ফ্রান্স ইন্টার রেডিও ও ফ্রান্স ২ টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পশ্চিম তীরে চলমান ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে ইসরাইলি সরকারের অবস্থান অপরাধমূলক ও লজ্জাজনক পর্যায়ের প্রশ্রয়মূলক।
গত সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর বক্তব্যের পর বারো এ মন্তব্য করেন। ম্যাক্রোঁ বলেছিলেন, পশ্চিম তীরে প্রতিদিনই লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে এবং এসব কার নামে সংঘটিত হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠন হামাস পশ্চিম তীরে কখনো কার্যক্রম পরিচালনা করেনি।
ম্যাক্রোঁর বক্তব্যের সমালোচনা করে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে মন্তব্যটিকে ‘অহংকারী অযৌক্তিকতা’ হিসেবে উল্লেখ করে। একই বিবৃতিতে দাবি করা হয়, হামাসের সদস্যরা পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
তবে ম্যাক্রোঁর বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বারো বলেন, প্রেসিডেন্টের মন্তব্যকে তার প্রেক্ষাপট থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখা উচিত নয়। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের বক্তব্য স্পষ্ট—ইসরাইল সরকারের নীতি গাজা কিংবা পশ্চিম তীর, কোথাও হামাসকে দুর্বল করছে না।’
পশ্চিম তীরে হামাসের কার্যক্রম রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের সরাসরি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ কোনো উত্তর দেননি বারো।
তিনি জানান, এ বিষয়ে ফ্রান্সের অবস্থান ইসরাইলি সরকারের অবস্থান থেকে আলাদা। তার যুক্তি, হামাসকে দুর্বল করার প্রচেষ্টার কথা বলে পশ্চিম তীরের ঘটনাপ্রবাহের প্রতি যে প্রশ্রয়মূলক নীতি গ্রহণ করা হয়েছে, সেটিকে কোনোভাবেই যুক্তিসংগত বলে প্রমাণ করা যায় না।
বারো আরও জানান, ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিরুদ্ধে রাশিয়ার বৈরী তৎপরতা বেড়েছে।
তার ভাষ্য, এসব তৎপরতার মধ্যে অপপ্রচার, সাইবার অভিযান ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড রয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, রাশিয়ার কোনো ড্রোন দিয়ে ফ্রান্সের বিমানবন্দর অথবা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার আশঙ্কাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
তিনি আরও বলেন, ফ্রান্স দীর্ঘদিন ধরেই এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সূত্র: আমার দেশ

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফ্রান্স ইন্টার রেডিও ও ফ্রান্স ২ টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পশ্চিম তীরে চলমান ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে ইসরাইলি সরকারের অবস্থান অপরাধমূলক ও লজ্জাজনক পর্যায়ের প্রশ্রয়মূলক।
গত সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর বক্তব্যের পর বারো এ মন্তব্য করেন। ম্যাক্রোঁ বলেছিলেন, পশ্চিম তীরে প্রতিদিনই লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে এবং এসব কার নামে সংঘটিত হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠন হামাস পশ্চিম তীরে কখনো কার্যক্রম পরিচালনা করেনি।
ম্যাক্রোঁর বক্তব্যের সমালোচনা করে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে মন্তব্যটিকে ‘অহংকারী অযৌক্তিকতা’ হিসেবে উল্লেখ করে। একই বিবৃতিতে দাবি করা হয়, হামাসের সদস্যরা পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
তবে ম্যাক্রোঁর বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বারো বলেন, প্রেসিডেন্টের মন্তব্যকে তার প্রেক্ষাপট থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখা উচিত নয়। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের বক্তব্য স্পষ্ট—ইসরাইল সরকারের নীতি গাজা কিংবা পশ্চিম তীর, কোথাও হামাসকে দুর্বল করছে না।’
পশ্চিম তীরে হামাসের কার্যক্রম রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের সরাসরি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ কোনো উত্তর দেননি বারো।
তিনি জানান, এ বিষয়ে ফ্রান্সের অবস্থান ইসরাইলি সরকারের অবস্থান থেকে আলাদা। তার যুক্তি, হামাসকে দুর্বল করার প্রচেষ্টার কথা বলে পশ্চিম তীরের ঘটনাপ্রবাহের প্রতি যে প্রশ্রয়মূলক নীতি গ্রহণ করা হয়েছে, সেটিকে কোনোভাবেই যুক্তিসংগত বলে প্রমাণ করা যায় না।
বারো আরও জানান, ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিরুদ্ধে রাশিয়ার বৈরী তৎপরতা বেড়েছে।
তার ভাষ্য, এসব তৎপরতার মধ্যে অপপ্রচার, সাইবার অভিযান ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড রয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, রাশিয়ার কোনো ড্রোন দিয়ে ফ্রান্সের বিমানবন্দর অথবা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার আশঙ্কাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
তিনি আরও বলেন, ফ্রান্স দীর্ঘদিন ধরেই এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন