ঢাকা    বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪
শিরোনাম
ট্রেন্ডিং

তারেক রহমানের ফ্যামিলি কার্ডকে ‘ভুয়া’ আখ্যা: কারাগারে হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহর।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নিয়ে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য এবং নির্বাচনী সহিংসতা মামলায় জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) এলাকার প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহরকে (জহর সাব)। বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের আবেদন জানালে শুনানি শেষে বিচারক আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।​দলীয় সূত্রে জানা যায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপি থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন পান দলের কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে একই আসনে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ইঞ্জিনিয়ার পিএস মতিন খান। জহিরুল ইসলাম জহর আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বহিষ্কৃত বিদ্রোহী প্রার্থী পিএস মতিন খানের নির্বাচনী প্রচারণায় সরাসরি অংশ নেন। শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধে সে সময়ই জহিরুল ইসলাম জহরকে বিএনপির দলীয় পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।​বহিষ্কৃত হওয়ার পর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী জনসভা ও পথসভায় অংশ নিয়ে বিএনপির তারেক রহমান ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্পকে ‘ভুয়া’ আখ্যা দেন এবং এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর ও বিদ্রূপাত্মক বক্তব্য তুলে ধরেন।​নির্বাচনের আগ মুহূর্তে হোমনা এলাকায় বিএনপি ও দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে একাধিক দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘাতের ঘটনা ঘটে। ওই সহিংসতার একপর্যায়ে জহিরুল ইসলাম জহরের গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে ভস্মীভূত হয়।​পরবর্তীতে রাজনৈতিক সংঘাত এবং ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে স্পর্শকাতর ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য প্রদানের ঘটনায় রাষ্ট্রদ্রোহিতা ও সহিংসতা আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন নাকচ করে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধে কওমি মাদরাসায় সুরক্ষা কমিটি ও হটলাইনের নির্দেশ, জিরো টলারেন্সের ঘোষণা হেফাজতের।

বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি কতিপয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান সংবাদমাধ্যমে প্রদত্ত যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেকোনো অনৈতিক আচরণ বা শিশু নিপীড়ন যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি আইন হাতে তুলে নেওয়াও সমর্থনযোগ্য নয়।​বিবৃতিতে হেফাজত নেতৃবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় প্রশাসনিক ব্যবস্থার অধীনে সুষ্ঠু তদন্ত পরিচালনা করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থেই জরুরি।​তারা উল্লেখ করেন, শিশু যৌন নির্যাতনের সমস্যাটি একটি পুরনো অভ্যন্তরীণ সামাজিক ব্যাধি, যা কেবল কোনো নির্দিষ্ট কমিউনিটিকেন্দ্রিক নয়। স্কুল, মাদরাসা এবং অন্যান্য সব পরিসরেই এ সমস্যাটি কমবেশি বিদ্যমান।​নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সব ধরনের শিক্ষার্থী নিপীড়ন কার্যকরভাবে রোধ করতে গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে বিবৃতিতে জানানো হয়, চলতি বছরের গত ১৯ সেপ্টেম্বর ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ দেশের ৬টি কওমি মাদরাসা বোর্ড ও এর আওতাভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনাবলী জারি করেছে।​উক্ত নির্দেশনা অনুযায়ী গৃহীত ও ঘোষিত মূল পদক্ষেপসমূহ:​শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি: দেশের প্রতিটি মাদরাসায় বাধ্যতামূলকভাবে 'শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি' গঠন বা পূর্বে গঠিত কমিটি সচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।​দ্রুত তদন্ত ও প্রতিবেদন: শিক্ষার্থী নিপীড়ন বা অনৈতিক আচরণের যেকোনো অভিযোগ উত্থাপিত হলে সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।​মনিটরিং সেল ও হটলাইন: অনিয়ম ও অভিযোগ গ্রহণে মাদরাসা বোর্ডগুলোকে শক্তিশালী 'মনিটরিং সেল' গঠন এবং সার্বক্ষণিক অভিযোগ জানানোর জন্য 'হটলাইন' চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।​কঠোর শাস্তি ও অধিভুক্তি বাতিল: কোনো মাদরাসায় যদি 'শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি' না থাকে, কমিটি নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে অথবা অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তবে উক্ত মাদরাসার অধিভুক্তি স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।​হেফাজতে ইসলামের নেতৃবৃন্দ সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তিকে সর্বদা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। এই লক্ষ্যে স্কুল ও মাদরাসা উভয় কর্তৃপক্ষকেই অত্যন্ত কঠোর নীতিমালা অবলম্বন করতে হবে এবং সিসিটিভি (CC Camera) ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।​সব স্কুল ও মাদরাসাকে নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের জারিকৃত নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যেকোনো নৈতিক পদস্খলনের দায়ে দোষী ব্যক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত—উভয় ধরনের কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে। এই বিষয়ে কোনো প্রকার শিথিলতা বা আপস করা হবে না।​আজকের শিশু শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের শৈশব ও কৈশোরের সুশিক্ষা এবং নিরাপদ বেড়ে ওঠার দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধে কওমি মাদরাসায় সুরক্ষা কমিটি ও হটলাইনের নির্দেশ, জিরো টলারেন্সের ঘোষণা হেফাজতের।

শত্রুর অনিষ্ট থেকে বাঁচতে নবীজি (সা.)-এর শেখানো দোয়া ও আমল

জীবনে কখনো কখনো মানুষ শত্রুর ভয়, অন্যের ষড়যন্ত্র, অন্যায়-অত্যাচার কিংবা সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কায় মানসিক অশান্তিতে ভোগে। এমন পরিস্থিতিতে একজন মুমিনের মূল ভরসা হলেন মহান আল্লাহ। তার কাছে সাহায্য চাওয়া, নিয়মিত দোয়া করা এবং কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশনা অনুসরণ করা মুমিনের ঈমানি কর্তব্য।রাসুলুল্লাহ আমাদের বলেছেন, বিপদের আশঙ্কায় আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে হবে এবং সকাল-সন্ধ্যায় নিয়মিত কিছু সুরা ও দোয়া পাঠ করতে হবে। শত্রুর অনিষ্ট থেকে বাঁচতে নবীজি (সা.)-এর শেখানো একটি বিশেষ দোয়া এবং তিন কুল পাঠের অনুশীলন সম্পর্কে জেনে আসা যাক।শত্রুর আক্রমণ, ক্ষতি কিংবা অনিষ্টের আশঙ্কা হলে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়ে নিচের দোয়াটি পড়া যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে বর্ণিত দোয়াটি হলো—اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِهِمْ، وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْউচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা ইন্না নাঝআলুকা ফি নুহুরিহিম, ওয়া নাঊজু বিকা মিন শুরুরিহিম।’অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমরা আপনাকেই তাদের মোকাবিলায় রাখছি এবং তাদের অনিষ্ট থেকে আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।’এই দোয়ায় আল্লাহর ওপর নির্ভরতা এবং শত্রুর অনিষ্ট থেকে তার আশ্রয় চাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। ভয়, হুমকি বা অন্যায়ের আশঙ্কার সময় আন্তরিকতার সঙ্গে দোয়াটি পড়া যায়। (আবু দাউদ ১৫৩৭, নাসাঈ ৫৫০২)২. শত্রুর ষড়যন্ত্র ও অনিষ্ট থেকে সুরক্ষায় তিন কুল পাঠসকাল-সন্ধ্যায় নিয়মিত আমলের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি হলো সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস পাঠ করা। এই তিনটি সুরাকে একত্রে সাধারণভাবে ‘তিন কুল’ বলা হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) সকাল ও সন্ধ্যায় এগুলো তিনবার করে পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে খুবাইব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে বলেন—قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ وَالْمُعَوِّذَتَيْنِ حِينَ تُمْسِي وَحِينَ تُصْبِحُ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ تَكْفِيكَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ‘সন্ধ্যায় ও সকালে তিনবার সুরা ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ এবং দুই আশ্রয় প্রার্থনার সুরা (সুরা ফালাক ও সুরা নাস) পাঠ করবে। সবকিছুর মোকাবিলায় তা তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।’ (আবু দাউদ ৫০৮২) ৩. ভয় ও বিপদের সময় কুরআনের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাশত্রুর ভয় কিংবা কঠিন পরিস্থিতিতে মুমিনের উচিত আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা। পবিত্র কুরআনে মুমিনদের দৃঢ় নির্ভরতার একটি সুন্দর উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। তা হলো—حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُউচ্চারণ: ‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকিল।’অর্থ: ‘আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, আর তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।’ (সুরা আল-ইমরান: আয়াত ১৭৩)এই বাক্যটি আল্লাহর ওপর ভরসা ও নির্ভরতার শিক্ষা দেয়। বিপদের আশঙ্কায় এটি পাঠ করে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া যায়। পাশাপাশি বাস্তব বিপদ থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও বৈধ পদক্ষেপ গ্রহণ করাও জরুরি। শত্রুর ভয়, অন্যায়ের আশঙ্কা কিংবা ষড়যন্ত্রের মুখে একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা রাখা। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো দোয়া পাঠ করা, সকাল-সন্ধ্যায় সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস তিনবার করে পড়া এবং ‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকিল’ বলা— এসব আমল মুমিনকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে ও তার ওপর ভরসা রাখতে শেখায়। তবে দোয়া ও আমলের পাশাপাশি বিপদের বাস্তব কারণগুলো মোকাবিলা করাও প্রয়োজন। কেউ হুমকি দিলে বা আক্রমণের আশঙ্কা থাকলে নিরাপদ স্থানে যাওয়া, বিশ্বস্ত মানুষের সহায়তা নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্য চাওয়া উচিত। দোয়া কখনোই প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও নিরাপত্তাব্যবস্থার বিকল্প নয়।আল্লাহ তাআলা আমাদের সব ধরনের অনিষ্ট, অন্যায়-অত্যাচার ও বিপদ থেকে হেফাজত করুন। আমাদের অন্তরে সাহস, ইমান ও তার ওপর পূর্ণ ভরসা দান করুন। আমিন।

শত্রুর অনিষ্ট থেকে বাঁচতে নবীজি (সা.)-এর শেখানো দোয়া ও আমল
নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
হামে আক্রান্ত হয়ে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক শিশুর মৃত্যু!

হামে আক্রান্ত হয়ে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক শিশুর মৃত্যু!

ভোলার মনপুরায় হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক কণ্যা শিশু মৃত্যুবরণ করে।বুধবার দুপুর ১ টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স শিশুটি মৃত্যুবরণ করে।মৃত্যুবরণ করা শিশুটি হলেন, উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চরফৈজুদ্দিন গ্রামের বাসিন্দা মোঃ ইসমাইলের আট বছরের কণ্যা শিশু আছিয়া।শিশুটির পিতা ইসমাইল জানান, মঙ্গলবার সকালর জ্বর ও সর্দি কাশি বেশি হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার দুপুর ১ টায় হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করে। পরে শিশুটিকে জোহরের নামাজের পর জানাযা শেষে দাফন করা হয়। এই ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দায়িত্বরত স্বাস্থ্য প.প কর্মকর্তা ডাঃ কবির সোহেল জানান, হামে আক্রান্ত আট বছরের কণ্যা শিশু আছিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে।

টেকসই উন্নয়নে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সমাজ ও রাষ্ট্রে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা না গেলে টেকসই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব নয়। বিজ্ঞান ও ইতিহাসের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, সমতার ভিত্তিতে অগ্রসর হওয়ার পথই একটি সমাজকে দীর্ঘমেয়াদে উন্নতির দিকে নিয়ে যায়।মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), জার্মান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহায়তা সংস্থা জিআইজেড ও নরওয়ে সরকারের উদ্যোগে ‘ইনফরমেশন ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড সোশ্যাল কোহেশন ইন বাংলাদেশ: পলিসি, প্ল্যাটফর্ম অ্যাকাউন্টাবিলিটি অ্যান্ড কালেক্টিভ অ্যাকশন’ শীর্ষক সংলাপটি অনুষ্ঠিত হয়।মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে গণমাধ্যম ও তথ্যের ক্ষেত্র দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রযুক্তির বিকাশের কারণে তথ্যপ্রবাহের সুযোগ বাড়লেও এর সঙ্গে নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জও তৈরি হচ্ছে।এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রাষ্ট্র, গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমান সময়ে তথ্যের অবাধ প্রবাহের পাশাপাশি এর বিশ্বাসযোগ্যতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত প্রসারের ফলে তথ্যের পরিধি বাড়ছে। একই সঙ্গে ভুল তথ্য, অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।তিনি বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের বাস্তবতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী নিজস্ব সক্ষমতা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিতে হবে।ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের উদাহরণ তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তি যদি একসময় মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তাহলে ভবিষ্যতে এমন এক দানবীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত মানুষের জন্যই ধ্বংস ডেকে আনতে পারে।গণমাধ্যম ও তথ্যব্যবস্থাকে আধুনিক করার ক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, গবেষণা, নীতিনির্ধারণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সমন্বয় এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং ডেটাভিত্তিক যোগাযোগব্যবস্থাকে ইতিবাচক কাজে ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।মন্ত্রী আরও বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, দায়িত্বশীলতা এবং জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার—এই তিনটি বিষয়কে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে। পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের দক্ষতা বাড়ানো এবং নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করাও প্রয়োজন।ইউএনডিপির এ ধরনের আয়োজন দেশের গণমাধ্যম খাতে নীতি প্রণয়ন ও কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।সংলাপে ইউএনডিপির প্রতিনিধি, গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ, সাংবাদিক এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সূত্র: প্রতিদিনের সংবাদ

ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডে মদ-জুয়ার বিল পরিশোধ নিষিদ্ধ

শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর ইসলামিক ক্রেডিট কার্ড পরিচালনার জন্য পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এই নির্দেশনায় মদ ও মদ বিক্রির প্রতিষ্ঠান, জুয়া ও বেটিং, নাইট ক্লাব, প্রাপ্তবয়স্ক বিনোদন, শূকরজাত পণ্য, সুদনির্ভর আর্থিক সেবা এবং প্রচলিত বীমাসহ বিভিন্ন শরিয়াহবিরোধী খাতে ইসলামিক ক্রেডিট কার্ড দিয়ে বিল পরিশোধের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।এ ধরনের লেনদেন বন্ধ রাখতে কার্ড অনুমোদনের সময়ই নির্দিষ্ট মার্চেন্ট ক্যাটাগরি কোড (এমসিসি) ব্লক করার জন্য কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক ‘গাইডলাইনস অন ইসলামিক ক্রেডিট কার্ড অপারেশনস অব ব্যাংকস’ শিরোনামে এ নীতিমালা জারি করে।নীতিমালায় বলা হয়েছে, ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডের পণ্য, চুক্তি, লেনদেন, ফি ও সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রম শরিয়াহর নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালনা করতে হবে। কার্ডের আওতায় ঋণ কিংবা বিলম্বিত পরিশোধের সুবিধা ‘কর্জ হাসান’ অর্থাৎ সুদমুক্ত ঋণের ভিত্তিতে দিতে হবে। গ্রাহকের বকেয়া, ঋণের মেয়াদ অথবা পরিশোধে বিলম্বের কারণে ব্যাংকের আয় বাড়ানো যাবে না। তবে সেবা প্রদানের বিপরীতে নির্ধারিত ‘উজরাহ’ বা সেবামূল্য নেওয়া যাবে।বিল পরিশোধে দেরি হলে প্রতিটি পরিশোধকালীন সময়ে একবার জরিমানা আরোপ করা যাবে। তবে সেই জরিমানার অর্থ ব্যাংকের আয় হিসেবে গণ্য করা যাবে না। জরিমানার অর্থ পৃথক ‘চ্যারিটি অ্যাকাউন্টে’ জমা রাখতে হবে এবং পুরো অর্থ দাতব্য কাজে ব্যয় করতে হবে।গ্রাহকের সুরক্ষার বিষয়েও নীতিমালায় বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নতুন ইসলামিক ক্রেডিট কার্ড সক্রিয় করার আগে ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকের সম্মতি গ্রহণ করতে হবে। ই-কমার্স এবং দেশীয় নন-এনএফসি লেনদেনের ক্ষেত্রে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে সব ধরনের লেনদেনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক এসএমএস ও ই-মেইল সতর্কবার্তা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।কার্ড হারানো বা চুরি যাওয়ার বিষয়টি ব্যাংককে জানানোর পর যদি কোনো অননুমোদিত লেনদেন হয়, সেই লেনদেনের অর্থ সাত কার্যদিবসের মধ্যে গ্রাহককে ফেরত দিতে হবে বলেও নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।নীতিমালা অনুযায়ী, ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা দেওয়া যেকোনো তফসিলি ব্যাংক বাংলাদেশি মুদ্রায় ইসলামিক ক্রেডিট কার্ড চালু করতে পারবে। তবে বৈদেশিক মুদ্রা অথবা দ্বৈত মুদ্রায় ইসলামিক ক্রেডিট কার্ড ইস্যু করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে অনুমোদিত ডিলার (এডি) হতে হবে। সূত্র: আমার দেশ

১০ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪৩ এএম
আগামী ২৩ তম রাষ্টপতি হিসাবে আপনি কাকে দেখতে চান.??

আগামী ২৩ তম রাষ্টপতি হিসাবে আপনি কাকে দেখতে চান.??

  মির্জা ফখরুল ইসলাম
  কর্নেল অলি আহমেদ
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৬ জন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে শেষ দিনে প্রার্থীদের প্রচারণা ও সমাবেশ

 ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ঘিরে প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে নির্বাচনী এলাকায় বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। সোমবার (২৬ অক্টোবর) নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন স্থানে প্রার্থী ও তাঁদের অনুসারীদের প্রচার-প্রচারণায় মুখর হয়ে ওঠে নির্বাচনী পরিবেশ। ভোটারদের সমর্থন আদায়ে তাঁরা নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে সক্রিয় ছিলেন।এরই ধারাবাহিকতায় ভূল্লী কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিএনপির উদ্যোগে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভূল্লী এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক ও স্থানীয় ভোটাররা অংশ নেন।সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির নেতা মোয়াজ্জেম আলাল হোসেন। বক্তব্যে তিনি স্বাধীনতার পর জাসদের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য করেন। এ সময় জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান আমির ও সেক্রেটারির রাজনৈতিক অতীত নিয়েও কথা বলেন তিনি।সমাবেশে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন তাঁর বাবা ও বড় ভাইয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনী তৎপরতা লক্ষ করা যায়।অন্যদিকে, উপনির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরাও বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যান। শেষ দিনের প্রচার-প্রচারণায় প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকেরা ভোটারদের কাছে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন এবং সমর্থন প্রত্যাশা করেন।আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকদের শেষ মুহূর্তের তৎপরতা এখন নির্বাচনী এলাকার আলোচনার অন্যতম বিষয়।

শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধে কওমি মাদরাসায় সুরক্ষা কমিটি ও হটলাইনের নির্দেশ, জিরো টলারেন্সের ঘোষণা হেফাজতের।

শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধে কওমি মাদরাসায় সুরক্ষা কমিটি ও হটলাইনের নির্দেশ, জিরো টলারেন্সের ঘোষণা হেফাজতের।

বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি কতিপয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান সংবাদমাধ্যমে প্রদত্ত যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেকোনো অনৈতিক আচরণ বা শিশু নিপীড়ন যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি আইন হাতে তুলে নেওয়াও সমর্থনযোগ্য নয়।​বিবৃতিতে হেফাজত নেতৃবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় প্রশাসনিক ব্যবস্থার অধীনে সুষ্ঠু তদন্ত পরিচালনা করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থেই জরুরি।​তারা উল্লেখ করেন, শিশু যৌন নির্যাতনের সমস্যাটি একটি পুরনো অভ্যন্তরীণ সামাজিক ব্যাধি, যা কেবল কোনো নির্দিষ্ট কমিউনিটিকেন্দ্রিক নয়। স্কুল, মাদরাসা এবং অন্যান্য সব পরিসরেই এ সমস্যাটি কমবেশি বিদ্যমান।​নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সব ধরনের শিক্ষার্থী নিপীড়ন কার্যকরভাবে রোধ করতে গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে বিবৃতিতে জানানো হয়, চলতি বছরের গত ১৯ সেপ্টেম্বর ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ দেশের ৬টি কওমি মাদরাসা বোর্ড ও এর আওতাভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনাবলী জারি করেছে।​উক্ত নির্দেশনা অনুযায়ী গৃহীত ও ঘোষিত মূল পদক্ষেপসমূহ:​শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি: দেশের প্রতিটি মাদরাসায় বাধ্যতামূলকভাবে 'শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি' গঠন বা পূর্বে গঠিত কমিটি সচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।​দ্রুত তদন্ত ও প্রতিবেদন: শিক্ষার্থী নিপীড়ন বা অনৈতিক আচরণের যেকোনো অভিযোগ উত্থাপিত হলে সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।​মনিটরিং সেল ও হটলাইন: অনিয়ম ও অভিযোগ গ্রহণে মাদরাসা বোর্ডগুলোকে শক্তিশালী 'মনিটরিং সেল' গঠন এবং সার্বক্ষণিক অভিযোগ জানানোর জন্য 'হটলাইন' চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।​কঠোর শাস্তি ও অধিভুক্তি বাতিল: কোনো মাদরাসায় যদি 'শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি' না থাকে, কমিটি নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে অথবা অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তবে উক্ত মাদরাসার অধিভুক্তি স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।​হেফাজতে ইসলামের নেতৃবৃন্দ সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তিকে সর্বদা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। এই লক্ষ্যে স্কুল ও মাদরাসা উভয় কর্তৃপক্ষকেই অত্যন্ত কঠোর নীতিমালা অবলম্বন করতে হবে এবং সিসিটিভি (CC Camera) ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।​সব স্কুল ও মাদরাসাকে নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের জারিকৃত নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যেকোনো নৈতিক পদস্খলনের দায়ে দোষী ব্যক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত—উভয় ধরনের কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে। এই বিষয়ে কোনো প্রকার শিথিলতা বা আপস করা হবে না।​আজকের শিশু শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের শৈশব ও কৈশোরের সুশিক্ষা এবং নিরাপদ বেড়ে ওঠার দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক ওসি রাকিবুলের ফের দুই দিনের রিমান্ড

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক ওসি রাকিবুলের ফের দুই দিনের রিমান্ড

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসানের আরও দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান তার আরও দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুণ অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের গুলশান জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক মো. জেহাদ হোসেন রাকিবুল হাসানকে আদালতে হাজির করে নতুন করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদের সময় রাকিবুল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তার দেওয়া ৪ মিনিট ২৯ সেকেন্ডের একটি অডিও ডিভিডিতে ধারণ করে জব্দ করা হয়েছে।তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে নমুনা কণ্ঠস্বরের সঙ্গে রাকিবুল হাসানের কণ্ঠস্বর তুলনা করে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এ কারণে তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।এর আগে ২৪ সেপ্টেম্বর ক্যান্টনমেন্ট থানার একজন পরিদর্শক রাকিবুল হাসানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। পরবর্তী সময়ে মামলাটির তদন্তভার ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) দেওয়া হয়।মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, পুলিশ, প্রশাসন ও সেনাবাহিনী সম্পর্কে রাকিবুল হাসানের কথিত উসকানিমূলক বক্তব্যের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই বক্তব্যকে রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল হিসেবে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও চার থেকে পাঁচজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন বলেও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাকিবুল হাসানের কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরদিন, ১৭ সেপ্টেম্বর, তাকে ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি পদ থেকে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে ডিএমপি।তবে রাকিবুল হাসান দাবি করেছিলেন, ছড়িয়ে পড়া অডিওটি তার নয় এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেটি তৈরি করা হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক/এসএ

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে শেষ দিনে প্রার্থীদের প্রচারণা ও সমাবেশ

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে শেষ দিনে প্রার্থীদের প্রচারণা ও সমাবেশ

 ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ঘিরে প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে নির্বাচনী এলাকায় বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। সোমবার (২৬ অক্টোবর) নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন স্থানে প্রার্থী ও তাঁদের অনুসারীদের প্রচার-প্রচারণায় মুখর হয়ে ওঠে নির্বাচনী পরিবেশ। ভোটারদের সমর্থন আদায়ে তাঁরা নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে সক্রিয় ছিলেন।এরই ধারাবাহিকতায় ভূল্লী কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিএনপির উদ্যোগে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভূল্লী এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক ও স্থানীয় ভোটাররা অংশ নেন।সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির নেতা মোয়াজ্জেম আলাল হোসেন। বক্তব্যে তিনি স্বাধীনতার পর জাসদের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য করেন। এ সময় জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান আমির ও সেক্রেটারির রাজনৈতিক অতীত নিয়েও কথা বলেন তিনি।সমাবেশে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন তাঁর বাবা ও বড় ভাইয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনী তৎপরতা লক্ষ করা যায়।অন্যদিকে, উপনির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরাও বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যান। শেষ দিনের প্রচার-প্রচারণায় প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকেরা ভোটারদের কাছে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন এবং সমর্থন প্রত্যাশা করেন।আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকদের শেষ মুহূর্তের তৎপরতা এখন নির্বাচনী এলাকার আলোচনার অন্যতম বিষয়।

পঞ্চগড় -১ আসনের সাবেক এমপি নাইমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা গ্রেপ্তার

পঞ্চগড় -১ আসনের সাবেক এমপি নাইমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা গ্রেপ্তার

পঞ্চগড়ের আলোচিত আলামিন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মোঃ নাইমুজ্জামান ভূইয়া ওরফে মুক্তা (৫১) কে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে পঞ্চগড় সদর থানার কাজীপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা এবং গোপন ও বিশ্বস্ত সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে নাইমুজ্জামান পঞ্চগড় জেলায় অবস্থান করছেন বলে জানতে পারে জেলা গোয়েন্দা শাখা। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে ডিবি, পঞ্চগড় সদর, আটোয়ারী ও তেঁতুলিয়া থানা পুলিশের সমন্বয়ে বিশেষ আভিযানিক দল গঠন করা হয়। একই সঙ্গে কুইক রেসপন্স টিমও অভিযানে অংশ নেয়।এরপর আটোয়ারী, তেঁতুলিয়া ও সদর থানা এলাকায় একযোগে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের একপর্যায়ে সদর থানার কাজীপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে নাইমুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।গ্রেপ্তার নাইমুজ্জামান ভূইয়া ওরফে মুক্তা পঞ্চগড় সদর থানার মামলা নম্বর-১২, তারিখ ১০ নভেম্বর ২০২৪ এবং জিআর নম্বর-৪২১/২৪-এর এজাহারভুক্ত আসামি। মামলায় পেনাল কোডের ১৪৩/৩৪১/৩২৫/৩০২/২০১/৫০(২)/১১৪/৩৪ এবং ৪৪৮/১৪৩/৩২৩/৪২৭/৪৩৫/৫০৬ ধারায় অভিযোগ রয়েছে।

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিএনপির একক প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন, মনোনয়ন প্রত্যাহার ওবায়দুল্লাহ মাসুদের

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিএনপির একক প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন, মনোনয়ন প্রত্যাহার ওবায়দুল্লাহ মাসুদের

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন দলটির মনোনয়ন প্রত্যাশী ওবায়দুল্লাহ মাসুদ। এর ফলে আসন্ন উপনির্বাচনে এ আসনে বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন। রোববার জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন ওবায়দুল্লাহ মাসুদ। ​মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের বিষয়ে ওবায়দুল্লাহ মাসুদ জানান, তিনি ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং কখনো দলের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। দলীয় শৃঙ্খলা ও সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি বলেন, "ছাত্রজীবনের শুরু থেকেই বিএনপির পতাকাতলে অবস্থান করছি। এক মুহূর্তের জন্যও দল থেকে বিচ্যুত হইনি। এখন দলীয় প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিনকে বিজয়ী করতে সর্বাত্মকভাবে কাজ করব।" ​সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনটির উপনির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য মোট ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে বিএনপির দুই প্রার্থীসহ আরও চারজনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আসন্ন উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অপর বৈধ প্রার্থীরা হলেন: ​দেলাওয়ার হোসেন: ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি এবং ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি।​খাদেমুল ইসলাম: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ​আব্দুল আলীম নিজামী: বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। ​হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক: বাংলাদেশ কংগ্রেস।​অন্য কোনো প্রার্থী শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার না করলে আগামী ২৯ অক্টোবর এই পাঁচজন প্রার্থী চূড়ান্ত লড়াইয়ে অংশ নেবেন। উল্লেখ্য যে, বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। গত ২১ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পরদিন ২২ আগস্ট আসনটি আনুষ্ঠানিকভাবে শূন্য ঘোষণা করা হয়। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী এই উপনির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলো হলো: ​মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন: ২৭ সেপ্টেম্বর । ​প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন: ৭ অক্টোবর। ​প্রতীক বরাদ্দ: ৮ অক্টোবর। ​প্রচারণা শুরু ও শেষ: প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে ২৭ অক্টোবর সকাল পর্যন্ত।​ভোটগ্রহণ: আগামী ২৯ অক্টোবর। ​রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওবায়দুল্লাহ মাসুদ আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করায় বিএনপির প্রার্থী হিসেবে এখন শুধু মির্জা ফয়সল আমিনই মাঠে থাকছেন। আগামী ৭ অক্টোবর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক সময়সীমা শেষ হওয়ার পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং ৮ অক্টোবর প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।

বিএনপি আমার সঙ্গে মুনাফেকি করছে: মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব

বিএনপি আমার সঙ্গে মুনাফেকি করছে: মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব

বিএনপি আমার সঙ্গে মুনাফেকি করছে: মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির বিরুদ্ধে ‘মুনাফেকির’ অভিযোগ তুলেছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব।সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনটি বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হওয়া সত্ত্বেও দলটির একটি অংশ প্রকাশ্যে ও গোপনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানার পক্ষে কাজ করেছে। একই সঙ্গে দলের আরেকটি অংশ দায়িত্ব পালনে আন্তরিক ছিল না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের ভাষ্য, ওই আসনের আওয়ামী লীগ-ঘরানার উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নেতাকর্মীকে বিভিন্ন আশ্বাস দিয়ে নিজের পক্ষে নিয়েছিলেন রুমিন ফারহানা। পাশাপাশি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে রঙিন বিলবোর্ড স্থাপন, জীবন্ত হাঁস নিয়ে মিছিল এবং প্রশাসনিক প্রভাব ব্যবহারের অভিযোগও করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, যেসব কেন্দ্রে তার বিজয়ের সম্ভাবনা বেশি ছিল, সেসব স্থানে ভোটগ্রহণের দিন এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল।জমিয়ত নেতা দাবি করেন, ইসলাম ও দেশের স্বার্থে আলেম সমাজ বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গে কাজ করেছে এবং দেশের বিভিন্ন আসনে আলেম-ওলামাদের সমর্থনে বিএনপি প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপি আন্তরিকভাবে কাজ করলে জমিয়তের প্রার্থীও জয়ী হতে পারতেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।ইসলামি দলগুলোর ঐক্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলামসহ বিভিন্ন ইসলামি দলের শীর্ষ নেতাদের সমন্বয়ে একটি লিয়াজোঁ কমিটি কাজ করছে। ওই প্ল্যাটফর্ম যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে কোনো একক রাজনৈতিক দলের জোটে থাকা যাবে না, তাহলে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধে কওমি মাদরাসায় সুরক্ষা কমিটি ও হটলাইনের নির্দেশ, জিরো টলারেন্সের ঘোষণা হেফাজতের।

শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধে কওমি মাদরাসায় সুরক্ষা কমিটি ও হটলাইনের নির্দেশ, জিরো টলারেন্সের ঘোষণা হেফাজতের।

বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি কতিপয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান সংবাদমাধ্যমে প্রদত্ত যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেকোনো অনৈতিক আচরণ বা শিশু নিপীড়ন যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি আইন হাতে তুলে নেওয়াও সমর্থনযোগ্য নয়।​বিবৃতিতে হেফাজত নেতৃবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় প্রশাসনিক ব্যবস্থার অধীনে সুষ্ঠু তদন্ত পরিচালনা করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থেই জরুরি।​তারা উল্লেখ করেন, শিশু যৌন নির্যাতনের সমস্যাটি একটি পুরনো অভ্যন্তরীণ সামাজিক ব্যাধি, যা কেবল কোনো নির্দিষ্ট কমিউনিটিকেন্দ্রিক নয়। স্কুল, মাদরাসা এবং অন্যান্য সব পরিসরেই এ সমস্যাটি কমবেশি বিদ্যমান।​নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সব ধরনের শিক্ষার্থী নিপীড়ন কার্যকরভাবে রোধ করতে গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে বিবৃতিতে জানানো হয়, চলতি বছরের গত ১৯ সেপ্টেম্বর ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ দেশের ৬টি কওমি মাদরাসা বোর্ড ও এর আওতাভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনাবলী জারি করেছে।​উক্ত নির্দেশনা অনুযায়ী গৃহীত ও ঘোষিত মূল পদক্ষেপসমূহ:​শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি: দেশের প্রতিটি মাদরাসায় বাধ্যতামূলকভাবে 'শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি' গঠন বা পূর্বে গঠিত কমিটি সচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।​দ্রুত তদন্ত ও প্রতিবেদন: শিক্ষার্থী নিপীড়ন বা অনৈতিক আচরণের যেকোনো অভিযোগ উত্থাপিত হলে সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।​মনিটরিং সেল ও হটলাইন: অনিয়ম ও অভিযোগ গ্রহণে মাদরাসা বোর্ডগুলোকে শক্তিশালী 'মনিটরিং সেল' গঠন এবং সার্বক্ষণিক অভিযোগ জানানোর জন্য 'হটলাইন' চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।​কঠোর শাস্তি ও অধিভুক্তি বাতিল: কোনো মাদরাসায় যদি 'শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি' না থাকে, কমিটি নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে অথবা অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তবে উক্ত মাদরাসার অধিভুক্তি স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।​হেফাজতে ইসলামের নেতৃবৃন্দ সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তিকে সর্বদা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। এই লক্ষ্যে স্কুল ও মাদরাসা উভয় কর্তৃপক্ষকেই অত্যন্ত কঠোর নীতিমালা অবলম্বন করতে হবে এবং সিসিটিভি (CC Camera) ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।​সব স্কুল ও মাদরাসাকে নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের জারিকৃত নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যেকোনো নৈতিক পদস্খলনের দায়ে দোষী ব্যক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত—উভয় ধরনের কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে। এই বিষয়ে কোনো প্রকার শিথিলতা বা আপস করা হবে না।​আজকের শিশু শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের শৈশব ও কৈশোরের সুশিক্ষা এবং নিরাপদ বেড়ে ওঠার দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধে কওমি মাদরাসায় সুরক্ষা কমিটি ও হটলাইনের নির্দেশ, জিরো টলারেন্সের ঘোষণা হেফাজতের।

শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধে কওমি মাদরাসায় সুরক্ষা কমিটি ও হটলাইনের নির্দেশ, জিরো টলারেন্সের ঘোষণা হেফাজতের।

বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি কতিপয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান সংবাদমাধ্যমে প্রদত্ত যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেকোনো অনৈতিক আচরণ বা শিশু নিপীড়ন যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি আইন হাতে তুলে নেওয়াও সমর্থনযোগ্য নয়।​বিবৃতিতে হেফাজত নেতৃবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় প্রশাসনিক ব্যবস্থার অধীনে সুষ্ঠু তদন্ত পরিচালনা করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থেই জরুরি।​তারা উল্লেখ করেন, শিশু যৌন নির্যাতনের সমস্যাটি একটি পুরনো অভ্যন্তরীণ সামাজিক ব্যাধি, যা কেবল কোনো নির্দিষ্ট কমিউনিটিকেন্দ্রিক নয়। স্কুল, মাদরাসা এবং অন্যান্য সব পরিসরেই এ সমস্যাটি কমবেশি বিদ্যমান।​নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সব ধরনের শিক্ষার্থী নিপীড়ন কার্যকরভাবে রোধ করতে গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে বিবৃতিতে জানানো হয়, চলতি বছরের গত ১৯ সেপ্টেম্বর ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ দেশের ৬টি কওমি মাদরাসা বোর্ড ও এর আওতাভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনাবলী জারি করেছে।​উক্ত নির্দেশনা অনুযায়ী গৃহীত ও ঘোষিত মূল পদক্ষেপসমূহ:​শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি: দেশের প্রতিটি মাদরাসায় বাধ্যতামূলকভাবে 'শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি' গঠন বা পূর্বে গঠিত কমিটি সচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।​দ্রুত তদন্ত ও প্রতিবেদন: শিক্ষার্থী নিপীড়ন বা অনৈতিক আচরণের যেকোনো অভিযোগ উত্থাপিত হলে সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।​মনিটরিং সেল ও হটলাইন: অনিয়ম ও অভিযোগ গ্রহণে মাদরাসা বোর্ডগুলোকে শক্তিশালী 'মনিটরিং সেল' গঠন এবং সার্বক্ষণিক অভিযোগ জানানোর জন্য 'হটলাইন' চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।​কঠোর শাস্তি ও অধিভুক্তি বাতিল: কোনো মাদরাসায় যদি 'শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি' না থাকে, কমিটি নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে অথবা অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তবে উক্ত মাদরাসার অধিভুক্তি স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।​হেফাজতে ইসলামের নেতৃবৃন্দ সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তিকে সর্বদা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। এই লক্ষ্যে স্কুল ও মাদরাসা উভয় কর্তৃপক্ষকেই অত্যন্ত কঠোর নীতিমালা অবলম্বন করতে হবে এবং সিসিটিভি (CC Camera) ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।​সব স্কুল ও মাদরাসাকে নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের জারিকৃত নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যেকোনো নৈতিক পদস্খলনের দায়ে দোষী ব্যক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত—উভয় ধরনের কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে। এই বিষয়ে কোনো প্রকার শিথিলতা বা আপস করা হবে না।​আজকের শিশু শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের শৈশব ও কৈশোরের সুশিক্ষা এবং নিরাপদ বেড়ে ওঠার দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

হামে আক্রান্ত হয়ে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক শিশুর মৃত্যু!

হামে আক্রান্ত হয়ে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক শিশুর মৃত্যু!

ভোলার মনপুরায় হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক কণ্যা শিশু মৃত্যুবরণ করে।বুধবার দুপুর ১ টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স শিশুটি মৃত্যুবরণ করে।মৃত্যুবরণ করা শিশুটি হলেন, উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চরফৈজুদ্দিন গ্রামের বাসিন্দা মোঃ ইসমাইলের আট বছরের কণ্যা শিশু আছিয়া।শিশুটির পিতা ইসমাইল জানান, মঙ্গলবার সকালর জ্বর ও সর্দি কাশি বেশি হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার দুপুর ১ টায় হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করে। পরে শিশুটিকে জোহরের নামাজের পর জানাযা শেষে দাফন করা হয়। এই ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দায়িত্বরত স্বাস্থ্য প.প কর্মকর্তা ডাঃ কবির সোহেল জানান, হামে আক্রান্ত আট বছরের কণ্যা শিশু আছিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে।