প্রিন্ট এর তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘পরিকল্পিতভাবে ঝামেলা করার পরিকল্পনা ছিল জামায়াতের’: রাশেদ খাঁন
অনলাইন ডেস্ক ||
জামায়াতের লংমার্চকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হয়েছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, কর্মসূচিটিকে কেন্দ্র করে জামায়াতের ‘পরিকল্পিতভাবে ঝামেলা করার পরিকল্পনা’ ছিল।রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।রাশেদ খাঁন দাবি করেন, জামায়াত প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা চাওয়ায় পুলিশ প্রটেকশন দিয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত তাদের গাড়িবহরকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য, সহযোগিতা না চাইলেও একই ধরনের নিরাপত্তা দেওয়া হতো।তিনি অভিযোগ করেন, লংমার্চের আগে রাতের বেলায় মতিঝিলে লাঠিসোঁটা জড়ো করা হয়েছিল। এসব লাঠি পরবর্তীতে গাড়িবহরে তোলা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন বলেও উল্লেখ করেন।রাশেদ খাঁনের দাবি, জামায়াতের গাড়িবহরে থাকা শীর্ষ নেতাদের কেউ কেউ ‘উসকানিমূলক’ স্লোগান দিয়েছেন। এ সময় তিনি ‘ছাত্রদল, যুবদল গেলি কই’—জাতীয় স্লোগানের কথাও উল্লেখ করেন।পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, লংমার্চের ব্যবস্থাপনা, অর্থায়ন ও জনবলের ক্ষেত্রে জামায়াতের ভূমিকা ছিল। তার মতে, জামায়াত সরাসরি নেতৃত্ব দেওয়ার ঝুঁকি না নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সামনে রেখে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে।তবে রাশেদ খাঁন একইসঙ্গে উল্লেখ করেন, জামায়াত-শিবিরের কিছু নেতাকর্মী ও অ্যাক্টিভিস্টের মধ্যেও এনসিপিকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে। তাদের কেউ কেউ ভবিষ্যতে এনসিপি জামায়াতের জোট ছেড়ে দিতে পারে বলেও মনে করছেন বলে তিনি দাবি করেন।জোটের শরিক দলগুলোর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও নিজের মতামত তুলে ধরেন রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেন, আসন সমঝোতা নিয়ে বিএনপির সঙ্গে মতপার্থক্যের কারণে কয়েকটি দল জামায়াতের সঙ্গে জোট করেছে এবং ভবিষ্যতে বেশি আসন সমন্বয়ের সুযোগ পেলে তাদের কেউ কেউ অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে।পোস্টের শেষাংশে জামায়াতের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান এবং জোটের স্থায়িত্ব নিয়ে নানা মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি এনসিপির ২০৩১ সালের জাতীয় নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল হওয়ার লক্ষ্য রয়েছে বলেও দাবি করেন রাশেদ খাঁন। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিদেশি সংস্থা ও শক্তির পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে বলে ‘জনশ্রুতি’ থাকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তবে এসব দাবির পক্ষে পোস্টে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ বা সূত্র দেননি।
রাশেদ খাঁনের এসব বক্তব্য তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে প্রকাশিত রাজনৈতিক মন্তব্য ও অভিযোগের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দলগুলোর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে যুক্ত করা যেতে পারে।
কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত