প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যক্তিগত একটি উড়োজাহাজে আবুধাবি যান নেতানিয়াহু। তবে ওই বৈঠকে কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সে সম্পর্কে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কোনো মন্তব্য করেনি।
দ্য জেরুজালেম পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার কিছু পর তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর থেকে নেতানিয়াহুকে বহনকারী বিমানটি উড্ডয়ন করে। পরে বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে সেটি আবুধাবিতে অবতরণ করে। প্রায় চার ঘণ্টা আমিরাতে অবস্থান শেষে সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে বিমানটি ইসরাইলের উদ্দেশে আবার যাত্রা করে।
চলতি মাসে হারেৎজে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের পর নেতানিয়াহুর এবারের সফর নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার প্রায় দেড় সপ্তাহ আগে মোহাম্মদ বিন জায়েদ নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছিলেন যে, হামাস ইসরাইলের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে এই সতর্কবার্তা ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা কিংবা সামরিক বাহিনীর কাছে পৌঁছায়নি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।
হারেৎজের ওই প্রতিবেদন নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে আমিরাত জানিয়েছে, ২০২০ সালে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ইসরাইল ও আমিরাতের মধ্যে ‘খোলামেলা ও সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা’ রয়েছে। এর আগে আমিরাতের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন, দেশটি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনা করে থাকে, তবে জাতীয় নেতাদের পর্যায়ে নয়।
চলতি বছরের শুরুতে নেতানিয়াহুর কার্যালয় দাবি করেছিল, মে মাসে তিনি গোপনে আমিরাত সফর করে দেশটির প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। পরে আমিরাতের পক্ষ থেকে শেখ মোহাম্মদের সঙ্গে এমন কোনো বৈঠকের কথা অস্বীকার করা হয়। তবে বৈঠকটির বিষয়ে অবগত একটি সূত্র তখন রয়টার্সকে জানিয়েছিল, ২৬ মার্চ আবুধাবির সীমান্তবর্তী মরূদ্যান শহর আল-আইনে নেতানিয়াহু ও শেখ মোহাম্মদের মধ্যে বৈঠক হয়েছিল।
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের সময় হামলার মুখে পড়ার পর আমিরাত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক আরও জোরদার করেছে। ২০২০ সালের আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের আওতায় ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে আমিরাত। রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইসরাইলের সঙ্গে এই সম্পর্ক আঞ্চলিক প্রভাব বাড়ানোর পাশাপাশি ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে আমিরাতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে সুবিধা দিয়েছে।
সূত্র: আমার দেশ

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যক্তিগত একটি উড়োজাহাজে আবুধাবি যান নেতানিয়াহু। তবে ওই বৈঠকে কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সে সম্পর্কে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কোনো মন্তব্য করেনি।
দ্য জেরুজালেম পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার কিছু পর তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর থেকে নেতানিয়াহুকে বহনকারী বিমানটি উড্ডয়ন করে। পরে বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে সেটি আবুধাবিতে অবতরণ করে। প্রায় চার ঘণ্টা আমিরাতে অবস্থান শেষে সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে বিমানটি ইসরাইলের উদ্দেশে আবার যাত্রা করে।
চলতি মাসে হারেৎজে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের পর নেতানিয়াহুর এবারের সফর নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার প্রায় দেড় সপ্তাহ আগে মোহাম্মদ বিন জায়েদ নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছিলেন যে, হামাস ইসরাইলের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে এই সতর্কবার্তা ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা কিংবা সামরিক বাহিনীর কাছে পৌঁছায়নি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।
হারেৎজের ওই প্রতিবেদন নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে আমিরাত জানিয়েছে, ২০২০ সালে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ইসরাইল ও আমিরাতের মধ্যে ‘খোলামেলা ও সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা’ রয়েছে। এর আগে আমিরাতের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন, দেশটি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনা করে থাকে, তবে জাতীয় নেতাদের পর্যায়ে নয়।
চলতি বছরের শুরুতে নেতানিয়াহুর কার্যালয় দাবি করেছিল, মে মাসে তিনি গোপনে আমিরাত সফর করে দেশটির প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। পরে আমিরাতের পক্ষ থেকে শেখ মোহাম্মদের সঙ্গে এমন কোনো বৈঠকের কথা অস্বীকার করা হয়। তবে বৈঠকটির বিষয়ে অবগত একটি সূত্র তখন রয়টার্সকে জানিয়েছিল, ২৬ মার্চ আবুধাবির সীমান্তবর্তী মরূদ্যান শহর আল-আইনে নেতানিয়াহু ও শেখ মোহাম্মদের মধ্যে বৈঠক হয়েছিল।
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের সময় হামলার মুখে পড়ার পর আমিরাত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক আরও জোরদার করেছে। ২০২০ সালের আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের আওতায় ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে আমিরাত। রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইসরাইলের সঙ্গে এই সম্পর্ক আঞ্চলিক প্রভাব বাড়ানোর পাশাপাশি ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে আমিরাতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে সুবিধা দিয়েছে।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন