প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জন: কাদির মোল্লা স্কুলকে শিক্ষা বোর্ডের শোকজ
স্টাফ রিপোর্টার। ||
নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল এবং শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জন নিয়ে নিয়মবহির্ভূত কৌশল ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টির সত্যতা যাচাই ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য জানতে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড প্রতিষ্ঠানটিকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে।গত রোববার (১৬ আগস্ট) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এ নোটিশ জারি করা হয়। আদেশে বলা হয়েছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর প্রতিষ্ঠানটির শতভাগ সাফল্য এবং রেকর্ডসংখ্যক জিপিএ-৫ অর্জন নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি বোর্ডের নজরে আসার পর এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস কর্তৃপক্ষকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে শিক্ষা বোর্ডে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শোকজের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক নথি ও তথ্য চেয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এর মধ্যে রয়েছে—নবম শ্রেণিতে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের তথ্য, ভর্তি-সংক্রান্ত প্রাতিষ্ঠানিক নথিপত্র, এসএসসির নির্বাচনী বা টেস্ট পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণকারী শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত তথ্য।শিক্ষা বোর্ডের আদেশে বিষয়টিকে ‘অত্যন্ত জরুরি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্ধারিত সাত কর্মদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে শিক্ষা বোর্ডের বিধি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।সম্প্রতি প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে নরসিংদীর এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করে। এরপর প্রতিষ্ঠানটির ফলাফল নিয়ে দেশের বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।অভিযোগে বলা হয়েছে, শতভাগ সাফল্য ও জিপিএ-৫ পাওয়ার ধারাবাহিকতা ধরে রাখা এবং কৃত্রিম বা ভুঁইফোড় সাফল্য দেখানোর উদ্দেশ্যে নির্বাচনী পরীক্ষায় তুলনামূলক কম নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীদের ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাদের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সুযোগ থেকেও বঞ্চিত করার মতো নিয়মবহির্ভূত কৌশল নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।গণমাধ্যমে এসব অভিযোগ প্রকাশের পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেয় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। অভিযোগের প্রকৃত সত্যতা যাচাই করতেই প্রতিষ্ঠানটির কাছে ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র চাওয়া হয়েছে।
সূত্র: দেশ রূপান্তর
কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত