তারেক রহমানের ফ্যামিলি কার্ডকে ‘ভুয়া’ আখ্যা: কারাগারে হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহর।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নিয়ে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য এবং নির্বাচনী সহিংসতা মামলায় জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) এলাকার প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহরকে (জহর সাব)। বিজ্ঞ আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের আবেদন জানালে শুনানি শেষে বিচারক আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।দলীয় সূত্রে জানা যায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপি থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন পান দলের কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে একই আসনে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ইঞ্জিনিয়ার পিএস মতিন খান। জহিরুল ইসলাম জহর আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বহিষ্কৃত বিদ্রোহী প্রার্থী পিএস মতিন খানের নির্বাচনী প্রচারণায় সরাসরি অংশ নেন। শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধে সে সময়ই জহিরুল ইসলাম জহরকে বিএনপির দলীয় পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।বহিষ্কৃত হওয়ার পর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী জনসভা ও পথসভায় অংশ নিয়ে বিএনপির তারেক রহমান ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্পকে ‘ভুয়া’ আখ্যা দেন এবং এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর ও বিদ্রূপাত্মক বক্তব্য তুলে ধরেন।নির্বাচনের আগ মুহূর্তে হোমনা এলাকায় বিএনপি ও দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে একাধিক দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘাতের ঘটনা ঘটে। ওই সহিংসতার একপর্যায়ে জহিরুল ইসলাম জহরের গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে ভস্মীভূত হয়।পরবর্তীতে রাজনৈতিক সংঘাত এবং ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে স্পর্শকাতর ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য প্রদানের ঘটনায় রাষ্ট্রদ্রোহিতা ও সহিংসতা আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন নাকচ করে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধে কওমি মাদরাসায় সুরক্ষা কমিটি ও হটলাইনের নির্দেশ, জিরো টলারেন্সের ঘোষণা হেফাজতের।
বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি কতিপয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনের আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান সংবাদমাধ্যমে প্রদত্ত যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেকোনো অনৈতিক আচরণ বা শিশু নিপীড়ন যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি আইন হাতে তুলে নেওয়াও সমর্থনযোগ্য নয়।বিবৃতিতে হেফাজত নেতৃবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় প্রশাসনিক ব্যবস্থার অধীনে সুষ্ঠু তদন্ত পরিচালনা করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থেই জরুরি।তারা উল্লেখ করেন, শিশু যৌন নির্যাতনের সমস্যাটি একটি পুরনো অভ্যন্তরীণ সামাজিক ব্যাধি, যা কেবল কোনো নির্দিষ্ট কমিউনিটিকেন্দ্রিক নয়। স্কুল, মাদরাসা এবং অন্যান্য সব পরিসরেই এ সমস্যাটি কমবেশি বিদ্যমান।নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সব ধরনের শিক্ষার্থী নিপীড়ন কার্যকরভাবে রোধ করতে গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে বিবৃতিতে জানানো হয়, চলতি বছরের গত ১৯ সেপ্টেম্বর ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ দেশের ৬টি কওমি মাদরাসা বোর্ড ও এর আওতাভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনাবলী জারি করেছে।উক্ত নির্দেশনা অনুযায়ী গৃহীত ও ঘোষিত মূল পদক্ষেপসমূহ:শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি: দেশের প্রতিটি মাদরাসায় বাধ্যতামূলকভাবে 'শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি' গঠন বা পূর্বে গঠিত কমিটি সচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।দ্রুত তদন্ত ও প্রতিবেদন: শিক্ষার্থী নিপীড়ন বা অনৈতিক আচরণের যেকোনো অভিযোগ উত্থাপিত হলে সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।মনিটরিং সেল ও হটলাইন: অনিয়ম ও অভিযোগ গ্রহণে মাদরাসা বোর্ডগুলোকে শক্তিশালী 'মনিটরিং সেল' গঠন এবং সার্বক্ষণিক অভিযোগ জানানোর জন্য 'হটলাইন' চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কঠোর শাস্তি ও অধিভুক্তি বাতিল: কোনো মাদরাসায় যদি 'শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি' না থাকে, কমিটি নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে অথবা অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তবে উক্ত মাদরাসার অধিভুক্তি স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।হেফাজতে ইসলামের নেতৃবৃন্দ সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তিকে সর্বদা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। এই লক্ষ্যে স্কুল ও মাদরাসা উভয় কর্তৃপক্ষকেই অত্যন্ত কঠোর নীতিমালা অবলম্বন করতে হবে এবং সিসিটিভি (CC Camera) ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।সব স্কুল ও মাদরাসাকে নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের জারিকৃত নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যেকোনো নৈতিক পদস্খলনের দায়ে দোষী ব্যক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত—উভয় ধরনের কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে। এই বিষয়ে কোনো প্রকার শিথিলতা বা আপস করা হবে না।আজকের শিশু শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের শৈশব ও কৈশোরের সুশিক্ষা এবং নিরাপদ বেড়ে ওঠার দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
শত্রুর অনিষ্ট থেকে বাঁচতে নবীজি (সা.)-এর শেখানো দোয়া ও আমল
জীবনে কখনো কখনো মানুষ শত্রুর ভয়, অন্যের ষড়যন্ত্র, অন্যায়-অত্যাচার কিংবা সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কায় মানসিক অশান্তিতে ভোগে। এমন পরিস্থিতিতে একজন মুমিনের মূল ভরসা হলেন মহান আল্লাহ। তার কাছে সাহায্য চাওয়া, নিয়মিত দোয়া করা এবং কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশনা অনুসরণ করা মুমিনের ঈমানি কর্তব্য।রাসুলুল্লাহ আমাদের বলেছেন, বিপদের আশঙ্কায় আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে হবে এবং সকাল-সন্ধ্যায় নিয়মিত কিছু সুরা ও দোয়া পাঠ করতে হবে। শত্রুর অনিষ্ট থেকে বাঁচতে নবীজি (সা.)-এর শেখানো একটি বিশেষ দোয়া এবং তিন কুল পাঠের অনুশীলন সম্পর্কে জেনে আসা যাক।শত্রুর আক্রমণ, ক্ষতি কিংবা অনিষ্টের আশঙ্কা হলে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়ে নিচের দোয়াটি পড়া যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে বর্ণিত দোয়াটি হলো—اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِهِمْ، وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْউচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা ইন্না নাঝআলুকা ফি নুহুরিহিম, ওয়া নাঊজু বিকা মিন শুরুরিহিম।’অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমরা আপনাকেই তাদের মোকাবিলায় রাখছি এবং তাদের অনিষ্ট থেকে আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।’এই দোয়ায় আল্লাহর ওপর নির্ভরতা এবং শত্রুর অনিষ্ট থেকে তার আশ্রয় চাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। ভয়, হুমকি বা অন্যায়ের আশঙ্কার সময় আন্তরিকতার সঙ্গে দোয়াটি পড়া যায়। (আবু দাউদ ১৫৩৭, নাসাঈ ৫৫০২)২. শত্রুর ষড়যন্ত্র ও অনিষ্ট থেকে সুরক্ষায় তিন কুল পাঠসকাল-সন্ধ্যায় নিয়মিত আমলের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি হলো সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস পাঠ করা। এই তিনটি সুরাকে একত্রে সাধারণভাবে ‘তিন কুল’ বলা হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) সকাল ও সন্ধ্যায় এগুলো তিনবার করে পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে খুবাইব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে বলেন—قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ وَالْمُعَوِّذَتَيْنِ حِينَ تُمْسِي وَحِينَ تُصْبِحُ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ تَكْفِيكَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ‘সন্ধ্যায় ও সকালে তিনবার সুরা ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ এবং দুই আশ্রয় প্রার্থনার সুরা (সুরা ফালাক ও সুরা নাস) পাঠ করবে। সবকিছুর মোকাবিলায় তা তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।’ (আবু দাউদ ৫০৮২) ৩. ভয় ও বিপদের সময় কুরআনের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাশত্রুর ভয় কিংবা কঠিন পরিস্থিতিতে মুমিনের উচিত আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা। পবিত্র কুরআনে মুমিনদের দৃঢ় নির্ভরতার একটি সুন্দর উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। তা হলো—حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُউচ্চারণ: ‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকিল।’অর্থ: ‘আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, আর তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।’ (সুরা আল-ইমরান: আয়াত ১৭৩)এই বাক্যটি আল্লাহর ওপর ভরসা ও নির্ভরতার শিক্ষা দেয়। বিপদের আশঙ্কায় এটি পাঠ করে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া যায়। পাশাপাশি বাস্তব বিপদ থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও বৈধ পদক্ষেপ গ্রহণ করাও জরুরি। শত্রুর ভয়, অন্যায়ের আশঙ্কা কিংবা ষড়যন্ত্রের মুখে একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো আল্লাহর ওপর অবিচল আস্থা রাখা। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো দোয়া পাঠ করা, সকাল-সন্ধ্যায় সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস তিনবার করে পড়া এবং ‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকিল’ বলা— এসব আমল মুমিনকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতে ও তার ওপর ভরসা রাখতে শেখায়। তবে দোয়া ও আমলের পাশাপাশি বিপদের বাস্তব কারণগুলো মোকাবিলা করাও প্রয়োজন। কেউ হুমকি দিলে বা আক্রমণের আশঙ্কা থাকলে নিরাপদ স্থানে যাওয়া, বিশ্বস্ত মানুষের সহায়তা নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্য চাওয়া উচিত। দোয়া কখনোই প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও নিরাপত্তাব্যবস্থার বিকল্প নয়।আল্লাহ তাআলা আমাদের সব ধরনের অনিষ্ট, অন্যায়-অত্যাচার ও বিপদ থেকে হেফাজত করুন। আমাদের অন্তরে সাহস, ইমান ও তার ওপর পূর্ণ ভরসা দান করুন। আমিন।
হাতুড়ে ডাক্তারের অপারেশন টেবিলে রোগীর মৃত্যু, শ্যামনগরে শোকের ছায়া।
মনপুরায় গৃহবধূকে অস্ত্রের মুখে ধর্ষণের অভিযোগ মামলা, অভিযুক্ত তানজিল গ্রেফতার।
দিনের বেলায় যুবলীগ সভাপতির সাথে বাকবিতন্ডা, রাতের আঁধারে ছাত্রদল নেতার মাছের গদিতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ!
মন্ত্রী সভায় আলোচনায় ভোলা ৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপির নাম
নোবিপ্রবিতে ছাত্রশক্তির উদ্যোগে নবীনবরণ, থাকছেন নাহিদ ইসলামসহ এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা
হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে স্ত্রী-সন্তানকে দাফন করলেন আহত ফারুক
পীরগঞ্জে ইউএনওর রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ, ভিডিও ক্লিপ নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করার আহ্বান
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে শেষ দিনে প্রার্থীদের প্রচারণা ও সমাবেশ
আগামী ২৩ তম রাষ্টপতি হিসাবে আপনি কাকে দেখতে চান.??
পঞ্চগড় -১ আসনের সাবেক এমপি নাইমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা গ্রেপ্তার
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিএনপির একক প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন, মনোনয়ন প্রত্যাহার ওবায়দুল্লাহ মাসুদের
বিএনপি আমার সঙ্গে মুনাফেকি করছে: মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব
রুমিন ফারহানা শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব পালন করছেন: নাদিয়া পাঠান পাপন এমপি
শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধে কওমি মাদরাসায় সুরক্ষা কমিটি ও হটলাইনের নির্দেশ, জিরো টলারেন্সের ঘোষণা হেফাজতের।
রাঙ্গাবালীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান: জাল জব্দ, ২ জেলে কারাদণ্ড
তারেক রহমানকে নিয়ে ‘স্নাইপার’ মন্তব্য, ফেসবুক অ্যাকাউন্টধারীকে শনাক্ত করেছে পুলিশ।
উজিরপুরে মৎস্যজীবীদের সঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবের মতবিনিময়
শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধে কওমি মাদরাসায় সুরক্ষা কমিটি ও হটলাইনের নির্দেশ, জিরো টলারেন্সের ঘোষণা হেফাজতের।
রাঙ্গাবালীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান: জাল জব্দ, ২ জেলে কারাদণ্ড
তারেক রহমানকে নিয়ে ‘স্নাইপার’ মন্তব্য, ফেসবুক অ্যাকাউন্টধারীকে শনাক্ত করেছে পুলিশ।
উজিরপুরে মৎস্যজীবীদের সঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবের মতবিনিময়
শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধে কওমি মাদরাসায় সুরক্ষা কমিটি ও হটলাইনের নির্দেশ, জিরো টলারেন্সের ঘোষণা হেফাজতের।
রাঙ্গাবালীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান: জাল জব্দ, ২ জেলে কারাদণ্ড
তারেক রহমানকে নিয়ে ‘স্নাইপার’ মন্তব্য, ফেসবুক অ্যাকাউন্টধারীকে শনাক্ত করেছে পুলিশ।
উজিরপুরে মৎস্যজীবীদের সঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবের মতবিনিময়