প্রিন্ট এর তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সন্তানের জীবন বাঁচাতে লিভারের অংশ দিতে চান মা, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৭০ লাখ টাকা
স্টাফ রিপোর্টার। ||
মাত্র ৪ মাস ৬ দিনের শিশু ফুয়াদ। যে বয়সে মায়ের কোলে নিশ্চিন্তে থাকার কথা, সেই বয়সেই জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে কঠিন সময় পার করছে শিশুটি।ফুয়াদের শরীর ও চোখ হলুদ হয়ে গেছে। ধীরে ধীরে তার পেটও বড় হচ্ছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শিশুটির জীবন রক্ষায় লিভার প্রতিস্থাপন প্রয়োজন। সন্তানকে বাঁচাতে নিজের লিভারের অংশ দিতেও প্রস্তুত মা ভূবন আক্তার বীথি। তবে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় বিপুল অর্থই এখন পরিবারের সামনে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার শিশু ফুয়াদের শরীরে সম্প্রতি ‘বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া’ নামের জটিল রোগ শনাক্ত হয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শে তার অস্ত্রোপচার করা হলেও প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যায়নি। পরিবারের ভাষ্য, বর্তমানে ফুয়াদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে।চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ফুয়াদকে বাঁচাতে লিভার প্রতিস্থাপন করতে হবে। এজন্য তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নিয়ে চিকিৎসা করানোর প্রয়োজন রয়েছে। সেখানে চিকিৎসা ও লিভার প্রতিস্থাপনে আনুমানিক ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা খরচ হতে পারে।চিকিৎসার এই বিপুল ব্যয় মেটানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে পরিবারটি। এরই মধ্যে ছেলের চিকিৎসার জন্য ঋণ নেওয়া হয়েছে এবং জমি বন্ধক রেখে পাওয়া অর্থের বড় অংশও ব্যয় হয়ে গেছে। ফলে নতুন করে এত টাকা সংগ্রহ করা পরিবারের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।বর্তমানে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পেডিয়েট্রিক সার্জারি ও পেডিয়েট্রিক ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ মো. সামিউল হাসানের তত্ত্বাবধানে ফুয়াদের চিকিৎসা চলছে।ফুয়াদের বাবা আব্দুল্লাহ আল মামুন হৃদয় পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কোষাকান্দা গ্রামের বর্গাচাষি মো. রতন মিয়ার ছেলে। পরিবারের আর্থিক সংকট দূর করতে সাত মাস আগে তিনি সৌদি আরবে যান। এর আগে দেশে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।ফুয়াদের মা ভূবন আক্তার বীথি শেরপুর সরকারি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী। একদিকে সন্তানের অসুস্থতা, অন্যদিকে চিকিৎসার বিপুল খরচ—সব মিলিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তার।সন্তানকে বাঁচানোর আকুতি জানিয়ে বীথি বলেন, তিনি নিজের লিভারের অংশ দিয়ে সন্তানকে বাঁচাতে চান। চিকিৎসকেরা লিভার প্রতিস্থাপনের কথা জানিয়েছেন। কিন্তু এত টাকা পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। সামর্থ্য অনুযায়ী সবাই সহযোগিতা করলে সন্তানকে বাঁচানো সম্ভব হতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।ফুয়াদের চিকিৎসার জন্য এখন মানুষের সহযোগিতা কামনা করছে পরিবার। সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট পরিসরের সহায়তাও শিশুটির চিকিৎসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।ফুয়াদের চিকিৎসায় সহায়তার মাধ্যমনাম: মোছা. ভূবন আক্তার বীথি
সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর: ৬২০৮৩০১০১২২৯৪
ব্যাংক: সোনালী ব্যাংক পিএলসি
শাখা: সূর্যদী বাজার, শেরপুর
বিকাশ (পার্সোনাল): ০১৯৪৮০৮৭০৩৬
নগদ ও রকেট: ০১৩৫১০২৮২৭৭
সূত্র: টাইমস টুডে
কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত