প্রিন্ট এর তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
পাইকগাছায় আরএফএল প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ হত্যা: গোপালগঞ্জ থেকে আরও এক সন্দেহভাজন আটক
মোঃ হাবিবুল্লাহ গাজী, উপজেলা প্রতিনিধি পাইকগাছা ||
খুলনার পাইকগাছায় আরএফএল কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ দেউড়ী (৩৫) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্বপন বাগচি (৪৫) নামে আরও এক সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার প্রায় এক মাস পর বৃহস্পতিবার ভোররাতে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সাতপাক গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে শুক্রবার দুপুরে তাকে পাইকগাছা থানায় নিয়ে আসা হয়।পুলিশের প্রাথমিক তথ্যমতে, আটক স্বপন বাগচির সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ বিশ্বজিতের রুমমেট ও সহকর্মী অন্তর সরকারের যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় কললিস্ট বিশ্লেষণ করে পাওয়া ওই সূত্রের ভিত্তিতেই স্বপনকে শনাক্ত করে আটক করা হয়।নিহত বিশ্বজিৎ দেউড়ী ঝালকাঠি সদর উপজেলার বেতরা গ্রামের ধীরালাল দেউড়ীর ছেলে। তিনি পাইকগাছায় আরএফএল কোম্পানির ভিগো গ্রুপের বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।পুলিশ ও মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ জুলাই গভীর রাতে পাইকগাছা পৌরসভার হাসপাতাল মোড় এলাকায় রামপ্রসাদ মণ্ডলের ভাড়া বাসায় ঘুমন্ত অবস্থায় বিশ্বজিৎকে হত্যা করা হয়। ওই সময় একই কক্ষে তাঁর রুমমেট ও সহকর্মী অন্তর সরকারও ছিলেন। পরদিন সকালে বাসা থেকে বিশ্বজিতের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর থেকেই অন্তর সরকার নিখোঁজ রয়েছেন।এ ঘটনায় নিহতের মামা বিপুল সরকার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে পাইকগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আওয়াল কবির জানান, হত্যাকাণ্ডের তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নিখোঁজ অন্তর সরকারের সঙ্গে আটক স্বপন বাগচির যোগাযোগের তথ্য পাওয়া যায়। সেই সূত্র ধরে গোপালগঞ্জ থেকে স্বপনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।পুলিশ বলছে, বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত কারণ এবং ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত