বিজয়নগরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার ও পুরোনো গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় ১০ থেকে ১২টি বাড়িঘরে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতা এনাম খাঁ ও হাজী আকতার মিয়ার মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়ার ঘটনা ঘটে। এরই জেরে ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। আহতদের কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, “তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব ছিল। সেই সূত্র ধরেই ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমাদের পক্ষ থেকে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যারা অন্যায় করবে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিজয়নগরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার ও পুরোনো গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় ১০ থেকে ১২টি বাড়িঘরে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিএনপি নেতা এনাম খাঁ ও হাজী আকতার মিয়ার মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়ার ঘটনা ঘটে। এরই জেরে ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। আহতদের কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, “তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব ছিল। সেই সূত্র ধরেই ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমাদের পক্ষ থেকে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যারা অন্যায় করবে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন