আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৮ নং ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড থেকে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে স্থানীয় জনগণের নজর কেড়েছেন মাওলানা আল আমিন। সততা, নিষ্ঠা এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সর্বস্তরের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য একজন ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি পরিচিতি লাভ করেছেন। ৭নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, শিক্ষাবান্ধব ও ডিজিটাল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে তিনি তাঁর উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।মাওলানা আল আমিন তাঁর নির্বাচনী ভাবনার অংশ হিসেবে কয়েকটি বিশেষ খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন:শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন: ওয়ার্ডের প্রতিটি শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মাদরাসাগুলোর ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।টেকসই রাস্তাঘাট ও যোগাযোগ ব্যবস্থা: ওয়ার্ডের চলাচলের অনুযোগী গ্রামীণ কাঁচা রাস্তা সংস্কার ও পাকা করার মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটানো।সরকারি সুযোগ-সুবিধার সুষম বন্টন: ভিজিডি, ভিজিএফ, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতার মতো সরকারি সুযোগ-সুবিধাগুলো স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির ঊর্ধ্বে উঠে প্রকৃত প্রাপ্য ব্যক্তিদের হাতে পৌঁছে দেওয়া।ইনসাফভিত্তিক ও ন্যায়বিচার সমাজ: গ্রাম্য সালিশ ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং সর্বস্তরের মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন।ওয়ার্ডভিত্তিক সার্বিক উন্নয়ন: তরুণ সমাজের জন্য খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের পরিবেশ সৃষ্টি এবং ড্রেনেজ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে একটি পরিচ্ছন্ন ওয়ার্ড গঠন।স্থানীয় জনসাধারণের উদ্দেশ্যে মাওলানা আল আমিন বলেন,"আমি ক্ষমতার মোহ থেকে নয়, বরং আপনাদের সেবা করার মহান ব্রত নিয়ে নির্বাচনে মেম্বার পদপ্রার্থী হয়েছি। আপনারা যদি আমাকে ৭নং ওয়ার্ডের সেবা করার সুযোগ দেন, তবে সরকারি সমস্ত ভাতা ও বরাদ্দ সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত উপায়ে জনগণের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিব। ৭নং ওয়ার্ডকে একটি শান্তিময় ও আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য।"জ্ঞাপন সংক্রান্ত বিশেষ ঘোষণা(এটি ইনসাফ টাইমস ২৪-এ প্রকাশিত একটি প্রদেয় বিজ্ঞাপন।এই সংবাদে প্রকাশিত প্রার্থীর উন্নয়ন পরিকল্পনা ও দাবিকৃত তথ্যের দায়-দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে বিজ্ঞাপনদাতার বা সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর নিজস্ব। এর সাথে 'ইনসাফ টাইমস ২৪' কিংবা সংবাদমাধ্যমের নিজস্ব সম্পাদকীয় নীতিমালার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।)
কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ৮নং ঘাড়মোড়া ইউনিয়ন পরিষদের পর পর তিনবারের সফল ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান শাহজাহান মোল্লা এবারও আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুত নিচ্ছেন। ইউনিয়নবাসীর অগাধ ভালোবাসা ও সমর্থনে টানা তিন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন এই প্রবীণ ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।পারিবারিক ঐতিহ্য ও জনসেবার ধারাবাহিকতা থেকেই শাহজাহান মোল্লার রাজনীতিতে আগমন। তাঁর পিতা মরহুম সামাদ মোল্লা ছিলেন ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের সাবেক জনপ্রিয় চেয়ারম্যান। পিতার প্রয়াণের পর ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। পিতার আদর্শ ও জনসেবার পথ ধরে প্রথম নির্বাচনেই বিপুল ভোটে বিজয়ী হন তিনি। এর পর থেকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি; টানা তিনবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ব্যাপক অবকাঠামোগত ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করেছেন।শাহজাহান মোল্লা কেবল একজন সফল জনপ্রতিনিধিই নন, তিনি স্থানীয় রাজনীতিতেও একজন গুরুত্বপূর্ণ কাণ্ডারী। বর্তমানে তিনি হোমনা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক বৈরী পরিবেশ এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও জনতার প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা কিংবা প্রতিপক্ষের নানা কৌশল সত্ত্বেও ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের জনগণ বারবার তাঁর ওপরই আস্থা রেখেছেন, ফলে নির্বাচনে তাঁকে পরাজিত করা সম্ভব হয়নি।স্থানীয় ভোটাররা জানান, শাহজাহান মোল্লা সব সময় সুখ-দুঃখে জনগণের পাশে থাকেন। তাঁর সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কারণেই সাধারণ মানুষ তাঁকে নিজেদের অভিভাবক মনে করে।আগামী নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। ইউনিয়নবাসী আবারও তাঁকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চান।আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে শাহজাহান মোল্লা বলেন, "আমার বাবা মরহুম সামাদ মোল্লা সারাজীবন এ দেশের ও এ ইউনিয়নের মানুষের সেবা করে গেছেন। তাঁর মৃত্যুর পর ঘাড়মোড়ার সাধারণ জনগণ আমাকে যে সম্মান ও ভালোবাসা দিয়ে টানা তিনবার বিজয়ী করেছেন, তার ঋণ আমি কোনোদিন শোধ করতে পারব না। প্রতিপক্ষের সব প্রতিকূলতা জয় করে আমি সবসময় জনগণের ভোটাধিকার ও ভালোবাসার মর্যাদা দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ, আগামী নির্বাচনেও জনগণ আমার কাজের মূল্যায়ন করবে এবং সুখে-দুঃখে আমি আমৃত্যু ঘাড়মোড়াবাসীর সেবায় নিয়োজিত থাকব।"
তিতাসের জগৎপুর ইউনিয়নের চাঁনপুর এলাকার একটি এনজিও কার্যালয়কে কেন্দ্র করে এক প্রবাসীর স্ত্রী ও এনজিও কর্মকর্তা সাকিব নামের এক ব্যক্তির অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে।প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, চরকুমারীয়া গ্রামের এক নারী, যিনি বর্তমানে সাতানী গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীরূপে বসবাস করছেন, তিনি বাগেরহাটের বাসিন্দা ও এনজিওটির ক্যাশিয়ার সজিব/সাকিব নামের কর্মকর্তার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। সম্পর্কের একপর্যায়ে উক্ত কর্মকর্তা কৌশলে তাদের শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইমোতে চ্যাটিংয়ের সময়ও উক্ত নারী আপত্তিকর অবস্থায় ভিডিও কলে যুক্ত হতেন।পরবর্তীতে এসব তথ্য ও প্রমাণ উক্ত নারীর প্রবাসী স্বামী মামুনের গোচরে আসে। তবে বিষয়গুলো প্রকাশ্যে আসার পরও প্রবাস ফেরত স্বামী মামুন ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রামে ওই প্রবাসী স্বামীর নিজস্ব কিছু বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণেও পুরো ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে এনজিও কর্মকর্তা সাকিবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, উক্ত নারী টাকার লোভে তাকে স্বামী পরিচয় দিয়ে সন্তানসহ কক্সবাজার ও সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে নিয়ে গেছেন। পরবর্তীতে ওই নারীর একাধিক সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পেরে সাকিব নিজে থেকেই সেখান থেকে সরে আসেন এবং চাকরি ছেড়ে দেন।তবে এ বিষয়ে এনজিও ম্যানেজারের সাথে কথা বললে তিনি ভিন্ন তথ্য দেন তিনি জানান, ক্যাশিয়ার সাকিব অনৈতিক কোনো কারণে নয়, বরং ক্যাশের টাকা নিয়মিত শর্ট পড়ার কারণে তাকে জাবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়। পরবর্তীতে সমিতির কেন্দ্রীয় নিয়ম অনুযায়ী তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের এমন ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
কুমিল্লার হোমনা পৌরসভার শ্রীমদ্দি গ্রামে ট্রলারডুবিতে একই পরিবারের ৪ জন নিহতের ঘটনায় মরহুমদের রুহের মাগফিরাত কামনায় এক দোয়া ও আলোচনা মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, হোমনা উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি জনাব নাজিম উদ্দিন মোল্লা। তিনি তাঁর বক্তব্যে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন। উক্ত দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা উত্তরের জেলা সেক্রেটারি জনাব সাইফুল ইসলাম শহীদ, তিতাস উপজেলা আমীর জনাব শামীম সরকার বিজু এবং হোমনা উপজেলার আমীর মাওলানা মোঃ ছাইদুল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হোমনা পৌরসভা আমীর জনাব মাওলানা ইব্রাহিম খলিল। মাহফিলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। মোনাজাতে মরহুমদের জান্নাতবাসী করার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া করা হয়।
আসন্ন ৬নং নিলখী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩নং ওয়ার্ডে নির্বাচনি আবহাওয়া জমে উঠেছে। এ নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড থেকে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন শাহ পরান (বিএ অনার্স, এম.এ মাস্টার্স)। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে সুপরিচিত শাহ পরান ঘারমোড়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। তাঁর উচ্চশিক্ষিত পটভূমি ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। নির্বাচনি গণসংযোগ ও প্রচারণায় শাহ পরান এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার এবং জনগণের সুশাসন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। ৩নং ওয়ার্ডের মানুষের সার্বিক কল্যাণ ও এলাকার অগ্রগতি নিশ্চিত করাই তাঁর মূল লক্ষ্য বলে জানান সমর্থকরা। শাহ পরান তাঁর নির্বাচনি প্রচারণায় এলাকার সর্বস্তরের জনগণের কাছে দোয়া, সমর্থন ও ভালোবাসা প্রত্যাশা করেছেন। স্থানীয় সাধারণ জনগণ ও সমর্থকরাও তাঁর পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন এবং জয়ের ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেছেন।
কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলার ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এই ওয়ার্ডের জনপ্রিয় ও সফল বর্তমান (রানিং) মেম্বার মো. জামাল উদ্দিন টানা দ্বিতীয়বারের মতো আবারও বিজয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে মাঠে নেমেছেন। সর্বশেষ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে তিনি ওয়ার্ডবাসীর সেবা করে আসছেন।গত মেয়াদে দায়িত্ব পালনকালে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট সংস্কার, সামাজিক সুরক্ষা ভাতা বণ্টন এবং নানা উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে জামাল উদ্দিন এলাকার সর্বস্তরের মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। রানিং মেম্বার হিসেবে তার এই সফলতা ও সার্বক্ষণিক উপস্থিতি ভোটারদের মাঝে নতুন করে আশা ও উদ্দীপনার সঞ্চার করেছে। টানা দ্বিতীয়বারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রসঙ্গে মো. জামাল উদ্দিন বলেন গত নির্বাচনে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষ আমাকে মূল্যবান ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছিলেন। বিগত দিনগুলোতে আমি সাধ্যমতো মানুষের সেবায় পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। গত মেয়াদের অসমাপ্ত উন্নয়নমূলক কাজগুলো শেষ করতে এবং একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত ও আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে ৭ নম্বর ওয়ার্ডকে গড়ে তুলতেই মূলত দ্বিতীয়বারের মতো প্রার্থী হওয়া। আশা করি, আমার অবদানের কথা বিবেচনা করে জনগণ এবারও আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন। এলাকার প্রবীণ ও তরুণ ভোটাররা জানান, রানিং মেম্বার হিসেবে জামাল উদ্দিন সবসময় জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে ছিলেন এবং নিরপেক্ষভাবে কাজ করেছেন। ফলে টানা দ্বিতীয় মেয়াদেও তার বিজয়ের ব্যাপারে এলাকবাসী অত্যন্ত আশাবাদী ও ঐক্যবদ্ধ।
কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলার ঘারমোড়া ইউনিয়নে রোজ বুধবার সকালে মনিপুর গ্রামে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যায়। বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হওয়া ব্যক্তির নাম নাজমুল ইসলাম (২৩) তিনি প্রি ক্যাডেট স্কুলের একজন শিক্ষক। মৃত ব্যক্তি দক্ষিন মনিপুর মরহুম নজরুল ইসলামের ছেলে, জানা যায়,নাজমুল সকাল ৭ টার দিকে বাড়িতে চার্জার লাইট চার্জ দিতে গিয়ে অসাবধানতা বশত বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে গুরুত্বর আহত হয়। পরে স্বজনরা উদ্ধার করে হোমনা সরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. সিরাজুল ইসলাম মানিক বলেন, হাসপাতালে আসার পূর্বেই তার মৃত্যু হয়েছে।
কুমিল্লায় হোমনার ঘারমোরা আবুল কাসেম মোহাম্মদ ফজলুল হক মোল্লা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি ২৩ ব্যাচের পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে স্কুল প্রাঙ্গণ। এসএসসি ২৩ ব্যাচের প্রায় অর্ধ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন।শিক্ষার্থীরা স্কুল জীবনের দীর্ঘদিন পরে একসাথে হয়ে আনন্দে মেতে ওঠে।স্কুল জীবনের স্মৃতিচারণ, ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার সম্পর্কে আলোচনা ও দুপুরে মধ্যাহ্নভোজের মধ্য দিয়ে চমৎকার ভাবে দিনটি কাটায় শিক্ষার্থীরা । শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রাণের সঞ্চার হয় পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠানে। ২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা তাদের এই বন্ধন অদূর ভবিষ্যতেও অটুট থাকবে।
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় ইউপি নির্বাচনের প্রচারণায় ‘বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেছেন বিএনপির এক নেতা। সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের মেজ ছেলে সাঈদ।মৃত সাইফুল ইসলাম খোকন চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে তিনি সুহিলপুর ইউনিয়নে বিএনপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন।পারিবারিক ও দলীয় সূত্র জানায়, অন্যান্য দিনের মতো সোমবারও সুহিলপুর ইউনিয়নে দিনব্যাপী শোডাউন ও গণসংযোগ করেন সাইফুল ইসলাম খোকন। দিনভর প্রচারণা শেষে সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত একটি পথসভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন তিনি। সেখানে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান সংসদ সদস্য তাকেই চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত প্রার্থী করবেন।কর্মসূচি শেষ করে রাতে বাড়ি ফেরেন তিনি। এরপর নৈশভোজ সেরে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে স্বজনরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তিনি মারা যান।সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে সুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।সুহিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মোস্তফা আহমেদ শোক জানিয়ে বলেন, এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান হওয়ার প্রবল ইচ্ছা ছিল সাইফুল ইসলাম খোকনের। সোমবারও তিনি দিনভর তাদের সঙ্গে পুরো ইউনিয়নে গণসংযোগ করেছেন। কিন্তু গভীর রাতে তার মৃত্যুর খবর শুনতে হবে—এমন আকস্মিক বিদায় মেনে নেওয়া কঠিন।চান্দিনা উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মাওলানা আবুল খায়ের বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন বিএনপির একজন পরীক্ষিত নেতা ছিলেন। শোডাউনে নেতাকর্মীদের আশ্বস্ত করে তিনি গর্বের সঙ্গে বলেছিলেন, ‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না।’ এমন দৃঢ় বক্তব্য দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার মৃত্যু সবাইকে বাকরুদ্ধ করে দিয়েছে।কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য ও চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, তার মরহুম পিতার সময় থেকেই সাইফুল ইসলাম খোকন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। তার অকালমৃত্যুতে সুহিলপুর ইউনিয়নসহ চান্দিনা উপজেলা বিএনপিতে অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হয়েছে। সূত্র: আমার দেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সিলেট বিভাগ গঠনের পর ১৯৯৪ সালে কুমিল্লাকে বিভাগ করার দাবি ওঠে। এত বছর ধরে কুমিল্লাবাসী বিভাগ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন। তাহলে কুমিল্লাবাসীর অপরাধ কী?তিনি বলেন, কুমিল্লা বিভাগ নিয়ে আর কোনো টালবাহানা না করে দ্রুত বিভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে। ১৯৯৪ সাল থেকেই কুমিল্লাবাসী এ দাবিতে সোচ্চার। তাই ‘কুমিল্লা’ নামেই দ্রুত বিভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে।শনিবার কুমিল্লায় লংমার্চ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান।সমাবেশে তিনি কুমিল্লার বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা তুলে ধরে বলেন, কুমিল্লার মানুষ ঠিকমতো গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি পাচ্ছেন কি না—সেটিও ভাবতে হবে। চাঁদাবাজি ছাড়া ব্যবসা করা সম্ভব হচ্ছে কি না, কুমিল্লায় দুর্নীতি রয়েছে কি না এবং জনগণ দুর্নীতিমুক্ত সমাজ দেখতে চান কি না—এসব প্রশ্নও তিনি করেন।দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও জনদুর্ভোগের অবসানসহ ছয় দফা দাবি আদায়ে রাজপথে নামার কথা জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যেই তারা রাস্তায় নেমেছেন। তিনি উপস্থিত জনগণের উদ্দেশে জানতে চান, তারা সমাধান চান কি না। দুর্নীতি ও ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সব দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলেও জানান তিনি।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের দাবির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। সব দাবি আদায় করেই তারা ঘরে ফিরবেন।কুমিল্লার সঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদের সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত আমির বলেন, খন্দকার মোশতাকের বাড়ি কুমিল্লায় হওয়ায় যদি কুমিল্লার প্রতি কোনো ধরনের বিরূপ মনোভাব দেখানো হয়ে থাকে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো জেলা বা অঞ্চলের মানুষকে অবহেলা কিংবা অপমান করা হলে ওই অঞ্চলের মানুষের মনে কষ্ট সৃষ্টি হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জামায়াত আমির। সাধারণ মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন কিছু বলেন না? তিনি তো সংসদে সব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ নিজের মন্ত্রণালয়েরই কোনো খবর নেই—আমরা আর কী বলব!তিনি আরও বলেন, বিএনপির সিনিয়র নেতা বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, দেশে নাকি মাদকের জয়জয়কার চলছে এবং এসব মাদক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা দিয়েই আসছে। কিন্তু তিনি নিজের বাড়ির মাদকের চালানই বন্ধ করতে পারছেন না, অথচ সব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়ে বসে আছেন।কুমিল্লায় আয়োজিত লংমার্চ কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক এবং জামায়াতের নায়েবে আমির ও বিরোধীদলীয় উপনেতা ড. আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।এ ছাড়া সমাবেশে বক্তব্য দেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটওয়ারী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুম, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আবদুল হালিমসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা। সূত্র: আমার দেশ