নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের সমালোচক হিসেবে পরিচিত মামদানি এর আগে গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আইসিসির জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রসঙ্গ তুলে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেপ্তারের আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর জবাবে জাতিসংঘের ভাষণে ৩৪ বছর বয়সী মুসলিম মেয়র মামদানিকে সরাসরি আক্রমণ করেন নেতানিয়াহু। তিনি মামদানিকে ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ বলে অভিহিত করেন এবং দাবি করেন, মামদানি দায়িত্ব নেওয়ার পর নিউইয়র্কে ইহুদিরা নিজেদের নিরাপদ মনে করছেন না।
পাল্টা বিবৃতিতে মামদানি বলেন, ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো গণহত্যাকে বৈধতা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই জাতিসংঘের মঞ্চকে ব্যবহার করেছেন নেতানিয়াহু। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো মিথ্যাই যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আইসিসির জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার সত্যতা মুছে দিতে পারবে না।
জাতিসংঘের ভাষণে গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে নেতানিয়াহু সেটিকে ‘শ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় মিথ্যা’ বলে উল্লেখ করেন। তার বক্তব্যে মামদানির স্ত্রী রামা দুয়াজির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পুরনো প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়।
জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ দেওয়ার সময় মামদানি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। ওই সময়ে নিজের সরকারি বাসভবনে জলপাইগাছের চারা রোপণ এবং গাজার কয়েকটি ফিলিস্তিনি পরিবারের সঙ্গে নৈশভোজের একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘আমাদের ভবিষ্যৎ যেন শান্তির হয়।’
এদিকে মামদানিকে নিয়ে নেতানিয়াহুর আক্রমণ শুধু জাতিসংঘের বক্তব্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরেও বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। লিকুদ পার্টির নির্বাচনী প্রচারণায় মামদানির ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি এআই প্রযুক্তিতে তৈরি বিভিন্ন ভিডিওতে তাকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
নেতানিয়াহুর এই রাজনৈতিক কৌশল মার্কিন ও ইসরায়েলি ইহুদিদের নিরাপত্তাকে আরও ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে বলে মন্তব্য করেছেন মামদানির মিত্র ও ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ব্র্যাড ল্যান্ডার।
সূত্র: ইত্তেফাক/এএম

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের সমালোচক হিসেবে পরিচিত মামদানি এর আগে গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আইসিসির জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রসঙ্গ তুলে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেপ্তারের আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর জবাবে জাতিসংঘের ভাষণে ৩৪ বছর বয়সী মুসলিম মেয়র মামদানিকে সরাসরি আক্রমণ করেন নেতানিয়াহু। তিনি মামদানিকে ‘ইহুদিবিদ্বেষী’ বলে অভিহিত করেন এবং দাবি করেন, মামদানি দায়িত্ব নেওয়ার পর নিউইয়র্কে ইহুদিরা নিজেদের নিরাপদ মনে করছেন না।
পাল্টা বিবৃতিতে মামদানি বলেন, ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো গণহত্যাকে বৈধতা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই জাতিসংঘের মঞ্চকে ব্যবহার করেছেন নেতানিয়াহু। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো মিথ্যাই যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আইসিসির জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার সত্যতা মুছে দিতে পারবে না।
জাতিসংঘের ভাষণে গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে নেতানিয়াহু সেটিকে ‘শ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় মিথ্যা’ বলে উল্লেখ করেন। তার বক্তব্যে মামদানির স্ত্রী রামা দুয়াজির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পুরনো প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়।
জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ দেওয়ার সময় মামদানি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। ওই সময়ে নিজের সরকারি বাসভবনে জলপাইগাছের চারা রোপণ এবং গাজার কয়েকটি ফিলিস্তিনি পরিবারের সঙ্গে নৈশভোজের একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘আমাদের ভবিষ্যৎ যেন শান্তির হয়।’
এদিকে মামদানিকে নিয়ে নেতানিয়াহুর আক্রমণ শুধু জাতিসংঘের বক্তব্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরেও বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। লিকুদ পার্টির নির্বাচনী প্রচারণায় মামদানির ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি এআই প্রযুক্তিতে তৈরি বিভিন্ন ভিডিওতে তাকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
নেতানিয়াহুর এই রাজনৈতিক কৌশল মার্কিন ও ইসরায়েলি ইহুদিদের নিরাপত্তাকে আরও ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে বলে মন্তব্য করেছেন মামদানির মিত্র ও ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ব্র্যাড ল্যান্ডার।
সূত্র: ইত্তেফাক/এএম

আপনার মতামত লিখুন