প্রিন্ট এর তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
মাধবদীতে স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ গুমের অভিযোগ, স্বামী আটক
নরসিংদী প্রতিনিধি ||
নরসিংদীর মাধবদীতে স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ গোপনে দাফন করার অভিযোগে স্বামী শরীফ মিয়াকে (৪২) আটক করেছে পুলিশ। নিহতের নাম জাহানারা বেগম (৩৯)। তাঁরা দুজনই কাঠালিয়া ইউনিয়নের নোয়াকান্দি গ্রামের বাসিন্দা।বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে শরীফ মিয়াকে আটক করা হয়।স্বামীর জবানবন্দিতে যা জানা গেছেপুলিশের কাছে শরীফ মিয়া দাবি করেছেন, সোমবার বিকেলে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্ত্রী জাহানারার সঙ্গে তাঁর বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তিনি স্ত্রীকে থাপ্পড় মারলে জাহানারা টিউবওয়েলের ওপর পড়ে অচেতন হয়ে যান।তাঁর দাবি, পরে জ্ঞান ফেরেনি। একপর্যায়ে স্ত্রী মারা গেছেন বুঝতে পেরে বিষয়টি কাউকে না জানিয়ে মরদেহ গোপনে দাফন করেন। লোকজন বিষয়টি জানতে পারবে—এমন আশঙ্কা থেকেই তিনি এমনটি করেছেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন।নিহতের স্বজনদের ভাষ্য, প্রায় ১৫ বছর আগে সামাজিকভাবে শরীফ ও জাহানারার বিয়ে হয়। তাঁদের একটি আট বছর বয়সী কন্যাসন্তান রয়েছে। শরীফ মাধবদী শহরের একটি হোটেলে কাজ করতেন।স্বজনেরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।পুলিশের বক্তব্যমাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগে শরীফ মিয়াকে আটক করা হয়েছে।ওসি বলেন, ঘটনার দুই দিন পর শরীফ থানায় এসে স্ত্রী নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে অভিযোগ করার চেষ্টা করেন। তাঁর কথাবার্তায় পুলিশের সন্দেহ হলে তাঁকে নজরদারিতে রাখা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়।পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ কোথায় দাফন করা হয়েছে তা শনাক্ত করে উদ্ধারের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি প্রয়োজন। অনুমতি পাওয়ার পর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে কার কী ভূমিকা ছিল, সে বিষয়ে চূড়ান্তভাবে বলা যাচ্ছে না।
কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত