বুধবারের মধ্যে সেনা প্রত্যাহার পুরোপুরি শেষ করার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেই সর্বশেষ মার্কিন ঘাঁটিগুলো থেকেও সেনাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রত্যাহারকে ইরানের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ‘ঐতিহাসিক বিজয়’ হিসেবে অভিহিত করছে।
মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে ইরানও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য একটি বিজয় হিসেবে দেখছে। ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আজিজি বলেছেন, একসময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল অঞ্চলটি ছেড়ে চলে যাবে। তবে ইরান ও তাদের প্রতিবেশী দেশগুলো সেখানেই থাকবে।
ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের উপপ্রধান আমির হায়াত মোঘাদ্দামও মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে স্বাগত জানিয়েছেন। তার মতে, মার্কিন বাহিনীসহ বিদেশি সেনারা ইরাক থেকে চলে গেলে দেশটিতে স্থায়ী নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হবে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ইরান-সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে আঞ্চলিক সংঘাতে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ করে আসছে। সম্প্রতি সৌদি আরবও দাবি করেছে, দেশটির ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে হামলার সূত্র ইরাকের ভূখণ্ড থেকে পাওয়া গেছে। বাগদাদ ওই হামলার নিন্দা জানিয়ে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স ও আল জাজিরা

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবারের মধ্যে সেনা প্রত্যাহার পুরোপুরি শেষ করার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেই সর্বশেষ মার্কিন ঘাঁটিগুলো থেকেও সেনাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রত্যাহারকে ইরানের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ‘ঐতিহাসিক বিজয়’ হিসেবে অভিহিত করছে।
মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে ইরানও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য একটি বিজয় হিসেবে দেখছে। ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আজিজি বলেছেন, একসময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল অঞ্চলটি ছেড়ে চলে যাবে। তবে ইরান ও তাদের প্রতিবেশী দেশগুলো সেখানেই থাকবে।
ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের উপপ্রধান আমির হায়াত মোঘাদ্দামও মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে স্বাগত জানিয়েছেন। তার মতে, মার্কিন বাহিনীসহ বিদেশি সেনারা ইরাক থেকে চলে গেলে দেশটিতে স্থায়ী নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হবে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ইরান-সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে আঞ্চলিক সংঘাতে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ করে আসছে। সম্প্রতি সৌদি আরবও দাবি করেছে, দেশটির ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে হামলার সূত্র ইরাকের ভূখণ্ড থেকে পাওয়া গেছে। বাগদাদ ওই হামলার নিন্দা জানিয়ে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স ও আল জাজিরা

আপনার মতামত লিখুন