মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিপটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ঐতিহাসিক হযরত ইয়ার উদ্দিন খলিফা (রহ.) মাজারসংলগ্ন ডাকবাংলোর সংস্কারকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের অবহেলায় জীর্ণ হয়ে পড়া স্থাপনাটি সংস্কারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল ৪টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সংস্কারকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি।ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে তিনি প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাজার প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় তিনি পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান সোহেল, সহকারী প্রকৌশলী মো. হাসিবুল হাসান, মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল এবং জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার মো. ইমরান আলী।পরে স্নেহাংশু সরকার কুট্টি মির্জাগঞ্জ বাজার দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি মন্দিরের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এছাড়া তিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আশরাফ আলী হাওলাদারের অসুস্থ স্ত্রীর বাসায় গিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা ও শুভকামনা জানান।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ সাহাবুদ্দিন নান্নু মুন্সি, সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসানউল্লাহ পিন্টু সিকদার, গোলাম ফারুক মুন্সী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরোয়ার মনজুসহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংস্কারকাজ সম্পন্ন হলে ঐতিহাসিক ডাকবাংলোটি নতুন রূপে ফিরে আসবে এবং মাজারে আগত দর্শনার্থীদের জন্য আরও উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত হবে।
রাজশাহী জেলা পুলিশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাখা 'জেলা বিশেষ শাখা' (ডিএসবি) কার্যালয় বার্ষিক পরিদর্শন করেছেন জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান। আজ ১৫ জুলাই (বুধবার) তিনি এই বার্ষিক পরিদর্শন সম্পন্ন করেন।পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার ডিএসবি কার্যালয়ের সামগ্রিক কার্যক্রম, নথি ব্যবস্থাপনা এবং গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টারসমূহ অত্যন্ত নিবিড় ও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি কার্যালয়ের দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা, কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং পেশাদারিত্বের মান আরও উন্নত করতে সংশ্লিষ্ট অফিসার ও ফোর্সদের গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপ্স) এ.টি.এম. মাইনুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সাবিনা ইয়াসমিন, জেলা বিশেষ শাখার ডিআইও-১ নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মোঃ আনিছুর রহমান সরদারসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ডিএসবি শাখার বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
নওগাঁ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম আজ ১৫ জুলাই (২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ) মান্দা থানা বার্ষিক পরিদর্শন করেছেন।পরিদর্শনকালে তিনি থানার প্রশাসনিক শাখা, মালখানা, অস্ত্রাগার, হাজতখানা, ডিউটি অফিস, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার ও সরকারি রেকর্ডপত্রসহ সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় থানার সার্বিক পরিচ্ছন্নতা, শৃঙ্খলা এবং সেবার মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে নানাবিধ প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।পরিদর্শন শেষে পুলিশ সুপার থানার কর্মকর্তা ও ফোর্সদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় তিনি জনগণকে দ্রুত, আন্তরিক ও হয়রানিমুক্ত পুলিশি সেবা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি এলাকায় অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান, ওয়ারেন্ট তামিল, বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকলকে নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও সততার সাথে দায়িত্ব পালনের কঠোর নির্দেশনা দেন।থানার সামগ্রিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে পুলিশ সুপার মহোদয় উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে আরও উন্নত ও জনবান্ধব পুলিশি সেবা প্রদানের লক্ষ্যে আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান।
নিজস্ব প্রতিবেদক | গলাচিপা (পটুয়াখালী)পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী আটখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও গলাচিপা পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী ইখতিয়ার রহমান কবির।সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের মাধ্যমে এডহক কমিটি গঠিত হলে সভাপতি হিসেবে তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহলের প্রত্যাশা, নতুন সভাপতির নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক শিক্ষা-উপকরণ সংযোজন, সহশিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি উন্নত ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে এডহক কমিটি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।দায়িত্ব গ্রহণের পর এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় ইখতিয়ার রহমান কবির বলেন, “আটখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আধুনিক ও সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে আমি সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করব। এ লক্ষ্যে শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করছি।” এদিকে, বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন কমিটির নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন গতি পাবে বলে তারা আশাবাদী। বিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মত দেন তারা।
নাটোরের গুরুদাসপুর থানা পুলিশের বার্ষিক কিট প্যারেড এবং মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার (১৫ জুলাই) গুরুদাসপুর থানা প্রাঙ্গণে এই প্যারেড ও সভার আয়োজন করা হয়।প্যারেডে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুলিশ সদস্যদের নামে ইস্যুকৃত বিভিন্ন সরকারি সরঞ্জাম ও উপকরণসমূহ নিবিড়ভাবে পরিদর্শন করেন নাটোরের সিংড়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জনাব নূর মোহাম্মদ আলী।পরিদর্শনকালে সহকারী পুলিশ সুপার পুলিশ সদস্যদের ব্যবহারের জন্য সরকারিভাবে সরবরাহকৃত পোশাক, বেল্ট, বুট, ক্যাপসহ অন্যান্য সামগ্রীর পরিচ্ছন্নতা, সঠিক সংরক্ষণ ও ব্যবহারযোগ্যতা পরীক্ষা করেন। এ সময় তিনি পেশাগত শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনে সরকারি সরঞ্জামের সঠিক ব্যবহারের বিষয়ে তাগিদ দেন।কিট প্যারেড শেষে থানা মিলনায়তনে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত অফিসার ও ফোর্সের নিকট থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব ও সমস্যার কথা আহ্বান করা হয় এবং তা দ্রুত সমাধানের বিষয়ে আশ্বস্ত করা হয়।পরবর্তীতে অপরাধ পর্যালোচনা সভায় থানার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়। এ সময় সহকারী পুলিশ সুপার (সিংড়া সার্কেল) অপরাধ দমন, মামলার তদন্তের মান উন্নয়ন, ওয়ারেন্ট তামিল, মাদক উদ্ধার এবং থানা এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি জোরদার করার লক্ষ্যে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।উক্ত সভায় গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মোঃ মনজুরুল আলম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সহ থানার বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসার ও পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানীর সচিবালয়ে 'সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬'-এর খসড়া পর্যালোচনা ও চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যে গঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও কমিটির আহ্বায়ক ফকির মাহবুব আনাম।সভায় আইনটির খসড়ার বিভিন্ন ধারা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের সাইবার নিরাপত্তা আরও জোরদার করা, নাগরিকের অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ডিজিটাল সেবার নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংশোধনী ও সুপারিশ নিয়ে সদস্যরা মতবিনিময় করেন।আলোচনা শেষে খসড়া আইনটিকে আরও যুগোপযোগী, কার্যকর ও বাস্তবসম্মত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সুপারিশ প্রদান করা হয়। এসব সুপারিশ সংযোজন করে আইনটির খসড়া চূড়ান্ত করার জন্য পুনরায় বৈঠক করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) রেহান আসিফ আসাদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় অংশগ্রহণকারীরা মত দেন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলা, তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী সাইবার আইন প্রণয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই আইনটির বিভিন্ন ধারা আরও পরিমার্জন করে চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, ভুয়া তথ্য শনাক্তকরণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজশাহীতে তিন দিনব্যাপী ‘এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা’ শুরু হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টায় সমাজসেবা অধিদপ্তর রাজশাহীর সভাকক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের তত্ত্বাবধানে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)। কর্মশালাটি চলবে আগামী ১৭ জুলাই পর্যন্ত। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুহাম্মদ আবদুল আউয়াল। রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. ডালিম হোসেন শান্তর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন- প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের প্রশিক্ষক জিলহাজ উদ্দিন নিপুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহকারী মহাসচিব ড. সাদিকুল ইসলাম স্বপন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকদের ব্যাপারে খুবই আন্তরিক। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং সাংবাদিকদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ে তথ্যের গতি যেমন বেড়েছে, তেমনি ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। একজন সাংবাদিককে এখন শুধু তথ্য সংগ্রহ করলেই হবে না, বরং তথ্যের সত্যতা যাচাই করেও প্রকাশ করতে হবে। এআই প্রযুক্তি সাংবাদিকতার নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে, তবে এর ব্যবহার অবশ্যই নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে করতে হবে। ফ্যাক্ট চেকিংয়ের দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা জনস্বার্থে আরও নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পরিবেশন করতে পারবেন। এ ধরনের প্রশিক্ষণ দক্ষ, আধুনিক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”রাসিক প্রশাসক আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নগরবাসীর সেবা করার জন্য আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। নাগরিক সেবা সুনিশ্চিত করতে আমি কাজ করে যাচ্ছি। শহীদ জিয়া শিশুপার্ক এবং রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার আধুনিকায়নের পাশাপাশি নগরবাসীর জন্য নিরাপদ মাংস নিশ্চিত করতে মিট প্রসেসিং সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরীর সকল ড্রেনের কাদামাটি পর্যায়ক্রমে উত্তোলন করা হবে।সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ আবদুল আউয়াল বলেন, “সাংবাদিকদের সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়া অপরিহার্য। এআই ব্যবহারের পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠতা, পেশাগত নৈতিকতা ও তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী করতে হবে। এই প্রশিক্ষণ রাজশাহীর সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশা করি।”কর্মশালায় জানানো হয়, রাজশাহী জেলার সাংবাদিকদের এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ করে দেওয়াই এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য।