ঢাকা    সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

বিশেষ সংবাদ

ছোটবিঘাইয়ে নদীভাঙন রোধে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের নির্দেশ: উদযাপিত ‘প্রাউড অফ পটুয়াখালী’ সহ স্থানীয়দের যৌথ উদ্যোগ

পটুয়াখালী জেলার সদর উপজেলা। ছোটবিঘাই ইউনিয়নে পায়রা নদীর দীর্ঘদিনের ভয়াবহ ভাঙন প্রতিরোধে অবশেষে আলোর মুখ দেখতে শুরু করেছে এলাকাবাসী। দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের জোরালো প্রচেষ্টার প্রেক্ষিতে নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন।গত ১৭ মে ২০২৬ তারিখে ‘দৈনিক আলোকিত সকাল’ পত্রিকায় ছোটবিঘাইয়ে পায়রা নদীর ১০০ বছরের ক্ষত ও নিঃস্ব জনপদের আকুতি নিয়ে একটি বিশেষ চিত্রসংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর থেকে এর সচিত্র তথ্য ও গুরুত্ব নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন এলাকার সচেতন তরুণ ও প্রতিনিধিরা।বিশেষ করে **‘প্রাউড অফ পটুয়াখালী’** সংগঠনের সক্রিয় ভূমিকা, এম. এ. সাঈদ সিকদারের নিরলস সামাজিক আন্দোলন ও চেষ্টা, এবং ঢাকায় অবস্থানরত মোঃ নাহিদুল ইসলাম রিয়াজ (নাহিদ দফাদার) ও মোঃ আব্বাস হাওলাদারের যৌথ তৎপরতায় বিষয়টি জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের নজরে আসে। তারা সরাসরি কমিশনের কার্যালয়ে গিয়ে সরেজমিন চিত্র ও পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের কপি জমা দিয়ে কার্যকর পদক্ষেপের জোরালো দাবি জানান।তাদের এই যৌথ প্রচেষ্টার সাফল্য হিসেবে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন (মরফোলজি শাখা) স্মারক নং- ১৮.২০.০০০০.০০০.০৯.১৭.০০১০.২৩.১২৮ মূলে পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীকে নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সচিত্র প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেছে।এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকার বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং তরুণ সমাজের এই সমন্বিত উদ্যোগ না থাকলে হয়তো কর্তৃপক্ষের নজর এভাবে পড়তো না। এজন্য তারা পত্রিকা কর্তৃপক্ষ এবং ‘প্রাউড অফ পটুয়াখালী’ সংগঠনের সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, কমিশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই যৌথ উদ্যোগে দ্রুত সিসি ব্লক ও জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙন রোধ করে ছোটবিঘাইয়ের অবশিষ্ট মানচিত্র রক্ষা করা সম্ভব হবে।

বিশেষ সংবাদ ২৫ মিনিট আগে

যাত্রীছাউনির দখলে হকার, সড়কেই বাসের অপেক্ষায় যাত্রীরা

রাজধানীতে যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়কভাবে বাসের অপেক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত যাত্রীছাউনিগুলোর বড় অংশ এখন কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। কোথাও হকারের দখল, কোথাও ভবঘুরেদের আশ্রয়স্থল, আবার কোথাও দোকান কিংবা ময়লার স্তূপে পরিণত হয়েছে এসব ছাউনি। অনেক স্থানে বাসও নির্ধারিত স্টপেজে থামে না, ফলে যাত্রীদের সড়কের ওপর দাঁড়িয়েই বাসে ওঠানামা করতে হচ্ছে।গত কয়েক বছরে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নতুন যাত্রীছাউনি নির্মাণ করেছে। এসব যাত্রীছাউনির পরিকল্পনা করেছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ), আর নির্ধারিত স্টপেজে বাস থামানো নিশ্চিত করার দায়িত্ব ট্রাফিক পুলিশের। তবে সমন্বয়ের অভাব, রক্ষণাবেক্ষণের ঘাটতি ও পর্যাপ্ত তদারকির অভাবে অধিকাংশ যাত্রীছাউনি কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছে না।ডিটিসিএর বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির নকশা ও ট্রাফিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রাজধানীর ২২৯টি স্থানে যাত্রীছাউনি নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৬৮টি এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬১টি স্থান নির্ধারণ করা হয়।এ পর্যন্ত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন প্রায় ৩ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬০টি যাত্রীছাউনি নির্মাণ করেছে, যেখানে প্রতিটির গড় নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১২ লাখ টাকা। অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অধীনে রয়েছে ৪৪টি যাত্রীছাউনি, যার প্রতিটির গড় ব্যয় প্রায় ৭ লাখ টাকা। এছাড়া ২০১৮ সালে বিমানবন্দর সড়কের দুই পাশে ৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২টি আধুনিক যাত্রীছাউনি নির্মাণ করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘ভিনাইল ওয়ার্ল্ড’।সরেজমিনে মোহাম্মদপুর, ধানমণ্ডি, গুলিস্তান, রামপুরা, যাত্রাবাড়ী, দোলাইরপাড়, মহাখালী, বিমানবন্দর সড়ক, কুড়িল, মালিবাগ ও আজিমপুর এলাকায় অধিকাংশ যাত্রীছাউনির একই চিত্র দেখা গেছে। অনেক স্থানে লোহার রেলিং খুলে নেওয়া হয়েছে, টেম্পার্ড গ্লাস ভেঙে গেছে এবং বসার বেঞ্চও নেই। কোথাও ফল ও চায়ের দোকান, কোথাও আবর্জনার স্তূপ, আবার কোথাও ভবঘুরেদের অবস্থান দেখা গেছে।বছিলা এলাকায় একটি যাত্রীছাউনি প্রায় দুই বছর ধরে টেম্পোস্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সামনে ডিপিডিসির বড় কেবল রিল রাখায় ছাউনিটি প্রায় আড়াল হয়ে গেছে। মোহাম্মদপুরের একটি যাত্রীছাউনির পাশে ময়লার স্তূপ, অন্য পাশে মুদি ও সবজির দোকান রয়েছে। আল্লাহ করিম মসজিদের বিপরীত পাশের যাত্রীছাউনিটিও হকারদের দখলে।ধানমণ্ডি-১৫, জিগাতলা, সায়েন্স ল্যাব মোড়, নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড ও মিরপুর সড়কের যাত্রীছাউনিগুলোর কোনোটিই কার্যকর বাসস্টপ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে না। শাহবাগ ও রমনা পার্ক এলাকার কয়েকটি যাত্রীছাউনিতে ভ্রাম্যমাণ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।আবার এমন অনেক স্থানে যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে নিয়মিত বাস থামে না বা যাত্রী চলাচল কম। বিপরীতে মিরপুরের আনসার ক্যাম্প, মতিঝিল, রামপুরা ও বাড্ডার মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রয়োজনের তুলনায় যাত্রীছাউনি কম রয়েছে।বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সভাপতি অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, যাত্রীছাউনির মূল উদ্দেশ্য হলো যাত্রীদের রোদ-বৃষ্টি থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নির্ধারিত বাসস্টপ থেকে ওঠানামার সুযোগ নিশ্চিত করা। কিন্তু বাস নির্ধারিত স্টপেজে না থামায় পুরো ব্যবস্থাই কার্যকারিতা হারিয়েছে।মোহাম্মদপুর-বিমানবন্দর সড়কের বাসচালক শহিদ মিয়া বলেন, যাত্রীরা বিভিন্ন স্থানে বাস থামাতে চাপ দেন। একই সঙ্গে যাত্রী তুলতে চালকরাও নির্ধারিত স্টপেজের বাইরে বাস থামান।বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীর অভিযোগ, অনেক চালক ইচ্ছাকৃতভাবে নির্ধারিত বাসস্টপ এড়িয়ে চলেন। যাত্রীছাউনি দখলমুক্ত রাখা এবং নিয়ম মেনে পরিচালনার দায়িত্ব সিটি করপোরেশন, ডিটিসিএ ও ট্রাফিক পুলিশের হলেও কোনো সংস্থাই কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করছে না।অন্যদিকে দুই সিটি করপোরেশন বাসস্টপ সচল না থাকার জন্য ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকার দিকে ইঙ্গিত করেছে।ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাঈম রায়হান খান বলেন, মাঝে মাঝে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হলেও তা নিয়মিত নয়। বাসস্টপে বাস না থামলে দখল প্রতিরোধ করাও কঠিন হয়ে পড়ে।ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং) রাজীব খাদেম জানান, যাত্রীছাউনি নির্মাণ ও ট্রাফিক সাইন স্থাপনের পাশাপাশি মাঝেমধ্যে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। তবে পরে আবার দখল হয়ে যায়। উত্তর সিটি করপোরেশনও স্বীকার করেছে যে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে না। আর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মতে, বাজেটসংকটের কারণে ধারাবাহিক উচ্ছেদ অভিযান সম্ভব হচ্ছে না।ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মাদ আনিসুর রহমান বলেন, বাস রুট ব্যবস্থাপনা ও নির্ধারিত স্টপেজ ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়ায় এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। চুক্তিভিত্তিক বাস পরিচালনাসহ বিভিন্ন কারণে দ্রুত সমাধান সম্ভব হচ্ছে না।ডিটিসিএ সূত্রে জানা গেছে, জনবল সীমিত থাকায় মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকি, সমন্বয় এবং বাসস্টপ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। ফলে নির্মিত যাত্রীছাউনিগুলোর কার্যকর ব্যবহারও নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি রাজধানীর সব যাত্রীছাউনির অবস্থা পর্যালোচনা করে সেগুলোকে যাত্রীবান্ধব ও ব্যবহারোপযোগী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন।

বিশেষ সংবাদ ৬ ঘন্টা আগে

পটুয়াখালীতে দেশীয় মাছ ফিরিয়ে আনছে দুই অভয়াশ্রম , জীবিকায় স্বাবলম্বী জেলেরা

দেশীয় মাছের নিরাপদ প্রজনন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জেলেদের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতে পটুয়াখালীতে গড়ে তোলা হয়েছে দুটি মৎস্য অভয়াশ্রম। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত এ উদ্যোগ ইতোমধ্যে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় জেলেদের বিকল্প আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করে একটি সফল মডেল হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকারের ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্ট (মৎস্য অধিদপ্তর অংশ)-এর আওতায় বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অর্থায়নে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ও মৌকরণ ইউনিয়নের দুটি খালে মোট ২০ হেক্টর জলাশজুড়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়। এর মধ্যে এক হেক্টর করে মোট দুই হেক্টর এলাকাজুড়ে দুটি মৎস্য অভয়াশ্রম গড়ে তোলা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে পটুয়াখালী সদর সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়।প্রকল্পের শুরুতেই অভয়াশ্রমে রুই, কাতলা, আইড়, শোল, বোয়ালসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ অবমুক্ত করা হয়। বর্তমানে অধিকাংশ মাছ পরিপক্ব হয়েছে এবং অনেক মাছের ওজন দুই থেকে সাড়ে তিন কেজি পর্যন্ত পৌঁছেছে। প্রাকৃতিক পরিবেশে নিরাপদে বেড়ে ওঠা এসব মাছ স্বাভাবিকভাবে বংশবিস্তার করছে, ফলে আশপাশের জলাশয়েও দেশীয় মাছের সংখ্যা বাড়ছে।অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠার পর একবার সংস্কার করা হয়েছে। এরপর থেকে নিয়মিত পাহারা এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় অভয়াশ্রম দুটি সংরক্ষণ করা হচ্ছে।অভয়াশ্রমের পাহারাদার মো. দুলাল হোসেন বলেন, “তেলিখালী অভয়াশ্রমে প্রায় এক হেক্টর এলাকাজুড়ে পাঁচটি নিরাপদ মাছের আশ্রয়স্থল রয়েছে। সরকারিভাবে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ছাড়া হয়েছিল। এখন অনেক মাছের ওজন দুই কেজির বেশি হয়েছে এবং নিয়মিত বংশবিস্তার করছে। এলাকাবাসীও সচেতন হওয়ায় কেউ এখানে মাছ শিকার করতে আসে না।”শুধু মাছ সংরক্ষণই নয়, অভয়াশ্রম ঘিরে বদলে গেছে স্থানীয় জেলেদের জীবনও। মাছ ধরা নিষিদ্ধ হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা হিসেবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১০ জন উপকারভোগীকে একটি করে বাছুর দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রতিটি বাছুরের বাজারমূল্য প্রায় ৮০ হাজার থেকে এক লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা তাদের পরিবারের আয়ের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদে পরিণত হয়েছে।উপকারভোগী মো. ফারুক হাওলাদার বলেন, “আগে তেলিখালী খালেই মাছ ধরে সংসার চালাতাম। অভয়াশ্রম হওয়ার পর আমাদের সমিতির সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। আমরা এখন অভয়াশ্রম রক্ষায় কাজ করছি। সরকার যে গরু দিয়েছে, সেটি এখন আমাদের পরিবারের আয়ের বড় ভরসা।” জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) তপন মজুমদার বলেন, *“মৎস্য অভয়াশ্রম বাস্তবায়নের ফলে প্রকৃতি ও মানুষ—উভয়ই উপকৃত হচ্ছে। নিরাপদ পরিবেশে মাছ বড় হচ্ছে, বংশবিস্তার করছে এবং অভয়াশ্রমের বাইরে ছড়িয়ে পড়া মাছ স্থানীয় জেলেরা আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। জেলার প্রতিটি উপজেলায় এ ধরনের অভয়াশ্রম গড়ে তোলা গেলে দেশীয় মাছ সংরক্ষণ ও উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হবে।”

বিশেষ সংবাদ ১৯ জুলাই ২০২৬