পুলিশ জানায়, রোববার ভোরে ঘাঁটির দিকে যাচ্ছিল বলে ধারণা করা তিনটি সন্দেহজনক যানবাহনের বিষয়ে খবর পাওয়া যায়। পরে সশস্ত্র পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পাঁচ সন্দেহভাজনকে আটক করে।
ঘটনার পর ওই এলাকায় প্রায় ৪০০ মিটার (প্রায় শূন্য দশমিক ২ মাইল) এলাকাজুড়ে নিরাপত্তাবেষ্টনী দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যরা সন্দেহজনক ভ্যানগুলো পরীক্ষা করেন। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আশপাশের প্রায় ৮৫টি পরিবারকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা কারা বা তাদের সঙ্গে কারা জড়িত থাকতে পারে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সন্দেহভাজনরা ‘বড় ধরনের ক্ষতি’ করার পরিকল্পনা করেছিল। তিনি জানান, ঘটনাটি নিয়ে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ঘটনাটিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য ‘গভীরভাবে উদ্বেগজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন।
ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিটি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সামরিক বাহিনী ব্যবহার করে আসছে। গত মার্চ থেকে এই ঘাঁটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাচ্ছে। এ ছাড়া ঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বোমারু বিমানগুলোকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালানো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় আঘাত করার অনুমতিও দিয়েছে যুক্তরাজ্য।
এর আগে গত জুলাইয়ে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) সতর্ক করে বলেছিল, ইরানে হামলার কাজে ব্যবহৃত যেকোনো সামরিক ঘাঁটিকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এরপর যুক্তরাজ্য জানিয়েছিল, দেশটির সামরিক বাহিনী যুক্তরাজ্যকে সুরক্ষিত রাখতে প্রস্তুত রয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পুলিশ জানায়, রোববার ভোরে ঘাঁটির দিকে যাচ্ছিল বলে ধারণা করা তিনটি সন্দেহজনক যানবাহনের বিষয়ে খবর পাওয়া যায়। পরে সশস্ত্র পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পাঁচ সন্দেহভাজনকে আটক করে।
ঘটনার পর ওই এলাকায় প্রায় ৪০০ মিটার (প্রায় শূন্য দশমিক ২ মাইল) এলাকাজুড়ে নিরাপত্তাবেষ্টনী দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যরা সন্দেহজনক ভ্যানগুলো পরীক্ষা করেন। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আশপাশের প্রায় ৮৫টি পরিবারকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা কারা বা তাদের সঙ্গে কারা জড়িত থাকতে পারে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সন্দেহভাজনরা ‘বড় ধরনের ক্ষতি’ করার পরিকল্পনা করেছিল। তিনি জানান, ঘটনাটি নিয়ে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ঘটনাটিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য ‘গভীরভাবে উদ্বেগজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন।
ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিটি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সামরিক বাহিনী ব্যবহার করে আসছে। গত মার্চ থেকে এই ঘাঁটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাচ্ছে। এ ছাড়া ঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বোমারু বিমানগুলোকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালানো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় আঘাত করার অনুমতিও দিয়েছে যুক্তরাজ্য।
এর আগে গত জুলাইয়ে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) সতর্ক করে বলেছিল, ইরানে হামলার কাজে ব্যবহৃত যেকোনো সামরিক ঘাঁটিকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এরপর যুক্তরাজ্য জানিয়েছিল, দেশটির সামরিক বাহিনী যুক্তরাজ্যকে সুরক্ষিত রাখতে প্রস্তুত রয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা

আপনার মতামত লিখুন