ঢাকা    সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

স্বাস্থ্য

পাইকগাছায় রান্না করা গরুর মাংস সবুজ হওয়ার রহস্য

খুলনার পাইকগাছা পৌরসভায় রান্নার পর গরুর মাংসের স্বাভাবিক লালচে রং পরিবর্তিত হয়ে উজ্জ্বল সবুজ রং ধারণের আলোচিত ঘটনায় অবশেষে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (BFSA) পরীক্ষায় ওই মাংসে কোনো ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বা রং উৎপাদনকারী Pseudomonas ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের খাদ্য বিশ্লেষণ শাখা থেকে ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে খুলনা জেলা কার্যালয়ে পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাইকগাছা পৌরসভায় রান্নার সময় মাংসের লাল রং পরিবর্তিত হয়ে উজ্জ্বল সবুজ হওয়ার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের খুলনা জেলা কার্যালয় থেকে কাঁচা ও রান্না করা মাংসের নমুনা সংগ্রহ করে প্রধান কার্যালয়ের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়।ল্যাবরেটরি পরীক্ষা ও বিশ্লেষণে দেখা যায়, নমুনায় কোনো ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া কিংবা পিগমেন্ট উৎপাদনকারী Pseudomonas পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে মাংসে পচনশীল দুর্গন্ধ বা আঠালো ভাবও ছিল না। ফলে মাংসের রং পরিবর্তন ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ বা পচনের কারণে হয়েছে—এমন কোনো প্রমাণ পরীক্ষায় পাওয়া যায়নি।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, স্পেকট্রোফোটোমেট্রিক পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে, দীর্ঘক্ষণ ফ্রিজে সংরক্ষণ এবং পরবর্তীতে রান্নার সময় উচ্চ তাপের সংস্পর্শে আসার কারণে মাংসের মায়োগ্লোবিন বা হিম-রঞ্জক পদার্থের (Myoglobin/Heme-derived pigments) রাসায়নিক রূপান্তর বা গাঠনিক পরিবর্তন ঘটতে পারে। এর ফলেই মাংস সবুজ রং ধারণ করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে সৃষ্ট আতঙ্ক ও সংশয় দূর করা এবং স্থানীয় প্রশাসনকে বিস্তারিত অবহিত করার লক্ষ্যে পরীক্ষার প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।প্রতিবেদনটিতে ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে খাদ্য বিশ্লেষক নাজিয়া সুলতানার স্বাক্ষর রয়েছে।এদিকে, রান্না করা গরুর মাংসের অস্বাভাবিক সবুজ রং ধারণের ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছিল। ল্যাবরেটরি প্রতিবেদনের পর প্রাথমিকভাবে স্পষ্ট হয়েছে, ঘটনাটি পচন বা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার কারণে ঘটেনি; বরং সংরক্ষণ ও রান্নার প্রক্রিয়ায় মাংসের রঞ্জক পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তনের কারণেই এমন রং সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।

স্বাস্থ্য ১২ ঘন্টা আগে

জনবল সংকটে ধুঁকছে চরফ্যাশন হাসপাতাল, ৬৬ চিকিৎসকের বিপরীতে কর্মরত ২১ জন

উপকূলীয় উপজেলা চরফ্যাশনে প্রায় ৭ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার প্রধান ভরসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞ টিম, বিভিন্ন পদে জনবল, রেডিওগ্রাফার ও আধুনিক ল্যাব সুবিধার সংকটে ব্যাহত হচ্ছে হাসপাতালটির চিকিৎসা সেবা। ৬৬ জন চিকিৎসকের পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ২১ জন। ফলে বিপুলসংখ্যক রোগীর চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অবকাঠামোগতভাবে হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও প্রয়োজনীয় জনবল ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন না থাকায় এখনো পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালু হয়নি। চিকিৎসকসহ বিভিন্ন পদে জনবল সংকট থাকায় প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। হাসপাতালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৬৬ জন চিকিৎসক পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ২১ জন। এর মধ্যে ১০ জন কনসালট্যান্টের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ২ জন। ৫২ জন মেডিকেল অফিসারের বিপরীতে আছেন ১৭ জন। ৩০ জন নার্সের পদের বিপরীতে কর্মরত ২৮ জন। এছাড়াও ১৬টি স্যাকমো পদের বিপরীতে রয়েছেন মাত্র ২ জন।এছাড়াও ৫ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ২ জন এবং ৩ জন ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্টের বিপরীতে আছেন ২ জন। তিনটি ফার্মাসিস্ট পদ থাকলেও বর্তমানে কোনো ফার্মাসিস্ট কর্মরত নেই।বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংকটচরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু, গাইনি ও হৃদরোগের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংকট রয়েছে। ফলে এসব রোগে আক্রান্তদের নিয়মিত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে নারী ও শিশু রোগীদের ভোগান্তি বেশি।হৃদরোগে আক্রান্ত মো. রতন বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে আক্রান্ত। হঠাৎ অসুস্থ হলে এই হাসপাতালে আসতে হয়। কিন্তু নিয়মিত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় সপ্তাহে শুক্রবার যে ডাক্তার আসেন, তার ওপরই নির্ভর করতে হয়। জরুরি সময়ে এভাবে চিকিৎসা পাওয়া খুবই কঠিন।”হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী আইয়ুব বলেন, “আমাদের এই হাসপাতালে বিশেষ করে একজন শিশু বিশেষজ্ঞ ও একজন গাইনি চিকিৎসক অত্যন্ত প্রয়োজন। চরফ্যাশন একটি বড় উপজেলা। পাশের উপজেলার লোকজনও এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। অথচ এক্স-রে থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা হাসপাতালের বাইরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে করতে হয়। এতে আমাদের বাড়তি টাকা খরচ হয়।”এক্স-রে মেশিন আছে, নেই রেডিওগ্রাফারহাসপাতালে এক্স-রে মেশিন থাকলেও সেটি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় রেডিওগ্রাফার নেই। ফলে দুর্ঘটনায় আহতসহ বিভিন্ন রোগীর এক্স-রে করাতে অনেক সময় হাসপাতালের বাইরে যেতে হচ্ছে। এতে রোগীদের যেমন বাড়তি অর্থ ব্যয় হচ্ছে অন্যদিকে নষ্ট হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ সময়ও। তাই জরুরি রোগীদের দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সম্ভব না হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনাতেও তৈরি হয়েছে জটিলতা।নেই আধুনিক ল্যাব, সিবিসি মেশিনওহাসপাতালটিতে আধুনিক মানের পূর্ণাঙ্গ ল্যাব সুবিধা নেই। প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। এমনকি রক্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা সিবিসি করার জন্যও প্রয়োজনীয় মেশিন নেই। ফলে রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে হচ্ছে। রোগীর চাপ ও ভোগান্তিরোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে বাইরের ডায়াগনস্টিকে যেতে হয়। চরফ্যাশন বড় উপজেলা হওয়ায় এখানকার বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের এলাকার মানুষও এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। ফলে চিকিৎসক ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার সংকটে রোগীদের দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুন।হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাকলুকুর রহমান বলেন, “হাসপাতালে এক্স-রে মেশিন রয়েছে, কিন্তু রেডিওগ্রাফার না থাকায় পূর্ণাঙ্গ সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আধুনিক ল্যাব ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতিরও ঘাটতি রয়েছে। সিবিসি করার মেশিনও নেই। এসব বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।”উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশরাফুল ইসলাম সুমন বলেন, “হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা উন্নত করতে প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জামের চাহিদা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসক, নার্সসহ বিভিন্ন পদে জনবল সংকট রয়েছে। পাশাপাশি এক্স-রে সেবা চালু রাখতে রেডিওগ্রাফার এবং আধুনিক ল্যাব পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির প্রয়োজন রয়েছে। এসব সংকট সমাধান হলে রোগীদের চিকিৎসা সেবার মান আরও উন্নত হবে।”

স্বাস্থ্য ২৭ আগস্ট ২০২৬

সামাজিক ব্যাধি বাল্যবিবাহ: সমন্বিত উদ্যোগেই নিশ্চিত হোক রৌমারীর আগামীর সুরক্ষা

বাল্যবিবাহ কেবল একটি সামাজিক ব্যাধি বা আইনি অপরাধ নয়; এটি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সম্ভাবনার ওপর এক কঠিন আঘাত। একটি কন্যাসন্তানের অল্প বয়সে বিয়ে হওয়া মানেই তার শিক্ষার অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া, স্বাস্থ্যের চূড়ান্ত ঝুঁকি তৈরি করা এবং তাকে চিরতরে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে দেওয়া। সম্প্রতি রৌমারী থানায় ফ্রেন্ডশিপ ইনক্লুসিভ সিটিজেনশিপ (IC) সেক্টরের ‘অ্যাক্টিভ’ প্রকল্পের উদ্যোগে আয়োজিত সচেতনতামূলক কর্মশালাটি তাই সময়োপযোগী এবং অত্যন্ত প্রশংসনীয় একটি পদক্ষেপ। বাল্যবিবাহের মতো শিকড়গাড়া সমস্যা নির্মূলে কেবল আইন প্রণেতা বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ওপর একক নির্ভরতা যথেষ্ট নয়। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর (এনজিও) মধ্যে একটি কার্যকর ও দ্রুত সাড়াদানকারী সমন্বয় কাঠামো। রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ কাওসার আলী এবং ফ্রেন্ডশিপের প্রতিনিধিবৃন্দ কর্মশালায় সঠিকভাবেই জোর দিয়েছেন যে—তথ্য আদান-প্রদান এবং সময়োপযোগী প্রতিরোধ ব্যবস্থার মাধ্যমেই একটি সম্ভাব্য বাল্যবিবাহ ভেস্তে দেওয়া সম্ভব। তবে যেকোনো আইনি বা প্রশাসনিক কাঠামো তখনই শতভাগ সফল হয়, যখন তার পেছনে থাকে সামাজিক সচেতনতা। ইউনিয়ন ও উপজেলা কমিটির সক্রিয়তা: কাগজ-কলমে থাকা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটিগুলোকে মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। পারিবারিক ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন: পিতামাতাকে অনুধাবন করতে হবে যে কন্যাসন্তান পরিবারের বোঝা নয়, বরং সম্পদ। সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা: শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা ও স্থানীয় যুবসমাজকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি গ্রামে নজরদারি বাড়াতে হবে। আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা ও সচেতনতার আলো ঘরে ঘরে পৌঁছানো গেলে তবেই বাল্যবিবাহের হার শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব। রৌমারী থানায় আয়োজিত এই কর্মশালার বার্তাটি কেবল থানা প্রাঙ্গণেই সীমাবদ্ধ না রেখে তৃণমূলের প্রতিটি পরিবারে ছড়িয়ে পড়ুক। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাল্যবিবাহমুক্ত, সুরক্ষিত ও সম্ভাবনাময় এক নতুন রৌমারী গড়ে উঠুক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

স্বাস্থ্য ২৫ আগস্ট ২০২৬

অসুস্থ প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল কুদ্দুসের পাশে সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ

সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক আহ্বায়ক, দৈনিক সংবাদের জেলা বার্তা পরিবেশক, প্রবীণ সাংবাদিক সর্বজন শ্রদ্ধেয় আব্দুল কুদ্দুস গুরুতর অসুস্থ হয়ে এনায়েতপুরের খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আজ দুপুরে সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের একটি প্রতিনিধি দল গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব জনাব আব্দুল কুদ্দুস সাহেবের চিকিৎসা ও শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম ইন্না, সিরাজগঞ্জ টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস হাসান। এ সময় সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ দেওয়ান রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক রহমত আলী, অর্থ সম্পাদক নুরুল ইসলাম রইসী, দপ্তর সম্পাদক মোঃ এনামুল হক, সদস্য এম.নুরে এলাহী উপস্থিত ছিলেন।আল্লাহ তায়ালা তাঁকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করুন এবং সুস্থভাবে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিন। আমিন। 

স্বাস্থ্য ২৪ আগস্ট ২০২৬

রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাম ও ডেঙ্গু রোগী ভর্তি, বেড সংকটে রোগীরা

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাম ও ডেঙ্গু রোগীর চাপ বাড়ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এখানে "১১ জন হাম আক্রান্ত" এবং "১৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত" রোগী ভর্তি রয়েছেন।মৌসুম পরিবর্তনের ফলে আবহাওয়ার সাথে শরীর খাপ খাওয়াতে না পেরে অনেকেই ভাইরাসজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হচ্ছেন। কিন্তু পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা ও বেড না থাকায় রোগীরা ঠিকমতো সেবা পাচ্ছেন না।সরেজমিনে দেখা যায়, চাহিদার তুলনায় বেড না থাকায় হাসপাতালের ওয়ার্ডের বারান্দা ও মেঝেতেই বিছানা করে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছেন অগণিত রোগী। শিশু ও মেডিসিন ওয়ার্ডে রোগীর ভিড়ে তিল ধারণের জায়গা নেই।এক রোগীর স্বজন বলেন, "বেড খালি নেই। জ্বর নিয়ে এসে মেঝেতেই থাকতে হচ্ছে। সেবাও ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না।"এ বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, "রোগীর চাপ অনেক বেড়েছে। জনবল ও বেড সংকট রয়েছে। তবে জরুরি রোগীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।"ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আশেপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং হাম প্রতিরোধে শিশুদের নিয়মিত টিকা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত বেড, ডাক্তার ও প্রয়োজনীয় ঔষধের সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক।

স্বাস্থ্য ২৪ আগস্ট ২০২৬

বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রান্তিক মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজে পৌঁছে দিতে দেশের তৃণমূল স্বাস্থ্য অবকাঠামো নতুন করে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে ‘হেলথ হাব’ এবং প্রতি তিনটি ওয়ার্ডে একটি করে ‘হেলথ ওয়েলবিং সেন্টার’ চালু করা হবে।রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে জয়পুরহাট ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ তথ্য জানান।মন্ত্রী বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ের ‘হেলথ হাব’-এ স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা একই ব্যবস্থার আওতায় দেওয়া হবে। এসব কেন্দ্রে চিকিৎসক নিয়োগের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন।স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়িতে গিয়ে রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা করবেন। পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়েই স্তন ও জরায়ু ক্যান্সার শনাক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর শয্যা সংখ্যা বাড়িয়ে ১৫১টি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে উপজেলা পর্যায়ে ডায়ালাইসিস সেবা চালুর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।তিনি জানান, জেলা হাসপাতালে ১০টি করে এবং ডিস্ট্রিক্ট হেডকোয়ার্টার হাসপাতালে ৫০টি করে ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপন করা হবে।মেডিকেল কলেজগুলোতে শিক্ষক সংকট ও আইসিইউ সেবা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এর মাধ্যমে বন্ধ থাকা আইসিইউ চালু করার পাশাপাশি নতুন মেডিকেল কলেজগুলোর কার্যক্রমও শুরু করা হবে।স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হলেও দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না বলে সতর্ক করেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।মন্ত্রী জানান, আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে সরকারের এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া, সিভিল সার্জন ডা. আল মামুন, জয়পুরহাট ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রাশেদ মোবারক জুয়েলসহ স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও চিকিৎসকেরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: ইত্তেফাক

স্বাস্থ্য ২৪ আগস্ট ২০২৬

নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্যালাইন না দেওয়ায় রোগীর টাকা ফেরত

নওগাঁর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে রোগীকে হাসপাতালের মজুত থাকা স্যালাইন না দিয়ে বাইরে থেকে কিনতে বলার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। পরে রোগীর কাছ থেকে স্যালাইন কেনার জন্য নেওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করেন তিনি। একই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট নার্সের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, অপারেশন থিয়েটার, ফার্মেসি ও রান্নাঘর পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি চিকিৎসাধীন রোগী ও তাঁদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে হাসপাতালের সেবার মান সম্পর্কে খোঁজ নেন।পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের সার্বিক সেবা নিয়ে অধিকাংশ রোগীর কাছ থেকে সন্তোষজনক মতামত পেলেও কয়েকটি অনিয়ম ও সীমাবদ্ধতা মন্ত্রীর নজরে আসে। এর মধ্যে একজন রোগীকে হাসপাতালের মজুত থাকা স্যালাইন না দিয়ে বাইরে থেকে কিনতে বলার অভিযোগের সত্যতা পান তিনি। পরে রোগীর কাছ থেকে স্যালাইন কেনার জন্য নেওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।এ ছাড়া একজন চিকিৎসক নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৪৫ মিনিট পর দায়িত্বে উপস্থিত হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।হাসপাতালের সেবার মান আরও উন্নত করা, রোগীদের হয়রানি বন্ধ করা এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলা না করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি সরকারি হাসপাতালে মজুত থাকা ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী যথাযথভাবে রোগীদের দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

স্বাস্থ্য ২৩ আগস্ট ২০২৬

ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার প্রতিকারে ‘স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষা আন্দোলন’-এর যাত্রা শুরু

চিকিৎসায় অবহেলা, ভুল চিকিৎসা কিংবা স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সময় দুর্ব্যবহারের শিকার রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ দায়ের এবং প্রতিকার পাওয়ার প্রক্রিয়ায় সহায়তা দিতে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ‘স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষা আন্দোলন’ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে।শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্ল্যাটফর্মটির কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন, ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম ও গবেষক আলতাফ পারভেজ। এ সময় প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক নিভীন রেজা এবং সদস্য সচিব মাজহারুল ইসলাম সংগঠনটির কার্যক্রম ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে চিকিৎসাসেবায় অবহেলার শিকার কয়েকটি পরিবারের সদস্যরা নিজেদের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন।ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, আর্থ-সামাজিকভাবে পিছিয়ে থাকা ভুক্তভোগীরাও যাতে ন্যায়বিচারের সুযোগ পান, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কিত সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম বলেন, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে দেশের বর্তমান আইনি কাঠামো পর্যাপ্ত নয়। চিকিৎসক, হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সমন্বয়ে একটি কার্যকর আইনগত কাঠামো তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।আলোচনা সভায় আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চিকিৎসাসংক্রান্ত অভিযোগ কোথায় এবং কীভাবে করতে হবে, কী ধরনের চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন এবং কোথা থেকে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা পাওয়া যেতে পারে—এসব বিষয়ে ভুক্তভোগীদের তথ্য, পরামর্শ ও ফলোআপ সহায়তা দেওয়া হবে।আয়োজকরা আরও জানান, প্ল্যাটফর্মটির কাজ কেবল অভিযোগ গ্রহণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। প্রতিটি অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে যাচাই, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়ার পথ দেখানো এবং একটি ঘটনার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে তাদের।একই সঙ্গে রোগীর অধিকার এবং চিকিৎসকের পেশাগত মর্যাদা—দুই বিষয়কেই সমান গুরুত্ব দিয়ে এই নাগরিক উদ্যোগ কাজ করবে বলে জানানো হয়।সভায় বক্তারা বলেন, দেশে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর নানা ধরনের চাপ থাকলেও চিকিৎসাসেবায় অবহেলা বা দুর্ব্যবহারের শিকার মানুষের সংখ্যা এবং আনুষ্ঠানিকভাবে করা অভিযোগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রয়েছে। অনেক রোগী ও তাদের স্বজন জানেন না কোথায় অভিযোগ করতে হবে, কী ধরনের প্রমাণ বা নথি সংরক্ষণ করতে হবে এবং অভিযোগের অগ্রগতি কীভাবে অনুসরণ করা যায়। এসব তথ্য ও সহায়তার ঘাটতি দূর করাই ‘স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষা আন্দোলন’-এর অন্যতম লক্ষ্য।বক্তারা আরও বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবায় নিরাপত্তা ও নাগরিক আস্থার ঘাটতি স্পষ্ট। সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে গেলেও অধিকাংশ মানুষকে দেশের বিদ্যমান স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে হয়। তাই জবাবদিহিমূলক ও নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। সূত্র: আমার দেশ

স্বাস্থ্য ২২ আগস্ট ২০২৬

১৭ বছরের অব্যবস্থাপনা কয়েক মাসে দূর করা সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ফ্যাসিস্ট সরকারের দীর্ঘ ১৭ বছরের সময়ে স্বাস্থ্যখাতে যে অব্যবস্থাপনা তৈরি হয়েছে, তা এক-দুই মাসের মধ্যে দূর করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুরের বাঘুটিয়া গ্রামে চিকিৎসকের অবহেলায় মারা যাওয়া কনিকা রানী মণ্ডলের (৩৫) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাঙের ছাতার মতো অসংখ্য বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল গড়ে উঠেছে। বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন সমস্যার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হওয়া এসব সমস্যা অল্প সময়ে সমাধান করা সম্ভব নয়।ফরিদপুরের একটি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের পর কনিকা রানী মণ্ডলের পেটে সার্জিক্যাল গজ রেখে সেলাই করার অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ঘটনাটি সরকারকে ব্যথিত করেছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য রাজবাড়ীর সিভিল সার্জনকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্তে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, দেশের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে ৫০ শয্যার এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে এ বিষয়ে টেন্ডার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, গত ২৯ জুন অসুস্থ হয়ে কনিকা রানী ফরিদপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে সিজারিয়ান অপারেশনের পর তার পেটে ব্যথা ও ফোলাভাব দেখা দেয়। পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার সময় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার পেটে সার্জিক্যাল গজ থাকার বিষয়টি শনাক্ত হয়। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ১৯ আগস্ট দিবাগত রাত ২টার দিকে কনিকা মারা যান।স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ সময় রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামসুল হক, বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফারুক হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: ফেইস দি পিপল

স্বাস্থ্য ২১ আগস্ট ২০২৬

হাসান মামুনের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে সৌজন্য সাক্ষাতে মুফতি আবু বকর সিদ্দিক

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য হাসান মামুনের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন একই আসনের সাবেক হাতপাখা প্রতীকের এমপি প্রার্থী মুফতি আবু বক্কর সিদ্দিক।বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে মুফতি আবু বক্কর সিদ্দিক হাসান মামুনের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। এ সময় তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা ও মতবিনিময় হয়।সাক্ষাতে আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।সাক্ষাৎ শেষে মুফতি আবু বক্কর সিদ্দিক হাসান মামুনের দ্রুত সুস্থতা ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন এবং তাঁর জন্য দোয়া করেন।

স্বাস্থ্য ২০ আগস্ট ২০২৬