খুলনার পাইকগাছা পৌরসভায় রান্নার পর গরুর মাংসের স্বাভাবিক লালচে রং পরিবর্তিত হয়ে উজ্জ্বল সবুজ রং ধারণের আলোচিত ঘটনায় অবশেষে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (BFSA) পরীক্ষায় ওই মাংসে কোনো ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বা রং উৎপাদনকারী Pseudomonas ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের খাদ্য বিশ্লেষণ শাখা থেকে ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে খুলনা জেলা কার্যালয়ে পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাইকগাছা পৌরসভায় রান্নার সময় মাংসের লাল রং পরিবর্তিত হয়ে উজ্জ্বল সবুজ হওয়ার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের খুলনা জেলা কার্যালয় থেকে কাঁচা ও রান্না করা মাংসের নমুনা সংগ্রহ করে প্রধান কার্যালয়ের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়।
ল্যাবরেটরি পরীক্ষা ও বিশ্লেষণে দেখা যায়, নমুনায় কোনো ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া কিংবা পিগমেন্ট উৎপাদনকারী Pseudomonas পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে মাংসে পচনশীল দুর্গন্ধ বা আঠালো ভাবও ছিল না। ফলে মাংসের রং পরিবর্তন ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ বা পচনের কারণে হয়েছে—এমন কোনো প্রমাণ পরীক্ষায় পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, স্পেকট্রোফোটোমেট্রিক পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে, দীর্ঘক্ষণ ফ্রিজে সংরক্ষণ এবং পরবর্তীতে রান্নার সময় উচ্চ তাপের সংস্পর্শে আসার কারণে মাংসের মায়োগ্লোবিন বা হিম-রঞ্জক পদার্থের (Myoglobin/Heme-derived pigments) রাসায়নিক রূপান্তর বা গাঠনিক পরিবর্তন ঘটতে পারে। এর ফলেই মাংস সবুজ রং ধারণ করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে সৃষ্ট আতঙ্ক ও সংশয় দূর করা এবং স্থানীয় প্রশাসনকে বিস্তারিত অবহিত করার লক্ষ্যে পরীক্ষার প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে খাদ্য বিশ্লেষক নাজিয়া সুলতানার স্বাক্ষর রয়েছে।
এদিকে, রান্না করা গরুর মাংসের অস্বাভাবিক সবুজ রং ধারণের ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছিল। ল্যাবরেটরি প্রতিবেদনের পর প্রাথমিকভাবে স্পষ্ট হয়েছে, ঘটনাটি পচন বা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার কারণে ঘটেনি; বরং সংরক্ষণ ও রান্নার প্রক্রিয়ায় মাংসের রঞ্জক পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তনের কারণেই এমন রং সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
খুলনার পাইকগাছা পৌরসভায় রান্নার পর গরুর মাংসের স্বাভাবিক লালচে রং পরিবর্তিত হয়ে উজ্জ্বল সবুজ রং ধারণের আলোচিত ঘটনায় অবশেষে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (BFSA) পরীক্ষায় ওই মাংসে কোনো ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বা রং উৎপাদনকারী Pseudomonas ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের খাদ্য বিশ্লেষণ শাখা থেকে ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে খুলনা জেলা কার্যালয়ে পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাইকগাছা পৌরসভায় রান্নার সময় মাংসের লাল রং পরিবর্তিত হয়ে উজ্জ্বল সবুজ হওয়ার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের খুলনা জেলা কার্যালয় থেকে কাঁচা ও রান্না করা মাংসের নমুনা সংগ্রহ করে প্রধান কার্যালয়ের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়।
ল্যাবরেটরি পরীক্ষা ও বিশ্লেষণে দেখা যায়, নমুনায় কোনো ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া কিংবা পিগমেন্ট উৎপাদনকারী Pseudomonas পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে মাংসে পচনশীল দুর্গন্ধ বা আঠালো ভাবও ছিল না। ফলে মাংসের রং পরিবর্তন ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ বা পচনের কারণে হয়েছে—এমন কোনো প্রমাণ পরীক্ষায় পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, স্পেকট্রোফোটোমেট্রিক পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে, দীর্ঘক্ষণ ফ্রিজে সংরক্ষণ এবং পরবর্তীতে রান্নার সময় উচ্চ তাপের সংস্পর্শে আসার কারণে মাংসের মায়োগ্লোবিন বা হিম-রঞ্জক পদার্থের (Myoglobin/Heme-derived pigments) রাসায়নিক রূপান্তর বা গাঠনিক পরিবর্তন ঘটতে পারে। এর ফলেই মাংস সবুজ রং ধারণ করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে সৃষ্ট আতঙ্ক ও সংশয় দূর করা এবং স্থানীয় প্রশাসনকে বিস্তারিত অবহিত করার লক্ষ্যে পরীক্ষার প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে খাদ্য বিশ্লেষক নাজিয়া সুলতানার স্বাক্ষর রয়েছে।
এদিকে, রান্না করা গরুর মাংসের অস্বাভাবিক সবুজ রং ধারণের ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছিল। ল্যাবরেটরি প্রতিবেদনের পর প্রাথমিকভাবে স্পষ্ট হয়েছে, ঘটনাটি পচন বা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার কারণে ঘটেনি; বরং সংরক্ষণ ও রান্নার প্রক্রিয়ায় মাংসের রঞ্জক পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তনের কারণেই এমন রং সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন