টেক্সাসের ব্রাউনসভিলের কাছে মেক্সিকো উপসাগরের স্টারবেস কমপ্লেক্স থেকে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। মিশনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কক্ষপথে নতুন স্যাটেলাইট পাঠানো। উড্ডয়নের পর একটি ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেলেও পরবর্তী সময়ে অন্য ইঞ্জিনগুলোর সহায়তায় জটিলতা কাটিয়ে রকেটটি মহাকাশের ২৬৯ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে যায়। এরপর সফলভাবে ২৬টি স্টারলিংক ভি৩ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়।
স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, ২৬টি স্টারলিংক ভি৩ বাণিজ্যিক স্যাটেলাইটই নির্ধারিত কক্ষপথে সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে এবং সেগুলো স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে। স্টারশিপের এটিই ছিল প্রথম বাণিজ্যিক ফ্লাইট, যেখান থেকে আয় হওয়ার কথা ছিল। একু পার্টস কম্পোনেন্টসের কোয়ালিটি ম্যানেজার ডিন স্ল্যাডেন এই অর্জনকে বড় ধরনের সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
মিশনের শেষ পর্যায়ে প্রশান্ত মহাসাগরে নিয়ন্ত্রিত অবতরণের সময় থ্রাস্টারচালিত কৌশলের মাধ্যমে যানটিকে সোজা অবস্থায় আনা হয়। তবে সমুদ্রের সংস্পর্শে আসার পর রকেটটিতে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন ধরে যায়। স্পেসএক্স আগে থেকেই সমুদ্র থেকে রকেটটি উদ্ধার বা পুনরায় ব্যবহারের কোনো পরিকল্পনা করেনি।
নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান নিরাপদ ও দায়িত্বশীল পদ্ধতিতে এই সাফল্য অর্জনের জন্য স্পেসএক্সকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই উৎক্ষেপণের পর স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম ২ শতাংশ কমেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান বাজারমূল্য ২ ট্রিলিয়ন ডলার। নতুন প্রযুক্তির ভি৩ স্যাটেলাইটগুলো আগের সংস্করণের তুলনায় ১০ গুণ বেশি ডেটা প্রক্রিয়াজাত করতে সক্ষম।
২০২৩ সাল থেকে চলমান এই উন্নয়ন কর্মসূচিতে স্পেসএক্স ১৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করেছে।
সূত্র: রয়টার্স

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টেক্সাসের ব্রাউনসভিলের কাছে মেক্সিকো উপসাগরের স্টারবেস কমপ্লেক্স থেকে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। মিশনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কক্ষপথে নতুন স্যাটেলাইট পাঠানো। উড্ডয়নের পর একটি ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেলেও পরবর্তী সময়ে অন্য ইঞ্জিনগুলোর সহায়তায় জটিলতা কাটিয়ে রকেটটি মহাকাশের ২৬৯ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে যায়। এরপর সফলভাবে ২৬টি স্টারলিংক ভি৩ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়।
স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, ২৬টি স্টারলিংক ভি৩ বাণিজ্যিক স্যাটেলাইটই নির্ধারিত কক্ষপথে সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে এবং সেগুলো স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে। স্টারশিপের এটিই ছিল প্রথম বাণিজ্যিক ফ্লাইট, যেখান থেকে আয় হওয়ার কথা ছিল। একু পার্টস কম্পোনেন্টসের কোয়ালিটি ম্যানেজার ডিন স্ল্যাডেন এই অর্জনকে বড় ধরনের সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
মিশনের শেষ পর্যায়ে প্রশান্ত মহাসাগরে নিয়ন্ত্রিত অবতরণের সময় থ্রাস্টারচালিত কৌশলের মাধ্যমে যানটিকে সোজা অবস্থায় আনা হয়। তবে সমুদ্রের সংস্পর্শে আসার পর রকেটটিতে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন ধরে যায়। স্পেসএক্স আগে থেকেই সমুদ্র থেকে রকেটটি উদ্ধার বা পুনরায় ব্যবহারের কোনো পরিকল্পনা করেনি।
নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান নিরাপদ ও দায়িত্বশীল পদ্ধতিতে এই সাফল্য অর্জনের জন্য স্পেসএক্সকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই উৎক্ষেপণের পর স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম ২ শতাংশ কমেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান বাজারমূল্য ২ ট্রিলিয়ন ডলার। নতুন প্রযুক্তির ভি৩ স্যাটেলাইটগুলো আগের সংস্করণের তুলনায় ১০ গুণ বেশি ডেটা প্রক্রিয়াজাত করতে সক্ষম।
২০২৩ সাল থেকে চলমান এই উন্নয়ন কর্মসূচিতে স্পেসএক্স ১৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করেছে।
সূত্র: রয়টার্স

আপনার মতামত লিখুন