ঢাকা    রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

জন দুর্ভোগ

পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় সাপাহারে বিশেষ অভিযান, ডাকাতসহ ৭ গ্রেপ্তার

নওগাঁর সাপাহার থানার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে থানা পুলিশ। গতকাল দিন ও রাতব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে কুখ্যাত আলম ডাকাতসহ বিভিন্ন মামলার মোট ৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।সাপাহার থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযানে কুখ্যাত ডাকাত আলমসহ চারটি জিআর মামলার আসামি এবং তিনটি নিয়মিত মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় মোট ৭ জনকে।গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, সাপাহার থানার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জন দুর্ভোগ ১ ঘন্টা আগে

পোরশায় মাদক সেবনের অভিযোগে ৩ যুবক আটক

নওগাঁর পোরশায় মাদক সেবনের অভিযোগে তিন যুবককে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের গোপালগঞ্জ গ্রামে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।সাজাপ্রাপ্তরা হলেন—পোরশা উপজেলার গোপালগঞ্জ গ্রামের আবুল কালামের ছেলে আল আমিন (২২), শোভাপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে আতিকুর রহমান (২৭) এবং যমুনার বাগান গ্রামের মো. সাগরের ছেলে নয়ন (২৪)।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে গোপালগঞ্জ এলাকায় ওই তিন যুবক প্রকাশ্যে মাদক সেবন করছিলেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা একত্রিত হয়ে তিনজনকে আটক করেন এবং পরে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালতে মাদক সেবনের অভিযোগ স্বীকার করায় প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা (মামলা নং ১৮, ১৯ ও ২০) দায়ের করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তিনজনকে পৃথকভাবে কারাদণ্ড ও জরিমানা প্রদান করেন।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, মাদকের অপব্যবহার রোধ এবং এলাকায় মাদকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জন দুর্ভোগ ১ ঘন্টা আগে

জনগণের সহায়তায় মান্দায় ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ছিনতাই, ৩ জন গ্রেপ্তার

নওগাঁর মান্দায় ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয়ে একটি বাড়িতে প্রবেশ করে হাতকড়া পরিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও স্বর্ণালংকারসহ মালামাল ছিনতাইয়ের অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে হ্যান্ডকাফ, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।শনিবার (২৯ আগস্ট ২০২৬) বেলা ১১টার দিকে মান্দা থানাধীন ১৪ নম্বর বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের পারইটুঙ্গি গ্রামের বিপুল কুমারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।আটক ব্যক্তিরা হলেন—দিনাজপুরের বিরামপুর থানার চাপড়া গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. মানিক হোসেন (৩৪), দক্ষিণ দাউদপুর গ্রামের মৃত তোজাম্মেল হকের ছেলে মো. এনামুল হক এবং ফুলবাড়ী থানার মুক্তারপুর গ্রামের মো. ইউসুফ খলিফার ছেলে মো. মাহবুব হাসান মুন্না (৩৯)।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আটক ব্যক্তিরা ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয়ে বিপুল কুমারের বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা বিপুল কুমারের বাবা শুকুমার চন্দ্র ও চাচা সবুজ কুমারের হাতে হাতকড়া পরিয়ে ভয়ভীতি সৃষ্টি করে। পরে বিপুলের স্ত্রী, মা ও শাশুড়িকেও ভয় দেখিয়ে বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ ও আসবাবপত্র তল্লাশি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে দ্রুত চলে যাওয়ার চেষ্টা করে।বিষয়টি সন্দেহ হলে বিপুল কুমারসহ স্থানীয় লোকজন তাদের পিছু ধাওয়া করেন। পরে বাঘমারা থানাধীন সিমলা বাজার এলাকায় সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে স্থানীয় জনগণ তিনজনকে আটক করতে সক্ষম হন এবং তাদের কাছ থেকে কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়।খবর পেয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জকে ঘটনাস্থলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পরে মান্দা থানা পুলিশ ও বাঘমারা থানা পুলিশের সহায়তায় আটক তিনজনকে থানায় নিয়ে আসা হয়।এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জন দুর্ভোগ ১০ ঘন্টা আগে

ব্যক্তিগত ভবনের জন্য গাইড ওয়াল ভেঙে সড়কে পথ নির্মাণ

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার হরিপুর বাজারসংলগ্ন জয়পুর আঞ্চলিক মহাসড়কে ব্যক্তিস্বার্থে সড়কের কংক্রিটের গাইড ওয়াল ভেঙে তৈরি করা হয়েছে চলাচলের পথ। স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্যক্তিগত ভবন নির্মাণ ও সেখানে যাতায়াতের সুবিধার্থে মহাসড়কের পাশের গাইড ওয়াল ভেঙে এই পথ তৈরি করা হয়েছে।সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের পাশের কংক্রিটের গাইড ওয়ালের একটি অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। ভাঙা অংশে মাটি ফেলে সড়কের সঙ্গে ভবন নির্মাণস্থলের সংযোগ তৈরি করা হয়েছে। ফলে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের জন্য তৈরি হয়েছে একটি নতুন প্রবেশপথ।স্থানীয়রা জানান, সড়কের পাশের মাটি রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে গাইড ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য সেটির অংশবিশেষ ভেঙে পথ তৈরি করায় সড়কের পাশের মাটি এখন অরক্ষিত হয়ে পড়েছে।এলাকাবাসীর আশঙ্কা, বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি ভাঙা অংশ দিয়ে প্রবেশ করলে সড়কের পাশের মাটি ধসে যেতে পারে। এতে গর্ত সৃষ্টি হয়ে সড়কের স্থায়িত্ব নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি যানবাহন চলাচলেও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়তে পারে।স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ সড়কের অবকাঠামো ব্যক্তিগত ভবন নির্মাণের সুবিধার্থে ভেঙে ফেলা হলে তা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে অনুমতি ছাড়া গাইড ওয়াল ভেঙে পথ তৈরির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভেঙে দেওয়া অংশ পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।এলাকাবাসী আরও বলেন, ব্যক্তিগত ভবনে যাতায়াতের জন্য প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে নিয়ম মেনে সংযোগপথ তৈরি করা উচিত। সরকারি সড়কের নিরাপত্তা ও জনস্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

জন দুর্ভোগ ২৯ আগস্ট ২০২৬

পাইকগাছায় মাদক ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় হামলা-লুটপাটের অভিযোগ

খুলনার পাইকগাছায় মাদক সেবন ও বিক্রি, চাঁদাবাজি এবং জমি জবরদখলের প্রতিবাদ করায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার, পাল্টা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।শনিবার সকালে পাইকগাছা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন উপজেলার আলমতলা গ্রামের নুর ইসলাম জমাদ্দারের ছেলে তনু জমাদ্দার।লিখিত বক্তব্যে তনু জমাদ্দার অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আলমতলা গ্রামের রহমত জমাদ্দার, ইবাদুল গাজী ও টুটুলের নেতৃত্বে বিএনপির নেতা-কর্মী পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মামলার আসামিদের নিয়ে এলাকায় মাদকদ্রব্য, ইয়াবা ও ফেনসিডিলের সেবন ও কেনাবেচা, জমি জবরদখল এবং চাঁদাবাজির মতো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে বলেও দাবি করেন তিনি।তনু জমাদ্দারের দাবি, এসব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করায় তারা তার ওপর ক্ষিপ্ত হন। এর জের ধরে গত ৫ আগস্ট ২০২৬ বুধবার দুপুরে আলমতলা চর মসজিদের পাশে তাদের মুদি দোকানে রহমত জমাদ্দার, ইবাদুল গাজী ও টুটুলের নেতৃত্বে কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান।অভিযোগে হামলাকারীদের মধ্যে আবুল দফাদার, বাদশা, হুসাইন, সুমন, তুহিন, হাবিব, শহিদ, আবু তালেব, আসিফ, শাহামত, বাদশা জমাদ্দার, আব্দুল্লাহ ও নাহিদ আহসানসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়।তনু জমাদ্দার অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা দোকানে ভাঙচুর চালিয়ে চাল, ডাল, চিনি ও অন্যান্য মালামালসহ প্রায় দেড় লাখ টাকার পণ্য এবং নগদ এক লাখ টাকা নিয়ে যায়। হামলার সময় জীবন বাঁচাতে তিনি তার বাবা নুর ইসলামসহ দৌড়ে স্থানীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন নজরুল ইসলামের বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরে হামলাকারীরা ওই বাড়িতেও প্রাচীর টপকে প্রবেশ করে তাদের মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।এরপর তারা নিজ বাড়িতে আশ্রয় নিলে সেখানেও হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেন তনু। এতে তার বাবা নুর ইসলাম ও মা নাছিমা বেগম আহত হন বলে সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়।লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, একই দিন বিকেলে আহত নুর ইসলাম ও নাছিমা বেগম পাইকগাছা থানায় মামলা করতে যাওয়ার সময় পৌরসভার সামনে ইবাদুল, রহমত ও টুটুলসহ কয়েকজন তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন বলে দাবি করেন তনু জমাদ্দার।তনু জমাদ্দারের অভিযোগ, ঘটনার পর তাদের বিরুদ্ধেও পাল্টা মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে হামলাকারী ও পুলিশের ভয়ে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলেও সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেন তিনি।সাংবাদিক সম্মেলনে তনু জমাদ্দার আলমতলা এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার, হয়রানিমূলক ও ভিত্তিহীন মামলা প্রত্যাহার এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।তবে সাংবাদিক সম্মেলনে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রহমত জমাদ্দার, ইবাদুল গাজী ও টুটুলের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদন্ত প্রয়োজন।

জন দুর্ভোগ ২৯ আগস্ট ২০২৬

সিরাজগঞ্জ, বগুড়া রেলপথ শহরকে বন্চিত নাকরার দাবিতে মানববন্ধন

প্রাচীন রেলের শহর সিরাজগঞ্জকে বঞ্চিত করে সিরাজগঞ্জ–বগুড়া রেলপথ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলন কমিটি। সংগঠনটির নেতারা বলেন, সিরাজগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের আন্দোলনের ফসল হিসেবে এ মহাপ্রকল্প বাস্তবায়নের পথে এলেও এখন শহরকে বাদ দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে।শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১০টায় শহরের বাজার স্টেশন চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা বলেন, একসময় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেলশহর ছিল সিরাজগঞ্জ। এখান থেকে সরাসরি কলকাতার সঙ্গে ট্রেন যোগাযোগ ছিল এবং শহরে চারটি রেলওয়ে স্টেশন ও যমুনা নদীবন্দরকে কেন্দ্র করে ব্যবসা-বাণিজ্যের সমৃদ্ধ ইতিহাস গড়ে উঠেছিল। অথচ কালক্রমে শহরটি রেলশূন্য হয়ে পড়েছে।বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রস্তাবিত সিরাজগঞ্জ–বগুড়া রেলপথ প্রকল্পেও সিরাজগঞ্জ শহরকে পুরোপুরি বঞ্চিত করা হচ্ছে। তারা শহরের রায়পুর এলাকায় রেল জংশন নির্মাণের দাবি জানিয়ে বলেন, এ দাবি উপেক্ষা করা হলে সিরাজগঞ্জবাসী কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলনের আহ্বায়ক মাহবুব-এ-খোদা টুটুলের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব তারিকুজ্জামান টরিকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সভাপতি কমরেড ইসমাইল হোসেন, বাসদের আহ্বায়ক নব কুমার কর্মকার, ঢাকা ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার সোহরাব আলী খান, কালবেলার সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি, সিরাজগন্ওজ ইনসাফ নিউজ জেলা প্রতিনিধি ও জনতার কণ্ঠ সম্পাদক স্বপন চন্দ্র দাস, ব্যবসায়ী রবিউল হাকিম বিজু, তৃণমূল হিন্দু নেতা রতন কুমার বাঁশফোড়, শিক্ষক সঞ্জয় কুমার গৌর, মশিউর রহমান, রায়হানসহ অনেকে উপস্থিতি ছিলেন। 

জন দুর্ভোগ ২৯ আগস্ট ২০২৬

‎২১ বছরেও নেই সেন্ট্রাল ড্রেনেজ, অল্প বৃষ্টিতেই ভেসে যায় নোবিপ্রবির সড়ক-মাঠ

 নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) প্রতিষ্ঠার ২১ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো গড়ে ওঠেনি সেন্ট্রাল ড্রেনেজ সিস্টেম। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক, খেলার মাঠ, আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবনের আশপাশ। পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘ সময় ধরে পানি জমে থাকে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসিন্দারা।‎‎বিশেষ করে বিবি খাদিজা হল ও আবদুল মালেক উকিল হলের সামনের সড়কে অল্প বৃষ্টিতেই পানি জমে যায়। একই পরিস্থিতি দেখা যায় কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনের সড়কেও। পানি নামার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পর দীর্ঘ সময় ধরে সড়কগুলো পানিতে ডুবে থাকে।‎‎সঠিক পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল ফিল্ডেও সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। ফলে বৃষ্টির পর মাঠটি খেলাধুলার অনুপযোগী হয়ে পড়ে।‎‎শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রতিষ্ঠার ২১ বছর পরও বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি কার্যকর সেন্ট্রাল ড্রেনেজ সিস্টেম না থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা।‎‎অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী সুব্রত দে বলেন, প্রতিষ্ঠার ২১ বছর পেরিয়ে গেলেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে আজও কোনো সেন্ট্রাল ড্রেনেজ সিস্টেম রাখা হয়নি। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি জমে যায়। আবাসিক হল থেকে বের হওয়া কিংবা ক্লাসে যাওয়া এখন চরম দুর্ভোগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।বর্ষা মৌসুমে খেলার মাঠ পানি জলাবদ্ধ হয়ে থাকে। ফলে মাঠটি খেলার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ‎‎সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মুফাচ্ছেল হোসেন বলেন, ক্যাম্পাসে ড্রেনেজ সিস্টেম ঠিক না থাকায় অল্প বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। যার ফলে অনেকের পানিবাহিত রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থেকে থাকে।তাছাড়া জলবদ্ধতার কারণে বিভিন্ন পোকামাকড় ও মশার উপদ্রবও বাড়তে দেখা যায়। ‎‎রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হক অমি বলেন, প্রশাসন তো আর পায়ে হেঁটে চলাচল করে না, তারা সব সময় গাড়িতে চলাফেরা করে। তাই আমাদের জলাবদ্ধতার ভোগান্তি তাদের চোখে পড়ে না। ড্রেনেজ না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠ থেকে শুরু করে প্রধান সড়কগুলো পানিতে ভেসে যায়।‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এত বছর যাওয়ার পরও পানি নিষ্কাশনের ভালো কোনো সিস্টেম না থাকা দুঃখের বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ৫০ বছরের মাস্টার প্ল্যান তৈরির কাজ চলছে। এতে সেন্ট্রাল ড্রেনেজ সিস্টেম রাখা হয়েছে।‎তবে মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের আগেই প্রয়োজন অনুযায়ী পানি যাতে জমে না থাকে, সে জন্য এখন থেকেই যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।‎‎

জন দুর্ভোগ ২৮ আগস্ট ২০২৬

শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জে ২৫ বছরেও সংস্কার হয়নি রাস্তা, চরম দুর্ভোগে ৭ নম্বর ওয়ার্ডবাসী।

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ৭ নম্বর মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। ২৫ বছর ধরে কাঁচা রাস্তাটির কোনো সংস্কার না হওয়ায় প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন কয়েক হাজার মানুষ।বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা কাদায় একাকার হয়ে যায়। খানাখন্দে ভরা রাস্তায় অ্যাম্বুলেন্স,  ভ্যান, অটো কিছুই চলতে পারে না। ফলে জরুরি রোগী, স্ট্রোকের রোগী এমনকি প্রসূতি মা ও নবজাতককে সময়মতো হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয় না। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের বেলায় কেউ অসুস্থ হলে ডাক্তার বাড়ি পর্যন্ত আসতে চান না। ডেলিভারির সময় মা ও বাচ্চাকে নিয়ে চোখের সামনে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়তে হয়। স্কুলগামী শিশুরা কাদা মাড়িয়ে ক্লাসে যায়। কৃষকরা উৎপাদিত পণ্য বাজারে নিতে পারেন না।৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাশিদুল ইসলাম  বলেন, এই ওয়ার্ডটা যেন দেখার কেউ নেই। আমরা কি মানুষ না? প্রতিবার ভোট আসে, প্রতিশ্রুতি আসে, কিন্তু রাস্তা আর হয় না।এলাকাবাসীর দাবি, জনদুর্ভোগ কমাতে অবিলম্বে রাস্তাটি পিচ ঢালাই করে পাকা করতে হবে। প্রয়োজনে তারা মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার কথাও ভাবছেন।দীর্ঘদিনের এই অবহেলার অবসান চেয়ে শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভুক্তভোগী মানুষ।

জন দুর্ভোগ ২৮ আগস্ট ২০২৬

পোরশায় ১৪টি অবৈধ সুতিজাল ধ্বংস

উপজেলায় উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অফিসের যৌথ উদ্যোগে মৎস্য সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট ২০২৬) পূর্ণভবা নদীতে পরিচালিত এ অভিযানে নদীর দুইটি গ্রুপে মোট ১৪টি সুতিজালের অবকাঠামো কেটে ধ্বংস করা হয়।অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পোরশা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শামীম হোসেন, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. আইয়ুব আলী, পোরশা থানার সহকারী পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) শ্রী অমিত বাবু, একজন এএসআই ও তিনজন পুলিশ কনস্টেবলসহ স্থানীয়রা।মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং নদীতে অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

জন দুর্ভোগ ২৭ আগস্ট ২০২৬

গাইবান্ধায় নদীতে গোসলে নেমে কিশোরের মৃত্যু

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পুরাতন বন্দর কাটাখালী নদীর স্লুইস গেট এলাকায় গোসল করতে নেমে হাসিব (১৪) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। নিহত হাসিব উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের বকচর মধ্যপাড়া গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে কাটাখালী নদীর পাশের জমিতে কয়েকজনের সঙ্গে ফুটবল খেলা শেষে নদীতে গোসল করতে নামে হাসিব। সাঁতার না জানায় একপর্যায়ে সে পানিতে নিখোঁজ হয়ে যায়।পরে স্থানীয়রা নদীতে দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজি করেও হাসিবের কোনো সন্ধান না পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।গোবিন্দগঞ্জ ফায়ার স্টেশন মাস্টার মাসুদ রানা বলেন, ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর ১৫ মিনিটের মধ্যেই নদী থেকে হাসিবকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। সূত্র: এনটিভি

সারাদেশ ২৭ আগস্ট ২০২৬