পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ এনে একটি সংবাদ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক সংবাদে দাবি করা হয়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি ক্রয়বিধি লঙ্ঘন করে কাজ বাস্তবায়ন এবং ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে ইউএনও মো. রবিউল ইসলাম জানান, সব কাজ সরকারি বিধি অনুসারেই সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রকল্প অনুযায়ী পিআইসি, আরএফকিউ ও টেন্ডার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।
এদিকে, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বোদা উপজেলা প্রশাসনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি সংক্ষিপ্ত বার্তা শেয়ার করা হয়েছে। সেখানে লেখা হয়, "আসসালামু আলাইকুম। আগ্রহী নাগরিকদের একটু ধৈর্য ধারণের অনুরোধ করছি। অনেক বড় প্রোগ্রাম নিয়ে ব্যস্ত আছি। আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নোংরামির জবাব দেবো ইনশাআল্লাহ।" তবে ওই পোস্টে সংবাদটির কোন অংশ অসত্য বা বিভ্রান্তিকর, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন জানিয়েছেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় স্থানীয়রা চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছেন।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ এনে একটি সংবাদ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক সংবাদে দাবি করা হয়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি ক্রয়বিধি লঙ্ঘন করে কাজ বাস্তবায়ন এবং ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে ইউএনও মো. রবিউল ইসলাম জানান, সব কাজ সরকারি বিধি অনুসারেই সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রকল্প অনুযায়ী পিআইসি, আরএফকিউ ও টেন্ডার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।
এদিকে, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বোদা উপজেলা প্রশাসনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি সংক্ষিপ্ত বার্তা শেয়ার করা হয়েছে। সেখানে লেখা হয়, "আসসালামু আলাইকুম। আগ্রহী নাগরিকদের একটু ধৈর্য ধারণের অনুরোধ করছি। অনেক বড় প্রোগ্রাম নিয়ে ব্যস্ত আছি। আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নোংরামির জবাব দেবো ইনশাআল্লাহ।" তবে ওই পোস্টে সংবাদটির কোন অংশ অসত্য বা বিভ্রান্তিকর, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন জানিয়েছেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় স্থানীয়রা চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন