ঠাকুরগাঁও জেলার ভূল্লী উপজেলার বড় বালিয়া গ্রামে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীর বসতঘর। ৪ অক্টোবর ২০২৬ রবিবার দুপুর ৩ টায় বড় বালিয়া গ্রামে জব্বার মাস্টারের মিল সংলগ্ন এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে পরিবারটির ১ টি রান্নাঘর সহ ২টি শোয়ার ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গেছে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত গৃহকর্তা শাহাদত হোসেন সাপুরিয়া পেশায় একজন ক্ষুদ্র ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী। ঘটনার সময় তিনি ও তাঁর স্ত্রী কাজের প্রয়োজনে বাইরে ছিলেন। বাড়িতে কেবল তাঁর দুই শিশু সন্তান—৬ বছরের নুশরাত ও ৫ বছরের শামিম অবস্থান করছিল।
হঠাৎ করে ঘরে আগুন লাগলে মুহূর্তের মধ্যে তা পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। শিশুদের চিৎকার ও আগুনের শিখা দেখে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে আসেন এবং সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফলে অলৌকিকভাবে প্রাণে রক্ষা পায় নিষ্পাপ দুটি শিশু।
তবে অগ্নিকাণ্ডে শাহাদত হোসেনের পরিধানের কাপড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট থাকেনি। রান্নাঘর ও দুটি থাকার ঘর ছাই হয়ে যাওয়ায়, দুই অবুঝ সন্তানকে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়েছেন এই নিঃস্ব বাবা-মা। সাধ্যমতো ব্যবসা দাঁড় করানোর আকুতি জানানো পরিবারটির এখন জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
ঠাকুরগাঁও জেলার ভূল্লী উপজেলার বড় বালিয়া গ্রামে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীর বসতঘর। ৪ অক্টোবর ২০২৬ রবিবার দুপুর ৩ টায় বড় বালিয়া গ্রামে জব্বার মাস্টারের মিল সংলগ্ন এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে পরিবারটির ১ টি রান্নাঘর সহ ২টি শোয়ার ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গেছে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত গৃহকর্তা শাহাদত হোসেন সাপুরিয়া পেশায় একজন ক্ষুদ্র ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী। ঘটনার সময় তিনি ও তাঁর স্ত্রী কাজের প্রয়োজনে বাইরে ছিলেন। বাড়িতে কেবল তাঁর দুই শিশু সন্তান—৬ বছরের নুশরাত ও ৫ বছরের শামিম অবস্থান করছিল।
হঠাৎ করে ঘরে আগুন লাগলে মুহূর্তের মধ্যে তা পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। শিশুদের চিৎকার ও আগুনের শিখা দেখে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে আসেন এবং সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফলে অলৌকিকভাবে প্রাণে রক্ষা পায় নিষ্পাপ দুটি শিশু।
তবে অগ্নিকাণ্ডে শাহাদত হোসেনের পরিধানের কাপড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট থাকেনি। রান্নাঘর ও দুটি থাকার ঘর ছাই হয়ে যাওয়ায়, দুই অবুঝ সন্তানকে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়েছেন এই নিঃস্ব বাবা-মা। সাধ্যমতো ব্যবসা দাঁড় করানোর আকুতি জানানো পরিবারটির এখন জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন