স্টাফ রিপোর্টার:- অংকন মজুমদার
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে সব স্তরের সিগারেটের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ানো এবং তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে এই মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব দেন অর্থ উপদেষ্টা।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, নিম্ন স্তরের ১০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেটের খুচরা মূল্য ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯০ টাকা, উচ্চ স্তরের সিগারেটের দাম ১৪০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা এবং অতি উচ্চ স্তরের সিগারেটের দাম ১৯০ টাকা থেকে ২১০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তামাকজাত পণ্যের ওপর কর ও মূল্য বৃদ্ধি করলে একদিকে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে, অন্যদিকে ধূমপান নিরুৎসাহিত হবে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা কমাতে এ পদক্ষেপ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন নীতিনির্ধারকরা।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে তামাকজাত পণ্যের ওপর অধিক কর আরোপের দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের মতে, সিগারেটের দাম বৃদ্ধি পেলে নতুন ধূমপায়ীর সংখ্যা কমবে এবং বিদ্যমান ধূমপায়ীদের একটি অংশ ধূমপান ছাড়তে উৎসাহিত হবে। ফলে ধূমপানজনিত রোগ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি হ্রাস পাবে।
তবে সিগারেট ব্যবসায়ীদের একাংশ মনে করেন, অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধির ফলে অবৈধ ও নকল তামাকপণ্যের বাজার সম্প্রসারিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এজন্য কর বৃদ্ধির পাশাপাশি বাজার তদারকি জোরদারেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
জাতীয় সংসদে বাজেট অনুমোদনের পর নতুন মূল্য কাঠামো কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রী।
মন্তব্য করুন