বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিয়েভের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস’ ভবনে রাশিয়ার একটি ড্রোন সরাসরি আঘাত হানে। এতে দুজন নিহত হন এবং ভবনটিতে ভয়াবহ আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের ফলে কয়েকজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন। তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন জরুরি উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো জানিয়েছেন, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে চালানো হামলায় অন্তত ২৪ জন আহত হয়েছেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, এবারের হামলায় মস্কো আগের তুলনায় আরও দ্রুতগতির এবং বেশি উচ্চতায় উড়তে সক্ষম জেটচালিত ড্রোন ব্যবহার করেছে। ইউক্রেনের আকাশসীমায় পাঠানো ১২০টি ড্রোনের মধ্যে ৯০টি ছিল জেটচালিত।
নতুন ধরনের এসব ড্রোন ঠেকানো কঠিন হয়ে উঠেছে জানিয়ে জেলেনস্কি বলেন, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রায় ৫৭ শতাংশ ড্রোন ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। নতুন প্রযুক্তির এই ড্রোন মোকাবিলার উপায় খুঁজছে কিয়েভ।
অন্যদিকে এক ভাষণে জেলেনস্কি দাবি করেন, নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা আরও জোরদার করেছে মস্কো। তার দাবি, রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে এরই মধ্যে ৮ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা অবস্থান করছে এবং আরও ১০ হাজার সেনাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তবে নতুন করে সেনা নিয়োগ ও সমাবেশের এসব দাবি ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
রাশিয়ার হামলার জবাবে ইউক্রেনও দেশটির ক্রাসনোদার অঞ্চলের তেল স্থাপনা এবং দুটি সমরাস্ত্র কারখানায় সফল ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে।
সূত্র: ইত্তেফাক

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিয়েভের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস’ ভবনে রাশিয়ার একটি ড্রোন সরাসরি আঘাত হানে। এতে দুজন নিহত হন এবং ভবনটিতে ভয়াবহ আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের ফলে কয়েকজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন। তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন জরুরি উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো জানিয়েছেন, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে চালানো হামলায় অন্তত ২৪ জন আহত হয়েছেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, এবারের হামলায় মস্কো আগের তুলনায় আরও দ্রুতগতির এবং বেশি উচ্চতায় উড়তে সক্ষম জেটচালিত ড্রোন ব্যবহার করেছে। ইউক্রেনের আকাশসীমায় পাঠানো ১২০টি ড্রোনের মধ্যে ৯০টি ছিল জেটচালিত।
নতুন ধরনের এসব ড্রোন ঠেকানো কঠিন হয়ে উঠেছে জানিয়ে জেলেনস্কি বলেন, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রায় ৫৭ শতাংশ ড্রোন ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। নতুন প্রযুক্তির এই ড্রোন মোকাবিলার উপায় খুঁজছে কিয়েভ।
অন্যদিকে এক ভাষণে জেলেনস্কি দাবি করেন, নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা আরও জোরদার করেছে মস্কো। তার দাবি, রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে এরই মধ্যে ৮ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা অবস্থান করছে এবং আরও ১০ হাজার সেনাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তবে নতুন করে সেনা নিয়োগ ও সমাবেশের এসব দাবি ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
রাশিয়ার হামলার জবাবে ইউক্রেনও দেশটির ক্রাসনোদার অঞ্চলের তেল স্থাপনা এবং দুটি সমরাস্ত্র কারখানায় সফল ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে।
সূত্র: ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন