ঢাকা    রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪
শিরোনাম
ট্রেন্ডিং

সাদ কান্ধলভীকে তওবার আহ্বান হেফাজতের আমিরের

পবিত্র কোরআনের ভুল ব্যাখ্যা এবং নবী-সাহাবিদের বিষয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ তুলে ভারতের মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে তওবা করার আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। তাঁর অভিযোগ, ইসলাম, নবুয়ত ও শরিয়তের বিভিন্ন মাসআলা নিয়ে সাদ কান্ধলভী বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) আয়োজিত এক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।সাদ কান্ধলভী তাবলিগ জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস কান্ধলভীর প্রপৌত্র। দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজকেন্দ্রিক তাবলিগের একটি অংশ তাঁকে নিজেদের আমির হিসেবে মানে।হেফাজতের আমির বলেন, দারুল উলুম দেওবন্দের মুরব্বিসহ আলেমরা দায়িত্ব নিয়ে সাদ কান্ধলভীকে সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি আলেমদের পরামর্শ গ্রহণ করে নিজের বক্তব্য সংশোধনে সম্মত হননি।২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর এবং ২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবিতে ‘ওলামা মাশায়েখ বাংলাদেশ’-এর ব্যানারে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের অভিযোগ, সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা পরিকল্পিতভাবে ওই হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটিয়েছেন। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। তাঁর লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী।সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমির বলেন, সাদ কান্ধলভী খালিস তওবা করে শুরায়ি নেজাম মেনে দেওবন্দের মুরব্বিদের কাছে রুজু না করা পর্যন্ত তাঁকে বাংলাদেশে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা আলেমদের তত্ত্বাবধানে শুরায়ি নেজামের মাধ্যমে পরিচালিত হতে হবে। একইভাবে কাকরাইল মারকাজের কার্যক্রমও ওলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধানে পরিচালনার দাবি জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, সাদ কান্ধলভীর অনুসারীদের টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যাবে না। মাওলানা সাদকে বাংলাদেশে এনে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জানান তিনি।হেফাজতের আমিরের অভিযোগ, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠে তাবলিগের সাথি এবং মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী আরও বলেন, তাবলিগের শুরায়ি নেজামের সাথি ও মাদ্রাসাছাত্রদের ওপর হামলায় জড়িতদের অনেকে ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসর’। তাঁর অভিযোগ, এসব ব্যক্তি ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে সংঘাত ও বিশৃঙ্খলা তৈরি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এবং বিদেশি গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ষড়যন্ত্র করছেন।সম্মেলনে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন রাজধানীর উত্তরার জামিয়াতুন নূর আল কাসিমিয়ার অধ্যক্ষ নাজমুল হাসান কাসেমী। ঘোষণাপত্রে সরকারের কাছে সাতটি দাবি তুলে ধরা হয়।দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা; হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনা এবং সাদপন্থীদের ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে ঘোষণা করা; টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে সাদপন্থীদের বিশ্ব ইজতেমা কিংবা তাবলিগের কোনো কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখা।এ ছাড়া সাদপন্থীদের কোনো ‘অযৌক্তিক দাবি’ গ্রহণ না করা, টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে তাঁদের প্রবেশ স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা, আলেমদের বিষয়ে বিদেশিদের কাছে নেতিবাচক বার্তা পাঠানোর অভিযোগে ওয়াসিফুল ইসলাম, রেজা আরিফ, ওয়াসিফুল ইসলামের ছেলে ওসামা ও সায়েমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি আলেমদের মাধ্যমে দাওয়াত ও তাবলিগের সব সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের পথ বের করার দাবিও রয়েছে।সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের (বেফাক) মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা আবদুল হামিদ (মধুপুর পীর), হেফাজতে ইসলামের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব জুনায়েদ আল হাবিব, নায়েবে আমির মাওলানা সালাহউদ্দিন নানুপুরী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুযে খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী, মাদানীনগর মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মুফতি বশির উল্লাহ, দারুল উলুম হাটহাজারী মাদ্রাসার মুফতি জসিম উদ্দিন এবং ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজিসহ অনেকে। সূত্র: প্রথম আলো

প্রেমিকার পেছনে সাড়ে ৪ কোটি টাকা খরচ, সম্পর্ক ভাঙার পর ফেরত চেয়ে মামলা

প্রেমিকার জন্য প্রায় ৪ কোটি ৫৫ লাখ ৪১ হাজার ৯২৭ টাকা ব্যয় করেছিলেন সিঙ্গাপুরের এক ব্যক্তি। দামি উপহার দেওয়া, বিদেশ ভ্রমণের খরচ বহন, ফেংশুই বিশেষজ্ঞের পারিশ্রমিক পরিশোধ থেকে শুরু করে জীবনবিমার প্রিমিয়াম—সবকিছুই নিজের অর্থে করেছিলেন তিনি। তবে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর সেই অর্থ ফেরত দাবি করে সাবেক প্রেমিকার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন ওই ব্যক্তি। শেষ পর্যন্ত তার সেই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন সিঙ্গাপুরের আদালত।সিঙ্গাপুর হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, চন্দর আগরওয়াল তার সাবেক প্রেমিকা ফেলিশিয়া লির পেছনে ৪ লাখ ৬৮ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার ব্যয় করেছিলেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৪ কোটি ৫৫ লাখ ৪১ হাজার ৯২৭ টাকা। আদালতের মতে, আগরওয়াল নিজের ইচ্ছাতেই এসব অর্থ খরচ করেছিলেন। এগুলো ঋণ হিসেবে দেওয়া হয়েছিল—এমন দাবির পক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণও তিনি উপস্থাপন করতে পারেননি।লজিস্টিকস কোম্পানির প্রধান নির্বাহী আগরওয়ালের সঙ্গে সাবেক ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট লির পরিচয় হয় ২০১৯ সালে একটি ফ্লাইটে। পরবর্তী সময়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তাদের সম্পর্ক স্থায়ী ছিল।আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, প্রেমের সম্পর্ক শুরু হওয়ার আগেই লিকে বিভিন্ন দামি উপহার দিতেন আগরওয়াল। সম্পর্কের সময় সেই প্রবণতা আরও বেড়ে যায়। বিচারক লি সিউ কিনের ভাষ্য অনুযায়ী, আগরওয়াল লিকে দামি উপহারে প্রায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন। এমনকি এসব উপহারের অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও তিনি লিকে আশ্বস্ত করেছিলেন।তবে সময়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়। আগরওয়ালের সন্দেহ হয়, লি অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। একপর্যায়ে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে তাদের সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।এর কয়েক মাস পর, ২০২৪ সালের মার্চে আদালতের দ্বারস্থ হন আগরওয়াল। তার অভিযোগ ছিল, সম্পর্ক চলাকালে লি বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে সুদবিহীন ঋণ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ২ লাখ ৬ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার খরচ, বিদেশ ভ্রমণে ১ লাখ ২৯ হাজার ডলার, লির অ্যাপার্টমেন্টের জন্য ফেংশুই বিশেষজ্ঞ নিয়োগে ১৭ হাজার ডলার এবং জীবনবিমার প্রিমিয়াম বাবদ ২০ হাজার ডলার দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি।তবে লি এসব অর্থকে ঋণ হিসেবে স্বীকার করেননি। তার দাবি, ভালোবাসা ও স্নেহের কারণে আগরওয়াল তাকে এসব অর্থ ও উপহার দিয়েছিলেন।আদালতও লির বক্তব্যের পক্ষেই রায় দেন। বিচারক বলেন, আগরওয়ালের দাবির পক্ষে প্রয়োজনীয় নথি উপস্থাপন করা হয়নি। লি এসব অর্থ ঋণ হিসেবে নিয়েছিলেন কিংবা পরবর্তী সময়ে তা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন—এমন কোনো প্রমাণও আগরওয়াল দেখাতে পারেননি।রায়ে বিচারক আরও উল্লেখ করেন, উপস্থাপিত প্রমাণ থেকে বোঝা যায়, আগরওয়াল লির প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট ছিলেন এবং সম্পর্ক চলাকালে তাকে মূল্যবান উপহার দিতেন। কিন্তু সম্পর্ক তিক্তভাবে শেষ হওয়ার পর তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এরপর লির কাছ থেকে আগে ব্যয় করা অর্থের ‘মূল্য’ আদায়ের বিষয়ে তিনি দৃঢ় অবস্থান নেন।বিচারকের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, আগরওয়াল যথেষ্ট সম্পদের মালিক এবং তার জীবনযাপন ও পছন্দও ব্যয়বহুল। বিপরীতে লির আর্থিক সামর্থ্য আগরওয়ালের মতো ছিল না।আদালতের পর্যবেক্ষণে আরও উঠে আসে, আগরওয়াল যখন লিকে দামি কোনো উপহার দেওয়ার কথা বলতেন, তখন লি অনেক সময় খুদে বার্তার মাধ্যমে বিস্ময় প্রকাশ করতেন। কিছু ক্ষেত্রে উপহার গ্রহণের বিষয়ে তার স্বতঃস্ফূর্ত অনীহাও দেখা গেছে।রায়ের শেষাংশে বিচারক ইংরেজ নাট্যকার উইলিয়াম কংগ্রেভের ‘দ্য মর্নিং ব্রাইড’ নাটকের একটি পঙ্‌ক্তি উদ্ধৃত করেন। প্রেম ঘৃণায় রূপ নিলে সেই অনুভূতির তীব্রতা কতটা হতে পারে—সেই প্রসঙ্গেই উদ্ধৃতিটি আনা হয়। এরপর বিচারক বলেন, এ ধরনের আবেগ কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর খরচ করা অর্থ ফেরত চেয়ে মামলা করার ঘটনা সিঙ্গাপুরে এটাই প্রথম নয়। ২০২৩ সালের শুরুর দিকে কেকে কাওশিগান নামের এক সিঙ্গাপুরের নাগরিক নোরা তান নামের এক নারীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেন। সেখানে তিনি ৩০ লাখ সিঙ্গাপুর ডলারের বেশি অর্থ দাবি করেছিলেন।কাওশিগানের অভিযোগ ছিল, তান তার প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তিনি মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং তার সুনামও ক্ষুণ্ন হয়েছে। তবে সিঙ্গাপুরের আদালত তার করা দুটি মামলাই খারিজ করে দেন।পরবর্তী সময়ে তানও কাওশিগানের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন। হয়রানি থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে যে অর্থ তাকে ব্যয় করতে হয়েছিল, সেই অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি জানান তিনি। সূত্র: আমার দেশ

প্রেমিকার পেছনে সাড়ে ৪ কোটি টাকা খরচ, সম্পর্ক ভাঙার পর ফেরত চেয়ে মামলা

ধর্ষণ-নারী নির্যাতনসহ সব অপরাধ সমাজ থেকে নির্মূল করবে বিএনপি: রিজভী

সমাজ থেকে ধর্ষণ, নারী নির্যাতনসহ সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নির্মূল করার কথা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে রিজভী বলেন, নারীর সার্বিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করাকে বর্তমান সরকার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নিয়েছে। এ উদ্দেশ্যে সরকারের নেওয়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিকে তিনি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তৃণমূল পর্যায়ে এই কর্মসূচি সফলভাবে পৌঁছে দিতে মহিলা দলের নেতাকর্মীদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।দলীয় নেতাকর্মীদের দায়িত্বের বিষয়টি তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বর্তমানে বিএনপি ক্ষমতায় থাকায় প্রত্যেক নেতাকর্মীই সরকারের অংশ। তবে শুধু পদ-পদবি থাকলেই সরকারের অংশ হতে হবে—বিষয়টি এমন নয়।বর্তমান রাষ্ট্রকাঠামো বিনির্মাণে নারী নেতৃত্বের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সরকারের সঙ্গে মহিলা দলের নেতাকর্মীদেরও রক্ত-ঘাম জড়িয়ে আছে। তাই তারাও এই সরকারের অংশ।রিজভী আরও বলেন, এখন নুসরাত, রুপা, খাদিজা, তনু ও মিতুর মতো হত্যাকাণ্ড আর ঘটছে না এবং তারা নির্যাতনের শিকারও হচ্ছেন না। সরকারি দলের কোনো নেতাকর্মীও এ ধরনের অপকর্মের সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, এখন এ ধরনের কোনো সংবাদও নেই।সমাবেশ থেকে সরকারের উন্নয়নমূলক বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন রিজভী। তিনি বলেন, সমাজে নারীর অবস্থান আরও শক্তিশালী করা এবং সামাজিক সুরক্ষার বলয় গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার যেসব সময়োপযোগী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, সেসব উদ্যোগের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে সরাসরি তুলে ধরতে মহিলা দলের প্রতিটি পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সক্রিয়ভাবে মাঠে থাকতে হবে। সূত্র: ইত্তেফাক

ধর্ষণ-নারী নির্যাতনসহ সব অপরাধ সমাজ থেকে নির্মূল করবে বিএনপি: রিজভী
নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
নওগাঁয় জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

নওগাঁয় জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

নওগাঁ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এ কর্মসূচিতে নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে এ সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।র‍্যালিতে নওগাঁ জেলার জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদের প্রশাসক, সিভিল সার্জনসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা এবং জেলার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।র‍্যালির মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি বাড়ির আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া, মশার প্রজননস্থল নিয়মিত পরিষ্কার করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।সংশ্লিষ্টরা বলেন, ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; এ জন্য প্রয়োজন সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা। নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাই সচেতন হলে এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখলে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

টেকসই উন্নয়নে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সমাজ ও রাষ্ট্রে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা না গেলে টেকসই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব নয়। বিজ্ঞান ও ইতিহাসের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, সমতার ভিত্তিতে অগ্রসর হওয়ার পথই একটি সমাজকে দীর্ঘমেয়াদে উন্নতির দিকে নিয়ে যায়।মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), জার্মান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহায়তা সংস্থা জিআইজেড ও নরওয়ে সরকারের উদ্যোগে ‘ইনফরমেশন ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড সোশ্যাল কোহেশন ইন বাংলাদেশ: পলিসি, প্ল্যাটফর্ম অ্যাকাউন্টাবিলিটি অ্যান্ড কালেক্টিভ অ্যাকশন’ শীর্ষক সংলাপটি অনুষ্ঠিত হয়।মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে গণমাধ্যম ও তথ্যের ক্ষেত্র দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রযুক্তির বিকাশের কারণে তথ্যপ্রবাহের সুযোগ বাড়লেও এর সঙ্গে নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জও তৈরি হচ্ছে।এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রাষ্ট্র, গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমান সময়ে তথ্যের অবাধ প্রবাহের পাশাপাশি এর বিশ্বাসযোগ্যতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত প্রসারের ফলে তথ্যের পরিধি বাড়ছে। একই সঙ্গে ভুল তথ্য, অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।তিনি বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের বাস্তবতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী নিজস্ব সক্ষমতা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিতে হবে।ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের উদাহরণ তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তি যদি একসময় মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তাহলে ভবিষ্যতে এমন এক দানবীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত মানুষের জন্যই ধ্বংস ডেকে আনতে পারে।গণমাধ্যম ও তথ্যব্যবস্থাকে আধুনিক করার ক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, গবেষণা, নীতিনির্ধারণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সমন্বয় এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং ডেটাভিত্তিক যোগাযোগব্যবস্থাকে ইতিবাচক কাজে ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।মন্ত্রী আরও বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, দায়িত্বশীলতা এবং জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার—এই তিনটি বিষয়কে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে। পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের দক্ষতা বাড়ানো এবং নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করাও প্রয়োজন।ইউএনডিপির এ ধরনের আয়োজন দেশের গণমাধ্যম খাতে নীতি প্রণয়ন ও কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।সংলাপে ইউএনডিপির প্রতিনিধি, গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ, সাংবাদিক এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সূত্র: প্রতিদিনের সংবাদ

আগামী মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী: পানিসম্পদ মন্ত্রী

আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যারেজের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজবাড়ীর পাংশায় প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, একটি অর্থনৈতিক রূপান্তর, অর্থনৈতিক বিপ্লবের জন্য এই প্রকল্প মাস্টারমাইন্ড মেগা প্রকল্প। পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২৪টি জেলায় অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে। কৃষিতে বিপ্লব হবে, বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে, মাছ চাষ বাড়বে এবং সামগ্রিক উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এর সঙ্গে আরও আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত হবে।তিনি বলেন, ২০০৪ সাল থেকে প্রকল্পটি নিয়ে সমীক্ষা করা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় থেকে এর কাজ এগিয়ে নেয়া হয়। পরে বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে ২০২৬ সালে প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন করা হয়েছে।শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে যে বিষয়টি ছিল, তার হাত ধরেই এখন সেটি বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। এ জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এবং পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের আওতাভুক্ত ২৪ জেলার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, দেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা, পদ্মা ব্যারেজ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লবণাক্ততা মোকাবিলার মতো বিষয়গুলো এর অংশ।তিনি বলেন, ‘পানি জীবন’–এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে বাংলাদেশে পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় প্রধানমন্ত্রী বড় ধরনের পরিবর্তন আনছেন। পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজ শুরু হলো, ভবিষ্যতে তিস্তা মহাপরিকল্পনাও বাস্তবায়িত হবে।এ সময় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনে আরও উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

১০ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪৩ এএম
আগামী ২৩ তম রাষ্টপতি হিসাবে আপনি কাকে দেখতে চান.??

আগামী ২৩ তম রাষ্টপতি হিসাবে আপনি কাকে দেখতে চান.??

  মির্জা ফখরুল ইসলাম
  কর্নেল অলি আহমেদ
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

গলাচিপায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ও নতুন কমিটি ঘোষনা

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গলাচিপা উপজেলা শাখার দ্বি বার্ষিক সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গলাচিপা অফিসার্স ক্লাবে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গলাচিপা উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মোঃ আবু বকর সিদ্দিক।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য পেশ করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা কাজী গোলাম সরোয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পটুয়াখালী জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আর আই এম ওহিদুজ্জামান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান।সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গলাচিপা উপজেলা শাখার নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। এতে নিম্নলিখিত নেতৃবৃন্দ দায়িত্বপ্রাপ্ত হন—নবনির্বাচিত কমিটিপ্রধান উপদেষ্টা: হাফেজ মাওলানা মুফতি আবু বকর সিদ্দিকসভাপতি: মাওলানা জাকির হোসাইনসহ সভাপতি: মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকসহ সভাপতি: মাওলানা আব্দুল মান্নানসহ সভাপতি: জনাব নাজমুল হুদাই রিপনসেক্রেটারি: মাওলানা তানভীর হোসাইনজয়েন্ট সেক্রেটারি: মাওলানা আখতারুজ্জামানসম্মেলন শেষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গলাচিপা উপজেলা শাখার সদ্য সাবেক কমিটির পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত কমিটির সকল দায়িত্বশীলকে বিপ্লবী শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃত্বে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গলাচিপা উপজেলা শাখার সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও শক্তিশালী হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

পুলিশের অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৫ কর্মকর্তা বদলি

পুলিশের অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৫ কর্মকর্তা বদলি

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার পাঁচ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলির আদেশ জারি করা হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখার হাসান আমিনকে কুমিল্লা থেকে বদলি করে ঢাকায় স্পেশাল ব্রাঞ্চে (এসবি) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নাঈম আবদুল্লাহকে পাবনার বেড়া সার্কেল থেকে বদলি করে ট্যুরিস্ট পুলিশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাককে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সার্কেল থেকে বদলি করে শিল্পাঞ্চল পুলিশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।সহকারী পুলিশ সুপার শ্যামলী রানি বর্মনকে নওগাঁর সাপাহার সার্কেল থেকে বদলি করে শিল্পাঞ্চল পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।এ ছাড়া সহকারী পুলিশ সুপার মো. রাকিবুর রহমানকে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় থেকে হবিগঞ্জের মাধবপুর সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বদলির আদেশ পাওয়া কর্মকর্তাদের আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিজ নিজ বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার হস্তান্তর করে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের উদ্দেশ্যে অবমুক্ত হতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্বভার হস্তান্তর না করলে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে তারা তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত হিসেবে গণ্য হবেন। সূত্র: ইত্তেফাক

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !
ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

দেশব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর অংশ হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) তত্ত্বাবধানে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকালে এ অভিযান শুরু করা হয়।এই কর্মসূচির আওতায় ডিএসসিসির ১০টি অঞ্চলে ভাগ হয়ে মোট সাড়ে ৭ হাজার মশককর্মী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছেন। অভিযানের অংশ হিসেবে ডিএসসিসির আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি পরিদর্শন, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।এর আগে শনিবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তিন মাসব্যাপী এই বিশেষ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি-২০২৬’-এর আহ্বায়ক এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম স্বাগত বক্তব্য দেন।কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ডিএসসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে দুটি প্রদর্শনী স্টল স্থাপন করা হয়। স্বাস্থ্য বিভাগের স্টলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং মশক নিধনে ডিএসসিসির বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়েছে।অন্যদিকে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের স্টলে ‘বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার’ সংক্রান্ত একটি উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী প্রদর্শনী স্টলগুলো পরিদর্শন করেন। সূত্র: আমার দেশ

গলাচিপায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ও নতুন কমিটি ঘোষনা

গলাচিপায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ও নতুন কমিটি ঘোষনা

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গলাচিপা উপজেলা শাখার দ্বি বার্ষিক সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গলাচিপা অফিসার্স ক্লাবে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গলাচিপা উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মোঃ আবু বকর সিদ্দিক।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য পেশ করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা কাজী গোলাম সরোয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পটুয়াখালী জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আর আই এম ওহিদুজ্জামান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান।সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গলাচিপা উপজেলা শাখার নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। এতে নিম্নলিখিত নেতৃবৃন্দ দায়িত্বপ্রাপ্ত হন—নবনির্বাচিত কমিটিপ্রধান উপদেষ্টা: হাফেজ মাওলানা মুফতি আবু বকর সিদ্দিকসভাপতি: মাওলানা জাকির হোসাইনসহ সভাপতি: মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকসহ সভাপতি: মাওলানা আব্দুল মান্নানসহ সভাপতি: জনাব নাজমুল হুদাই রিপনসেক্রেটারি: মাওলানা তানভীর হোসাইনজয়েন্ট সেক্রেটারি: মাওলানা আখতারুজ্জামানসম্মেলন শেষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গলাচিপা উপজেলা শাখার সদ্য সাবেক কমিটির পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত কমিটির সকল দায়িত্বশীলকে বিপ্লবী শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃত্বে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গলাচিপা উপজেলা শাখার সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও শক্তিশালী হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

মনপুরায় ফেরি যোগাযোগ, আধুনিক জেটি, পৌরসভা ও মিনি স্টেডিয়ামের প্রতিশ্রুতি এমপি নয়নের

মনপুরায় ফেরি যোগাযোগ, আধুনিক জেটি, পৌরসভা ও মিনি স্টেডিয়ামের প্রতিশ্রুতি এমপি নয়নের

বদলে যাওয়ার পথে ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরা। মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে নেওয়া হচ্ছে একাধিক বড় উদ্যোগ।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী মনপুরা সফরে এসে এসব উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জানান ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম নয়ন।সকাল ১১টার দিকে চরফ্যাশনের বেতুয়া ঘাট থেকে স্পিডবোটযোগে মনপুরার জনতা বাজারে পৌঁছান তিনি। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষ তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।জনতা বাজারে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে দেওয়া সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, মনপুরার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে।তিনি জানান, বিচ্ছিন্ন এই দ্বীপ উপজেলায় পৌরসভা, মিনি স্টেডিয়াম ও শিশু পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শিশু-কিশোর ও তরুণদের খেলাধুলা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার মানও উন্নত হবে।সফরকালে উপজেলা মডেল মসজিদে গিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য। পরে সেখানে যোহরের নামাজ আদায় করেন তিনি।সফর শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, মনপুরার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যেই বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা ও প্রয়োজনীয়তা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রকৌশলীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি মনপুরায় এসেছেন।মনপুরার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সংকট নিরসনে বড় উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, চরফ্যাশনের বেতুয়া ঘাট থেকে মনপুরার জনতা বাজার পর্যন্ত ফেরি যোগাযোগ চালুর মাধ্যমে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি মনপুরায় একটি আধুনিক মানের জেটি নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শুধু যোগাযোগ নয়, মনপুরাকে একটি সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতেও কাজ শুরু করার কথা জানান তিনি।এ ছাড়া চরকলাতলী ইউনিয়নের চারপাশে বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য প্রকল্প নেওয়া হয়েছে এবং তা দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ চলছে বলেও জানান সংসদ সদস্য।দিনব্যাপী সফরের বিভিন্ন পর্যায়ে সাধারণ মানুষের সমস্যার কথাও শোনেন নুরুল ইসলাম নয়ন। এমনকি সড়কের পাশে অবস্থানকালেও স্থানীয় মানুষের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও নথিতে স্বাক্ষর করে দেন তিনি।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পৌরসভা, মিনি স্টেডিয়াম, শিশু পার্ক, আধুনিক জেটি, ফেরি যোগাযোগ ও বেড়িবাঁধসহ এসব উন্নয়ন পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়িত হলে মনপুরার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে।একই সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি মনপুরার ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও আরও বিকশিত হবে এমনটাই আশা স্থানীয়দের।

সাদ কান্ধলভীকে তওবার আহ্বান হেফাজতের আমিরের

সাদ কান্ধলভীকে তওবার আহ্বান হেফাজতের আমিরের

পবিত্র কোরআনের ভুল ব্যাখ্যা এবং নবী-সাহাবিদের বিষয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ তুলে ভারতের মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে তওবা করার আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। তাঁর অভিযোগ, ইসলাম, নবুয়ত ও শরিয়তের বিভিন্ন মাসআলা নিয়ে সাদ কান্ধলভী বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) আয়োজিত এক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।সাদ কান্ধলভী তাবলিগ জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস কান্ধলভীর প্রপৌত্র। দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজকেন্দ্রিক তাবলিগের একটি অংশ তাঁকে নিজেদের আমির হিসেবে মানে।হেফাজতের আমির বলেন, দারুল উলুম দেওবন্দের মুরব্বিসহ আলেমরা দায়িত্ব নিয়ে সাদ কান্ধলভীকে সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি আলেমদের পরামর্শ গ্রহণ করে নিজের বক্তব্য সংশোধনে সম্মত হননি।২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর এবং ২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবিতে ‘ওলামা মাশায়েখ বাংলাদেশ’-এর ব্যানারে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের অভিযোগ, সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা পরিকল্পিতভাবে ওই হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটিয়েছেন। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। তাঁর লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী।সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমির বলেন, সাদ কান্ধলভী খালিস তওবা করে শুরায়ি নেজাম মেনে দেওবন্দের মুরব্বিদের কাছে রুজু না করা পর্যন্ত তাঁকে বাংলাদেশে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা আলেমদের তত্ত্বাবধানে শুরায়ি নেজামের মাধ্যমে পরিচালিত হতে হবে। একইভাবে কাকরাইল মারকাজের কার্যক্রমও ওলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধানে পরিচালনার দাবি জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, সাদ কান্ধলভীর অনুসারীদের টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যাবে না। মাওলানা সাদকে বাংলাদেশে এনে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জানান তিনি।হেফাজতের আমিরের অভিযোগ, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠে তাবলিগের সাথি এবং মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী আরও বলেন, তাবলিগের শুরায়ি নেজামের সাথি ও মাদ্রাসাছাত্রদের ওপর হামলায় জড়িতদের অনেকে ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসর’। তাঁর অভিযোগ, এসব ব্যক্তি ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে সংঘাত ও বিশৃঙ্খলা তৈরি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এবং বিদেশি গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ষড়যন্ত্র করছেন।সম্মেলনে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন রাজধানীর উত্তরার জামিয়াতুন নূর আল কাসিমিয়ার অধ্যক্ষ নাজমুল হাসান কাসেমী। ঘোষণাপত্রে সরকারের কাছে সাতটি দাবি তুলে ধরা হয়।দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা; হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনা এবং সাদপন্থীদের ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে ঘোষণা করা; টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে সাদপন্থীদের বিশ্ব ইজতেমা কিংবা তাবলিগের কোনো কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখা।এ ছাড়া সাদপন্থীদের কোনো ‘অযৌক্তিক দাবি’ গ্রহণ না করা, টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে তাঁদের প্রবেশ স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা, আলেমদের বিষয়ে বিদেশিদের কাছে নেতিবাচক বার্তা পাঠানোর অভিযোগে ওয়াসিফুল ইসলাম, রেজা আরিফ, ওয়াসিফুল ইসলামের ছেলে ওসামা ও সায়েমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি আলেমদের মাধ্যমে দাওয়াত ও তাবলিগের সব সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের পথ বের করার দাবিও রয়েছে।সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের (বেফাক) মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা আবদুল হামিদ (মধুপুর পীর), হেফাজতে ইসলামের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব জুনায়েদ আল হাবিব, নায়েবে আমির মাওলানা সালাহউদ্দিন নানুপুরী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুযে খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী, মাদানীনগর মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মুফতি বশির উল্লাহ, দারুল উলুম হাটহাজারী মাদ্রাসার মুফতি জসিম উদ্দিন এবং ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজিসহ অনেকে। সূত্র: প্রথম আলো

ধর্ষণ-নারী নির্যাতনসহ সব অপরাধ সমাজ থেকে নির্মূল করবে বিএনপি: রিজভী

ধর্ষণ-নারী নির্যাতনসহ সব অপরাধ সমাজ থেকে নির্মূল করবে বিএনপি: রিজভী

সমাজ থেকে ধর্ষণ, নারী নির্যাতনসহ সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নির্মূল করার কথা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে রিজভী বলেন, নারীর সার্বিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করাকে বর্তমান সরকার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নিয়েছে। এ উদ্দেশ্যে সরকারের নেওয়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিকে তিনি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তৃণমূল পর্যায়ে এই কর্মসূচি সফলভাবে পৌঁছে দিতে মহিলা দলের নেতাকর্মীদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।দলীয় নেতাকর্মীদের দায়িত্বের বিষয়টি তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বর্তমানে বিএনপি ক্ষমতায় থাকায় প্রত্যেক নেতাকর্মীই সরকারের অংশ। তবে শুধু পদ-পদবি থাকলেই সরকারের অংশ হতে হবে—বিষয়টি এমন নয়।বর্তমান রাষ্ট্রকাঠামো বিনির্মাণে নারী নেতৃত্বের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সরকারের সঙ্গে মহিলা দলের নেতাকর্মীদেরও রক্ত-ঘাম জড়িয়ে আছে। তাই তারাও এই সরকারের অংশ।রিজভী আরও বলেন, এখন নুসরাত, রুপা, খাদিজা, তনু ও মিতুর মতো হত্যাকাণ্ড আর ঘটছে না এবং তারা নির্যাতনের শিকারও হচ্ছেন না। সরকারি দলের কোনো নেতাকর্মীও এ ধরনের অপকর্মের সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, এখন এ ধরনের কোনো সংবাদও নেই।সমাবেশ থেকে সরকারের উন্নয়নমূলক বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন রিজভী। তিনি বলেন, সমাজে নারীর অবস্থান আরও শক্তিশালী করা এবং সামাজিক সুরক্ষার বলয় গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার যেসব সময়োপযোগী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, সেসব উদ্যোগের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে সরাসরি তুলে ধরতে মহিলা দলের প্রতিটি পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সক্রিয়ভাবে মাঠে থাকতে হবে। সূত্র: ইত্তেফাক

পুলিশের অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৫ কর্মকর্তা বদলি

পুলিশের অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৫ কর্মকর্তা বদলি

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার পাঁচ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলির আদেশ জারি করা হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখার হাসান আমিনকে কুমিল্লা থেকে বদলি করে ঢাকায় স্পেশাল ব্রাঞ্চে (এসবি) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নাঈম আবদুল্লাহকে পাবনার বেড়া সার্কেল থেকে বদলি করে ট্যুরিস্ট পুলিশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাককে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সার্কেল থেকে বদলি করে শিল্পাঞ্চল পুলিশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।সহকারী পুলিশ সুপার শ্যামলী রানি বর্মনকে নওগাঁর সাপাহার সার্কেল থেকে বদলি করে শিল্পাঞ্চল পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।এ ছাড়া সহকারী পুলিশ সুপার মো. রাকিবুর রহমানকে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় থেকে হবিগঞ্জের মাধবপুর সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বদলির আদেশ পাওয়া কর্মকর্তাদের আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিজ নিজ বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার হস্তান্তর করে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের উদ্দেশ্যে অবমুক্ত হতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্বভার হস্তান্তর না করলে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে তারা তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত হিসেবে গণ্য হবেন। সূত্র: ইত্তেফাক

পুলিশের অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৫ কর্মকর্তা বদলি

পুলিশের অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৫ কর্মকর্তা বদলি

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার পাঁচ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলির আদেশ জারি করা হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখার হাসান আমিনকে কুমিল্লা থেকে বদলি করে ঢাকায় স্পেশাল ব্রাঞ্চে (এসবি) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নাঈম আবদুল্লাহকে পাবনার বেড়া সার্কেল থেকে বদলি করে ট্যুরিস্ট পুলিশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাককে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সার্কেল থেকে বদলি করে শিল্পাঞ্চল পুলিশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।সহকারী পুলিশ সুপার শ্যামলী রানি বর্মনকে নওগাঁর সাপাহার সার্কেল থেকে বদলি করে শিল্পাঞ্চল পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।এ ছাড়া সহকারী পুলিশ সুপার মো. রাকিবুর রহমানকে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় থেকে হবিগঞ্জের মাধবপুর সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বদলির আদেশ পাওয়া কর্মকর্তাদের আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিজ নিজ বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার হস্তান্তর করে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের উদ্দেশ্যে অবমুক্ত হতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্বভার হস্তান্তর না করলে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে তারা তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত হিসেবে গণ্য হবেন। সূত্র: ইত্তেফাক

নওগাঁয় জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

নওগাঁয় জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

নওগাঁ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এ কর্মসূচিতে নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে এ সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।র‍্যালিতে নওগাঁ জেলার জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদের প্রশাসক, সিভিল সার্জনসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা এবং জেলার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।র‍্যালির মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি বাড়ির আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া, মশার প্রজননস্থল নিয়মিত পরিষ্কার করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।সংশ্লিষ্টরা বলেন, ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; এ জন্য প্রয়োজন সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা। নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাই সচেতন হলে এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখলে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।