রাজপ্রাসাদ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে মারাকেশের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মানসুরিকে নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সংসদ নির্বাচনের ফল প্রকাশের চার দিন পর এই ঘোষণা আসে। ওই নির্বাচনে ফাতিমার মধ্যপন্থী দল অথেনটিসিটি অ্যান্ড মডার্নিটি পার্টি (পিএএম) সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছে।
তবে মরক্কোর নির্বাচনি ব্যবস্থায় কোনো একটি দলের এককভাবে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা কঠিন। ফলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মানসুরিকে জোট সরকার গঠন করতে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মানসুরির নিয়োগের মধ্য দিয়ে আরব বিশ্বে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া নারীর সংখ্যা দাঁড়াল দুইয়ে। এর আগে তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন নাজলা বাউডেন।
এদিকে ফাতিমা জাহরা মানসুরির নেতৃত্বে নতুন সরকারের সামনে ২০৩০ ফিফা বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে কয়েক বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তদারকির পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, মানুষের আয় বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব থাকবে।
মরক্কোর সংবিধান অনুযায়ী, দেশটির সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী রাজা এবং প্রধানমন্ত্রীও তিনি নিয়োগ দেন। তবে সংসদ নির্বাচনে সর্বাধিক আসন পাওয়া রাজনৈতিক দলের একজন প্রার্থীকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিতে হয়। ২০১১ সালে আরব বসন্তের বিক্ষোভের পর এই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা চালু হয়। এর আগে রাজা কোনো ধরনের বিধিনিষেধ ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করতে পারতেন।
২০০৮ সালে ফুয়াদ আলি এল হিম্মার প্রতিষ্ঠিত পিএএমে যোগ দেন ফাতিমা। এল হিম্মা রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদের শৈশবের বন্ধু এবং ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা। ফ্রান্সের মঁপেলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক করা ফাতিমা ২০২৪ সালে দলটির অন্যতম প্রধান নেতায় পরিণত হন। এর আগে তিনি দুই মেয়াদে মারাকেশের মেয়র এবং সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ফাতিমা মানসুরি আবদের রহমান এল মানসুরির মেয়ে। তার বাবা ‘মারাকেশের পাশা’ নামে পরিচিত ছিলেন। পাশাপাশি ফাতিমা শহরের বার অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বও দিয়েছেন।
নিবন্ধিত মোট ১ কোটি ৫৮ লাখ ভোটারের মধ্যে গত সপ্তাহের নির্বাচনে ১০ লাখ ভোটার অথেনটিসিটি অ্যান্ড মডার্নিটি পার্টিকে ভোট দিয়েছেন। এর মাধ্যমে দলটি প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবারের মতো নির্বাচনে জয় পেয়েছে।
সূত্র: আমার দেশ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজপ্রাসাদ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে মারাকেশের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মানসুরিকে নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সংসদ নির্বাচনের ফল প্রকাশের চার দিন পর এই ঘোষণা আসে। ওই নির্বাচনে ফাতিমার মধ্যপন্থী দল অথেনটিসিটি অ্যান্ড মডার্নিটি পার্টি (পিএএম) সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছে।
তবে মরক্কোর নির্বাচনি ব্যবস্থায় কোনো একটি দলের এককভাবে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করা কঠিন। ফলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মানসুরিকে জোট সরকার গঠন করতে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মানসুরির নিয়োগের মধ্য দিয়ে আরব বিশ্বে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া নারীর সংখ্যা দাঁড়াল দুইয়ে। এর আগে তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন নাজলা বাউডেন।
এদিকে ফাতিমা জাহরা মানসুরির নেতৃত্বে নতুন সরকারের সামনে ২০৩০ ফিফা বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে কয়েক বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তদারকির পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, মানুষের আয় বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব থাকবে।
মরক্কোর সংবিধান অনুযায়ী, দেশটির সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী রাজা এবং প্রধানমন্ত্রীও তিনি নিয়োগ দেন। তবে সংসদ নির্বাচনে সর্বাধিক আসন পাওয়া রাজনৈতিক দলের একজন প্রার্থীকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিতে হয়। ২০১১ সালে আরব বসন্তের বিক্ষোভের পর এই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা চালু হয়। এর আগে রাজা কোনো ধরনের বিধিনিষেধ ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করতে পারতেন।
২০০৮ সালে ফুয়াদ আলি এল হিম্মার প্রতিষ্ঠিত পিএএমে যোগ দেন ফাতিমা। এল হিম্মা রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদের শৈশবের বন্ধু এবং ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা। ফ্রান্সের মঁপেলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক করা ফাতিমা ২০২৪ সালে দলটির অন্যতম প্রধান নেতায় পরিণত হন। এর আগে তিনি দুই মেয়াদে মারাকেশের মেয়র এবং সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ফাতিমা মানসুরি আবদের রহমান এল মানসুরির মেয়ে। তার বাবা ‘মারাকেশের পাশা’ নামে পরিচিত ছিলেন। পাশাপাশি ফাতিমা শহরের বার অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বও দিয়েছেন।
নিবন্ধিত মোট ১ কোটি ৫৮ লাখ ভোটারের মধ্যে গত সপ্তাহের নির্বাচনে ১০ লাখ ভোটার অথেনটিসিটি অ্যান্ড মডার্নিটি পার্টিকে ভোট দিয়েছেন। এর মাধ্যমে দলটি প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবারের মতো নির্বাচনে জয় পেয়েছে।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন