তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালনে যোগ্যতা, পেশাগত দক্ষতা এবং জ্ঞানের গভীরতা থাকা প্রয়োজন। দায়িত্ব যত বড় হবে, জবাবদিহিতার মাত্রাও তত বেশি হবে। কোনো ব্যক্তিই জবাবদিহিতার বাইরে থাকতে পারেন না।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে নগরের দেওয়ানবাজার কার্যালয়ের বিআইএ মিলনায়তনে আয়োজিত রুকন শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পাঁচলাইশ থানা, ব্যাংকার্স ও চিকিৎসক থানাসহ বিভিন্ন থানার রুকনদের অংশগ্রহণে এ শিক্ষাশিবির অনুষ্ঠিত হয়।
এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা শুধু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এ কাজে অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষতা রয়েছে—এমন ব্যক্তিদেরও প্রয়োজন রয়েছে। আমলাদের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশার যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের রাষ্ট্র পরিচালনার কাজে সমন্বিতভাবে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য দক্ষ ও যোগ্য জনবল তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়ে জামায়াতের এই নেতা বলেন, এ ক্ষেত্রে আমানতদারিতা ও জবাবদিহিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় সুনির্দিষ্ট নীতি, দক্ষ জনবল, পরিকল্পনা, পদ্ধতি এবং কর্মসূচি বা প্রকল্প থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সততা, নৈতিকতা, আমানতদারিতা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার মতো মৌলিক বিষয়গুলো আরও শক্তিশালী করতে হবে।
রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব হলো নাগরিকদের অধিকার, নিরাপত্তা, সেবা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। এসব নিশ্চিত করা না গেলে রাষ্ট্র অকার্যকর হয়ে পড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে ঘিরে মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও আস্থা বাড়ছে। সংগঠনের নেতাকর্মীদেরও সেই প্রত্যাশা অনুযায়ী দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সূত্র: ইত্তেফাক/এমএসআর

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালনে যোগ্যতা, পেশাগত দক্ষতা এবং জ্ঞানের গভীরতা থাকা প্রয়োজন। দায়িত্ব যত বড় হবে, জবাবদিহিতার মাত্রাও তত বেশি হবে। কোনো ব্যক্তিই জবাবদিহিতার বাইরে থাকতে পারেন না।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে নগরের দেওয়ানবাজার কার্যালয়ের বিআইএ মিলনায়তনে আয়োজিত রুকন শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পাঁচলাইশ থানা, ব্যাংকার্স ও চিকিৎসক থানাসহ বিভিন্ন থানার রুকনদের অংশগ্রহণে এ শিক্ষাশিবির অনুষ্ঠিত হয়।
এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা শুধু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এ কাজে অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষতা রয়েছে—এমন ব্যক্তিদেরও প্রয়োজন রয়েছে। আমলাদের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশার যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের রাষ্ট্র পরিচালনার কাজে সমন্বিতভাবে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য দক্ষ ও যোগ্য জনবল তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়ে জামায়াতের এই নেতা বলেন, এ ক্ষেত্রে আমানতদারিতা ও জবাবদিহিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় সুনির্দিষ্ট নীতি, দক্ষ জনবল, পরিকল্পনা, পদ্ধতি এবং কর্মসূচি বা প্রকল্প থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সততা, নৈতিকতা, আমানতদারিতা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার মতো মৌলিক বিষয়গুলো আরও শক্তিশালী করতে হবে।
রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব হলো নাগরিকদের অধিকার, নিরাপত্তা, সেবা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। এসব নিশ্চিত করা না গেলে রাষ্ট্র অকার্যকর হয়ে পড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে ঘিরে মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও আস্থা বাড়ছে। সংগঠনের নেতাকর্মীদেরও সেই প্রত্যাশা অনুযায়ী দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সূত্র: ইত্তেফাক/এমএসআর

আপনার মতামত লিখুন