ঢাকা    বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪
শিরোনাম
ট্রেন্ডিং

কয়ড়া বাজারে ভুয়া নগদ এসএমএস দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের চেষ্টা, হাতেনাতে আটক যুবক

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার কয়ড়া বাজারে ভুয়া নগদ এসএমএস দেখিয়ে মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উপস্থিত জনতা।বুধবার (২৯ জুলাই) কয়ড়া বাজারের মা স্টোরে নগদ এজেন্ট শহিদুল ইসলামের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত যুবক প্রথমে তার নগদ এজেন্ট নম্বরে ২১ হাজার ৫০০ টাকা জমা হয়েছে বলে একটি ভুয়া এসএমএস দেখান। পরে একটি বিকাশ নম্বরে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা পাঠানোর অনুরোধ করেন। এসএমএসটি সত্য বলে বিশ্বাস করে তিনি ওই নম্বরে টাকা পাঠিয়ে দেন। পাশাপাশি নগদ ৫ হাজার টাকাও অভিযুক্তের হাতে তুলে দেন।এরপর অভিযুক্ত আরও ২২ হাজার টাকা জমা হয়েছে বলে আরেকটি ভুয়া এসএমএস দেখান। এতে শহিদুল ইসলামের সন্দেহ হলে তিনি তার নগদ এজেন্ট হিসাবের মূল ব্যালেন্স যাচাই করেন। তখন দেখা যায়, অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা জমা হয়নি এবং আগের ২১ হাজার ৫০০ টাকার এসএমএসটিও সম্পূর্ণ ভুয়া ছিল।বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উপস্থিত জনতা অভিযুক্ত যুবককে আটক করেন। আটক যুবক নিজেকে বাজিতেরপাড়া এলাকার বাসিন্দা বলে দাবি করেছেন।স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ভুয়া এসএমএস দেখিয়ে প্রতারণার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। তারা নগদ, বিকাশসহ সব মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টকে লেনদেনের আগে অবশ্যই মূল ব্যালেন্স ও ট্রানজেকশন হিসাব যাচাই করে নেওয়ার আহ্বান জানান।

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে আলোচনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর বঙ্গভবনের শূন্য হওয়া রাষ্ট্রপতির পদে কে দায়িত্ব নেবেন—এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, আগামী ২৪ অক্টোবরের মধ্যে, অর্থাৎ ৯০ দিনের মধ্যে, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এদিকে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির অভ্যন্তরীণ সমীকরণের পাশাপাশি নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম রাষ্ট্রপতি পদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে আসায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির মতো অলংকারিক পদে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম আলোচনায় আসার অন্যতম কারণ তার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং রাজনৈতিক নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার পর, দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি উন্নয়ন এবং কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় তার মতো একজন ব্যক্তিত্ব ভূমিকা রাখতে পারেন বলে অনেকের ধারণা। তবে দলীয় আনুগত্য ও বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা বিএনপির জন্য একটি কৌশলগত বিষয় হয়ে উঠেছে বলেও আলোচনা রয়েছে।ড. ইউনূসের পাশাপাশি বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায় ও দলের অভিজ্ঞ নেতাদের কয়েকজনের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। এ তালিকায় রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (মহাসচিব ও মন্ত্রী), ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (প্রবীণ নেতা), গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান এবং অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী (প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব)। এছাড়া বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে স্থায়ীভাবে এ পদে রাখার গুঞ্জনও রয়েছে।এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাষ্ট্রপতি পদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। দলের একটি অংশের মত হলো, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজপথের পরীক্ষিত কাউকেই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেওয়া উচিত। অন্যদিকে, সংবিধান ও দলীয় গঠনতন্ত্র অনুসরণ করে যথাসময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় পরিচয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, নাকি আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ড. ইউনূসের মতো নিরপেক্ষ ব্যক্তিত্বের ওপর বঙ্গভবনের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে আলোচনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস

ডাকাতির ঘটনায় গৃহকর্তা নিহত: আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৭ সদস্য গ্রেফতার

নরসিংদীর মাধবদীতে ডাকাতদের হামলায় গৃহকর্তা শাহজাহান মিয়া (৫০) নিহত হওয়ার ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গ্রেফতার হওয়া আসামিদের মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মাধবদী থানায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান নরসিংদীর পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল ফারুক।তিনি বলেন, গত ১৮ জুলাই দিবাগত রাতে মাধবদী উপজেলার বলভদ্রদী এলাকায় সংঘটিত আলোচিত হত্যা ও ডাকাতির ঘটনার তদন্তে নরসিংদী, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানের সময় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— জুবায়ের হোসেন, আশিক আহমদ, মোজাহিদ রহমান অপু, সুজন মিয়া, ফারুক মিয়া, রোমান মিয়া ও হৃদয় মিয়া।পুলিশ সুপার আরও জানান, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতার এবং ডাকাতির লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

ডাকাতির ঘটনায় গৃহকর্তা নিহত: আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৭ সদস্য গ্রেফতার
নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
তিন শর্তে লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

তিন শর্তে লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স তিনটি শর্ত সাপেক্ষে পুনর্বহাল করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে ১৯ জুলাই জারি করা নির্দেশনায় হাসপাতালটির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে গঠিত কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সন্তোষজনক বিবেচিত হওয়ায় এবং নির্ধারিত শর্ত পূরণ করায় লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করে হাসপাতালটির কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে হাসপাতালটির জন্য তিনটি শর্তও নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো হলো— The Medical Practice and Private Clinics and Laboratories (Regulation) Ordinance, 1982-এর বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। এছাড়া লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে লাইসেন্সের শর্ত প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে সরকার বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এর আগে, গত ১৯ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশনা জারি করেছিল। পরে তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে হাসপাতালটির লাইসেন্স পুনর্বহাল করা হয়েছে।সূত্র: কালবেলা ছবি: কালবেলা

বিনামূল্যে আইডি ভেরিফিকেশন সুবিধা আনছে মেটা, ভিডিও সেলফিতেই মিলবে নতুন ব্যাজ

সাধারণ ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন একটি পরিচয় যাচাই (ভেরিফিকেশন) সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা। এতদিন নীল টিক বা ভেরিফায়েড ব্যাজ মূলত পরিচিত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান কিংবা অর্থের বিনিময়ে Meta Verified গ্রাহকদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকলেও এবার বিনামূল্যে পরিচয় যাচাইয়ের সুযোগ দেওয়া হবে।মেটার নতুন Facebook Verified ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও সেলফি জমা দিয়ে নিজেদের পরিচয় যাচাই করতে পারবেন। ভিডিওটি অ্যাকাউন্টে থাকা প্রোফাইল ছবির সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। যাচাই সফল হলে ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে একটি বিশেষ ভেরিফিকেশন ব্যাজ যুক্ত হবে।এই সুবিধা পেতে হলে ব্যবহারকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। পাশাপাশি অ্যাকাউন্টটি ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ভালো অবস্থায় থাকতে হবে এবং ভুয়া পরিচয়, প্রতারণা বা সন্দেহজনক কার্যকলাপের কোনো ইতিহাস থাকা যাবে না।পরিচয় যাচাই সম্পন্ন হলে ব্যাজটি ব্যবহারকারীর প্রোফাইল, ফেসবুক মার্কেটপ্লেস, গ্রুপ এবং ফেসবুক ডেটিংসহ বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শিত হবে। ভবিষ্যতে নিউজ ফিডেও এই ব্যাজ দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে মেটা।মেটা জানিয়েছে, এই নতুন Facebook Verified এবং অর্থের বিনিময়ে পাওয়া Meta Verified এক নয়। নতুন ভেরিফিকেশনটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং এটি শুধু একজন বাস্তব ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করবে। অন্যদিকে Meta Verified-এ মাসিক সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে নীল টিকের পাশাপাশি অতিরিক্ত গ্রাহক সহায়তা, পরিচয় চুরি থেকে সুরক্ষা এবং বিভিন্ন প্রিমিয়াম সুবিধা পাওয়া যায়।প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির কারণে ভুয়া ছবি, ভুয়া পরিচয় ও প্রতারণামূলক অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে প্রকৃত ব্যবহারকারীদের শনাক্ত করতে এবং ভুয়া পরিচয়ের ঝুঁকি কমাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে মেটা স্পষ্ট করেছে, এই ব্যাজ কোনো ব্যক্তির সততা বা বিশ্বাসযোগ্যতার নিশ্চয়তা দেয় না; এটি কেবল পরিচয় যাচাই সম্পন্ন হওয়ার প্রমাণ।মেটা জানিয়েছে, ফিচারটি ধাপে ধাপে চালু করা হবে। শুরুতে নির্বাচিত কয়েকটি দেশে এটি চালু হবে এবং পরে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য দেশেও সম্প্রসারণ করা হবে।সূত্র: এনগ্যাজেট

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপ খনন শুরু, প্রতিদিন ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সম্ভাবনা

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও এলাকায় নতুন একটি গ্যাসকূপের সন্ধান পেয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।৪৫ দিনের খননকাজ এবং পরবর্তী ১৫ দিনের ডিএসটি (ড্রিল স্টেম টেস্ট) সম্পন্ন হওয়ার পর কূপটিতে গ্যাসের প্রকৃত মজুদের পরিমাণ জানা যাবে। তবে প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, কূপটির খনন ও ডিএসটি সফলভাবে শেষ হলে প্রতিদিন প্রায় ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে বাপেক্স আনুষ্ঠানিকভাবে কূপটির খননকাজ শুরু করে। বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে পূর্ণোদ্যমে খনন কার্যক্রম চলছে। প্রকল্পটির নাম ‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্প’।বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৫৫০ মিটার গভীর পর্যন্ত খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, মাটির নিচে ১ হাজার ৩৬১ মিটার এবং ১ হাজার ৪৫০ মিটার গভীরতায় দুটি পৃথক জোনে প্রাকৃতিক গ্যাসের অস্তিত্ব থাকতে পারে। কূপটি ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতিতে এমডব্লিওডি (MWD) মেথড ব্যবহার করে খনন করা হচ্ছে।প্রকল্পটির ড্রিলিং ইনচার্জ জাকির হোসেন খান জানান, ৪৫ দিনের খননকাজ এবং ১৫ দিনের ডিএসটি পরীক্ষার পর কূপে গ্যাসের মজুদের পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া খননকাজ একটানা চলবে এবং প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৫৫০ মিটার পর্যন্ত খননের পরিকল্পনা রয়েছে।বাপেক্স জানায়, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ এলাকায় ১৯৭৬ সালে প্রথম গ্যাসকূপের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে ১৯৭৮ সালে দ্বিতীয় কূপ আবিষ্কৃত হলে দুটি কূপেই ড্রিলিং করা হলেও সেগুলোতে গ্যাস পাওয়া যায়নি। এরপর ২০১৩ সালে তৃতীয় কূপের সন্ধান মেলে। ড্রিলিং শেষে ওই কূপ থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ২০১৮ সালে ওয়ার্কওভার সম্পন্ন করার পর বর্তমানে প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।এর আগে বাপেক্স নোয়াখালীতে ‘সুন্দলপুর-১’, ‘সুন্দলপুর-২’ এবং ‘সুন্দলপুর-৩’ নামে তিনটি গ্যাসকূপ খনন করে। এর মধ্যে সুন্দলপুর-১ ও সুন্দলপুর-৩ থেকে বর্তমানে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। তবে সুন্দলপুর-২ থেকে এখনো জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। আর সুন্দলপুর-৩-এর ওয়ার্কওভার শেষ হলে সেখান থেকেও পুনরায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হবে।উল্লেখ্য, কক্সবাজারের এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গত এক সপ্তাহ ধরে গ্যাস সংকট চলছে। এতে রান্নার চুলায় গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে, শিল্পকারখানার উৎপাদনে প্রভাব পড়ছে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় লোডশেডিং বেড়েছে। একই সঙ্গে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও চালকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। সূত্র: প্রতিদিনের সংবাদ

২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৮ পিএম
নারী কেলেঙ্কারি আলোচিত এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়েত থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে সঠিক সিদ্ধান্ত মনে করেন??

নারী কেলেঙ্কারি আলোচিত এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়েত থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে সঠিক সিদ্ধান্ত মনে করেন??

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে আলোচনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর বঙ্গভবনের শূন্য হওয়া রাষ্ট্রপতির পদে কে দায়িত্ব নেবেন—এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, আগামী ২৪ অক্টোবরের মধ্যে, অর্থাৎ ৯০ দিনের মধ্যে, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এদিকে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির অভ্যন্তরীণ সমীকরণের পাশাপাশি নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম রাষ্ট্রপতি পদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে আসায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির মতো অলংকারিক পদে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম আলোচনায় আসার অন্যতম কারণ তার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং রাজনৈতিক নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার পর, দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি উন্নয়ন এবং কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় তার মতো একজন ব্যক্তিত্ব ভূমিকা রাখতে পারেন বলে অনেকের ধারণা। তবে দলীয় আনুগত্য ও বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা বিএনপির জন্য একটি কৌশলগত বিষয় হয়ে উঠেছে বলেও আলোচনা রয়েছে।ড. ইউনূসের পাশাপাশি বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায় ও দলের অভিজ্ঞ নেতাদের কয়েকজনের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। এ তালিকায় রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (মহাসচিব ও মন্ত্রী), ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (প্রবীণ নেতা), গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান এবং অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী (প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব)। এছাড়া বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে স্থায়ীভাবে এ পদে রাখার গুঞ্জনও রয়েছে।এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাষ্ট্রপতি পদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। দলের একটি অংশের মত হলো, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজপথের পরীক্ষিত কাউকেই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেওয়া উচিত। অন্যদিকে, সংবিধান ও দলীয় গঠনতন্ত্র অনুসরণ করে যথাসময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় পরিচয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, নাকি আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ড. ইউনূসের মতো নিরপেক্ষ ব্যক্তিত্বের ওপর বঙ্গভবনের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন

সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন

বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর প্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল আইজিপি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন।বুধবার সিআইডি সদর দপ্তরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।এর আগে, গত ২৮ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে সিআইডির প্রধান হিসেবে পদায়ন করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি প্রেষণে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এনএসআইয়ে কর্মরত অবস্থায় তিনি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি লাভ করেন।ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। প্রায় তিন দশকের কর্মজীবনে তিনি পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও সততার সঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদায় প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও কারিকুলাম উন্নয়ন-সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া সিআইডির সদর দপ্তর, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা ইউনিটে বিশেষ পুলিশ সুপার হিসেবেও দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন।তিনি পিরোজপুর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি), র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এবং রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর, খুলনা ও ঢাকা রেঞ্জের বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালন করে তদন্ত, গোয়েন্দা কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।শিক্ষাজীবনে তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর (এমএস) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাজ্যের সিটি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন।দেশ-বিদেশে বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি আধুনিক পুলিশিং, তদন্ত ও ফরেনসিক বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেছেন। উল্লেখযোগ্য প্রশিক্ষণের মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়ায় ফরেনসিক ল্যাবরেটরি কোর্স, পাকিস্তানে বিশেষ আঞ্চলিক কর্মশালা এবং তুরস্কে অনুষ্ঠিত ১০ম ইন্টারপা সম্মেলনে অংশগ্রহণ। সূত্র: প্রতিদিনের সংবাদ

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !
সবুজবাগে কুপিয়ে হত্যা বিএনপি কর্মী, কবজি বিচ্ছিন্ন

সবুজবাগে কুপিয়ে হত্যা বিএনপি কর্মী, কবজি বিচ্ছিন্ন

রাজধানীর সবুজবাগে ইব্রাহিম পলাশ (৩৬) নামে ওয়ার্ড বিএনপির এক কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সবুজবাগের রাজারবাগ বাজারের পানির পাম্পসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পলাশের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার সোনাপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আবুল বাশার। তিনি সবুজবাগ থানার ৭১ নম্বর মাদারটেক এলাকায় বসবাস করতেন।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পলাশকে নিয়ে আসা তার প্রতিবেশী হীরা জানান, পলাশ পেশায় প্রাইভেটকার চালক ছিলেন এবং স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ঘটনার সময় তিনি একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। পূর্বশত্রুতার জেরে একই এলাকার রয়েল, সবুজ, নাঈমসহ ১০ থেকে ১২ জন ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। এতে তার দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।হীরা আরও জানান, কয়েক দিন আগে সবুজবাগ এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে একটি রিকশা চুরির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, সবুজ নামে এক ব্যক্তি রিকশাটি নিয়ে যান। পরে পলাশ সেটি উদ্ধার করতে গেলে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। সেই ঘটনার জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন। ঘটনার পর ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং যারা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ কাজ করছে।

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে আলোচনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে আলোচনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর বঙ্গভবনের শূন্য হওয়া রাষ্ট্রপতির পদে কে দায়িত্ব নেবেন—এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, আগামী ২৪ অক্টোবরের মধ্যে, অর্থাৎ ৯০ দিনের মধ্যে, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এদিকে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির অভ্যন্তরীণ সমীকরণের পাশাপাশি নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম রাষ্ট্রপতি পদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে আসায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির মতো অলংকারিক পদে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম আলোচনায় আসার অন্যতম কারণ তার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং রাজনৈতিক নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার পর, দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি উন্নয়ন এবং কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় তার মতো একজন ব্যক্তিত্ব ভূমিকা রাখতে পারেন বলে অনেকের ধারণা। তবে দলীয় আনুগত্য ও বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা বিএনপির জন্য একটি কৌশলগত বিষয় হয়ে উঠেছে বলেও আলোচনা রয়েছে।ড. ইউনূসের পাশাপাশি বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায় ও দলের অভিজ্ঞ নেতাদের কয়েকজনের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। এ তালিকায় রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (মহাসচিব ও মন্ত্রী), ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (প্রবীণ নেতা), গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান এবং অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী (প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব)। এছাড়া বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে স্থায়ীভাবে এ পদে রাখার গুঞ্জনও রয়েছে।এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাষ্ট্রপতি পদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। দলের একটি অংশের মত হলো, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজপথের পরীক্ষিত কাউকেই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেওয়া উচিত। অন্যদিকে, সংবিধান ও দলীয় গঠনতন্ত্র অনুসরণ করে যথাসময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় পরিচয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, নাকি আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ড. ইউনূসের মতো নিরপেক্ষ ব্যক্তিত্বের ওপর বঙ্গভবনের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নবাগত ইউএনওকে সংবর্ধনা দিলেন জামায়াতের এমপি

দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নবাগত ইউএনওকে সংবর্ধনা দিলেন জামায়াতের এমপি

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় নবনিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজ শাহীন খসরুকে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সংবর্ধনা দিয়েছেন স্থানীয় জামায়াত-সমর্থিত সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর। ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় জামায়াত নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর মিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অধ্যাপক জোমারত আলী, উপজেলা জামায়াতের আমির ও পৌর মেয়র পদপ্রার্থী রেজাউল করিম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওলানা ওমর ফারুকসহ দলের স্থানীয় নেতারা অংশ নেন।সংবর্ধনার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন মতামত দেখা যায়। অনেকেই ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সের প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্ন তুলেছেন, আবার অনেকে এটিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও রাজনৈতিক শিষ্টাচারের অংশ হিসেবে দেখছেন।‘আমবাড়িয়া ইউনিয়ন এনসিপি’ নামের একটি ফেসবুক পেজে সংবর্ধনার ছবি প্রকাশ করে লেখা হয়, ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী এমপি সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রধান আইনপ্রণেতা ও জনপ্রতিনিধি। কিন্তু তবুও একজন এমপি গেছেন ইউএনওকে সংবর্ধনা প্রদান করতে। এই ঘটনা ঘটেছে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলায়।’ওই পোস্টে আরও বলা হয়, কুষ্টিয়া-২ আসনের (মিরপুর-ভেড়ামারা) এমপি আব্দুল গফুর দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ইউএনওকে সংবর্ধনা দিয়েছেন। একজন ইউএনও যেখানে একজন উপজেলা চেয়ারম্যানকে স্যার বলে সম্বোধন করেন, সেখানে একজন এমপি গিয়ে ইউএনওকে স্যারের জায়গায় অধিষ্ঠিত করেছেন। হায় হতভাগা মিরপুর-ভেড়ামারাবাসী।এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, সাধারণত স্থানীয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা বা জনপ্রতিনিধিরাই সংসদ সদস্যকে অভ্যর্থনা বা সম্মান জানান। কিন্তু একজন এমপি যেভাবে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ইউএনওকে সংবর্ধনা দিতে গেছেন, তাতে প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মকর্তার সামনে রাজনৈতিক শক্তির প্রদর্শন ও পরোক্ষ চাপের বার্তা যেতে পারে। পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তার নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।অন্যদিকে, অনেকেই এ উদ্যোগকে রাজনৈতিক শিষ্টাচারের অংশ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে এ ধরনের সৌজন্য বিনিময় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।নবাগত ইউএনও আফরোজ শাহীন খসরু বলেন, তিনি রোববার মিরপুরে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন। সোমবার এমপি আব্দুল গফুরের দল জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতারা তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে মঙ্গলবার সকালে এমপি নিজে এসে তাকে সংবর্ধনা দেন।এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও বলেন, যেহেতু সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, তাই এমপি নিজ উদ্যোগে তাকে সংবর্ধনা ও উপহার দিয়েছেন। এছাড়া তার সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সংসদ সদস্য আব্দুল গফুরের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে নিজের ফেসবুক পেজে ইউএনওকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়ার ছবি প্রকাশ করে মিরপুর উপজেলাবাসীর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। সূত্র: জাগো নিউজ টোয়েন্টিফোর

শেখ হাসিনা সরকারের নির্যাতনের দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান এইচআরডব্লিউর

শেখ হাসিনা সরকারের নির্যাতনের দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান এইচআরডব্লিউর

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এ চলমান বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটির মতে, তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমে বিদ্যমান বিভিন্ন ঘাটতি ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এইচআরডব্লিউ জানায়, আন্তর্জাতিক আইনের স্বীকৃত মানদণ্ড অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালে ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। একই সঙ্গে আইনের শাসন দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে বিচারিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঝুঁকি এবং অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তির আশঙ্কাও রয়েছে।সংস্থাটি উল্লেখ করে, গত ২৭ জুলাই ট্রাইব্যুনালে ৪১ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। এসব মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সংঘটিত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে রাজনীতিক, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন ব্যক্তির বিচার চলছে। এইচআরডব্লিউর ভাষ্য অনুযায়ী, ১৫ বছরের বেশি সময়ের কর্তৃত্ববাদী শাসনের পর ২০২৪ সালের আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।এইচআরডব্লিউর এশিয়া অঞ্চলের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সংঘটিত নির্যাতনের ঘটনায় দায়ীদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তবে অনেক মামলায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ন্যায্য বিচার নিশ্চিত হচ্ছে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় জরুরি সংস্কার প্রয়োজন। দুর্বল তদন্ত বা ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সুযোগ যাতে সৃষ্টি না হয়, তা নিশ্চিত করা নতুন সরকারের দায়িত্ব।২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে হওয়া আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের ঘটনাসংক্রান্ত মামলাগুলোর বিচার বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে চলছে। ওই ঘটনায় ৮০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং হাজারো মানুষ আহত হন। পরবর্তীতে আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এছাড়া শেখ হাসিনার শাসনামলে সংঘটিত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুমসহ অন্যান্য অভিযোগের বিচারও চলমান রয়েছে।এইচআরডব্লিউ জানায়, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় গুরুতর অপরাধের বিচার করতে গঠিত এই ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে চলমান এক ডজনের বেশি মামলার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে তারা বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর উদ্বেগের কারণ খুঁজে পেয়েছে।সংস্থাটির দাবি, একাধিক মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাদের নেওয়া সাক্ষ্যবিবৃতিতে একই ধরনের অনুচ্ছেদ একাধিক সাক্ষ্যে হুবহু বা প্রায় একইভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা সাক্ষ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন সৃষ্টি করে।শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ট্রাইব্যুনাল ছয়টি মামলার বিচার সম্পন্ন করেছে। এসব মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধে ৬২ জন দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪২ জনের বিচার হয়েছে তাদের অনুপস্থিতিতে। এই তালিকায় শেখ হাসিনার নামও রয়েছে। এছাড়া ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০১০ সালের মার্চে শেখ হাসিনা সরকার ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগীদের বিচারের জন্য এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। সে সময় ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলেও পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাব, রাজনৈতিক পক্ষপাত, প্রসিকিউটর ও বিচারকদের মধ্যে যোগসাজশ এবং ন্যায্য বিচারপ্রক্রিয়ার ঘাটতির অভিযোগে ট্রাইব্যুনাল ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে।এইচআরডব্লিউ জানায়, ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ট্রাইব্যুনাল-সংক্রান্ত আইন আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে সংশোধন আনে। তবে তাদের মতে, এসব পরিবর্তন আন্তর্জাতিক আদালতের সমমানের বিচার নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট নয়।প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার এরপর এ বিষয়ে নতুন কোনো সংশোধনী আনেনি।সংস্থাটির দাবি, বর্তমান আইনে প্রসিকিউটররা পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়াই গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিতে পারেন। আটক ব্যক্তিদের লিখিত কারণ ছাড়াই দীর্ঘ সময় আটক রাখা সম্ভব এবং আলাদা আদালতে অন্তর্বর্তী আপিলের সুযোগও নেই।এছাড়া অভিযুক্তদের প্রমাণ উপস্থাপনের মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে বিচার শুরু হতে পারে, ফলে আত্মপক্ষ সমর্থনের প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায় না। অনুপস্থিতিতে বিচার হলেও নিজের আইনজীবী বেছে নেওয়ার সুযোগসহ প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয় না। একই সঙ্গে আইনজীবীদের সাক্ষীদের জেরা করার সুযোগও সীমিত বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।উদাহরণ হিসেবে ডা. মুহাম্মদ হাসান মাহমুদ চৌধুরীসহ অন্যান্যদের মামলার কথা উল্লেখ করে এইচআরডব্লিউ জানায়, ২০২৪ সালের ১৬ ও ১৮ জুলাই এবং ৪ আগস্ট চট্টগ্রাম শহরের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২২ জন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।অভিযোগপক্ষের প্রকাশ করা ৫৫টি সাক্ষ্যবিবৃতির মধ্যে একটি ছয় লাইনের অনুচ্ছেদ প্রায় হুবহু ১৪টি পৃথক সাক্ষ্যে পাওয়া গেছে বলেও দাবি করেছে সংস্থাটি। ওই অনুচ্ছেদে সাতজন রাজনীতিকের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা, অর্থায়ন, উসকানি ও নির্দেশনার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের দিয়ে ছয়জনকে হত্যার অভিযোগের বর্ণনা রয়েছে। সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার পতন ছাত্রদল ও যুবদলই ডেকে আনবে’—তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে শিবির সভাপতি

আপনার পতন ছাত্রদল ও যুবদলই ডেকে আনবে’—তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে শিবির সভাপতি

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে বলেছেন, ‘আপনার পতন ছাত্রদল আর যুবদলই নিয়ে আসবে।’মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।পোস্টে নুরুল ইসলাম সাদ্দাম হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাদের ওপর বিএনপির নেতাকর্মীদের হামলার ঘটনায় নিন্দা জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পাথর নিক্ষেপে প্রাণহানির ঘটনা, অভ্যন্তরীণ কোন্দলে নিজ দলের তিন শতাধিক কর্মীর মৃত্যু এবং লাগামহীন চাঁদাবাজির কারণে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে আমরা এ ধরনের রাজনীতি দেখতে চাই না।’সরকারের উদ্দেশে তিনি লেখেন, এসব ঘটনার বিরুদ্ধে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।পোস্টের শেষাংশে নুরুল ইসলাম সাদ্দাম উল্লেখ করেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত থাকলে ক্ষমতার মসনদ ‘বিষাদে পরিণত হতে পারে’। সূত্র: দেশ রূপান্তর

সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন

সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন

বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর প্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল আইজিপি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন।বুধবার সিআইডি সদর দপ্তরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।এর আগে, গত ২৮ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে সিআইডির প্রধান হিসেবে পদায়ন করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি প্রেষণে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এনএসআইয়ে কর্মরত অবস্থায় তিনি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি লাভ করেন।ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। প্রায় তিন দশকের কর্মজীবনে তিনি পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও সততার সঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদায় প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও কারিকুলাম উন্নয়ন-সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া সিআইডির সদর দপ্তর, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা ইউনিটে বিশেষ পুলিশ সুপার হিসেবেও দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন।তিনি পিরোজপুর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি), র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এবং রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর, খুলনা ও ঢাকা রেঞ্জের বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালন করে তদন্ত, গোয়েন্দা কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।শিক্ষাজীবনে তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর (এমএস) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাজ্যের সিটি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন।দেশ-বিদেশে বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি আধুনিক পুলিশিং, তদন্ত ও ফরেনসিক বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেছেন। উল্লেখযোগ্য প্রশিক্ষণের মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়ায় ফরেনসিক ল্যাবরেটরি কোর্স, পাকিস্তানে বিশেষ আঞ্চলিক কর্মশালা এবং তুরস্কে অনুষ্ঠিত ১০ম ইন্টারপা সম্মেলনে অংশগ্রহণ। সূত্র: প্রতিদিনের সংবাদ

সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন

সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন

বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর প্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল আইজিপি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন।বুধবার সিআইডি সদর দপ্তরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।এর আগে, গত ২৮ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে সিআইডির প্রধান হিসেবে পদায়ন করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি প্রেষণে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এনএসআইয়ে কর্মরত অবস্থায় তিনি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি লাভ করেন।ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। প্রায় তিন দশকের কর্মজীবনে তিনি পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও সততার সঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদায় প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও কারিকুলাম উন্নয়ন-সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া সিআইডির সদর দপ্তর, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা ইউনিটে বিশেষ পুলিশ সুপার হিসেবেও দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন।তিনি পিরোজপুর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি), র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এবং রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর, খুলনা ও ঢাকা রেঞ্জের বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালন করে তদন্ত, গোয়েন্দা কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।শিক্ষাজীবনে তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর (এমএস) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাজ্যের সিটি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন।দেশ-বিদেশে বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি আধুনিক পুলিশিং, তদন্ত ও ফরেনসিক বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেছেন। উল্লেখযোগ্য প্রশিক্ষণের মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়ায় ফরেনসিক ল্যাবরেটরি কোর্স, পাকিস্তানে বিশেষ আঞ্চলিক কর্মশালা এবং তুরস্কে অনুষ্ঠিত ১০ম ইন্টারপা সম্মেলনে অংশগ্রহণ। সূত্র: প্রতিদিনের সংবাদ

তিন শর্তে লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

তিন শর্তে লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স তিনটি শর্ত সাপেক্ষে পুনর্বহাল করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে ১৯ জুলাই জারি করা নির্দেশনায় হাসপাতালটির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে গঠিত কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সন্তোষজনক বিবেচিত হওয়ায় এবং নির্ধারিত শর্ত পূরণ করায় লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করে হাসপাতালটির কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে হাসপাতালটির জন্য তিনটি শর্তও নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো হলো— The Medical Practice and Private Clinics and Laboratories (Regulation) Ordinance, 1982-এর বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। এছাড়া লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে লাইসেন্সের শর্ত প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে সরকার বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এর আগে, গত ১৯ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশনা জারি করেছিল। পরে তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে হাসপাতালটির লাইসেন্স পুনর্বহাল করা হয়েছে।সূত্র: কালবেলা ছবি: কালবেলা