স্টাফ রিপোর্টার: অংকন মজুমদার
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘ই’-তে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই শক্তির জানান দিল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে অভিষিক্ত কুরাসাওকে ৭-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছে জুলিয়ান নাগেলসমানের শিষ্যরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে জার্মানি। ম্যাচের ৬ মিনিটেই ফেলিক্স এনমেচার গোলে এগিয়ে যায় ইউরোপিয়ান পরাশক্তিরা। এরপর একের পর এক আক্রমণে কুরাসাওর রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে জার্মান ফরোয়ার্ডরা।
তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম গোল করে স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দেয় কুরাসাও। লিভানো কোমেনেন্সিয়া দুর্দান্ত এক গোলে সমতা ফেরান। কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।
জার্মানি দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়। নিকো শ্লটারবেক, কাই হাভার্টজ, জামাল মুসিয়ালা, নাথানিয়েল ব্রাউন ও ডেনিজ উনদাভের ধারাবাহিক আক্রমণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে কুরাসাও। ম্যাচে জোড়া গোল করেন কাই হাভার্টজ, যা জার্মানদের বড় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রথমার্ধ শেষ হয় ৩-১ ব্যবধানে। বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে জার্মানি। দ্বিতীয়ার্ধে চার গোল করে প্রতিপক্ষকে পুরোপুরি ম্যাচের বাইরে ছিটকে দেয় তারা। বল দখল, পাসিং, আক্রমণ সৃষ্টি এবং ফিনিশিং—সব বিভাগেই কুরাসাওর চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিল জার্মানি।
এই জয়ের ফলে গ্রুপ ‘ই’-তে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছে জার্মানি এবং নকআউট পর্বে যাওয়ার পথে বড় এক ধাপ এগিয়ে গেছে। অন্যদিকে, বড় ব্যবধানে হারলেও বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম গোল করার আনন্দ নিয়েই মাঠ ছাড়ে কুরাসাও।
বিশ্বকাপের শুরুতেই এমন দাপুটে পারফরম্যান্সে জার্মানি আবারও প্রমাণ করেছে কেন তারা টুর্নামেন্টের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী দল। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম ম্যাচে সাত গোলের এই জয় প্রতিপক্ষদের জন্যও একটি স্পষ্ট বার্তা—শিরোপার দৌড়ে জার্মানি এবার অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার।
মন্তব্য করুন