সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৪ জেলায় ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে, বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয়– টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার (কি. মি.) বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।তাই সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
ঢাকায় আজ দুপুরের মধ্যে হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে মেঘলা থাকতে পারে ঢাকার আকাশ।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য দেয়া এক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।পূর্বাভাসে বলা হয়, ঢাকার আকাশ আংশিক থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। এসময় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দিনের তাপমাত্রা সাধারনত অপরিবর্তিত থাকতে পারে।এছাড়া দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।এদিকে সারা দেশের জন্য দেয়া ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, আজ রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ফের ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের সীমা ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাতকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে বুধবার আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট নর্থ সি ক্রুডের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যায়।চলতি শতাব্দীতে যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকট এবং মহামারিসহ বিভিন্ন ঘটনার প্রভাবে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে ব্যাপক ওঠানামা হয়েছে।২০২৬: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে ফের ১০০ ডলার২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত শুরু হওয়ার পরপরই তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যায়। সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়।এপ্রিলের শেষ দিকে ব্রেন্টের দাম সর্বোচ্চ ১২৬ দশমিক ৪১ ডলারে পৌঁছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তেলচুক্তি ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআইয়ের দাম মার্চের শুরুতে সর্বোচ্চ ১১৯ দশমিক ৪৮ ডলারে ওঠে।পরবর্তী সময়ে সংঘাত কমে আসার প্রত্যাশা, চীনের দুর্বল তেল চাহিদা এবং বিভিন্ন দেশের কৌশলগত তেল মজুত থেকে বিপুল পরিমাণ তেল বাজারে ছাড়ার কারণে জুনে দাম কমতে শুরু করে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত বন্ধের বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হওয়ার পর তেলের দাম যুদ্ধ শুরুর আগের পর্যায়ের নিচেও নেমে যায়।তবে আগস্টের শেষ দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত আবার তীব্র হয়ে উঠলে ব্রেন্টের দাম পুনরায় ১০০ ডলারের সীমা অতিক্রম করে। এ সময় ডব্লিউটিআইয়ের দাম প্রায় ৯৫ ডলারে অবস্থান করছে।ইউক্রেন যুদ্ধেও তেলের বাজারে বড় উল্লম্ফন২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালানোর পর আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি দেখা যায়। ওই বছরের ফেব্রুয়ারিতে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রথমে ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যায়।মার্চে ব্রেন্টের দাম বেড়ে ১৩৯ দশমিক ১৩ ডলারে এবং ডব্লিউটিআই ১৩০ দশমিক ৫০ ডলারে পৌঁছায়। এই দাম ২০০৮ সালের রেকর্ডের কাছাকাছি ছিল।রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞার পর তেল সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা এবং করোনা মহামারির পর চাহিদা বৃদ্ধির ফলে ২০২২ সালের গ্রীষ্ম পর্যন্ত বেশির ভাগ সময় তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে ছিল। পরবর্তী সময়ে সরবরাহ বাড়ায় দাম কমে আসে।২০২০: তেলের দাম নেমেছিল ঋণাত্মক ৪০ ডলারে২০২০ সালে করোনাভাইরাস মহামারির সময় তেলের বাজারে নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়। অফিস-কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং বিমান চলাচল স্থবির হয়ে পড়ায় তেলের চাহিদা ব্যাপকভাবে কমে যায়।একই সময়ে তেল সংরক্ষণের জায়গার সংকট এবং সৌদি আরব ও রাশিয়ার মধ্যকার মূল্যযুদ্ধ বাজার পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করে তোলে।একপর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই তেলের দাম ঋণাত্মক ৪০ দশমিক ৩২ ডলারে নেমে যায়। এর অর্থ ছিল, উৎপাদকদের ক্রেতাদের তেল গ্রহণের জন্য অর্থ দিতে হয়েছিল। একই সময়ে ব্রেন্টের দামও রেকর্ড সর্বনিম্ন ১৫ দশমিক ৯৮ ডলারে নেমে আসে।ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞায় ২০১২ সালে ফের দাম বাড়ে২০১২ সালেও ইরানকে ঘিরে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়ে তেলের বাজারে। ইউরোজোনের অর্থনৈতিক সংকটের কারণে তেলের দাম ৯০ ডলারের নিচে নেমে যাওয়ার পর ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধে দেশটির বিরুদ্ধে একাধিক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।এসব নিষেধাজ্ঞার মধ্যে অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞাও ছিল। এর ফলে তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যায়।সিরিয়া সংকটসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তৃত উত্তেজনার প্রভাবে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তেলের দাম প্রায় ধারাবাহিকভাবে ১০০ ডলারের ওপরে ছিল। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের শেল তেল ব্যাপক পরিমাণে বাজারে আসতে শুরু করলে ২০১৫ সালের শুরুতে দাম ৫০ ডলারের নিচে নেমে যায়।আরব বসন্তেও প্রভাব পড়ে তেলের বাজারে২০১১ সালের আরব বসন্তও আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে বড় প্রভাব ফেলেছিল। মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার তেল উৎপাদনকারী এলাকাগুলোতে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় ওই বছরের মার্চে ব্রেন্টের দাম বেড়ে ১২৭ ডলারে পৌঁছায়।তিউনিসিয়া, মিসর ও ইয়েমেনে দীর্ঘদিনের শাসকদের পতনের পাশাপাশি লিবিয়াসহ অন্যান্য দেশে অস্থিরতা দেখা দেয়। এতে তেল সরবরাহ নিয়ে বাজারে উদ্বেগ আরও বাড়ে।২০০৮: তেলের দামে শতাব্দীর সর্বোচ্চ উত্থানচলতি শতাব্দীতে তেলের দামে সবচেয়ে বড় উত্থান দেখা যায় ২০০৮ সালে। ওই বছরের শুরুতেই প্রথমবারের মতো ব্রেন্টের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের সীমা অতিক্রম করে।১১ জুলাই ব্রেন্টের দাম রেকর্ড ১৪৭ দশমিক ৫০ ডলারে উঠে যায়। একই দিনে ডব্লিউটিআইয়ের দামও সর্বকালের সর্বোচ্চ ১৪৭ দশমিক ২৭ ডলারে পৌঁছায়।যুক্তরাষ্ট্রে তেলের মজুত কমে যাওয়া, চীনের শক্তিশালী চাহিদা এবং ইরান ও নাইজেরিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোতে অস্থিরতা তেলের দাম বাড়াতে ভূমিকা রাখে। এর পাশাপাশি ডলারের দুর্বলতাও তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে সহায়তা করে।তবে কয়েক মাসের মধ্যেই বাজারের চিত্র পুরোপুরি পাল্টে যায়। বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পর বিশ্ব অর্থনীতিতে তীব্র মন্দা দেখা দিলে ২০০৮ সালের ডিসেম্বর নাগাদ ব্রেন্টের দাম প্রায় ৩৬ ডলারে নেমে আসে।চলতি শতাব্দীর তেলের বাজারের ইতিহাস থেকে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক সংঘাত, রাজনৈতিক অস্থিরতা, সরবরাহ সংকট, অর্থনৈতিক মন্দা এবং বৈশ্বিক মহামারির মতো ঘটনা অল্প সময়ের মধ্যেই তেলের দামে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। ২০০৮ সালের প্রায় ১৫০ ডলারের রেকর্ড উচ্চতা থেকে ২০২০ সালে ঋণাত্মক দামে পতন এবং ২০২৬ ড 7আবার ১০০ ডলারের ওপরে ওঠা সেই অস্থিরতারই ধারাবাহিক চিত্র। সূত্র: ডন7
দেশের ১২ অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়ার সই করা পূর্বাভাসে বলা হয়, রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দেশের ৮ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব অঞ্চলে অস্থায়ীভাবে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।এ কারণে এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হবে। নদীপথে নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে।সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।মঙ্গলবার বিকেল ৩টা থেকে দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত এ সতর্কবার্তা কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আকাশ মেঘলা থাকতে পারে। সেই সঙ্গে হালকা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, রাতের মধ্যে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় রাজধানীতে ২৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯০ শতাংশ।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় মোট ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতিতে নগরবাসীকে প্রয়োজন অনুযায়ী সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দেশের ১০ জেলায় রাতের মধ্যে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে, বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।রোববার (২২ আগস্ট) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য রাত ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয়– রংপুর, রাজশাহী, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারেতাই বিকেল ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।