প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, এরদোয়ানের বিরুদ্ধে আইনি নথি তৈরির জন্য একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় দলকে নির্দেশ দিয়েছেন নেতানিয়াহু। একই সঙ্গে ইসরাইলের বিচার মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক আইন বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকেও এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। গত আগস্টে তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক জানান, গাজামুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় ইসরাইলি হস্তক্ষেপের ঘটনায় নেতানিয়াহুসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ চাওয়া হয়েছে।
আই২৪নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরদোয়ানের বিরুদ্ধে প্রস্তুত করা সম্ভাব্য মামলায় তুরস্কের কুর্দিদের প্রতি তার সরকারের আচরণ এবং হামাসের সঙ্গে তুরস্ক সরকারের সম্পর্ক ও কথিত অর্থায়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে।
ইসরাইল চাইলে সরাসরি হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) বিষয়টি উত্থাপন করতে পারে। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে মামলাটি আদালতে নেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এমনকি মামলা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ের না করে এর প্রস্তুতিকে এরদোয়ানের ওপর চাপ সৃষ্টির একটি উপায় হিসেবেও ব্যবহার করার পরিকল্পনা থাকতে পারে।
শুক্রবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নেতানিয়াহুর দেওয়া ভাষণের পরপরই প্রতিবেদনটি প্রকাশ্যে আসে। ওই ভাষণে তিনি এরদোয়ানকে একজন ‘স্বৈরাচারী’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
নেতানিয়াহুর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তুরস্কের এক কর্মকর্তা এটিকে ‘হতাশাপূর্ণ ও অন্তঃসারশূন্য প্রচেষ্টা’ বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর ভাষ্য, গাজায় ইসরাইলের ‘গণহত্যা’ এবং অধিকৃত পশ্চিম তীর, লেবানন, সিরিয়া ও অন্যান্য এলাকায় চলমান হামলা আড়াল করতেই এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল আইসিসি। তবে ইসরাইল ওই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাখ্যান করেছে।
সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, এরদোয়ানের বিরুদ্ধে আইনি নথি তৈরির জন্য একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় দলকে নির্দেশ দিয়েছেন নেতানিয়াহু। একই সঙ্গে ইসরাইলের বিচার মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক আইন বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকেও এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। গত আগস্টে তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক জানান, গাজামুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় ইসরাইলি হস্তক্ষেপের ঘটনায় নেতানিয়াহুসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ চাওয়া হয়েছে।
আই২৪নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরদোয়ানের বিরুদ্ধে প্রস্তুত করা সম্ভাব্য মামলায় তুরস্কের কুর্দিদের প্রতি তার সরকারের আচরণ এবং হামাসের সঙ্গে তুরস্ক সরকারের সম্পর্ক ও কথিত অর্থায়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে।
ইসরাইল চাইলে সরাসরি হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) বিষয়টি উত্থাপন করতে পারে। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে মামলাটি আদালতে নেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এমনকি মামলা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ের না করে এর প্রস্তুতিকে এরদোয়ানের ওপর চাপ সৃষ্টির একটি উপায় হিসেবেও ব্যবহার করার পরিকল্পনা থাকতে পারে।
শুক্রবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নেতানিয়াহুর দেওয়া ভাষণের পরপরই প্রতিবেদনটি প্রকাশ্যে আসে। ওই ভাষণে তিনি এরদোয়ানকে একজন ‘স্বৈরাচারী’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
নেতানিয়াহুর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তুরস্কের এক কর্মকর্তা এটিকে ‘হতাশাপূর্ণ ও অন্তঃসারশূন্য প্রচেষ্টা’ বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর ভাষ্য, গাজায় ইসরাইলের ‘গণহত্যা’ এবং অধিকৃত পশ্চিম তীর, লেবানন, সিরিয়া ও অন্যান্য এলাকায় চলমান হামলা আড়াল করতেই এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল আইসিসি। তবে ইসরাইল ওই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাখ্যান করেছে।
সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট

আপনার মতামত লিখুন