প্রিন্ট এর তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পুরো অর্থনীতি মডেলে নতুন পদ্ধতি শুরু করেছি: অর্থমন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার। ||
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সময়ের সঙ্গে অর্থনীতির সংজ্ঞাতেও পরিবর্তন এসেছে। আগে সরকারের পক্ষেই অধিকাংশ কাজ করা হতো। কিন্তু বর্তমানে সরকারের একার পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব নয়। তাই সরকারি সেবা মানুষের কাছে যথাযথভাবে পৌঁছে দিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশীদারত্বের মাধ্যমে কাজ করা হচ্ছে।তিনি বলেন, পুরো অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় নতুন একটি পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। আগে নির্দিষ্ট কিছু উৎস থেকেই অর্থায়ন করা হতো, এখন অর্থায়নের পরিধি আরও বিস্তৃত হচ্ছে। সীমিত উৎসের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব বা পিপিপি মডেলের দিকে এগিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এ ব্যবস্থায় সরকার অর্থ দেবে, বেসরকারি খাতও অর্থায়ন করবে এবং এনজিওগুলো সহযোগিতা করবে।আমির খসরু বলেন, এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে যে মডেল তৈরি করা হচ্ছে, তা দীর্ঘমেয়াদি হবে এবং এর ওপর নির্ভর করা যাবে। পাশাপাশি প্রকল্পের সুফল ধরে রাখতে রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের অনেক প্রকল্প বাস্তবায়নের পর সেগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।তিনি বলেন, পুরো বিষয়টিকে একটি সমন্বিত প্যাকেজের আওতায় নেওয়া হচ্ছে। বিশুদ্ধ পানির পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমে চট্টগ্রামের পানি নিষ্কাশনের সমস্যাকেও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে নেদারল্যান্ড দূতাবাসের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে।অর্থমন্ত্রী জানান, চট্টগ্রাম মহানগরীতে বিশুদ্ধ পানির সংকট দূর করা ও মানুষের দুর্ভোগ কমাতে নতুন একটি মডেলে কাজ শুরু হয়েছে। পতেঙ্গার দুটি ওয়ার্ডে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে পানি সংকটের সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের দোরগোড়ায় পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ খাবার পানি পৌঁছে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। সেই দায়িত্বের অংশ হিসেবে নগরীর প্রান্তিক পর্যায়ে উত্তর পতেঙ্গা ও দক্ষিণ পতেঙ্গায় একটি নতুন পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জনগণের সব মৌলিক চাহিদা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর। তবে শুধু সরকারের একার পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব নয়, তাই অংশীদারত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মডেলের মাধ্যমে পানি সংকট সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ প্রকল্পে নেদারল্যান্ড দূতাবাস, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন, ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ এবং চট্টগ্রাম ওয়াসা একসঙ্গে কাজ করবে।’শুক্রবার সকালে নগরীর হোটেল রেডিসন ব্লুর একটি হলরুমে শহরের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পানি সরবরাহ সেবার মান উন্নয়নে নতুন সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) মডেল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।চুক্তির আওতায় ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে চট্টগ্রাম ওয়াসা। প্রতিষ্ঠান তিনটির মধ্যে তিন বছর মেয়াদি একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
সূত্র: আমার দেশ
কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত