ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

বিনোদন

সালমান শাহর মৃত্যু: খলনায়ক ডনের গ্রেপ্তারে তদন্তে নতুন মোড়

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর তিন দশক পর মামলাটিতে নতুন করে তদন্তের গতি এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড—এ নিয়ে বিতর্ক ও আইনি প্রক্রিয়া চললেও সম্প্রতি মামলার আসামি ও চলচ্চিত্র অভিনেতা ডনকে গ্রেপ্তারের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনে নিজ বাসায় সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর মৃত্যুর পর একাধিক তদন্তে আত্মহত্যার বিষয়টি উঠে এলেও তা মেনে নেয়নি তাঁর পরিবার। পরবর্তীতে পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে হত্যার অভিযোগ তুলে নতুন করে তদন্তের দাবি জানানো হয়।পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনেও সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হলে তাতে নারাজি দেয় তাঁর পরিবার। এর পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটিতে সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়। তাঁদের মধ্যে সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই এবং চলচ্চিত্র অভিনেতা ডনের নামও রয়েছে। আদালত থেকে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়।এরই ধারাবাহিকতায় গত ৯ আগস্ট সালমান শাহ হত্যা মামলায় অভিনেতা ডনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। ডনের গ্রেপ্তারকে মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সালমান শাহর পরিবার ও তাঁদের আইনজীবীরা।ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, মামলার প্রকৃত ঘটনা ও সত্য উদঘাটনে তদন্তকারী কর্মকর্তা আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তদন্ত করবেন।এদিকে সালমান শাহর সঙ্গে বন্ধুত্বের সূত্রে ডনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী সামীরা হকের ঘনিষ্ঠতা ছিল—এমন দাবি তুলে একটি ছবির ফরেনসিক পরীক্ষা করার উদ্যোগ নিয়েছে সালমান শাহর পরিবারের আইনজীবী। ছবিটি যাচাই করে এর সত্যতা ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায় কি না, তা খতিয়ে দেখতে চান তাঁরা।সালমান শাহর পরিবারের আইনজীবী ফারুক আহমেদ বলেন, ছবিটি বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই করা গেলে ডন ও সামীরার সম্পর্কের বিষয়ে কোনো সূত্র পাওয়া যেতে পারে। তবে এ ধরনের দাবি তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হওয়ার বিষয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।আইনজীবী আরও দাবি করেন, সালমান শাহর মৃত্যুর পর দেশের চলচ্চিত্রশিল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এ ঘটনার পেছনে কোনো তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা ছিল কি না, সেটিও তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।অন্যদিকে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী শুরু থেকেই তাঁর ছেলের মৃত্যু আত্মহত্যা নয়, হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে আসছেন। ডনের গ্রেপ্তারকে তিনি তদন্তে সরকারের একটি অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন। একইসঙ্গে মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।নীলা চৌধুরীর দাবি, শুরুতে তাঁদের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করার সুযোগ ছিল না এবং ঘটনাটিকে আত্মহত্যা ও পরে অপমৃত্যু হিসেবে দেখানো হয়েছিল। তিনি মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে সামীরা হক ও আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তাঁদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।তিন দশক পর সালমান শাহর মৃত্যু নিয়ে মামলাটি নতুন করে আলোচনায় আসায় এখন তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে তাঁর পরিবার ও ভক্তরা। মামলার বাকি আসামিদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কী পদক্ষেপ নেয় এবং তদন্তে নতুন কোনো তথ্য সামনে আসে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

বিনোদন ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

একাত্তরে মুসলিম লীগের রাজনীতির কারণে শান্তি কমিটিতে ছিলেন বাবা: আসিফ আকবর

১৯৭১ সালে শান্তি কমিটির সঙ্গে সম্পৃক্ততা নিয়ে সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের বাবা অ্যাডভোকেট আলী আকবরকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে। এবার বাবার রাজনৈতিক পরিচয় এবং মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ভূমিকা নিয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন আসিফ আকবর।আসিফের ভাষ্য অনুযায়ী, তার বাবা কুমিল্লা জেলা মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত দলটির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এমনকি ১৯৮০ সালেও তিনি মুসলিম লীগের হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন বলে জানান আসিফ।মুসলিম লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণেই ১৯৭১ সালে আলী আকবর শান্তি কমিটির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন বলে জানিয়েছেন আসিফ। তবে তার দাবি, শান্তি কমিটিতে থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তার বাবা সে সময় বহু মানুষের জীবন, সম্পদ ও বাড়িঘর রক্ষা করেছিলেন।আসিফ বলেন, তার বাবা কুমিল্লা জেলা মুসলিম লীগের একজন প্রভাবশালী নেতা ও সেক্রেটারি ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি মুসলিম লীগের আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন। মুসলিম লীগের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণেই শান্তি কমিটির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা তৈরি হয়েছিল। তবে ওই কমিটিতে থাকার সুযোগে তিনি অনেক মানুষের জানমাল, বাড়িঘর ও এলাকা রক্ষায় ভূমিকা রেখেছিলেন বলে দাবি করেন আসিফ।বাবার ভূমিকার পক্ষে নিজের বক্তব্য তুলে ধরতে গিয়ে একটি নির্দিষ্ট ঘটনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। আসিফের দাবি, তার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ফাঁসির হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন। এসব ঘটনা তার লেখা ‘আকবর ফিফটি নট আউট’ বইয়ে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে বলেও জানান তিনি।পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলী আকবরের সম্পর্কের বিষয়ে জানতে চাইলে আসিফ বলেন, বিষয়টি সরাসরি ওইভাবে ব্যাখ্যা করা ঠিক হবে না। তার দাবি, মুসলিম লীগের একজন নেতা হিসেবে তার বাবার ওপর যে দায়িত্ব ছিল, তিনি মূলত সেটিই পালন করেছিলেন।আসিফের ভাষ্য, তার বাবা যেহেতু অনেক মানুষের জীবন ও জানমাল রক্ষা করেছেন, তাই তাকে সরাসরি স্বাধীনতার বিপক্ষের ব্যক্তি বলা যায় না। মুসলিম লীগের সদস্য হিসেবে তার ওপর যে দায়িত্ব ছিল, তিনি সেটিই পালন করেছিলেন বলে দাবি করেন আসিফ।শুধু মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ভূমিকা নয়, ছয় দফা আন্দোলন নিয়েও বাবার অবস্থানের কথা জানিয়েছেন আসিফ। তার দাবি, ১৯৬৬ সালে ছয় দফা ঘোষণার পর মুসলিম লীগের প্রতিনিধি হিসেবে আলী আকবর একটি চিঠি লিখে ছয় দফা মেনে নেওয়া এবং পূর্ব পাকিস্তানকে স্বায়ত্তশাসন দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।তবে সেই চিঠিটি বর্তমানে পরিবারের কাছে নেই বলে জানান আসিফ। তার মতে, ১৯৭১ সালের সময়কার অনেক নথি ও কাগজপত্র সে সময় সংরক্ষণ করা হয়নি। তবে তার বড় ভাইয়েরা ওই ঘটনার বিষয়ে অবগত বলে জানান তিনি।স্বাধীনতার পর আলী আকবরের কাস্টডিতে যাওয়ার বিষয়টিও ব্যাখ্যা করেছেন আসিফ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা স্বাধীন হওয়ার পর আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট আহমদ আলী তার বাবাকে ফোন করে নিরাপত্তার স্বার্থে কাস্টডিতে যাওয়ার পরামর্শ দেন।আসিফ জানান, সে সময় নতুন করে অনেক যুবক মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেওয়ায় তার বাবার নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ওই পরামর্শ পাওয়ার পর ১৭ ডিসেম্বর আলী আকবর নিজেই কাস্টডিতে চলে যান।এরপর তার বাবার বিরুদ্ধে কয়েকটি যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল বলে জানান আসিফ। এর মধ্যে ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে হত্যার অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ছিল বলে দাবি করেন তিনি।আসিফের দাবি, ১৯৭৪ সালে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে তার বাবা এসব অভিযোগ থেকে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করেন এবং কারাগার থেকে মুক্তি পান। সাধারণ ক্ষমার আওতায় নয়, আদালতে আইনি লড়াই করেই তার বাবা মুক্তি পেয়েছিলেন বলে দাবি করেন আসিফ। একই সঙ্গে দালাল আইনের অধীনেও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং কোনো সাজাও দেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি। সূত্র: ইত্তেফাক

বিনোদন ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শাড়িতে স্নিগ্ধ লুকে ভক্তদের নজর কাড়লেন পরীমনি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি বর্তমানে অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের পোশাক ব্র্যান্ড ও পারিবারিক ব্যস্ততায় সময় দিচ্ছেন। দুই সন্তানকে সময় দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিয়মিত সক্রিয় রয়েছেন তিনি।কোরবানির ঈদের ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘আনন্দ মেলা’-য় সর্বশেষ পর্দায় দেখা গিয়েছিল পরীমনিকে। অভিনয়ে ব্যস্ততা কম থাকলেও ভক্তদের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজে কয়েকটি নতুন ছবি প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। ছবিগুলোতে তাকে গোলাপি পাড়ের সাদা শাড়ি, খোলা চুল ও সাধারণ গহনায় দেখা যায়। সাদামাটা সাজে তার স্নিগ্ধ ও মোহনীয় উপস্থিতি নজর কেড়েছে।সেলফি স্টাইলে তোলা ছবিগুলোর কোনো কোনোটিতে পরীমনির মুখে ছিল লাজুক হাসি। আবার কিছু ছবিতে প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে তার উপস্থিতি ফুটে উঠেছে।ছবি প্রকাশের মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই সেগুলোতে লাখো মানুষের প্রতিক্রিয়া এবং হাজার হাজার মন্তব্য জমা পড়ে।পরীমনির এই সাধারণ ও স্নিগ্ধ রূপের প্রশংসা করেছেন নেটিজেন ও ভক্তরা। কেউ তাকে ‘ডানাকাটা পরী’র সঙ্গে তুলনা করেছেন, আবার কেউ প্রশংসা করেছেন তার নিষ্পাপ হাসির।অভিনয় থেকে সাময়িক দূরে থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরীমনির প্রতিটি পোস্টই ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলছে। সূত্র: দিনাজপুর টিভি

বিনোদন ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিয়ের খবর জানালেন মিষ্টি জান্নাত, এখনো গোপন স্বামীর পরিচয়

ঢালিউডের অভিনেত্রী মিষ্টি জান্নাত বিয়ে করেছেন। সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে নববধূর সাজে তিনটি ছবি প্রকাশের মাধ্যমে বিয়ের খবর জানান তিনি। বিষয়টি গণমাধ্যমের কাছেও নিশ্চিত করেছেন অভিনেত্রী।লাল লেহেঙ্গা ও ভারী গয়নায় নববধূর সাজে ছবি পোস্ট করে মিষ্টি জান্নাত লিখেছেন, ‘বিয়ে করলাম। আমার নতুন জীবনের জন্য দোয়া করবেন সবাই। যদি আমি কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকি, তার জন্য দুঃখিত।’পাশাপাশি পোস্টের মন্তব্যের ঘরে নেতিবাচক কোনো মন্তব্য না করার জন্য অনুসারীদের সতর্ক করেছেন তিনি। তবে বিয়ের ঘোষণা দেওয়ার পর অনুসারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।গণমাধ্যমকে মিষ্টি জান্নাত জানিয়েছেন, তার বিয়ে আগেই সম্পন্ন হয়েছে। এতদিন বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন তিনি। তবে এখনো স্বামীর নাম কিংবা পরিচয় প্রকাশ করেননি অভিনেত্রী। শুধু জানিয়েছেন, তার স্বামী একজন ব্যবসায়ী। উপযুক্ত সময়ে স্বামীর নাম ও পরিচয় প্রকাশ করবেন বলেও জানান তিনি।প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে শাহাদাৎ হোসেন লিটন পরিচালিত ‘লাভ স্টেশন’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় মিষ্টি জান্নাতের। এরপর ‘চিনি বিবি’, ‘আমি নেতা হবো’, ‘তুই আমার’, ‘তুই আমার রানি’সহ বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। সূত্র: চ্যানেল টোয়েন্টিফোর

বিনোদন ৩১ আগস্ট ২০২৬

সব পাপ মুছে আল্লাহর নাম নিয়ে জীবন শেষ করতে চান পপি

দীর্ঘদিন ধরেই অভিনয় থেকে দূরে রয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিকা পারভীন পপি। অভিনয়ে তার ফেরার সম্ভাবনাও এখন অনেকটাই অনিশ্চিত। বরং জীবনের বাকি সময়টা শান্তি ও ধর্মীয় অনুশীলনের মধ্য দিয়ে কাটানোর ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন তিনি।সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের বর্তমান জীবনভাবনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন এই অভিনেত্রী।জীবনের নতুন অধ্যায় সম্পর্কে পপি বলেন, তিনি সুন্দরভাবে বাঁচতে চান এবং আল্লাহ-খোদার নাম নিতে চান। জীবনে যত পাপ করেছেন, সেসব থেকে নিজেকে মুক্ত করে সুন্দরভাবে মৃত্যুবরণ করতে চান বলেও জানান তিনি।পপির বক্তব্যে অভিনয়জীবনের অনিশ্চয়তার পাশাপাশি চলচ্চিত্রের আলোঝলমলে জগৎ থেকে নিজেকে পুরোপুরি সরিয়ে নেওয়ার ইচ্ছার বিষয়টিও প্রকাশ পেয়েছে।অভিনয় থেকে দূরে থাকার বিষয়ে অবশ্য সময়ের সঙ্গে পপির অবস্থানে কিছুটা পরিবর্তন দেখা গেছে। ২০২৫ সালে তিনি বলেছিলেন, দীর্ঘ বিরতির পর চলচ্চিত্রে ফিরলেও যেকোনো কাজ দিয়ে নয়, ভালো কোনো কাজের মাধ্যমেই ফিরতে চান। তবে ২০২৬ সালের সাম্প্রতিক সময়ে চলচ্চিত্রে তার প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত বলে বিভিন্ন মহলে মনে করা হচ্ছে।১৯৯৭ সালে ‘কুলি’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেন পপি। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে বাণিজ্যিক সিনেমার পাশাপাশি প্রশংসিত বেশ কিছু চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন এই অভিনেত্রী।করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ সময় শুটিং থেকে বিরতিতে ছিলেন চিত্রনায়িকা পপি। এ সময় তিনি নিজেও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। পরে সুস্থ হয়ে উঠলেও ২০২১ সালের শুরু থেকে মিডিয়াসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন জনপ্রিয় এই নায়িকা।পপির হঠাৎ অন্তরালে চলে যাওয়াকে ঘিরে তখন বিভিন্ন ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। মিডিয়াপাড়ায় আলোচনা শুরু হয়, বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন পপি।পরবর্তী সময়ে জানা যায়, তিনি এক পুত্রসন্তানের মা হয়েছেন। তার ছেলের নাম আয়াত। বর্তমানে তার বয়স প্রায় চার বছর। সূত্র: যুগান্তর

বিনোদন ৩১ আগস্ট ২০২৬

সড়ক দুর্ঘটনার কবলে অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা

নাটকের শুটিং শেষ করে শ্রীমঙ্গল থেকে ঢাকায় ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা। তবে দুর্ঘটনায় বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।রোববার (৩০ আগস্ট) রাত পৌনে ১টার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে দুর্ঘটনার বিষয়টি জানান তিশা।অভিনেত্রী জানান, শ্রীমঙ্গলে নাটকের শুটিং শেষ করে সহকর্মীদের সঙ্গে গাড়িতে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন তারা। পথে ভৈরব ব্রিজ পার হওয়ার পর টোল প্লাজার কাছাকাছি এলাকায় একটি পিকআপ তাদের গাড়িতে ধাক্কা দেয়।দুর্ঘটনার পর পিকআপটি দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরে তিশাসহ তার সহকর্মীরা মোটরসাইকেলে করে পিকআপটির পিছু নেন। একপর্যায়ে পিকআপটি আটক করা সম্ভব হয় বলে জানান তিনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশও উপস্থিত হয়।ফেসবুক লাইভে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তাসনুভা তিশা বলেন, দুর্ঘটনাটি বেশ গুরুতর ছিল। তবে অল্পের জন্য তারা বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন। দুর্ঘটনার পর পরিস্থিতি সামাল দিয়ে নিরাপদে ঢাকার পথে রওনা হন তারা।

বিনোদন ৩০ আগস্ট ২০২৬

গোলবন্যায় তালুকদার হাওলা ক্রীড়া ক্লাবের দুর্দান্ত জয়!

আজকের জমজমাট ফুটবল ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে আউলিয়াপুর একাদশকে ৪-০ গোলে পরাজিত করেছে তালুকদার হাওলা ক্রীড়া ক্লাব।ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় তালুকদার হাওলা ক্রীড়া ক্লাবের খেলোয়াড়রা। একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে চাপে রাখে তারা। শেষ পর্যন্ত দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে প্রতিপক্ষের জালে ৪টি গোল দিতে সক্ষম হয় দলটি।অন্যদিকে, পুরো ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেও গোলের দেখা পায়নি আউলিয়াপুর একাদশ। তালুকদার হাওলা ক্রীড়া ক্লাবের শক্তিশালী আক্রমণ ও দৃঢ় রক্ষণভাগের সামনে তারা কার্যত অসহায় হয়ে পড়ে।৪-০ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তালুকদার হাওলা ক্রীড়া ক্লাব। ম্যাচজুড়ে দলটির খেলোয়াড়দের দারুণ সমন্বয়, গতি ও আক্রমণাত্মক ফুটবল দর্শকদের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে। চূড়ান্ত ফলাফল:তালুকদার হাওলা ক্রীড়া ক্লাব — ৪আউলিয়াপুর একাদশ — ০

বিনোদন ২৬ আগস্ট ২০২৬

চুক্তিভিত্তিক বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন প্রভা

অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভার বিয়ে নিয়ে হঠাৎ করেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা খবর ছড়িয়ে পড়ে। গোপনে তিনি ‘চুক্তিভিত্তিক বিয়ে’ করেছেন—এমন দাবিও করা হয়। এসব ঘটনায় ক্ষুব্ধ হওয়ার পাশাপাশি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রভা। তার ভাষ্য, ছড়িয়ে পড়া তথ্যগুলো সম্পূর্ণ গুজব ও ভিত্তিহীন।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তৃতীয় বিয়ের খবরকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন এই অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, ‘আমি বিয়ে করিনি এবং আমি কখনো চুক্তিভিত্তিক বিয়ে বা এ ধরনের কোনো সম্পর্কে আবদ্ধ হননি। যে অভিযোগগুলো ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রভা বলেন, একজন সাংবাদিকের লেখার প্রভাব অনেক বেশি। একই কলমের মাধ্যমে কাউকে ‘ভয়ংকর মানুষ’ আবার কাউকে ‘চমৎকার মানুষ’ হিসেবে উপস্থাপন করা সম্ভব। তাই এই ক্ষমতার সঙ্গে দায়িত্বশীলতাও থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সংবেদনশীল কোনো অভিযোগ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই এবং নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রভা। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলারও অনুরোধ করেছেন তিনি।ভক্তদের উদ্দেশে অভিনেত্রী বলেন, ভিত্তিহীন গুজব বা অপপ্রচারে কান দিয়ে তারা যেন বিভ্রান্ত না হন। তার ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত জীবন কিংবা অন্য কোনো বিষয়ে সঠিক ও সত্য তথ্য তিনি নিজের ফেসবুকের মাধ্যমেই জানাবেন বলে উল্লেখ করেন।সাদিয়া জাহান প্রভা তার ভক্তদের ভালোবাসা ও সমর্থনকে নিজের শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে সবাইকে ভালো ও সুস্থ থাকার আহ্বান জানান।২০০৫ সালে মডেলিংয়ের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন সাদিয়া জাহান প্রভা। পরবর্তী সময়ে টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পান তিনি। বর্তমানে নাটকের পাশাপাশি সিনেমাতেও কাজ করছেন এই অভিনেত্রী।সর্বশেষ একটি সিনেমার শুটিং করেছেন প্রভা। সিনেমাটির কিছু কাজ এখনো বাকি রয়েছে। শিগগিরই আবারও শুটিংয়ে দেখা যেতে পারে তাকে। সূত্র: যুগান্তর

বিনোদন ২৬ আগস্ট ২০২৬

ইতালিতে হোটেলের কক্ষ নোংরা রাখার অভিযোগ জেমসদের বিরুদ্ধে, আয়োজকদের ২০০ ইউরো জরিমানা

ইতালির রোমে কনসার্টে অংশ নিতে গিয়ে হোটেলের কক্ষ নোংরা ও অগোছালো অবস্থায় রেখে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা নগর বাউল জেমস ও তার সফরসঙ্গীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতার খরচ হিসেবে আয়োজকদের কাছে ২০০ ইউরো দাবি করেছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও বার্তার স্ক্রিনশটকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।জানা গেছে, গত ১৬ আগস্ট রোমে একটি কনসার্টে অংশ নেন জেমস। ওই সময় তিনি ও তার সফরসঙ্গীরা বেস্ট ওয়েস্টার্ন হোটেলের চারটি অ্যাপার্টমেন্টে অবস্থান করেন। সেখানে ছিলেন মাহফুজ আনাম জেমস, রুবাইয়াত ঠাকুর, মোহাম্মদ নাফিজ ইবনা মান্নান, তালুকদার সাব্বির, আবদুল কাইয়ুম ও আহসান এলাহী।আয়োজকদের সঙ্গে হোটেল কর্তৃপক্ষের চুক্তি অনুযায়ী, ১৯ আগস্ট চারটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে অতিথিদের চেক-আউট করার কথা ছিল। পরে হোটেলের কর্মীরা কক্ষগুলো পরিষ্কার ও পরিদর্শনের সময় কয়েকটি অ্যাপার্টমেন্টের অবস্থা অপরিচ্ছন্ন দেখতে পান। এর মধ্যে ৫৪৯ নম্বর অ্যাপার্টমেন্টের অবস্থা সবচেয়ে বেশি নোংরা ছিল বলে হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।হোটেল কর্তৃপক্ষের পাঠানো ছবিতে মেঝেতে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের পানির বোতলসহ বিভিন্ন আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখা যায়। ডাইনিং টেবিলে ব্যবহৃত প্লেট, পলিথিনের ব্যাগ ও খাবারের উচ্ছিষ্ট ছিল। রান্নাঘরের সিঙ্কেও নোংরা থালা-বাসন পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেগুলোর ওপর একটি কাঁচা ডিমও ছিল। এ ছাড়া কক্ষের বিভিন্ন স্থানে নানা ধরনের জিনিসপত্র ও আবর্জনা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকার কথা জানানো হয়েছে।চেক-আউটের পর হোটেল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আয়োজক প্রতিনিধি মোয়াজকে জানায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশট অনুযায়ী, কক্ষগুলোর অবস্থা নিয়ে হোটেল ম্যানেজমেন্ট অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায়, সংশ্লিষ্ট অতিথিরা সকালে হোটেল ছেড়ে গেছেন। তবে কক্ষের অবস্থা নিয়ে তারা মন্তব্য করতে চাননি। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ বলেছে, ভবিষ্যতে ওই হোটেলের সুবিধা ব্যবহার করতে হলে চূড়ান্ত পরিচ্ছন্নতার জন্য অন্তত ২০০ ইউরো পরিশোধ করতে হবে।হোটেল কর্তৃপক্ষের শর্ত অনুযায়ী, অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতার এই অর্থ পরিশোধ না করা হলে ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট আয়োজক বা অতিথিদের কক্ষ বরাদ্দের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।এ ছাড়া অতিথিরা চেক-আউটের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে রিসেপশনে আসেননি বলেও জানিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। কোনো ধরনের যোগাযোগ ছাড়াই তারা হোটেল ত্যাগ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সূত্র: মানবজমিন।

বিনোদন ২০ আগস্ট ২০২৬

মডেল রিধি আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা: প্রেমিকের জামিন নামঞ্জুর

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় মডেল ও অভিনেত্রী রিধিকা রিধির মৃত্যুর ঘটনায় করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় তাঁর প্রেমিক হাসিবুর রহমানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।বুধবার (১৯ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে হাসিবুরের পক্ষে আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া ছোটন জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করেন। বিষয়টি প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই কামাল হোসেন নিশ্চিত করেছেন।মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার সকালে বসুন্ধরার বাসায় নিজের কক্ষে রিধিকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।এ ঘটনায় রিধির মা মনি বেগম বাদী হয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে ভাটারা থানায় মামলা করেন। মামলায় রিধির প্রেমিক হাসিবুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার দিন রিধিকে দেখতে তাঁর বাসায় গিয়েছিলেন হাসিবুর। সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সময় রিধি তাঁর প্রেমিক হাসিবুরের সঙ্গে ভিডিও কলে ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং এর পেছনের পরিস্থিতি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই আব্দুল ওয়াদুদ আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। পরে তাঁর জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর পেছনে প্রকৃত কারণ কী ছিল, সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিনোদন ১৯ আগস্ট ২০২৬