সাদ কান্ধলভীকে তওবার আহ্বান হেফাজতের আমিরের
পবিত্র কোরআনের ভুল ব্যাখ্যা এবং নবী-সাহাবিদের বিষয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ তুলে ভারতের মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে তওবা করার আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। তাঁর অভিযোগ, ইসলাম, নবুয়ত ও শরিয়তের বিভিন্ন মাসআলা নিয়ে সাদ কান্ধলভী বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) আয়োজিত এক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।সাদ কান্ধলভী তাবলিগ জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস কান্ধলভীর প্রপৌত্র। দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজকেন্দ্রিক তাবলিগের একটি অংশ তাঁকে নিজেদের আমির হিসেবে মানে।হেফাজতের আমির বলেন, দারুল উলুম দেওবন্দের মুরব্বিসহ আলেমরা দায়িত্ব নিয়ে সাদ কান্ধলভীকে সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি আলেমদের পরামর্শ গ্রহণ করে নিজের বক্তব্য সংশোধনে সম্মত হননি।২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর এবং ২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবিতে ‘ওলামা মাশায়েখ বাংলাদেশ’-এর ব্যানারে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের অভিযোগ, সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা পরিকল্পিতভাবে ওই হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটিয়েছেন। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। তাঁর লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী।সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমির বলেন, সাদ কান্ধলভী খালিস তওবা করে শুরায়ি নেজাম মেনে দেওবন্দের মুরব্বিদের কাছে রুজু না করা পর্যন্ত তাঁকে বাংলাদেশে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা আলেমদের তত্ত্বাবধানে শুরায়ি নেজামের মাধ্যমে পরিচালিত হতে হবে। একইভাবে কাকরাইল মারকাজের কার্যক্রমও ওলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধানে পরিচালনার দাবি জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, সাদ কান্ধলভীর অনুসারীদের টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যাবে না। মাওলানা সাদকে বাংলাদেশে এনে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জানান তিনি।হেফাজতের আমিরের অভিযোগ, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠে তাবলিগের সাথি এবং মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী আরও বলেন, তাবলিগের শুরায়ি নেজামের সাথি ও মাদ্রাসাছাত্রদের ওপর হামলায় জড়িতদের অনেকে ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসর’। তাঁর অভিযোগ, এসব ব্যক্তি ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে সংঘাত ও বিশৃঙ্খলা তৈরি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এবং বিদেশি গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ষড়যন্ত্র করছেন।সম্মেলনে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন রাজধানীর উত্তরার জামিয়াতুন নূর আল কাসিমিয়ার অধ্যক্ষ নাজমুল হাসান কাসেমী। ঘোষণাপত্রে সরকারের কাছে সাতটি দাবি তুলে ধরা হয়।দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা; হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনা এবং সাদপন্থীদের ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে ঘোষণা করা; টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে সাদপন্থীদের বিশ্ব ইজতেমা কিংবা তাবলিগের কোনো কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখা।এ ছাড়া সাদপন্থীদের কোনো ‘অযৌক্তিক দাবি’ গ্রহণ না করা, টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে তাঁদের প্রবেশ স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা, আলেমদের বিষয়ে বিদেশিদের কাছে নেতিবাচক বার্তা পাঠানোর অভিযোগে ওয়াসিফুল ইসলাম, রেজা আরিফ, ওয়াসিফুল ইসলামের ছেলে ওসামা ও সায়েমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি আলেমদের মাধ্যমে দাওয়াত ও তাবলিগের সব সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের পথ বের করার দাবিও রয়েছে।সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের (বেফাক) মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা আবদুল হামিদ (মধুপুর পীর), হেফাজতে ইসলামের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব জুনায়েদ আল হাবিব, নায়েবে আমির মাওলানা সালাহউদ্দিন নানুপুরী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুযে খতমে নবুওয়াত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী, মাদানীনগর মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মুফতি বশির উল্লাহ, দারুল উলুম হাটহাজারী মাদ্রাসার মুফতি জসিম উদ্দিন এবং ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজিসহ অনেকে। সূত্র: প্রথম আলো
প্রেমিকার পেছনে সাড়ে ৪ কোটি টাকা খরচ, সম্পর্ক ভাঙার পর ফেরত চেয়ে মামলা
প্রেমিকার জন্য প্রায় ৪ কোটি ৫৫ লাখ ৪১ হাজার ৯২৭ টাকা ব্যয় করেছিলেন সিঙ্গাপুরের এক ব্যক্তি। দামি উপহার দেওয়া, বিদেশ ভ্রমণের খরচ বহন, ফেংশুই বিশেষজ্ঞের পারিশ্রমিক পরিশোধ থেকে শুরু করে জীবনবিমার প্রিমিয়াম—সবকিছুই নিজের অর্থে করেছিলেন তিনি। তবে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর সেই অর্থ ফেরত দাবি করে সাবেক প্রেমিকার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন ওই ব্যক্তি। শেষ পর্যন্ত তার সেই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন সিঙ্গাপুরের আদালত।সিঙ্গাপুর হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, চন্দর আগরওয়াল তার সাবেক প্রেমিকা ফেলিশিয়া লির পেছনে ৪ লাখ ৬৮ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার ব্যয় করেছিলেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৪ কোটি ৫৫ লাখ ৪১ হাজার ৯২৭ টাকা। আদালতের মতে, আগরওয়াল নিজের ইচ্ছাতেই এসব অর্থ খরচ করেছিলেন। এগুলো ঋণ হিসেবে দেওয়া হয়েছিল—এমন দাবির পক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণও তিনি উপস্থাপন করতে পারেননি।লজিস্টিকস কোম্পানির প্রধান নির্বাহী আগরওয়ালের সঙ্গে সাবেক ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট লির পরিচয় হয় ২০১৯ সালে একটি ফ্লাইটে। পরবর্তী সময়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তাদের সম্পর্ক স্থায়ী ছিল।আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, প্রেমের সম্পর্ক শুরু হওয়ার আগেই লিকে বিভিন্ন দামি উপহার দিতেন আগরওয়াল। সম্পর্কের সময় সেই প্রবণতা আরও বেড়ে যায়। বিচারক লি সিউ কিনের ভাষ্য অনুযায়ী, আগরওয়াল লিকে দামি উপহারে প্রায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন। এমনকি এসব উপহারের অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও তিনি লিকে আশ্বস্ত করেছিলেন।তবে সময়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়। আগরওয়ালের সন্দেহ হয়, লি অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। একপর্যায়ে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে তাদের সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।এর কয়েক মাস পর, ২০২৪ সালের মার্চে আদালতের দ্বারস্থ হন আগরওয়াল। তার অভিযোগ ছিল, সম্পর্ক চলাকালে লি বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে সুদবিহীন ঋণ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ২ লাখ ৬ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার খরচ, বিদেশ ভ্রমণে ১ লাখ ২৯ হাজার ডলার, লির অ্যাপার্টমেন্টের জন্য ফেংশুই বিশেষজ্ঞ নিয়োগে ১৭ হাজার ডলার এবং জীবনবিমার প্রিমিয়াম বাবদ ২০ হাজার ডলার দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি।তবে লি এসব অর্থকে ঋণ হিসেবে স্বীকার করেননি। তার দাবি, ভালোবাসা ও স্নেহের কারণে আগরওয়াল তাকে এসব অর্থ ও উপহার দিয়েছিলেন।আদালতও লির বক্তব্যের পক্ষেই রায় দেন। বিচারক বলেন, আগরওয়ালের দাবির পক্ষে প্রয়োজনীয় নথি উপস্থাপন করা হয়নি। লি এসব অর্থ ঋণ হিসেবে নিয়েছিলেন কিংবা পরবর্তী সময়ে তা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন—এমন কোনো প্রমাণও আগরওয়াল দেখাতে পারেননি।রায়ে বিচারক আরও উল্লেখ করেন, উপস্থাপিত প্রমাণ থেকে বোঝা যায়, আগরওয়াল লির প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট ছিলেন এবং সম্পর্ক চলাকালে তাকে মূল্যবান উপহার দিতেন। কিন্তু সম্পর্ক তিক্তভাবে শেষ হওয়ার পর তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এরপর লির কাছ থেকে আগে ব্যয় করা অর্থের ‘মূল্য’ আদায়ের বিষয়ে তিনি দৃঢ় অবস্থান নেন।বিচারকের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, আগরওয়াল যথেষ্ট সম্পদের মালিক এবং তার জীবনযাপন ও পছন্দও ব্যয়বহুল। বিপরীতে লির আর্থিক সামর্থ্য আগরওয়ালের মতো ছিল না।আদালতের পর্যবেক্ষণে আরও উঠে আসে, আগরওয়াল যখন লিকে দামি কোনো উপহার দেওয়ার কথা বলতেন, তখন লি অনেক সময় খুদে বার্তার মাধ্যমে বিস্ময় প্রকাশ করতেন। কিছু ক্ষেত্রে উপহার গ্রহণের বিষয়ে তার স্বতঃস্ফূর্ত অনীহাও দেখা গেছে।রায়ের শেষাংশে বিচারক ইংরেজ নাট্যকার উইলিয়াম কংগ্রেভের ‘দ্য মর্নিং ব্রাইড’ নাটকের একটি পঙ্ক্তি উদ্ধৃত করেন। প্রেম ঘৃণায় রূপ নিলে সেই অনুভূতির তীব্রতা কতটা হতে পারে—সেই প্রসঙ্গেই উদ্ধৃতিটি আনা হয়। এরপর বিচারক বলেন, এ ধরনের আবেগ কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর খরচ করা অর্থ ফেরত চেয়ে মামলা করার ঘটনা সিঙ্গাপুরে এটাই প্রথম নয়। ২০২৩ সালের শুরুর দিকে কেকে কাওশিগান নামের এক সিঙ্গাপুরের নাগরিক নোরা তান নামের এক নারীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেন। সেখানে তিনি ৩০ লাখ সিঙ্গাপুর ডলারের বেশি অর্থ দাবি করেছিলেন।কাওশিগানের অভিযোগ ছিল, তান তার প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তিনি মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং তার সুনামও ক্ষুণ্ন হয়েছে। তবে সিঙ্গাপুরের আদালত তার করা দুটি মামলাই খারিজ করে দেন।পরবর্তী সময়ে তানও কাওশিগানের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন। হয়রানি থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে যে অর্থ তাকে ব্যয় করতে হয়েছিল, সেই অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি জানান তিনি। সূত্র: আমার দেশ
ধর্ষণ-নারী নির্যাতনসহ সব অপরাধ সমাজ থেকে নির্মূল করবে বিএনপি: রিজভী
সমাজ থেকে ধর্ষণ, নারী নির্যাতনসহ সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নির্মূল করার কথা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে রিজভী বলেন, নারীর সার্বিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করাকে বর্তমান সরকার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নিয়েছে। এ উদ্দেশ্যে সরকারের নেওয়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিকে তিনি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তৃণমূল পর্যায়ে এই কর্মসূচি সফলভাবে পৌঁছে দিতে মহিলা দলের নেতাকর্মীদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।দলীয় নেতাকর্মীদের দায়িত্বের বিষয়টি তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বর্তমানে বিএনপি ক্ষমতায় থাকায় প্রত্যেক নেতাকর্মীই সরকারের অংশ। তবে শুধু পদ-পদবি থাকলেই সরকারের অংশ হতে হবে—বিষয়টি এমন নয়।বর্তমান রাষ্ট্রকাঠামো বিনির্মাণে নারী নেতৃত্বের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সরকারের সঙ্গে মহিলা দলের নেতাকর্মীদেরও রক্ত-ঘাম জড়িয়ে আছে। তাই তারাও এই সরকারের অংশ।রিজভী আরও বলেন, এখন নুসরাত, রুপা, খাদিজা, তনু ও মিতুর মতো হত্যাকাণ্ড আর ঘটছে না এবং তারা নির্যাতনের শিকারও হচ্ছেন না। সরকারি দলের কোনো নেতাকর্মীও এ ধরনের অপকর্মের সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, এখন এ ধরনের কোনো সংবাদও নেই।সমাবেশ থেকে সরকারের উন্নয়নমূলক বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন রিজভী। তিনি বলেন, সমাজে নারীর অবস্থান আরও শক্তিশালী করা এবং সামাজিক সুরক্ষার বলয় গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার যেসব সময়োপযোগী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, সেসব উদ্যোগের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে সরাসরি তুলে ধরতে মহিলা দলের প্রতিটি পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সক্রিয়ভাবে মাঠে থাকতে হবে। সূত্র: ইত্তেফাক
হাতুড়ে ডাক্তারের অপারেশন টেবিলে রোগীর মৃত্যু, শ্যামনগরে শোকের ছায়া।
দিনের বেলায় যুবলীগ সভাপতির সাথে বাকবিতন্ডা, রাতের আঁধারে ছাত্রদল নেতার মাছের গদিতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ!
মনপুরায় গৃহবধূকে অস্ত্রের মুখে ধর্ষণের অভিযোগ মামলা, অভিযুক্ত তানজিল গ্রেফতার।
মন্ত্রী সভায় আলোচনায় ভোলা ৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপির নাম