প্রিন্ট এর তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
২,৬৯৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ঘাটতির আশঙ্কা, বাড়তে পারে লোডশেডিং
স্টাফ রিপোর্টার। ||
বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতির কারণে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দেশে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হতে পারে বলে পূর্বাভাস পাওয়া গেছে। সন্ধ্যার পর বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘাটতির পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।পাওয়ার সিস্টেমের ‘ফোরকাস্ট সিনারিও’ অনুযায়ী, রাত ১১টায় দেশের বিদ্যুতের চাহিদা ১৭ হাজার ১৪০ মেগাওয়াটে উঠতে পারে। ওই সময় সম্ভাব্য উৎপাদন ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ৩১৭ মেগাওয়াট। এতে বিদ্যুৎ ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াটে।শুক্রবার দুপুরে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ পিএলসি থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এ পূর্বাভাস পাওয়া গেছে।পূর্বাভাস অনুযায়ী, দুপুরের পর থেকে বিদ্যুৎ ঘাটতি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুপুর ১২টায় ৩৬৩ মেগাওয়াট, দুপুর ১টায় ১ হাজার ১৪১ মেগাওয়াট এবং বিকেল ৩টায় ৯৪১ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। বিকেল ৪টায় ৭৩৮ মেগাওয়াট এবং বিকেল ৫টায় ৫২৭ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা করা হয়েছে।সন্ধ্যার পর লোডশেডিং পরিস্থিতি আরও অবনতির পূর্বাভাস রয়েছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ২৬৮ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। এরপর সন্ধ্যা ৭টায় তা বেড়ে ১ হাজার ৮ মেগাওয়াটে দাঁড়াতে পারে। রাত সাড়ে ৭টায় লোডশেডিং ১ হাজার ৭০৪ মেগাওয়াট এবং রাত ৮টায় ১ হাজার ৭৪৪ মেগাওয়াট হতে পারে।পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ পিএলসির পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাত ৯টায় লোডশেডিং বেড়ে ২ হাজার ১৩৩ মেগাওয়াট এবং রাত ১০টায় ২ হাজার ১৬ মেগাওয়াট হতে পারে। এরপর রাত ১১টায় দিনের সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।এর আগে চলতি আগস্ট মাসেও দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে বড় ধরনের ঘাটতির চিত্র দেখা গেছে। মাসজুড়ে বিভিন্ন সময়ে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিংয়ের তথ্য পাওয়া গেছে।
সূত্র: দৈনিক জনবানী
কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত