ঢাকা    শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

আন্তর্জাতিক

প্রেমিকের সহায়তায় স্বামী হত্যা

প্রেমিকের সহায়তায় স্বামী হত্যা
প্রেমিকের সহায়তায় স্বামী হত্যা

 অমাবস্যা উপলক্ষে স্বামীর সঙ্গে মন্দিরে যাওয়ার কথা বলে পরিকল্পিতভাবে প্রেমিকের সহায়তায় স্বামীকে হত্যার অভিযোগে এক তরুণী, তার প্রেমিকসহ মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের চিত্তুর জেলায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল কল রেকর্ড এবং আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত তদন্ত চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ।

তদন্তে জানা যায়, নিহত রমেশ (২৩) তামিলনাড়ুর কৃষ্ণগিরি জেলার সুলাগিরি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং হোসুরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। প্রায় দুই বছর আগে অন্ধ্রপ্রদেশের শান্তিপুরামের ১৯ বছর বয়সী হাসিনির সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে।

পুলিশের দাবি, বিয়ের পরও হাসিনি তার শৈশবের বন্ধু ২০ বছর বয়সী যুগন্ধরের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখেন। পরে দুজন মিলে রমেশকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, অমাবস্যার দিন হাসিনি স্বামীকে গুডুপাল্লে মণ্ডলের মল্লপ্পা কোন্ডা পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত শ্রী মল্লেশ্বর স্বামী মন্দিরে যাওয়ার জন্য রাজি করান। মোটরসাইকেলে স্বামী ও শিশুকন্যাকে নিয়ে রওনা হওয়ার পর পুরো পথজুড়ে তিনি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেমিক যুগন্ধরের কাছে তাদের অবস্থানের তথ্য পাঠাতে থাকেন।

পাহাড়ি সড়কের তিন নম্বর হেয়ারপিন বাঁকের কাছে পৌঁছালে হাসিনি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নিজের হাতব্যাগ নিচে ফেলে দেন। ব্যাগটি তুলতে রমেশ মোটরসাইকেল থামানোর সঙ্গে সঙ্গে আগে থেকে ওত পেতে থাকা যুগন্ধর ও তার সহযোগীরা হামলা চালায়। পরে তারা রমেশকে রাস্তা থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরের একটি জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে।

ঘটনার পর হাসিনি ও তার শিশুকন্যা বাড়ি ফিরে না আসায় তার মা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

মন্দিরগামী পথের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ দেখতে পায়, রমেশের সঙ্গে মন্দিরে গেলেও পরে হাসিনি তার স্বামীর মোটরসাইকেলে অন্য দুই অজ্ঞাত ব্যক্তির সঙ্গে এলাকা ত্যাগ করেন।

পরে মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড ও লোকেশন বিশ্লেষণ করে পুলিশ রমেশের মরদেহ উদ্ধার করে। একই সঙ্গে মূল অভিযুক্ত হাসিনি, তার প্রেমিক যুগন্ধর এবং তাদের আরও দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬


প্রেমিকের সহায়তায় স্বামী হত্যা

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

 অমাবস্যা উপলক্ষে স্বামীর সঙ্গে মন্দিরে যাওয়ার কথা বলে পরিকল্পিতভাবে প্রেমিকের সহায়তায় স্বামীকে হত্যার অভিযোগে এক তরুণী, তার প্রেমিকসহ মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের চিত্তুর জেলায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল কল রেকর্ড এবং আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত তদন্ত চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ।

তদন্তে জানা যায়, নিহত রমেশ (২৩) তামিলনাড়ুর কৃষ্ণগিরি জেলার সুলাগিরি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং হোসুরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। প্রায় দুই বছর আগে অন্ধ্রপ্রদেশের শান্তিপুরামের ১৯ বছর বয়সী হাসিনির সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে।

পুলিশের দাবি, বিয়ের পরও হাসিনি তার শৈশবের বন্ধু ২০ বছর বয়সী যুগন্ধরের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখেন। পরে দুজন মিলে রমেশকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, অমাবস্যার দিন হাসিনি স্বামীকে গুডুপাল্লে মণ্ডলের মল্লপ্পা কোন্ডা পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত শ্রী মল্লেশ্বর স্বামী মন্দিরে যাওয়ার জন্য রাজি করান। মোটরসাইকেলে স্বামী ও শিশুকন্যাকে নিয়ে রওনা হওয়ার পর পুরো পথজুড়ে তিনি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেমিক যুগন্ধরের কাছে তাদের অবস্থানের তথ্য পাঠাতে থাকেন।

পাহাড়ি সড়কের তিন নম্বর হেয়ারপিন বাঁকের কাছে পৌঁছালে হাসিনি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নিজের হাতব্যাগ নিচে ফেলে দেন। ব্যাগটি তুলতে রমেশ মোটরসাইকেল থামানোর সঙ্গে সঙ্গে আগে থেকে ওত পেতে থাকা যুগন্ধর ও তার সহযোগীরা হামলা চালায়। পরে তারা রমেশকে রাস্তা থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরের একটি জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে।

ঘটনার পর হাসিনি ও তার শিশুকন্যা বাড়ি ফিরে না আসায় তার মা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

মন্দিরগামী পথের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ দেখতে পায়, রমেশের সঙ্গে মন্দিরে গেলেও পরে হাসিনি তার স্বামীর মোটরসাইকেলে অন্য দুই অজ্ঞাত ব্যক্তির সঙ্গে এলাকা ত্যাগ করেন।

পরে মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড ও লোকেশন বিশ্লেষণ করে পুলিশ রমেশের মরদেহ উদ্ধার করে। একই সঙ্গে মূল অভিযুক্ত হাসিনি, তার প্রেমিক যুগন্ধর এবং তাদের আরও দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়।


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - সর্বজিৎ চাকমা

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রেমিকের সহায়তায় স্বামী হত্যা
0:00 0:00
1.0x