জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণ ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সম্প্রতি দলটির পক্ষ থেকে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিবের কাছে এ বিষয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের পদধারী বা সক্রিয় নেতাকর্মীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণার বিধান স্থানীয় সরকারের প্রস্তাবিত নির্বাচনী আচরণবিধিতে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদের জন্য পৃথক আচরণবিধির খসড়া প্রস্তুত করেছে নির্বাচন কমিশন। এসব খসড়া ইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত আহ্বান করা হয়েছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাদের স্থানীয় সরকারের এই পাঁচ ধরনের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে তাদের প্রস্তাব নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। পরে নির্বাচন কমিশন দলটির নিবন্ধন স্থগিত করে। ফলে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি অংশ নিতে পারেনি। পরবর্তীতে নির্বাচনের পর গঠিত সংসদে অধ্যাদেশটি আইনে রূপ দেওয়ার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়।
ইসিতে পাঠানো প্রস্তাবের বিষয়ে জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো দলের নেতাদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ থাকার কথা নয়। এ কারণেই নির্বাচন কমিশনের কাছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের কাউকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে আরও কয়েকটি প্রস্তাবও নির্বাচন কমিশনের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, কমিশন এসব প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণ ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সম্প্রতি দলটির পক্ষ থেকে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিবের কাছে এ বিষয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের পদধারী বা সক্রিয় নেতাকর্মীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণার বিধান স্থানীয় সরকারের প্রস্তাবিত নির্বাচনী আচরণবিধিতে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদের জন্য পৃথক আচরণবিধির খসড়া প্রস্তুত করেছে নির্বাচন কমিশন। এসব খসড়া ইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত আহ্বান করা হয়েছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাদের স্থানীয় সরকারের এই পাঁচ ধরনের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে তাদের প্রস্তাব নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। পরে নির্বাচন কমিশন দলটির নিবন্ধন স্থগিত করে। ফলে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি অংশ নিতে পারেনি। পরবর্তীতে নির্বাচনের পর গঠিত সংসদে অধ্যাদেশটি আইনে রূপ দেওয়ার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়।
ইসিতে পাঠানো প্রস্তাবের বিষয়ে জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো দলের নেতাদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ থাকার কথা নয়। এ কারণেই নির্বাচন কমিশনের কাছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের কাউকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে আরও কয়েকটি প্রস্তাবও নির্বাচন কমিশনের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, কমিশন এসব প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

আপনার মতামত লিখুন