টানা জোয়ার ও প্রতিকূল আবহাওয়ার প্রভাবে ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জোয়ারের পানিতে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও কৃষিজমি তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শতাধিক মানুষ। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে উঁচু স্থানে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
শনিবার দুপুরের পর জোয়ারের পানি ১ নম্বর মনপুরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধের বাইরের গুচ্ছগ্রাম (ষাট কলোনি) এলাকায় প্রবেশ করে। এতে বসতবাড়ির আঙিনা, রান্নাঘর এবং চলাচলের রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে যায়। অনেককে কোমরসমান পানি পেরিয়ে শিশুদের কোলে নিয়ে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলের চিত্রেও এমন হৃদয়স্পর্শী দৃশ্য ফুটে উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জোয়ারের পানিতে পুকুর ও নলকূপের পানি দূষিত হয়ে পড়ায় বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি বাজারে যাতায়াত ব্যাহত হওয়া এবং রান্নার চুলা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবার খাদ্যসংকটের আশঙ্কায় রয়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় জলাবদ্ধতা অব্যাহত থাকলে ডায়রিয়া, আমাশয়, চর্মরোগসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা দ্রুত ত্রাণ, বিশুদ্ধ খাবার পানি, শুকনো খাবার এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য প্রস্তুতি রাখা হয়েছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
টানা জোয়ার ও প্রতিকূল আবহাওয়ার প্রভাবে ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জোয়ারের পানিতে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও কৃষিজমি তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শতাধিক মানুষ। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে উঁচু স্থানে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
শনিবার দুপুরের পর জোয়ারের পানি ১ নম্বর মনপুরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধের বাইরের গুচ্ছগ্রাম (ষাট কলোনি) এলাকায় প্রবেশ করে। এতে বসতবাড়ির আঙিনা, রান্নাঘর এবং চলাচলের রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে যায়। অনেককে কোমরসমান পানি পেরিয়ে শিশুদের কোলে নিয়ে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলের চিত্রেও এমন হৃদয়স্পর্শী দৃশ্য ফুটে উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জোয়ারের পানিতে পুকুর ও নলকূপের পানি দূষিত হয়ে পড়ায় বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি বাজারে যাতায়াত ব্যাহত হওয়া এবং রান্নার চুলা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবার খাদ্যসংকটের আশঙ্কায় রয়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় জলাবদ্ধতা অব্যাহত থাকলে ডায়রিয়া, আমাশয়, চর্মরোগসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা দ্রুত ত্রাণ, বিশুদ্ধ খাবার পানি, শুকনো খাবার এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য প্রস্তুতি রাখা হয়েছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন