প্রিন্ট এর তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
গাজায় পানির পাইপলাইন ধ্বংসের অভিযোগ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে
ডেক্স রিপোর্ট ||
গাজার দখলকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযানে পানির পাইপলাইন ধ্বংস এবং দুই ফিলিস্তিনিকে আটকের অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।ফিলিস্তিনি মানবাধিকারকর্মী আরিফ দারাগমেহ জানান, তুবাস গভর্নরেটের আতউফ ও রাস আল-আহমার এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী পানির পাইপলাইন নষ্ট করেছে। কয়েক মাস ধরে এসব এলাকায় কৃষিজমি পরিষ্কার করা, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং নলকূপ ভরাট করার কারণে স্থানীয় কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।এদিকে উত্তর জর্ডান উপত্যকার আইন আল-হিলওয়ে এলাকা থেকে দুই ফিলিস্তিনি ভাইকে আটক করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। একই সময়ে নাবলুসের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত তেল গ্রামে অভিযান চালায় ইসরায়েলি সেনারা। সেখানে ফিলিস্তিনি ফারুক রমাদানের বাড়ি ধ্বংসের আগে কয়েকটি পরিবারকে ঘরবাড়ি ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।গত ২৪ জুলাই ইসরায়েলি দখলদারদের হামলায় ফারুক রমাদান নিহত হন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, হামলাকারীদের একজনকে নিরস্ত্র করে হত্যা করার পর গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মারা যান। ওই ঘটনায় তার পরিবারের আরও তিন সদস্য নিহত এবং চার ফিলিস্তিনি আহত হন।অফিসিয়াল বার্তা সংস্থা ওয়াফার বরাতে জানা যায়, রামাল্লার কাছের জলজালিয়া গ্রামের পূর্বদিকে ইসরায়েলি দখলদাররা কৃষিজমিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। গ্রাম পরিষদ প্রধান ওসামা নাজমি জানান, প্রায় এক বছর আগে দখলদাররা ওই এলাকায় একটি ফাঁড়ি স্থাপন করে এবং কাছের আল-মাজরা আল-শারকিয়া শহরের ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর দখল করে নেয়।ফিলিস্তিনি সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দখলকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী ও দখলদারদের হামলায় ১ হাজার ১৮২ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ১৩ হাজার এবং গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রায় ২৪ হাজার মানুষকে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত