স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েকদিন ধরে অস্বাভাবিক জোয়ারের কারণে নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। অনেক পরিবারের রান্নাঘর ও বসতঘরে পানি প্রবেশ করায় রান্নাবান্নাসহ দৈনন্দিন কাজকর্মে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। একই সঙ্গে বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এতে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
পানিবন্দী একাধিক পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে পানি ঢুকে পড়ায় তারা নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছেন। গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেকেই। তারা দ্রুত ত্রাণ ও শুকনো খাবারসহ প্রয়োজনীয় সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পানি কমতে শুরু করলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয়দের আশঙ্কা, আগামী কয়েকদিন জোয়ারের পানি আরও বাড়লে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হতে পারে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েকদিন ধরে অস্বাভাবিক জোয়ারের কারণে নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। অনেক পরিবারের রান্নাঘর ও বসতঘরে পানি প্রবেশ করায় রান্নাবান্নাসহ দৈনন্দিন কাজকর্মে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। একই সঙ্গে বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এতে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
পানিবন্দী একাধিক পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে পানি ঢুকে পড়ায় তারা নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছেন। গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেকেই। তারা দ্রুত ত্রাণ ও শুকনো খাবারসহ প্রয়োজনীয় সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পানি কমতে শুরু করলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয়দের আশঙ্কা, আগামী কয়েকদিন জোয়ারের পানি আরও বাড়লে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হতে পারে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন