প্রিন্ট এর তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
‘যেখানেই টাকা, সেখানেই আমাদের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ’
||
নেতাদের কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করে পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান শাহীন বলেছেন, ‘যেখানেই টাকা, সেখানেই আমাদের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।’ বিএনপি থেকে এসব নেতাকে বাদ দেওয়া হলে পিরোজপুরের মাটিতে তাদের কেউ সালামও দেবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী নুরুজ্জামান বাবুলের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান, সাবেক সদস্য সচিব গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুস সালাম বাতেন, সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন টিপু, জেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কে এম সাখাওয়াত হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি শেখ শহীদুল্লাহ শহীদ এবং প্রয়াত গাজী নুরুজ্জামান বাবুলের ছেলে গাজী কামরুজ্জামান শুভ্র।গাজী নুরুজ্জামান বাবুলের মৃত্যুবার্ষিকীতে জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতাদের পক্ষ থেকে কোনো আয়োজন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন মাহমুদ হাসান শাহীন। তিনি বলেন, যাকে স্মরণ করতে আজকের আয়োজন, সেই গাজী নুরুজ্জামান বাবুল দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী দলের একজন অভিভাবক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। দলের জন্য তিনি অনেক কিছু করেছেন, জেল খেটেছেন এবং সাহসের সঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। অথচ দুঃখজনকভাবে বিএনপি ক্ষমতায় এলেও তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। এমনকি তার মৃত্যুবার্ষিকীতে মিলাদের আয়োজনও করা হয়নি।জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ৫ আগস্টের পর যারা কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন এবং অফিস-আদালতে ছুটছেন, তাদের বিএনপির রাজনীতি করতে শিখিয়েছেন গাজী নুরুজ্জামান বাবুল। অথচ তার মৃত্যুবার্ষিকীতে আপনারা কেউ একটি মিলাদের আয়োজন করেননি। তিনি আজ জীবিত থাকলে ৫ আগস্টের পর সিনিয়র নেতাদের যে আচরণ দেখা যাচ্ছে, তা দেখতে হতো না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মাহমুদ হাসান শাহীন আরও বলেন, দলের কেউ মারা গেলেও পিরোজপুর বিএনপির পক্ষ থেকে মিলাদের আয়োজন হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তার ভাষায়, সবাই নিজের স্বার্থ গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ‘টাকা আর টাকা। যেখানেই টাকা, সেখানেই আমাদের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।’এ সময় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পিরোজপুরে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের যেসব নেতাকর্মী গুম-খুনের শিকার হয়েছেন কিংবা দলের জন্য অবদান রেখেছেন, তাদের প্রত্যেকের মৃত্যুবার্ষিকীতে মিলাদের আয়োজন করা হবে।
সূত্র: যুগান্তর
কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত