প্রিন্ট এর তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন হবে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল
স্টাফ রিপোর্টার। ||
চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত। মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।মন্ত্রী বলেন, আগের সরকারের সময়ে তৃতীয় টার্মিনালের ভবন উদ্বোধন করা হলেও সেটি চালুর জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নেওয়া হয়নি। সে সময় টার্মিনালে ইন্টারনেট সংযোগ ছিল না, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও স্থাপন করা হয়নি। পাশাপাশি টার্মিনালের কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনাও ছিল না বলে জানান তিনি।রাজস্ব ভাগাভাগির বিষয়ে রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, আগে নির্ধারিত চুক্তির শর্ত অনুযায়ী রাজস্বের ১৫ শতাংশ বাংলাদেশের এবং ৮৫ শতাংশ জাপানি কোম্পানির পাওয়ার কথা ছিল। তবে ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে এই অনুপাত পরিবর্তন করা হয়েছে। এতে বাংলাদেশের রাজস্ব পাওয়ার অংশ বেড়ে ২৭ শতাংশ হয়েছে। মন্ত্রীর মতে, এই অতিরিক্ত রাজস্ব প্রকল্পের ঋণ পরিশোধে সহায়তা করবে।জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) ঋণে বাস্তবায়িত তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পের ঋণের কিস্তি ইতোমধ্যে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের অন্যান্য খাত থেকে অর্জিত আয় দিয়ে পরিশোধ করা শুরু হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। চলতি ডিসেম্বর মাসে আরও ৯০০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে।টার্মিনালটি চালু করা সম্ভব না হলে অন্যান্য খাতের আয় থেকেই এভাবে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করে যেতে হবে বলেও জানান তিনি। এ পরিস্থিতিতে আগামী ১৬ ডিসেম্বর টার্মিনালটি অন্তত আংশিকভাবে চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান রশিদুজ্জামান মিল্লাত।এর আগে গত ৩০ আগস্ট জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছিলেন, তৃতীয় টার্মিনাল চালুর কথা বলে বিগত সরকার শুধু একটি ভবন উদ্বোধন করেছিল। কিন্তু টার্মিনালের ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো তখনও শেষ হয়নি। এটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে আরও ৯০২ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।২০১৭ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করে। ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকার ৫ হাজার কোটি টাকা সরাসরি বরাদ্দ দেয়। বাকি অর্থ জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) থেকে নেওয়া ঋণের মাধ্যমে জোগান দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: ইত্তেফাক
কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত