ঢাকা    রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

রাজনীতি

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন

১১ দলীয় জোটের মনোনয়নও পেলেন তিনি; আগের জাতীয় নির্বাচনেও একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে আবারও দেলাওয়ার হোসেনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকেও তাকে এ আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াত কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দায়িত্বশীল সমাবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তার প্রার্থিতা ঘোষণা করা হয়। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের পরিচালক মাওলানা আব্দুল হালিম এ ঘোষণা দেন।দেলাওয়ার হোসেন বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন।সমাবেশে মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম নির্বাচন। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামী সব ধরনের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ১১ দলের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে দেলাওয়ার হোসেনকে জোটের প্রার্থী করা হয়েছে। নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হলে এবং ভোটাররা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারলে তাদের প্রার্থী বিজয়ী হবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দিন প্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দায়িত্বশীল সমাবেশে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।জামায়াত সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে দলটির প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন দেলাওয়ার হোসেন। এবারও উপনির্বাচনের জন্য তার ওপরই আস্থা রেখেছে দলটি।ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি সদর, রুহিয়া ও ভূল্লি উপজেলা নিয়ে গঠিত। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।এদিকে, শূন্য আসনটিতে উপনির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। শিগগিরই এ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। সূত্র: হুদহুদ নিউজ

রাজনীতি ১০ মিনিট আগে

সংসদ অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের নেতাকর্মীদের পদযাত্রা

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে জাতীয় সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট।রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটর থেকে ‘বাংলাদেশ গুম প্রতিরোধ দিবস পালন জাতীয় কমিটি’র ব্যানারে এ কর্মসূচির পদযাত্রা শুরু হয়। পদযাত্রা শেষে জাতীয় সংসদে গিয়ে স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার কথা রয়েছে।কর্মসূচিতে অংশ নেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং ১১ দলীয় ঐক্যজোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন আহমেদ এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।এ ছাড়া আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাকর্মীরাও পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্পিকারের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে অন্তর্বর্তী সরকারের গুম কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখিত সুপারিশগুলো কোনো পরিবর্তন ছাড়াই আইনে পরিণত করার দাবি জানানো হবে।পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে গুমের শিকার ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়াসহ আরও কয়েকটি দাবি স্মারকলিপিতে তুলে ধরা হবে। সূত্র: ঢাকা ওয়াচ

রাজনীতি ৩০ মিনিট আগে

নোয়াখালীতে ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রদলের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল আনুমানিক ৪টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত অশ্বদিয়া ইউনিয়নের দিদিমণি বাজার থেকে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সংঘর্ষ চলে। এ ঘটনার কারণে সোনাপুর-বসুরহাট সড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি ঘোষিত অশ্বদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের নতুন কমিটি নিয়ে পদপ্রত্যাশী ও পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকেলে দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি হলে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তা হাতাহাতি থেকে সংঘর্ষে রূপ নেয়।এ সময় দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকাটি কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. লিয়াকত আকবর বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক

সারাদেশ ৩ ঘন্টা আগে

হুজুররা হাসনাতের বেলায় সরব, বিএনপির বেলায় নীরব’: মাদানী

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যে বিএনপি নেতাদের বক্তব্য এবং আলেমদের প্রতিক্রিয়ার তুলনা করেছেন শিশুবক্তা হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানী।হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক এবং জুলাইয়ের আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার কারণেই তার বক্তব্যে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও আলেমরা কষ্ট পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।রোববার (৩০ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা জানান রফিকুল ইসলাম মাদানী।পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছেন—ফজলুর রহমান, রুমিন ফারহানা বা অন্য কেউ বক্তব্য দিলে যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না, হাসনাতের ক্ষেত্রে হুজুররা সেভাবে ‘চেতেছে’। এর মাধ্যমে ‘ফান্ডিং আন্দোলন’ করা হচ্ছে—এমন ধারণা দেওয়ারও চেষ্টা করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।এর জবাবে মাদানী প্রশ্ন করেন, রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমানের ডাকে ‘বাই রাজুতে আসেন’ বলার পর কোনো মাদ্রাসাছাত্র শাহবাগে গিয়েছিল কি না। একইভাবে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে কার আহ্বানে স্কুলের পাশাপাশি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছিল, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে তার যোগাযোগের প্রসঙ্গে মাদানী বলেন, একদিন হাসনাত তাকে ফোন করে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নিতে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বিষয়টি তাকে অবাক করেছিল, কারণ হাসনাত তার ফোন নম্বর কোথা থেকে পেয়েছিলেন, তা তিনি জানতেন না।মাদানী বলেন, পরে সঙ্গে থাকা লোকজনকে নিয়ে তিনি ঢাকায় যান। সেখানে শাহবাগে অনেক মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকেও উপস্থিত দেখতে পান। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর হাসনাতের আমন্ত্রণে তার বাড়িতে আয়োজিত মাহফিলেও তিনি অংশ নিয়েছিলেন বলে জানান।অন্যদিকে রুমিন ফারহানা ও ফজলুর রহমানকে নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেন মাদানী। তাদের ‘বাইরের এজেন্ট’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমানের মতো লোক পায়ে ধরে সারাদিন পড়ে থাকলেও তারা কোথাও যাবেন না। তাদের বাইরের এজেন্ট মনে করেন তারা। তাদের বক্তব্যের প্রতিবাদ কখনো করেন, আবার কখনো করেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।মাদানী আরও দাবি করেন, হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও নাহিদ ইসলাম মাদ্রাসা কিংবা মসজিদে গেলে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের মানুষ হিসেবে মনে করেন এবং সম্মান ও ভালোবাসা দেখান।তিনি লেখেন, ‘এখন সেই মানুষগুলো যখন সংসদের মতো জায়গায় এভাবে না জেনে, না শুনে বক্তব্য দিলে কষ্ট তো লাগবেই!’মাদানীর ভাষ্য, আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে থাকা ‘শাহবাগী মার্কা কথা বলা’ ব্যক্তিদের বক্তব্যে আলেমদের তেমন প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। কারণ, তার মতে, এসব ব্যক্তিকে তারা ‘চিহ্নিত’ হিসেবে মনে করেন।তবে যাদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন এবং যাদের সঙ্গে ভালোবাসা ও সম্পর্ক রয়েছে, তারা এমন কিছু করলে সেটিকে ‘বেঈমানী’ হিসেবে দেখেন বলে জানান মাদানী।পোস্টের শেষ দিকে তিনি লেখেন, ‘ওপেন শত্রুতা সহ্য হয়, মোনাফেকি না!’ সূত্র: ইত্তেফাক

রাজনীতি ৭ ঘন্টা আগে

এটা আমাদের ঘরের বিষয়, দুঃখ প্রকাশ করে ওস্তাদদের দোয়া নিয়েছি, সমাধান হয়েছে’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মী ও কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের মধ্যে তৈরি হওয়া বিরোধের সমঝোতা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় জামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসায় গিয়ে কওমি ছাত্র ও শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। এ সময় হাসনাত আব্দুল্লাহর পক্ষ থেকে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে তিনি এসব কথা জানান।নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, মাদরাসার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে তাদের গভীর সম্পর্ক ও শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে। জুলাই আন্দোলনে তারা একসঙ্গে ছিলেন। ওস্তাদরা তাদের তালেব হিসেবে মনে করেন। অনেক আলেম তাদের দুঃখ প্রকাশ করার পরামর্শ দিয়েছেন। দুঃখ প্রকাশ করলে কেউ ছোট হয়ে যায় না। এ কারণেই তারা এখানে এসে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং ওস্তাদদের দোয়া নিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে।তিনি বলেন, ছাত্রদের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে—হাসনাত আব্দুল্লাহ জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেই বিষয়ে সঠিক তথ্য আবার সংসদে উপস্থাপন করতে হবে।তিনি আরও বলেন, আলেম-ওলামাদের সঙ্গে তারা রাজপথে ছিলেন। যেহেতু তারা সবাই একই ঘরের, তাই আলেমরা বিষয়টি দ্রুত সমাধান করে দেওয়ার কথা বলেছেন। পরে হাসনাত আব্দুল্লাহও তার বক্তব্যের জন্য ফেসবুকে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘অনেকে বাইরে থেকে উল্লাস করছেন। তাদের বলতে চাই, এটা আমাদের ঘরের সমস্যা। এর সমাধান হয়েছে। ভুল বোঝাবুঝিরও অবসান ঘটেছে।’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সবসময় শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেছেন। তিনি মাদরাসার ছাত্রদের পাশে দাঁড়াননি। তাদের পক্ষে সুষ্ঠু বিচারও করেননি।’ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সম্প্রতি পুলিশ ও মাদরাসাছাত্রদের সংঘর্ষের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, মূল বিষয় ছিল মাদরাসাছাত্ররা পুলিশ লাইন্সে গানের অনুষ্ঠান বন্ধ করেনি। বরং পুলিশ ৩০ জন মাদরাসাছাত্রকে আহত করেছে।বৈঠকে মাদরাসার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মুহতামিম মুফতি মোবারক উল্লাহ, সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা আলী আকবর এবং কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতা খালেদ সাইফুল্লাহসহ অন্যান্য নেতারা। সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

রাজনীতি ৮ ঘন্টা আগে

মোংলার মিরাজসহ গুমের শিকার সবাইকে খুঁজে বের করার দাবি নাহিদ ইসলামের

বাগেরহাটের মোংলায় ‘গুমের শিকার’ মিরাজ শেখসহ ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিখোঁজ হওয়া সব ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।তিনি বলেন, মিরাজ শেখসহ গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে ঘটনার সত্য তুলে ধরতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি গুমের ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। গুম প্রতিরোধ আইনে অভিযোগের স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্তের স্পষ্ট ব্যবস্থা রাখতে হবে।৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে গুমের শিকার ব্যক্তি এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, শেখ হাসিনার দেড় দশকের শাসনামলে বাংলাদেশে গুমকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের একটি ভয়াবহ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত এই কর্মকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বিরোধী দল ও মতের বহু নাগরিক। তাঁদের অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। স্বজনেরা বছরের পর বছর ধরে প্রিয়জনের ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন।নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত অন্ধকার প্রকোষ্ঠে অসংখ্য মানুষকে আটকে রেখে যে অমানবিক ও পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয়েছে, তা বিশ্ব মানবতাকে লজ্জিত করেছে।তিনি বলেন, গুম হওয়া স্বজনদের ফিরে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা, পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘশ্বাস এবং বছরের পর বছর ধরে চলা অপেক্ষার বেদনার মধ্য দিয়েই ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক ও রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ এসেছে।নাহিদ ইসলাম বলেন, বিপ্লবের পরও বাংলাদেশে অনেক পরিবার তাদের নিখোঁজ স্বজনের ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছে। এখনো গুমের শিকার বহু মানুষের কোনো সন্ধান মেলেনি। মোংলার কারাগারে মিরাজ শেখের গুমের অভিযোগও গভীর উদ্বেগের বিষয়।তিনি বলেন, অতীতে গুমের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হলেও বর্তমান সরকারের সংসদে উত্থাপিত গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এসব উদ্যোগে গুমের মতো গুরুতর অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ ও জবাবদিহি নিশ্চিত হওয়ার পরিবর্তে দায়মুক্তির সুযোগ থেকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ আরও বলেন, প্রতিটি গুমের ঘটনায় স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা না গেলে বাংলাদেশে গুমের সংস্কৃতির স্থায়ী অবসান সম্ভব নয়।দেশে ভবিষ্যতে যেন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুমের সংস্কৃতি আর ফিরে না আসে, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম।তিনি বলেন, গুমের শিকার প্রতিটি ব্যক্তির পরিবারের কান্নার জবাব দিতে হবে। সত্য উদ্ঘাটন, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। সূত্র: ইনসাফ ২৪

রাজনীতি ৮ ঘন্টা আগে

গুমের ঘটনায় জড়িতদের পাশাপাশি ‘মাস্টারমাইন্ডদের’ও বিচারের আওতায় আনার দাবি শফিকুর রহমানের

গুমের মতো গুরুতর অপরাধের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তি এবং এর পেছনের ‘মাস্টারমাইন্ডদের’ বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।শনিবার (৩০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক গুম দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি জানান।বিবৃতিতে শফিকুর রহমান বলেন, নিখোঁজ ও গুম হওয়া প্রত্যেক নাগরিককে দ্রুত অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি গুমের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।তিনি জানান, ২০১১ সাল থেকে প্রতিবছর ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এ উপলক্ষে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণ করে তাদের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি। বছরের পর বছর প্রিয়জনের কোনো সন্ধান না পেয়ে অনেক পরিবার মানসিক ও মানবিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।বাংলাদেশে গুমের প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনার শাসনামলে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাত শতাধিক মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিরোধী মত দমনের উদ্দেশ্যে ‘আয়নাঘর’-এর মতো গোপন বন্দিশালা ব্যবহারের অভিযোগও করেন তিনি।বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, গুমের শিকার সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আযমী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার আরমান আহমদ বিন কাসেম দীর্ঘ সময় পর ফিরে এসেছেন। তবে জামায়াত নেতা হাফেজ জাকির হোসাইন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিবির নেতা আল মোকাদ্দাস ও মোহাম্মদ ওলিউল্লাহ, বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী এবং সাবেক কমিশনার চৌধুরী আলমসহ আরও অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে তিনি জানান।গুম প্রতিরোধ আইন নিয়ে আপত্তিগুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালে একটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল বলে উল্লেখ করেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, পরবর্তী সরকার ওই অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর না করে নতুন একটি খসড়া আইন তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।নতুন খসড়া আইনে গুমের অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের ওপর দেওয়ার বিষয়টির সমালোচনা করেন তিনি। তার মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্তের দায়িত্ব আবার একই ধরনের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে থাকলে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিতে পারে।সরকারের অধীনে গুমের তথ্যভাণ্ডার রাখার বিষয়েও উদ্বেগ জানান জামায়াত আমির। পাশাপাশি নতুন খসড়া আইনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গুমের তদন্ত ও অনুসন্ধান কার্যক্রমের বাইরে রাখারও সমালোচনা করেন তিনি।বিবৃতিতে শফিকুর রহমান বলেন, গুমের মতো বিশেষ ধরনের অপরাধের যথাযথ অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য স্বাধীন ও বিশেষ একটি আইনি কাঠামো প্রয়োজন। একই সঙ্গে জনগণের মৌলিক অধিকার, আইনের আশ্রয় পাওয়ার অধিকার এবং জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুমকে একটি বিশেষ অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সূত্র: ইত্তেফাক

রাজনীতি ১৯ ঘন্টা আগে

চাঁদাবাজি, দমন-পীড়ন ও দলীয়করণ আবারও ফিরে এসেছে’: গোলাম পরওয়ার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দেশে চাঁদাবাজি, মাস্তানি, দমন-পীড়ন, লুটপাট ও দলীয়করণ আবারও ফিরে এসেছে। তাঁর ভাষ্য, শুধু দলের নাম পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু কর্মকাণ্ডের ধরন একই রয়েছে।শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৪টায় খুলনার তেরখাদা উপজেলার নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা শেখ হাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা এমরান হোসাইন, নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মাওলানা কবিরুল ইসলাম, সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমান ও সহকারী সেক্রেটারি মুন্সী মঈনুল ইসলাম। উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মু. নাহিদ হাসানের সঞ্চালনায় স্থানীয় নেতারাও বক্তব্য দেন।মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, অর্থের প্রভাব, মাস্তানি, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি ছাড়া সাধারণ দ্বীনদার ও সৎ মানুষদের নিয়ে ১১ দলের পক্ষে যে জনসমর্থনের জোয়ার তৈরি হয়েছিল, তা শুধু তেরখাদায় সীমাবদ্ধ ছিল না; সারা দেশেই এর প্রভাব দেখা গিয়েছিল। মানুষের প্রত্যাশা ছিল দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার।তিনি বলেন, ভিন্নমতের মানুষের ওপর দমন-পীড়ন, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধের পাশাপাশি বিদেশে অর্থ পাচার, অন্যায়ভাবে জেল-জুলুম, হত্যা, মামলা, রিমান্ড ও আয়নাঘরে নেওয়ার মতো ঘটনা বন্ধ হোক—এমন প্রত্যাশাও ছিল মানুষের।নির্বাচনের পর দেশের পরিস্থিতি নিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আওয়ামী লীগ খারাপ, বিদায় করো ফ্যাসিবাদ’—এমন স্লোগান দিয়ে তারা আন্দোলন করেছিলেন। কিন্তু যেসব কারণে আওয়ামী লীগকে বিদায় করা হয়েছিল, দেশ এখন প্রায় একই পথেই এগোচ্ছে।সরকারের ছয় মাসের সময়কে অল্প সময় হিসেবে দেখার সমালোচনা করে তিনি ইংরেজি প্রবাদ ‘Morning shows the day’ উল্লেখ করে বলেন, ছয় মাস কোনো কম সময় নয়।কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার জন্য তালিকা তৈরির ক্ষেত্রেও দলীয়করণ করা হচ্ছে। বিএনপির বাইরে অন্য রাজনৈতিক দলের মানুষের নাম তালিকায় রাখা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, রূপসায় ঘরে ঘরে সন্ত্রাস ও মাস্তানি বেড়েছে। অস্ত্র নিয়ে সংঘাতও চলছে। তাঁর দাবি, নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষ যে পরিবর্তনের প্রত্যাশা করেছিল, তা বাস্তবায়িত হয়নি। শুধু দলের নাম পরিবর্তন হয়েছে, কাজ একই রয়ে গেছে।সমাবেশে তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিও জানান। তাঁর দাবি, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে নয় মাসে ৭২টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সাংবিধানিক, রাজনৈতিক ও বিচারিক বিষয়ে ৮৪টি সংস্কারের ব্যাপারে ঐকমত্য তৈরি হয়েছিল।ভবিষ্যতে কোনো নির্বাচিত সরকার যাতে ফ্যাসিবাদী বা কর্তৃত্ববাদী হয়ে উঠতে না পারে, সে জন্য রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তনের দাবিও জানান তিনি।গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় উপেক্ষা করার অভিযোগ তুলে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার জুলাই সনদের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছিলেন। একই রাষ্ট্রপতির আদেশে অনুষ্ঠিত দুটি ভোটের একটিকে গ্রহণ করে অন্যটি প্রত্যাখ্যান করা যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বিএনপির ৩১ দফার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সংবিধান সংস্কারের জন্য কমিশন গঠনের কথা বলেছিল। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার পর মৌলিক সংস্কারের পরিবর্তে শুধু সংশোধনের কথা বলা হচ্ছে।মিয়া গোলাম পরওয়ারের দাবি, প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে দলীয় প্রধান থাকতে পারবেন না—এমন প্রস্তাব জুলাই সনদে সব রাজনৈতিক দল মেনে নিয়েছিল।সমাবেশ শেষে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীদের জনসমক্ষে পরিচয় করিয়ে দেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই সঙ্গে তাদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করার জন্য উপস্থিত জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সূত্র: আমার দেশ

রাজনীতি ২০ ঘন্টা আগে

নানা নাটকীয়তার পর শিল্পকলাতেই এনসিপির সমন্বয় সভা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাংগঠনিক সমন্বয় সভার স্থান নিয়ে দিনভর নানা জটিলতার পর শেষ পর্যন্ত জেলা শিল্পকলা একাডেমিতেই সভা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সভা আয়োজনের পুনরায় অনুমোদন পাওয়া যায়। এরপর রাত ৭টায় শুরু হয় এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা। এতে দলের কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা অংশ নিয়েছেন।এর আগে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সভা আয়োজনের কথা থাকলেও একই স্থানে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ কর্মসূচি ঘোষণা করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিল্পকলা একাডেমির ভেন্যু বাতিলের কথা জানানো হয়।এরপর সভার স্থান হিসেবে প্রথমে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর এবং পরবর্তী সময়ে জেলা পরিষদ মিলনায়তনের নাম আলোচনায় আসে। তবে শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পুনরায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিকেই সভাস্থল নির্ধারণ করা হয়।এদিকে শনিবার দুপুরে জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসায় এনসিপির নেতৃবৃন্দ ও কওমি ছাত্রদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে কওমি ছাত্ররা শিল্পকলা একাডেমিতে ঘোষিত তাদের কর্মসূচি থেকে সরে আসেন। পাশাপাশি এনসিপির কর্মসূচিতেও কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করবেন না বলে জানান তারা।ফলে দীর্ঘ আলোচনা, মতবিনিময় এবং একাধিকবার সভাস্থল পরিবর্তনের পর শেষ পর্যন্ত জেলা শিল্পকলা একাডেমিতেই এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সূত্র: আমার দেশ

রাজনীতি ২০ ঘন্টা আগে

হেফাজত-এনসিপির সৌহার্দ্য অটুট রাখার প্রত্যয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। শনিবার সকালে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্সের আহ্বায়ক আশরাফ উদ্দিন মাহদি, কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আতাউল্লাহ, জাতীয় যুবশক্তির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী ফরহাদ সোহেল এবং এনসিপির সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জিহানসহ অন্যরা।এ সময় এনসিপির নেতারা জামিয়া ইউনুছিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুহতামিম ও জেলা হেফাজতে ইসলামের আমীর মাওলানা মুবারাকুল্লাহ, জামিয়ার মুহাদ্দিস ও জেলা হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মারুফ কাসেমী, জেলা হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শরীফ উদ্দিন আফতাবি এবং জেলা হেফাজতে ইসলামের কোষাধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাফিজের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও মহব্বত অটুট রাখার বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। সূত্র: আমার দেশ

রাজনীতি ২০ ঘন্টা আগে