প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বাড়িয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য জোরদারের উদ্যোগ বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়ার
স্টাফ রিপোর্টার। ||
বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াতে তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা এবং ফিনটেক খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে উভয় দেশ। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ সীমিত হলেও প্রযুক্তিনির্ভর খাতে সহযোগিতা, বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের বড় সুযোগ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।রোববার (১৬ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত লিথুয়ানিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত ডায়ানা মিকেভিচিয়েনের বৈঠকে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খানও উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান আইসিটি খাত, দক্ষ তরুণ জনশক্তি এবং ক্রমবর্ধমান ফ্রিল্যান্সার সম্প্রদায় লিথুয়ানিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। বাংলাদেশকে ভিত্তি করে দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে কার্যক্রম সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে লিথুয়ানিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলো কৌশলগত সুবিধা পেতে পারে বলেও তিনি জানান।খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে গড়ে উঠেছে। বিনিয়োগ প্রত্যাহার এবং অর্জিত মুনাফা নিজ দেশে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নীতিগত সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য দেশে স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি হয়েছে।লিথুয়ানিয়ার রাষ্ট্রদূত ডায়ানা মিকেভিচিয়েন বলেন, লেজার প্রযুক্তি, গভটেক ও ফিনটেক সেবার ক্ষেত্রে লিথুয়ানিয়া বিশ্বের অগ্রগামী দেশগুলোর একটি। বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরকে আরও এগিয়ে নেওয়া এবং প্রযুক্তিগত অবকাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে তার দেশ অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বিনিময়ে আগ্রহী।তিনি আরও বলেন, সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল উদ্ভাবন এবং আধুনিক আর্থিক প্রযুক্তির মতো খাতে দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব তৈরি হলে উভয় দেশের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে।বৈঠকে বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়ার বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ব্যবসায়ী পর্যায়ে যোগাযোগ বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর খাতে যৌথ উদ্যোগ এবং বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত