এ ছাড়া মাদক সংক্রান্ত পৃথক অভিযানে মোঃ সাগর মাহমুদ (২৬), মোঃ আহসান হাবিব (২০) এবং মোঃ জিসান হাসান কাজী ওরফে মুন্না (২১)-কে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের বাড়ি যথাক্রমে কদমতলী মধ্যপাড়া, ধলিরচর ও কদমতলী এলাকায়; তিনজনই গাবতলী থানার এলাকার বাসিন্দা।
অন্য একটি অভিযানে ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মোঃ স্বাধীন মিয়া (২৬) নামে একজনকে আটক করা হয়। তিনি লতিফ সরকারের ছেলে এবং সারিয়াকান্দি থানার গোয়াল বাতান (প্রামাণিকপাড়া) এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ আরও জানায়, শিশু ধর্ষণের ঘটনায় আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত দুই শিশুকেও আটক করে থানায় আনা হয়। তবে তাদের বিষয়ে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।
সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ জানায়, মাদকসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে তাদের বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে এর আগেও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে, যেগুলো বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন।
তবে মামলায় অভিযুক্ত হওয়া বা পুলিশের অভিযোগ ওঠা কোনো ব্যক্তির অপরাধ আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগে আইনগতভাবে প্রমাণিত বলে গণ্য হয় না।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
এ ছাড়া মাদক সংক্রান্ত পৃথক অভিযানে মোঃ সাগর মাহমুদ (২৬), মোঃ আহসান হাবিব (২০) এবং মোঃ জিসান হাসান কাজী ওরফে মুন্না (২১)-কে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের বাড়ি যথাক্রমে কদমতলী মধ্যপাড়া, ধলিরচর ও কদমতলী এলাকায়; তিনজনই গাবতলী থানার এলাকার বাসিন্দা।
অন্য একটি অভিযানে ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মোঃ স্বাধীন মিয়া (২৬) নামে একজনকে আটক করা হয়। তিনি লতিফ সরকারের ছেলে এবং সারিয়াকান্দি থানার গোয়াল বাতান (প্রামাণিকপাড়া) এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ আরও জানায়, শিশু ধর্ষণের ঘটনায় আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত দুই শিশুকেও আটক করে থানায় আনা হয়। তবে তাদের বিষয়ে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।
সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ জানায়, মাদকসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে তাদের বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে এর আগেও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে, যেগুলো বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন।
তবে মামলায় অভিযুক্ত হওয়া বা পুলিশের অভিযোগ ওঠা কোনো ব্যক্তির অপরাধ আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগে আইনগতভাবে প্রমাণিত বলে গণ্য হয় না।

আপনার মতামত লিখুন