ভোলার মনপুরায় কাজিরচরের ইউপি সদস্য ও ১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মোঃ শরিফকে পিঠিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
আহত ইউপি মেম্বারের ভাই ও উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা রুবেল ভূঁইয়া ৬ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।
রোববার দুপুর সাড়ে ১২ টায় উপজেলার কলাতলীর ইউনিয়নের কাজীরচর অভিযান চালিয়ে মনপুরা থানা পুলিশ দুই আসামীকে গ্রেফতার করে।
পরে দুপুর ২ টায় আটককৃত আসামীদের আদালতে সোর্পদ করে জানিয়েছেন ওসি মাজাহারুল ইসলাম।
আটকৃত আসামীদ্বয় হলেন, মোঃ জুয়েল (২৫) ও মোঃ ছালাউদ্দিন (৩৬)। এদের দুইজনের বাড়ি কলাতলী ইউনিয়নের কাজীরচরে ১ ও ২ নং ওয়ার্ডে।
এজাহার সূত্রে ও বাদী রুবেল ভূঁইয়া জানান, শনিবার সকালে সাড়ে ৬ টায় মামলার আসামীরা তার ভাই ইউপি মেম্বার মোঃ শরিফের কাছে চাঁদা দাবী করে। পরে চাঁদার বদলে মহিষ নিয়ে যাওয়ার সময় ইউপি মেম্বার বাধা দিলে তখন আসামীরা পিঠিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যায়। তিনি নিজে বাদী হয়ে ৬ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
এদিকে ইউপি মেম্বারকে পিঠিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেওয়ার ঘটনায় নিজেদের নির্দোষ দাবী করেন গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ ছালাউদ্দিন ও মোঃ জুয়েল।
তারা জানান, হামলার ঘটনায় তারা জড়িত নয়।রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাদের আসামী করা হয়েছে।
এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, মামলার ৬ আসামীর মধ্যে দুইজনকে আটক করে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে। মামলার অপর চার আসামীকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
ভোলার মনপুরায় কাজিরচরের ইউপি সদস্য ও ১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মোঃ শরিফকে পিঠিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
আহত ইউপি মেম্বারের ভাই ও উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা রুবেল ভূঁইয়া ৬ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।
রোববার দুপুর সাড়ে ১২ টায় উপজেলার কলাতলীর ইউনিয়নের কাজীরচর অভিযান চালিয়ে মনপুরা থানা পুলিশ দুই আসামীকে গ্রেফতার করে।
পরে দুপুর ২ টায় আটককৃত আসামীদের আদালতে সোর্পদ করে জানিয়েছেন ওসি মাজাহারুল ইসলাম।
আটকৃত আসামীদ্বয় হলেন, মোঃ জুয়েল (২৫) ও মোঃ ছালাউদ্দিন (৩৬)। এদের দুইজনের বাড়ি কলাতলী ইউনিয়নের কাজীরচরে ১ ও ২ নং ওয়ার্ডে।
এজাহার সূত্রে ও বাদী রুবেল ভূঁইয়া জানান, শনিবার সকালে সাড়ে ৬ টায় মামলার আসামীরা তার ভাই ইউপি মেম্বার মোঃ শরিফের কাছে চাঁদা দাবী করে। পরে চাঁদার বদলে মহিষ নিয়ে যাওয়ার সময় ইউপি মেম্বার বাধা দিলে তখন আসামীরা পিঠিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যায়। তিনি নিজে বাদী হয়ে ৬ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
এদিকে ইউপি মেম্বারকে পিঠিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেওয়ার ঘটনায় নিজেদের নির্দোষ দাবী করেন গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ ছালাউদ্দিন ও মোঃ জুয়েল।
তারা জানান, হামলার ঘটনায় তারা জড়িত নয়।রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাদের আসামী করা হয়েছে।
এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, মামলার ৬ আসামীর মধ্যে দুইজনকে আটক করে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে। মামলার অপর চার আসামীকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন