নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর মহিলা সিনিয়র মাদ্রাসার নতুন ভবন নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে ভবনের দেয়াল ও সিলিংয়ে ব্যবহৃত সিলার ও রঙের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নতুন ভবনের বিভিন্ন দেয়াল ও সিলিংয়ে লাগানো সিলার ও রঙের প্রলেপ সামান্য স্পর্শেই উঠে আসছে। কাজ শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন স্থানে সিলার ও রঙের স্তর খসে পড়ার দৃশ্য দেখা গেছে। এ সংক্রান্ত ছবি ও ভিডিও চিত্রেও ভবনের রংয়ের ভঙ্গুর অবস্থার বিষয়টি দেখা যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজের শুরু থেকেই দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীর পর্যাপ্ত তদারকি ছিল না। এর সুযোগে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অনুমোদিত মানসম্মত রং, প্রাইমার ও অন্যান্য উপকরণের পরিবর্তে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
একজন অভিভাবক বলেন, “নতুন ভবনের কাজ যেভাবে হচ্ছে, তাতে ভবিষ্যতে দ্রুত রং নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি থাকলে এ ধরনের সমস্যা হওয়ার কথা নয়।”
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ভবনের রং ও অন্যান্য কাজের মান নিয়ে তারা ইতোমধ্যে আপত্তি জানিয়েছেন। কাজের মান যথাযথভাবে নিশ্চিত না করা হলে তারা ভবনটি গ্রহণ না করার বিষয়েও অবস্থান জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী তদারকিতে গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ভবনের কাজের মান খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি, সরকারি অর্থে নির্মিত ভবনের কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়ে থাকলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিম্নমানের কাজ সংশোধন করে মানসম্মত উপকরণ দিয়ে কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর মহিলা সিনিয়র মাদ্রাসার নতুন ভবন নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে ভবনের দেয়াল ও সিলিংয়ে ব্যবহৃত সিলার ও রঙের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নতুন ভবনের বিভিন্ন দেয়াল ও সিলিংয়ে লাগানো সিলার ও রঙের প্রলেপ সামান্য স্পর্শেই উঠে আসছে। কাজ শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন স্থানে সিলার ও রঙের স্তর খসে পড়ার দৃশ্য দেখা গেছে। এ সংক্রান্ত ছবি ও ভিডিও চিত্রেও ভবনের রংয়ের ভঙ্গুর অবস্থার বিষয়টি দেখা যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজের শুরু থেকেই দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীর পর্যাপ্ত তদারকি ছিল না। এর সুযোগে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অনুমোদিত মানসম্মত রং, প্রাইমার ও অন্যান্য উপকরণের পরিবর্তে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
একজন অভিভাবক বলেন, “নতুন ভবনের কাজ যেভাবে হচ্ছে, তাতে ভবিষ্যতে দ্রুত রং নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি থাকলে এ ধরনের সমস্যা হওয়ার কথা নয়।”
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ভবনের রং ও অন্যান্য কাজের মান নিয়ে তারা ইতোমধ্যে আপত্তি জানিয়েছেন। কাজের মান যথাযথভাবে নিশ্চিত না করা হলে তারা ভবনটি গ্রহণ না করার বিষয়েও অবস্থান জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী তদারকিতে গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ভবনের কাজের মান খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি, সরকারি অর্থে নির্মিত ভবনের কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়ে থাকলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিম্নমানের কাজ সংশোধন করে মানসম্মত উপকরণ দিয়ে কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন