রোববার দুপুরে উপজেলার সোলাদানা অভিমুখে শিবসা ব্রিজসংলগ্ন প্রধান সড়কে এ অভিযান পরিচালনা করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক। অভিযানে অবৈধভাবে পরিবহন করা বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক উৎসের চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়।
মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, প্রাকৃতিক উৎস থেকে নির্বিচারে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহনের ফলে অন্যান্য জলজ প্রাণীর বিপুল পরিমাণ পোনা নষ্ট হয়, যা দেশের মৎস্যসম্পদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ কারণে এ ধরনের কার্যক্রম আইনত নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
অভিযান শেষে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক এবং পাইকগাছা নৌপুলিশের উপস্থিতিতে জব্দকৃত প্রায় ৪ লাখ গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেনু শিবসা নদীতে অবমুক্ত করা হয়, যাতে সেগুলো প্রাকৃতিক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে এবং নদীর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ভূমিকা রাখে।
অভিযানে মৎস্য দপ্তরের ক্ষেত্র সহকারী রণধীর সরকার, পাইকগাছা নৌপুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর রবিউল ইসলামসহ নৌপুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক বলেন, দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং মৎস্য সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০-এর কার্যকর বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে। অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ, পরিবহন ও বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
রোববার দুপুরে উপজেলার সোলাদানা অভিমুখে শিবসা ব্রিজসংলগ্ন প্রধান সড়কে এ অভিযান পরিচালনা করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক। অভিযানে অবৈধভাবে পরিবহন করা বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক উৎসের চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়।
মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, প্রাকৃতিক উৎস থেকে নির্বিচারে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহনের ফলে অন্যান্য জলজ প্রাণীর বিপুল পরিমাণ পোনা নষ্ট হয়, যা দেশের মৎস্যসম্পদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ কারণে এ ধরনের কার্যক্রম আইনত নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
অভিযান শেষে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক এবং পাইকগাছা নৌপুলিশের উপস্থিতিতে জব্দকৃত প্রায় ৪ লাখ গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেনু শিবসা নদীতে অবমুক্ত করা হয়, যাতে সেগুলো প্রাকৃতিক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে এবং নদীর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ভূমিকা রাখে।
অভিযানে মৎস্য দপ্তরের ক্ষেত্র সহকারী রণধীর সরকার, পাইকগাছা নৌপুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর রবিউল ইসলামসহ নৌপুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক বলেন, দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং মৎস্য সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০-এর কার্যকর বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে। অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ, পরিবহন ও বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন