন্ত্রী ফোন করে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহের কথা জানান।আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর দৌহিত্র মাওলানা আজিজুর রহমান জানান, শপথ গ্রহণের পর বসুন্ধরা রিসার্চ সেন্টারে হুজুর আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তবে পরদিন থেকে রমজান মাস শুরু হওয়া এবং বাবুনগর মাদ্রাসায় খতমে তারাবির দায়িত্ব থাকায় ঢাকায় থাকা সম্ভব হবে না বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানান হুজুর। তখন প্রধানমন্ত্রী নিজেই ফটিকছড়িতে এসে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দোয়া নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সেই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর ফটিকছড়ি সফর হচ্ছে বলে জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে ফটিকছড়ির সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। পুরো উপজেলা জুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। সফরকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় মহলে চলছে প্রস্তুতি। বিশেষ করে বাবুনগর মাদ্রাসায় প্রধানমন্ত্রীর আগমন এবং হেফাজত আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ দেখা দিয়েছে।ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম জানান, প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে সামনে রেখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে হেলিপ্যাড নির্মাণ, অনুষ্ঠানস্থল প্রস্তুত, সড়ক সংস্কার, সৌন্দর্যবর্ধন ও নিরাপত্তা জোরদারের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।সূত্র: আমার দেশ
কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত