ঢাকা    রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

ধর্ম

ঈদে মিলাদুন্নবী পালন না করার অভিযোগ, ভাঙ্গায় প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা কাজী শামচুন্নেচ্ছা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) যথাযথভাবে উদযাপন না করার অভিযোগে প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্তের শাস্তি ও অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় মুসল্লিরা।শুক্রবার (২৮ আগস্ট) জুমার নামাজ শেষে ভাঙ্গা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় শত শত মুসল্লি অংশ নেন। সমাবেশে বক্তারা বিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন না করার অভিযোগ তুলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করেন।সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকারি নির্দেশনা থাকার পরও বিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) যথাযথভাবে পালন করা হয়নি। একই সঙ্গে প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্তের বিরুদ্ধে ধর্মীয় বিষয় নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে গড়িমসির অভিযোগ তোলা হয়। তাকে আগামী তিন দিনের মধ্যে অপসারণের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আল্টিমেটাম দেন বিক্ষোভকারীরা।বিক্ষোভকারীরা আরও অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে দুর্নীতির সিন্ডিকেট তৈরি, অর্থ আত্মসাৎ ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত চলছে। সহকর্মী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এসব অনিয়ম করে আসছেন বলেও সমাবেশে দাবি করা হয়।সমাবেশে বক্তব্য দেন কাজী শামচুন্নেচ্ছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক অভিভাবক সদস্য মিঞা মোহাম্মদ আলমগীর, সমাজসেবক হেমায়েত হোসেন, সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এনায়েত মুন্সী, ছাত্রনেতা ও সমন্বয়ক আকাশ, ভাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বিশ্বাসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মুসল্লিরা।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মাহামুদুল হাসান বলেন, ‘বিষয়টি জানতে পেরেছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার শওকত হোসেন বলেন, সরকারি পরিপত্র প্রতিটি বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই বিদ্যালয়ে কেন ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করা হয়নি, তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত। তিনি বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের জন্য বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক জাকির হোসেনকে এক হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। তার দাবি, ওই অর্থ দিয়ে মিষ্টি কেনা হয় এবং কোর্ট মসজিদে তবারক বিতরণ করা হয়েছে। সূত্র: দৈনিক জনবাণী

ধর্ম ২৮ আগস্ট ২০২৬

ইসলামি দল না করলেই কি কাফের? যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

কোনো ইসলামি সংগঠন কিংবা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকলে কোনো মুসলমানকে ‘কাফের’ বলা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি এমন প্রবণতাকে কিছু ইসলামি দলের কর্মীদের ‘বাড়াবাড়ি’ বলে উল্লেখ করেছেন।শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, বিভিন্ন ইসলামি দলের কর্মীরা অনেক সময় নিজেদের পক্ষ থেকে এমন মন্তব্য করেন, যার কোনো ভিত্তি কোরআন-হাদিসে পাওয়া যায় না। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে দলগুলোর শীর্ষ নেতারাও কর্মীদের এ ধরনের বক্তব্য দিতে নির্দেশ দেন না।তিনি বলেন, কোনো নির্দিষ্ট বলয়, প্ল্যাটফর্ম বা সংগঠনের সঙ্গে কাজ করা—সেটি রাজনৈতিক কিংবা অরাজনৈতিক যেকোনো ধরনের হতে পারে—কাজের সুবিধার জন্য বৈধ হতে পারে। তবে কোনো সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে অন্ধ আনুগত্য সৃষ্টি করা এবং আল্লাহ ও রাসুলের নির্দেশনার চেয়ে দলীয় চিন্তা বা গোষ্ঠীকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া গুনাহের কারণ হতে পারে।মুসলমানদের রাজনীতি সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য কোন পথে কল্যাণ রয়েছে এবং কোন পথে অকল্যাণ রয়েছে, তা উপলব্ধি করার সক্ষমতা থাকা প্রয়োজন। নিজের দেশ, মাটি ও মানুষের কল্যাণ বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।তিনি আরও বলেন, কারও সিদ্ধান্তের কারণে যদি এমন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পথ সুগম হয়, যারা ইসলাম ও মুসলমানদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে, তাহলে সেই সিদ্ধান্তের বিষয়ে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও বলেন, মুসলমানদের মূলধারার সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় বিরোধে জড়ানো থেকে বিরত থাকা উচিত। শরিয়তের বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করে সেগুলোর গুরুত্ব উপলব্ধি করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে কেউ বাড়াবাড়ি করেন, আবার কেউ অতিরিক্ত ছাড় দেন। উভয় ধরনের প্রবণতা পরিহার করে সঠিক পথ অনুসরণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।এদিকে সমসাময়িক বিভিন্ন ঘটনার মধ্যে রয়েছে বিড়ি ধরানোকে কেন্দ্র করে বাবা-ছেলের মারামারি থামাতে গিয়ে এক চাচার মৃত্যু এবং নদীতে ঝাঁপ দেওয়া এক তরুণীকে পুলিশ সদস্যের উদ্ধার করার ঘটনা। এছাড়া সীমান্তে বিএসএফের সঙ্গে এক বাংলাদেশির ধস্তাধস্তি এবং অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দুপুরের মধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং কমাতে সরকার নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সহায়তায় নাটোরের ফাতেমার চীনে মেডিকেলে পড়ার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ বাংলাদেশির মরদেহও পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।সরকারের প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন ১০ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে গঙ্গা চুক্তি ও তিস্তা প্রকল্প নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নতুন দায়িত্ব পেলেন ১০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী। সূত্র: প্রবাস খবর

ধর্ম ২৮ আগস্ট ২০২৬

শুক্রবারের বিশেষ আমলে মিলতে পারে বিপুল সওয়াব

নবী করিম (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ বা তাঁর কাছে সালাম পৌঁছানোর মাধ্যমে উপকৃত হন মুসলমানরাই। একবার দরুদ বা সালাম পাঠের বিনিময়ে আল্লাহতাআলা ১০টি রহমত দান করেন। তবে শুক্রবারে দরুদ পাঠের রয়েছে আরও বেশি তাৎপর্য, সওয়াব ও ফজিলত।আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিনে তাঁর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে। কারণ এ দিনে তাঁর উম্মতের দরুদ তাঁর কাছে পৌঁছানো হয়। যে ব্যক্তি তাঁর ওপর সর্বাধিক দরুদ পাঠ করবে, কেয়ামতের দিন সে তাঁর সবচেয়ে নিকটবর্তী হবে। (তারগিব, হাদিস নং : ১৫৭)আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, জুমার দিনে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে। এ বিষয়ে জিবরাঈল (আ.) আল্লাহতাআলার বাণী নিয়ে তাঁর কাছে উপস্থিত হন। আল্লাহতাআলা বলেন, পৃথিবীর কোনো মুসলমান নবী (সা.)-এর ওপর একবার দরুদ পাঠ করলে তিনি তার ওপর ১০ বার রহমত নাজিল করেন এবং তাঁর ফেরেশতারা ওই ব্যক্তির জন্য ১০ বার ইস্তেগফার করেন। (তারগিব : ৩/২৯৯)আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, তাঁর ওপর দরুদ পাঠ পুলসিরাত পার হওয়ার সময় আলো হিসেবে কাজ করবে। আর যে ব্যক্তি জুমার দিনে ৮০ বার দরুদ পাঠ করবে, তার ৮০ বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।অন্য এক রেওয়ায়েতে নবী করিম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন আসরের নামাজের পর নিজ স্থান থেকে ওঠার আগে ৮০ বার এই দরুদ শরিফ পাঠ করবে—‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিইয়্যিল উম্মিইয়ি ওয়া আলা আলিহি ওয়া আস হাবিহি ওয়াসাল্লিমু তাসলিমা’। তার ৮০ বছরের পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে এবং তার আমলনামায় ৮০ বছরের ইবাদতের সওয়াব লেখা হবে। (আফজালুস সালাওয়াত : ২৬)আলী (রা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিনে নবী করিম (সা.)-এর ওপর ১০০ বার দরুদ পাঠ করবে, কেয়ামতের দিন সে এমন অবস্থায় উঠবে যে তার চেহারার নূরের জ্যোতি দেখে মানুষ পরস্পর বলাবলি করবে—এই ব্যক্তি কী আমল করেছিল! (কানজুল উম্মাল, হাদিস নং : ১৭৪)আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিনে তাঁর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে। কারণ এটি একটি মোবারক দিন এবং এ দিনে ফেরেশতারা উপস্থিত হন। কোনো ব্যক্তি তাঁর ওপর দরুদ পাঠ করলে তা পাঠ করার আগেই তাঁর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।আবু দারদা (রা.) জানতে চান, রাসুল (সা.)-এর ইন্তেকালের পরও কি দরুদ তাঁর কাছে পৌঁছানো হবে? জবাবে রাসুল (সা.) বলেন, ইন্তেকালের পরও তা তাঁর কাছে পৌঁছানো হবে। কারণ আল্লাহতাআলা জমিনের জন্য সব নবীর দেহ হারাম করে দিয়েছেন। (তারগিব : ৩/৩০৩)আল্লাহতাআলা আমাদের প্রত্যেককে প্রিয় নবী (সা.)-এর প্রতি বেশি বেশি দরুদ পাঠ করার তওফিক দান করুন। সূত্র: বাংলানিউজ

ধর্ম ২৮ আগস্ট ২০২৬

খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির চট্টগ্রাম জেলা শাখার ৮৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি

খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশ-এর চট্টগ্রাম জেলা শাখার ৮৬ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) হাটহাজারী মাদরাসার মিলনায়তনে আয়োজিত এক সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। হাটহাজারী মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা খলিল আহমদ কুরাইশীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাটি পরিচালনা করেন মুফতি জসিম উদ্দিন।নবগঠিত কমিটিতে আমীরে হেফাজত আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে। সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালক আল্লামা খলিল আহমদ কাসেমী আল-কোরাইশী। সেক্রেটারি হয়েছেন হাটহাজারী মাদরাসার মুফতি ও মুহাদ্দিস আল্লামা মুফতি জসিম উদ্দিন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে মুফতি হারুন ইযহারকে।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশের আমীর আল্লামা আব্দুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা রশিদ আহমাদ, মাওলানা আব্দুল আউয়াল পীর সাহেব ডিআইটি, মুফতী হাবিবুর রহমান কাসেমী নাজিরহাট, মাওলানা আব্দুল কাদির, নায়েবে আমীর মুফতি মুহাম্মদ আলী কাসেমী, মাওলানা আইয়ুব বাবুনগরী, মুফতী সাঈদ নূর, মুফতী আলী আকবর কাসেমী, মহাসচিব মুফতি মুহাম্মদ ইমাদুদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা উবায়দুল্লাহ কাসেমী, মাওলানা আবুল কাসেম আশরাফী, মাওলানা নেসার আহমদ, অর্থ সম্পাদক মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ, সহ-প্রচার সম্পাদক আব্দুল্লাহ ফিরোজী এবং কেন্দ্রীয় দাঈ মাওলানা আবু ইউসুফ প্রমুখ।চট্টগ্রামের শীর্ষ উলামায়ে কেরামের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী মাদরাসার শাইখুল হাদিস আল্লামা শেখ আহমাদ, মুহাদ্দিস মাওলানা আহমদ দিদার কাসেমী, দারুল মা’আরিফের মুহতামিম মাওলানা ফুরকানুল্লাহ খলীল, ফতেহপুর মাদরাসার মহাপরিচালক মাওলানা মাহমুদুল হাসান ফতেহপুরী, মাওলানা ইউসুফ বিন আহমদ শফী রহ., মোজাহেরুল উলুম মাদরাসার পরিচালক মাওলানা লোকমান হাকিম, চারিয়া মাদরাসার মহাপরিচালক মাওলানা উসমান সাঈদী, মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়েজী, মুফতি নুরুল আবসার আযহারী হাটহাজারী, মাওলানা মাহমুদুল করীম কাসেমী লোহাগাড়া, মুফতি হারুন ইযহার, মাওলানা ইউসুফ নদভী, মাওলানা শেহাবুদ্দিন, হাইলধর মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা তৈয়ব এবং মাওলানা জাকারিয়া হাসনাবাদী।এ ছাড়া বৃহত্তর চট্টগ্রামের বিভিন্ন মাদরাসার প্রতিনিধি ও স্থানীয় শীর্ষ উলামায়ে কেরাম সভায় অংশ নেন।সভায় বক্তারা খতমে নবুওয়ত সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আকীদা সংরক্ষণে সর্বস্তরের মুসলিম উম্মাহকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নবগঠিত চট্টগ্রাম জেলা কমিটির মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও শক্তিশালী হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।পূর্ণাঙ্গ কমিটিউপদেষ্টা পরিষদ মাওলানা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, মুহতামিম, বাবুনগর মাদরাসা মাওলানা শেখ আহমদ, শায়খুল হাদীস, হাটহাজারী মাদরাসা মাওলানা সালাহ উদ্দীন, মুহতামিম, নানুপুর মাদরাসা মুফতি শামসুদ্দিন জিয়া, মুহাদ্দিস, পটিয়া মাদরাসা মাওলানা শোয়াইব জমিরী, মুহাদ্দিস, হাটহাজারী মাদরাসা মাওলানা ওসমান ফয়জী, মুহতামিম, চারিয়া মাদরাসা মাওলানা ওসমান কাসেমী, মুহতামিম, মেখল মাদরাসা মাওলানা মুরফাকানুল্লাহ খলীল, মুহতামিম, দারুল মা’আরিফ মাদরাসা মাওলানা হারুন, মুহতামিম, শুলকবহর মাদরাসা মাওলানা আবুল হাসাইন, মুহতামিম, সাতকানিয়া মাদরাসা মাওলানা আব্দুল জালিল, মুহতামিম, চাখল মাদরাসা, বাঁশখালী হযরত মাও. মুফতি আব্দুল কাদের, মুহতামিম, কুদালা মাদরাসা হযরত মাও. হাবিবুল ওয়াহেদ, মুহতামিম, রাজঘাটা মাদরাসা মাওলানা শাহাদাত হোসাইন, মুহতামিম, দারুল উলুম রাঙ্গুনিয়া মাদরাসা মাওলানা মুফতি হাবিবুর রহমান, মুহতামিম, নাজির হাট বড় মাদরাসা মাওলানা দিদার কাসেমী, মুহাদ্দিস, হাটহাজারী মাদরাসা মাওলানা ওমর কাসেম, মুহাদ্দিস, হাটহাজারী মাদরাসা মাওলানা মাকসুদুর রহমান, মুহতামিম, জামালুল কুরআন মাদরাসা, মিরসরাই মাওলানা শিহাব উদ্দীন, মুহতামিম, ইউসুফীয়া মাদরাসা মাওলানা মীর কাসেম, পরিচালক, আল হুদা মহিলা মাদরাসা মাওলানা নাসিম উদ্দীন, গড়দুয়ারা মাদরাসা কার্যকরী পরিষদসভাপতি: মাওলানা মুফতি খলীল আহমদ কাসেমী, মুহতামিম, হাটহাজারী মাদরাসা।সহ-সভাপতি: মাওলানা একরাম ওয়াদুদী, মুহতামিম, পটিয়া মাদরাসা; মাওলানা ফুরকান, দারুল মা’আরিফ মাদরাসা; মাওলানা খুবাইব, মুহতামিম, জিরি মাদরাসা; মাওলানা মুফতি কেফায়েতুল্লাহ, হাটহাজারী মাদরাসা; মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মুহতামিম, ফতেপুর মাদরাসা; মাওলানা মাওলানা কুতুবুদ্দীন, শাইখুল হাদীস, নানুপুর মাদ্রাসা; মাওলানা লোকমান, মুহতামিম, মোজাহেরুল উলুম মাদরাসা; মাওলানা আইয়ুব বাবুনগরী, বাবুনগর মাদরাসা; মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ আলী, মেখল মাদরাসা; মাওলানা ফুরকান, হাটহাজারী মাদরাসা; মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনির, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, হাটহাজারী পৌরসভা; মাস্টর আহসান উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক, আল-আমিন সংস্থা; মাওলানা ইউসুফ মাদানী, মুহতামিম, ইউসুফিয়া মাদরাসা, রাঙ্গুনিয়া।সেক্রেটারি: আল্লামা মুফতি জসিম উদ্দিন, মুফতি ও মুহাদ্দিস, হাটহাজারী মাদরাসা।সহ-সেক্রেটারি: মাওলানা ড. নূরুল আবছার আজহারী, মাওলানা মুফতি রাশেদ, মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, মাওলানা জাকারিয়া হাসানবাদ, মাওলানা আকতার, মাওলানা জুনাইদ বিন জালাল, মাওলানা মীর ইদ্রিস, মাওলানা কায়রুল ইসলাম, মাওলানা শহিদুল আলম, মাওলানা জাকারিয়া নোমান, মাওলানা মুফতি রাশেদ, হাটহাজারী মাদরাসা, মাওলানা সাইফ উল্লাহ, চট্টগ্রাম শহর, মাওলানা সুহাইল, খাতুনিয়া, আনোয়ারা, মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ নোমানী, ইছাপুর মাদরাসা, মাওলানা মুফতি জানে আলম, রাঙ্গুনিয়াম, মাওলানা হাফেজ ইসমাইল, হাটহাজারী, হাফেজ মাওলানা সিরাজ, এম কে. টাওয়ার, মাওলানা মীর জুনাইদ, আল হুদা মহিলা মাদরাসা।সাংগঠনিক সম্পাদক: মুফতি শায়খ হারুন ইযহার, লালখান বাজার মাদরাসা; মাওলানা ইসমাইল খান, মেখল মাদরাসা; মাওলানা জাকের, ওয়ায়েসীয়া মাদরাসা; মাওলানা আলমগীর মাসউদ, আরবনগর মাদরাসা।প্রচার সম্পাদক: মাওলানা নিজাম সাইদ, হাটহাজারী মাদরাসা; মাওলানা মুসলিম, আল-আরাফাহ মাদরাসা, মুরাদপুর; মাওলানা আরিফ, নূর মসজিদ, হাটহাজারী; মাওলানা বনিলুল করিম, হাটহাজারী মাদরাসা; মাওলানা শোয়াইব, ওয়ায়েস মাদরাসা, মিরসরাই; মাওলানা আব্দুস সামি, বদনাপাড়া মাদরাসা; মাওলানা ইসমাইল, মেহেরিয়া মাদরাসা; মাওলানা শোয়াইব, সাতকানিয়া; মাওলানা হাসেম, হাটহাজারী।প্রেস সচিব: মাওলানা মুনির আহমদ, হাটহাজারী মাদরাসা।দপ্তর সম্পাদক: মাওলানা বরিশাল করিম, হাটহাজারী মাদরাসা; মাওলানা তাওহিদ, হাটহাজারী মাদরাসা; মাওলানা নিজাম সাইদ, হাটহাজারী মাদরাসা।অর্থ সম্পাদক: মাওলানা মুফতি রাশেদ, হাটহাজারী মাদরাসা; মাওলানা সাইফ উল্লাহ, চট্টগ্রাম শহর; সুহাইল, খাতুনিয়া, আনোয়ারা; মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ নোমানী, ইছাপুর মাদরাসা; মাওলানা মুফতি জানে আলম, রাঙ্গুনিয়া; হাফেজ ইসমাইল, হাটহাজারী; মাওলানা সিরাজ, এম কে. টাওয়ার; মাওলানা মীর জুনাইদ, আল হুদা মহিলা মাদরাসা। সূত্র: ইনসাফ

ধর্ম ২৭ আগস্ট ২০২৬

দরিদ্র ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের মাঝে হুইলচেয়ার ও ভ্যান বিতরণ করলেন মামুনুল হক

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে ৫০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি ও ৫০ জন দরিদ্র মানুষের মধ্যে হুইলচেয়ার ও ভ্যান বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) তাগলীবে দ্বীন ফাউন্ডেশন (টিডিএফ)-এর উদ্যোগে এবং এতিম এন্ড গরিব ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে এসব সহায়তা প্রদান করা হয়।মোল্লাহাট কলেজ মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মোল্লাহাট উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীরে মজলিস আল্লামা মামুনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এতিম এন্ড গরিব ট্রাস্ট ফান্ডের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা সালেহ আহমদ হামিদী।অনুষ্ঠানে মোল্লাহাট, চিতলমারী ও ফকীরহাট উপজেলার ৫০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিকে একটি করে হুইলচেয়ার এবং ৫০ জন দরিদ্র মানুষকে একটি করে ভ্যান দেওয়া হয়।প্রধান অতিথির বক্তব্যে আল্লামা মামুনুল হক বলেন, ৫০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার দেওয়ার মাধ্যমে তাদের চলাচল আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করার চেষ্টা করা হয়েছে। পাশাপাশি ৫০ জন খেটে খাওয়া মানুষকে ভ্যান দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে তারা স্বাবলম্বী হতে পারেন।তিনি বলেন, অনেক দরিদ্র মানুষ ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করলেও উপার্জনের একটি বড় অংশ ভ্যানের মালিককে ভাড়া হিসেবে দিতে হয়। নিজের ভ্যান থাকায় তারা শ্রমের মাধ্যমে অর্জিত অর্থের পুরোটা পরিবারের প্রয়োজন পূরণে কাজে লাগাতে পারবেন। এর ফলে পরিবারে স্বচ্ছলতা এবং জীবনযাপনে কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্য ফিরে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।অনুষ্ঠানে তাগলীবে দ্বীন ফাউন্ডেশন-টিডিএফের মহাপরিচালক মাওলানা মাসরুরুল হক, মুহাম্মাদ কামাল উদ্দীন, রাহাত খন্দকার, সাদ সাম্মানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ব্যক্তিবর্গ ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: হুদহুদ নিউজ

জাতীয় ২৭ আগস্ট ২০২৬

জসনে জুলুস নিয়ে মতভেদ থাকলে আলোচনায় বসার আহ্বান তাহেরীর

জসনে জুলুস আয়োজনের পদ্ধতি নিয়ে কওমি উলামায়ে কেরামদের সঙ্গে কোনো মতপার্থক্য থাকলে প্রশাসনের উদ্যোগে মুজাকারায় (আলোচনা ও পরামর্শ) বসার আহ্বান জানিয়েছেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের সাংগঠনিক সচিব ও দাওয়াতে ঈমানী বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মুফতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তাহেরী।বুধবার (২৬ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান।পোস্টে মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কওমি উলামায়ে কেরামদের উদ্দেশে তিনি কোনো বাহাস বা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন না। তিনি বলেন, শাব্দিক অর্থের বিবেচনায় তারা ঈদ বলে থাকেন। জসনে জুলুসের আয়োজনের পদ্ধতি নিয়ে কওমি আলেমদের কোনো দ্বিমত থাকলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মুজাকারায় বসতে তিনি প্রস্তুত।তিনি আশা প্রকাশ করেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রশাসন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতকে প্রয়োজনীয় স্পেস দেবে।মুফতি তাহেরী আরও বলেন, আল্লাহর হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শুভ আগমন উপলক্ষে আনন্দ মিছিল করা জায়েজ—এ বিষয়টি যদি প্রমাণ করতে না পারেন, তাহলে জীবনে আর কখনো ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে জসনে জুলুস আয়োজনের কথা বলবেন না।ধর্ম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বৈষম্যের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরকে ধর্মীয় সম্প্রীতির শহরে পরিণত করতে কওমি উলামায়ে কেরামদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে তিনি প্রস্তুত।পোস্টের শেষে তিনি ‘আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত জিন্দাবাদ’ উল্লেখ করেন।উল্লেখ্য, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জসনে জুলুস আয়োজনকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন ইসলামি মতাদর্শের অনুসারীদের মধ্যে আলোচনা ও মতবিরোধ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন মুফতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। সূত্র: দৈনিক জনবানী

ধর্ম ২৭ আগস্ট ২০২৬

লাখো মানুষের অংশগ্রহণে চট্টগ্রামে ৫৫তম ‘জশনে জুলুস’

হামদ, নাত, তাকবির, দরুদ শরিফ ও জিকিরে মুখর হয়ে ওঠে চট্টগ্রাম নগরী। বুধবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৫৫তম ‘জশনে জুলুস’। ভোর থেকেই নগরের ষোলশহর ও আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন বয়সী মানুষ জড়ো হতে শুরু করেন। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে জনসমাগম।গত বছরের জশনে জুলুসে পদদলিত হয়ে দুজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটায় এবার শুরু থেকেই নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আয়োজকদের সতর্ক অবস্থানের মধ্যে কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই শেষ হয়েছে এবারের আয়োজন।বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নগরের ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা-সংলগ্ন আলমগীর খানকা-এ-কাদেরিয়া সৈয়্যদিয়া থেকে জুলুস শুরু হয়। এতে নগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা লাখো মানুষ অংশ নেন।১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিবছর ১২ রবিউল আউয়াল আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রামে জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৪ সালে আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (রহ.) এ জুলুসের সূচনা করেন।এবারের জুলুসে নেতৃত্ব দেন সৈয়দ মুহাম্মদ সাবের শাহ। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাহেবজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ কাসেম শাহ ও শাহজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব আহমেদ শাহ।ভোর থেকেই নগর ও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ জুলুসে যোগ দিতে ষোলশহর এলাকায় আসতে থাকেন। কেউ হেঁটে, আবার কেউ ট্রাক ও পিকআপে করে সেখানে পৌঁছান। জুলুস ঘিরে চারপাশে কোরআন তিলাওয়াত, হামদ, নাত ও দরুদ শরিফের সুর ছড়িয়ে পড়ে।জুলুস উপলক্ষে মুরাদপুর থেকে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা পর্যন্ত বসে ভাসমান মেলা। বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি, শরবত ও খাবার বিতরণ করা হয়। নগরের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সড়ক বিভাজকগুলো তোরণ, পতাকা, ফেস্টুন ও ব্যানারে সাজানো হয়।জুলুসের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আনজুমান ট্রাস্টের প্রায় ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করেন। মুসল্লিদের সুবিধার জন্য মাদ্রাসা ও আশপাশের এলাকায় অস্থায়ী শৌচাগার স্থাপন করা হয়।নির্ধারিত রোডম্যাপ অনুযায়ী ষোলশহর থেকে জুলুসটি বিবিরহাট, মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট, জিইসি মোড়, ওয়াসা, দামপাড়া, লালখান বাজার ও টাইগারপাস হয়ে নির্ধারিত পথে ফিরে জুলুস ময়দানে গিয়ে শেষ হয়।এদিকে জশনে জুলুসকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নগর পুলিশ নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করে। গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও জুলুসের রুটে গোয়েন্দা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। পাশাপাশি যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।গত বছর জশনে জুলুস চলাকালে পদদলিত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও অন্তত ছয়জন আহত হন। ওই ঘটনার পর এবার জুলুস ঘিরে নিরাপত্তা ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।এবার অবশ্য কোনো দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। বিপুল মানুষের অংশগ্রহণ সত্ত্বেও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত জশনে জুলুস।চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, লাখো মানুষের উপস্থিতিতে জশনে জুলুস শেষ হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে পুলিশের প্রস্তুতি ছিল। সূত্র: বাংলাধারা

ধর্ম ২৭ আগস্ট ২০২৬

জশনে জুলুসের বিরোধিতাকারীদের নিয়ে যা বললেন মোছাইব উদ্দিন

জশনে জুলুস ও ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) নিয়ে বিরোধিতা ও সমালোচনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন আঞ্জুমানে রহমানিয়া সুন্নিয়া আলিয়া ট্রাস্টের মুখপাত্র অ্যাডভোকেট মোছাইব উদ্দিন বখতিয়ার। তিনি মন্তব্য করেছেন, যারা জশনে জুলুসের বিরোধিতা করেন, তাদের মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন।বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রামে জশনে জুলুস ও ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন।মোছাইব উদ্দিন বখতিয়ার বলেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ধরায় আগমন উপলক্ষে আনন্দ মিছিল বা জশনে জুলুস আয়োজন করা সুন্নত ও সওয়াবের কাজ। তাঁর দাবি, কোটি কোটি আশেকে রাসুল আনন্দ ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।তিনি অভিযোগ করেন, একটি শ্রেণি অকারণে জশনে জুলুসের বিরোধিতা করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তাঁর ভাষ্য, সুস্থ মস্তিষ্কের কোনো ঈমানদার মানুষ মহানবী (সা.)-এর জন্ম উপলক্ষে আয়োজিত আনন্দ শোভাযাত্রার বিরোধিতা করতে পারেন না।চট্টগ্রামের জশনে জুলুসের ব্যাপকতা ও গুরুত্ব তুলে ধরে ট্রাস্টের এই মুখপাত্র বলেন, প্রতিবছর পবিত্র ও তরিকতভিত্তিক পরিবেশে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন।তিনি দাবি করেন, চট্টগ্রামের জশনে জুলুস বিশ্বের বৃহৎ ধর্মীয় শোভাযাত্রাগুলোর অন্যতম। বাংলাদেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও এ আয়োজন একটি স্বতন্ত্র দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।মোছাইব উদ্দিন বখতিয়ার আরও বলেন, এমন একটি ইতিবাচক ও আধ্যাত্মিক আয়োজনের বিরুদ্ধে কটূক্তি কিংবা অপপ্রচার চালানো সংকীর্ণ মানসিকতার প্রকাশ। বিতর্ক ও সমালোচনার পরিবর্তে জশনে জুলুসকে কেন্দ্র করে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সূত্র: দৈনিক দেশের পত্র

ধর্ম ২৬ আগস্ট ২০২৬

সৈয়দপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঈদে মিলাদুন নবী (সা:) উদযাপিত, বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালী

পবিত্র ঈদে মিলাদুন নবী (সা:) উপলক্ষে সৈয়দপুরে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালী বের করা হয়। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস স্মরণে আয়োজিত এই র‌্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।আনন্দ র‌্যালীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের জয়শরীফ থেকে আগত বিশিষ্ট পীরে তরিক্বাত হযরত সৈয়দ মো: জামাল আল আশরাফ আল আশরাফী আল জিলানী।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম ,মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য, নীলফামারী-৪ আসন ।সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির শাহীন আকতার শাহীন ,সাধারণ সম্পাদক।সৈয়দপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামী র ভারপ্রাপ্ত আমির শফিকুল ইসলাম ।শরফুদ্দিন খাঁন ,শহর আমির, জামায়াতে ইসলামী।র‌্যালী ও এর পরবর্তী সংক্ষিপ্ত কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের হাজারো তৌহিদি জনতা অংশগ্রহণ করেন। র‌্যালী শেষে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ধর্ম ২৬ আগস্ট ২০২৬

নবীজির আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, বিশ্বে চলমান পরিস্থিতির পরিবর্তন করতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নীতি ও আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই।**বুধবার রাজধানীর চাঁন কমিউনিটি সেন্টারে ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি উপলক্ষে আহলা দরবার শরীফ আয়োজিত ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর সেমিনার ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, মহানবী (সা.)-এর আগমন গোটা বিশ্বের জন্য সুসংবাদ। তাঁর আগমনের মধ্য দিয়ে ইসলাম শান্তি, মানবতা ও সাম্যের ধর্ম হিসেবে বিশ্বে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। ইসলামকে বিভিন্নভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হলেও রাসুল (সা.)-এর দেখানো পথ অনুসরণ করেই পৃথিবীতে কল্যাণ ও সাম্য প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।দেশের বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ অন্যান্য সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা এসব সমস্যা নতুন সরকার উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছে। আগের সরকারের সময়ে অনিয়ম ও উদাসীনতার কারণে এসব সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। তাই এসব সমস্যার সমাধান রাতারাতি করা সম্ভব নয়।পুরান ঢাকার নাগরিক সমস্যার প্রসঙ্গে আবদুস সালাম বলেন, জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ হলো নাজুক ও ক্ষতিগ্রস্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা। জলাবদ্ধতা দূর করতে সাময়িক ব্যবস্থা নয়, বরং পানি বুড়িগঙ্গায় নিষ্কাশনের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন। অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং খাল, বিল, পুকুর ও খোলা জায়গা দখল করে ভবন নির্মাণের কারণে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। পুরান ঢাকার সরু রাস্তা ও ঘনবসতির বাস্তবতা বিবেচনায় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, প্রত্যেককে নিজের ঘরবাড়ি, আঙিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ—এ বিষয়টি সবাইকে মনে রাখতে হবে। সূত্র: দেশ বুলেটিন

ধর্ম ২৬ আগস্ট ২০২৬